ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে সেখান থেকে দলকে একাই টেনে তোলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। তার জোড়া গোলে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিয়ে রাউন্ড অব ১৬-তে জায়গা করে নেয় ১৯৬৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা।
বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। শ্যান্সেল মবেম্বার হেড থেকে বল বক্সের ভেতরে গেলে সুযোগ কাজে লাগান ব্রায়ান সিপেঙ্গা। কাছ থেকে নেওয়া শটে তিনি জালে বল পাঠান। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড চেষ্টা করেও ঠেকাতে পারেননি।
১৭ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি করে ইংল্যান্ড। মার্কাস রাশফোর্ডের ক্রসে জুড বেলিংহ্যাম হেড করতে গেলেও কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি দ্রুত এগিয়ে এসে বল পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করেন।
ম্যাচের ৩০ মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। ডেকলান রাইসের নিখুঁত ক্রসে বেলিংহামের হেড দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন এমপাসি।
এরপর একের পর এক আক্রমণে চাপ বাড়ায় ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনের স্লাইডিং শট আটকে দেন রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা। অন্যদিকে রাশফোর্ডের শট গোললাইনের সামনে থেকে ব্লক করেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা।
ডিআর কঙ্গোও সুযোগ তৈরি করে। ইয়োয়ানে উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৪৩তম মিনিটে হ্যারি কেইনকে বক্সে ফাউল করা হলেও পেনাল্টি দেননি রেফারি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েও (৪৫+২) ইংল্যান্ডের হতাশা বাড়ে। বেলিংহামের হেড ও এরপর কেইনের শট—দুটিই দুর্দান্তভাবে রুখে দেন এমপাসি। ফলে বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে ডিআর কঙ্গো।
দ্বিতীয়ার্ধেও এমপাসি ছিলেন দুর্ভেদ্য। ৫৪ মিনিটে বেলিংহামের শট ডিফ্লেকশন হয়ে জালে ঢোকার সম্ভাবনা তৈরি হলেও দারুণ সেভ করেন তিনি।
তবে ৭৫ মিনিটে অবশেষে ভাঙে কঙ্গোর প্রতিরোধ। অ্যান্থনি গর্ডনের ক্রসে দারুণ হেডে গোল করেন হ্যারি কেইন। বল হাতে লাগলেও জালে যাওয়া ঠেকাতে পারেননি এমপাসি।
ম্যাচের ৮৬ মিনিটে আবারও জ্বলে উঠেন ইংলিশ অধিনায়ক। অ্যান্থনি গর্ডনের পাস পেয়ে বক্সের ভেতর ঢুকে জায়গা করে নিয়ে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। তাতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
ইনজুরি সময়ের শেষ দিকে ফ্রি-কিক পায় ডিআর কঙ্গো। তবে ইয়োয়ানে উইসার শট সামান্য বাইরে চলে গেলে শেষ হয় তাদের লড়াই।
শেষ পর্যন্ত রেফারির বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। ইংলিশ শিবিরের পাশাপাশি উল্লাসে মাতে পুরো স্টেডিয়াম। জোড়া গোল করে দলের নায়ক হয়ে রাউন্ড অব ১৬-তে তুললেন হ্যারি কেইন।
এসজি/