সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছিল পাকিস্তান। সেটাই ভারতের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে জয় পাকিস্তানের। এরপর দুই ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও দুই এশিয়া কাপে দুই দল মুখোমুখি হলেও জয়ের দেখা পায়নি পাকিস্তান। এশিয়া কাপের একটি ম্যাচ অবশ্য পরিত্যক্ত হয়েছিল।
২০১৭ সালের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জেতা পাকিস্তান এবার আর ভারতের সামনে পেরে উঠবে না বলে মনে করেন ভারতের ধারাভাষ্যকার ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকার।
দুই দলের সবশেষ ১৫ ম্যাচে ১০ ম্যাচেই ভারতের জয় আর ৪টি ম্যাচে জয় পাকিস্তানের। একটি ম্যাচ হয়েছে পরিত্যক্ত। তবে সবমিলিয়ে এগিয়ে পাকিস্তান। তাদের ৭৩ জয়ের বিপরীতে ভারতের জয় ৫৭টি। এতে করে স্পষ্ট একটা সময় ভারতের সামনে কতটা দাপুটে ছিল পাকিস্তান।
দুবাইয়ের কন্ডিশনে ভালোকিছু করতে হলে স্পিনারদের ভালো করতে হবে। কিন্তু পাকিস্তানের স্কোয়াডে বিশেষজ্ঞ স্পিনার শুধুমাত্র একজন। তিনি হলেন আবরার আহমেদ। এর বাইরে সালমান আগা কিংবা খুশদিল শাহ যেমন বোলিং করেন তা ভারতকে ভোগানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
সেই কথা বলেছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকারও। ধারাভাষ্যকার দীপ দাশগুপ্তের প্রশ্নের জবাবে এই সাবেক ক্রিকেটার বলেন, ‘পাকিস্তান এখন ভারতের মানের কাছাকাছিও নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করেছে, আর এবার পাকিস্তান তো আরও দুর্বল।’
দুবাইতে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে দুই দলের ৫ স্পিনার ভালো বল করেছেন। এরি জায়গায় বড় ঘাটতি দেখছেন মাঞ্জরেকার, ‘এই কন্ডিশনে সফল হতে ভালো স্পিনার দরকার, কিন্তু পাকিস্তান দলে শুধু একজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার আছে—আবরার আহমেদ। তারা সালমান আগা বা খুশদিল শাহকে ব্যবহার করতে পারে, তবে তারা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের বিপদে ফেলার জন্য যথেষ্ট নয়। পেস বোলিংয়েরও খুব একটা প্রভাব পড়বে না।’
তবে গত এক দশকে ভারতের প্রায় একতরফা পারফরম্যান্সের পরও অবশ্য এই ম্যাচের উত্তেজনা কমেনি বলে মনে করেন মাঞ্জেরেকার, ‘এই লড়াইয়ের উত্তেজনা একটুও কমেনি। মানের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড ম্যাচটি কিছুটা ভালো হতে পারে, তবে যদি কোনো ভারতীয় বা পাকিস্তানি সমর্থককে জিজ্ঞেস করেন, তারা অবশ্যই রোববারের ম্যাচটাকে বেছে নেবে।’