বগুড়ায় ভুয়া সনদ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে চাকরির সুযোগ করে দেওয়ায় সন্তানহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলামের নামে তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বগুড়ায় স্পেশাল আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস এম আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতের একটি সূত্র জানায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের দেওয়া ভুয়া সনদ নিয়ে ২০০১ সালে খুলনায় রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স পুলিশে চাকরি শুরু করেন বেলাল হোসেন। একই ধরনের সনদ নিয়ে আহসান হাবিব বগুড়ায় আমর্ড পুলিশে চাকরিতে যোগদান করেন ২০১১ সালে। আর ২০১৯ সালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে চাকরি নেন ফরহাদ হোসেন।
এ বিষয়টি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের নজরে এলে প্রাথমিক তদন্ত শেষে মন্ত্রণালয় তা অনুসন্ধানের জন্য ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠায়। তদন্ত শেষে গত ৩১ জানুয়ারি মামলা করে দুদক। বিষয়টি এখন বগুড়ার আদালতে বিচারাধীন।
পিপি এস এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ভুয়া সনদ দিয়ে ওই তিনজন সরকারি তহবিল থেকে বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে প্রায় ৮২ লাখ টাকা। ভুয়া সনদ দিয়ে সহযোগিতা আর সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) বেলাল হোসেন, নায়েক আহসান হাবিব ও ফায়ার ফাইটার ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।’