ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার ধৈর্যই আমাদের জয়ের চাবিকাঠি:  স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১৩ বিরতি ভেঙে ফিরছেন বুবলি নামাজের শেষ মুহূর্তের এক মহামূল্যবান সুযোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী কলকাতার নন্দনে নন্দিত বাংলাদেশের ‘সম্পর্ক’ মহাকালের পটে এক ঋজু পদচ্ছাপ: আবুল কাসেম ফজলুল হক ও বাঙালির মননবিশ্বের বিবর্তন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫৪ গবেষকের পিএইচডি-এমফিল ডিগ্রি অর্জন এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর স্মরণে বরিশালে দোয়া মাহফিল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে! যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে বাজেট প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নাকি সংস্কারের হারানো সুযোগ ঢলে ভাসছে চকরিয়া-পেকুয়া, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু ‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র মেসি ও সালাহর সামনে রেকর্ডের হাতছানি জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫ ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সদাচারী জ্ঞানসাধক আবুল কাসেম ফজলুল হক কিনব্রিজের পাদদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন চট্টগ্রামে দেয়ালধসে নিহত ১, শিশুসহ আহত তিন টানা বৃষ্টির প্রভাব, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র অবিরাম বৃষ্টিতে ঝুঁকিতে বান্দরবান, খোলা হলো ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র কারণ জানুন বিশ্ববাজারে ব্যবসা বাড়াতে নতুন রূপে ‘টিপসই’ মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে যেভাবে শুরু হয়েছিল মেসি-অধ্যায় এআই ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ

নারী ফ্যাশনশিল্পে বিপুল সম্ভাবনা সৌদির

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১১:১২ এএম
নারী ফ্যাশনশিল্পে বিপুল সম্ভাবনা সৌদির
সৌদি আরবের একটি শপিং মলে দুই নারী। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের একটি বিরাট অংশ দখল করে আছে নারীদের ফ্যাশন পোশাক। গত পাঁচ বছরে এটি সৌদির দ্রুত বর্ধনশীল খুচরা বিক্রয়ের খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের সমগ্র খুচরা বাজারের এক-চতুর্থাংশ দখল করছে ফ্যাশন খাতটি। এ কারণে এই খাতের বিপুল সম্ভাবনা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক একটি বাজার গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রেডসিয়ার।
 
গবেষণা অনুযায়ী, সৌদি আরবের ফ্যাশনশিল্পের বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের (২০০ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল) বেশি হবে এবং খাতের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য ডি২সি (ডাইরেক্ট-টু-কনজ্যুমার) ব্র্যান্ডগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে আবির্ভূত হবে। নারীদের ক্রমবর্ধমান কর্মক্ষমতা, পোশাকের পশ্চিমাকরণ, সামাজিক মিডিয়ার প্রভাব বৃদ্ধি এবং অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্মগুলোর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি কারণগুলো সৌদি আরবের ফ্যাশন পোশাক সেগমেন্টের অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি।

গবেষণায় রেডসিয়ার বলছে, একদল তরুণ ও প্রযুক্তি সচেতন জনগোষ্ঠী, যাদের কাছে অতিরিক্ত ব্যয় করার জন্য পর্যাপ্ত আয়ের উৎস রয়েছে, তারা সুবিধা ও ব্যক্তিগত চাহিদার কারণে অনলাইন ফ্যাশনের প্রবৃদ্ধিতে একটা বড় ভূমিকা রাখছে।

ফ্যাশনশিল্পের বিকাশের নেতৃত্বে অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো
শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অ্যামাজন, শেইন, টেমু, সান অ্যান্ড স্যান্ড স্পোর্টস, নুন ও নামশিসহ বিশ্বব্যাপী ও আঞ্চলিক বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি খুচরা বিক্রেতা ও অনলাইন কোম্পানির উত্থান সৌদি আরবের বাজারে নারী ফ্যাশন পোশাকের বৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিয়েছে।

সেনোমি রিটেইল, সেন্টারপয়েন্ট, মধ্যপ্রাচ্যের বিলাসবহুল অনলাইন রিটেইলার ওউনাস, তুর্কি ফ্যাশন পোশাক প্রধান ট্রেন্ডিওল এবং ফ্যাশন ও জুতার প্রধান কোম্পানি আলশায়া গ্রুপ সৌদির দ্রুত বর্ধমান ফ্যাশন পোশাক সেগমেন্টের অন্যতম প্রধান প্রতিযোগী। দেশের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার জন্য সৌদি সরকারের তেলবহির্ভূত খাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সম্প্রতি গ্রহীত নীতিগুলো এবং ফ্যাশন কোম্পানিগুলোর প্রবেশ বাজারের প্রবৃদ্ধিকে সহজ করেছে।

সৌদি আরবের শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ, পশ্চিমা পোশাকের প্রবণতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন শপিংয়ের প্রভাবের ফলে ফ্যাশনশিল্প পরিবর্তিত হচ্ছে। 

নীতি বাস্তবায়ন, বিভিন্ন নন-অয়েল খাতসহ রিটেল খাতে বহু বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সৌদি আরবের অর্থনীতিকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন ডলারে (৫ দশমিক ৫০ ট্রিলিয়ন সৌদি রিয়ালের) পৌঁছাতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রেডসিয়ার গবেষণায় দেখা গেছে, অনলাইন রিটেল সৌদি আরবের বাজারে ফ্যাশন পণ্যের প্রসারে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। ২০২০ সালের তুলনায় এটি পাঁচগুণ বেড়ে দেশটির সামগ্রিক ফ্যাশন রিটেল বাজারের ২০ শতাংশ অবদান রাখছে। এ ছাড়া অনলাইন বিক্রয় সেগমেন্টের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিতে ৯০ শতাংশ অবদান রেখেছে বলে ধারণা করা হয়।

দুবাইভিত্তিক রেডসিয়ার স্ট্র্যাটেজি কনসালট্যান্টসের পার্টনার সন্দীপ গানেডিওয়ালা বলেন, সৌদি আরবে ফ্যাশনের একটি প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে অনলাইন, এই খাত থেকে ৯০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এসেছে। সন্দীপ গানেডিওয়ালা বলেন, শেইন ও ওমনি-চ্যানেল ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতো অনলাইন ফ্যাশন কেন্দ্রিক খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতামূলক দামে বহু পণ্য সরবরাহ করে, যার ফলে এই উচ্চমাত্রার প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

রেডসিয়ার মতে, সামনের দিনগুলোতে সৌদি ফ্যাশনশিল্পটি ২০০ বিলিয়ন সৌদি রিয়ালের (৫৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) মার্কেটে রূপান্তরিত হবে, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য অনলাইন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠবে।

ডি২সি ব্র্যান্ডগুলোর প্রাধান্য বাড়বে
গবেষণাটি বলছে, যদিও ই-টেইলিং (অনলাইন খুচরা বিক্রি) বিশেষজ্ঞ ও ওমনি-চ্যানেলগুলো (একই কোম্পানির পণ্য বিক্রির বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম) বর্তমানে ফ্যাশন পোশাক সেগমেন্টকে প্রাধান্য দিচ্ছে। স্থানীয় প্রবণতা ও চাহিদার বিভিন্নতা বাড়ার ফলে ভবিষ্যতে স্থানীয় ডি২সি ব্র্যান্ডগুলোর জন্য উর্বর ক্ষেত্র তৈরি হবে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে নারীদের সব ধরনের কাজে যোগ দেওয়ার জন্য আরও বেশি অফিশিয়াল আউটওয়্যারের প্রয়োজন হবে, এটি আরও বেশি স্থানীয় ডি২সি ব্র্যান্ডের চাহিদা বাড়াবে বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।

সৌদির ক্রেতাদের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যা তথা ৪৫ শতাংশ ট্রেন্ডি। তবে তারা সহজ ফ্যাশন পছন্দ করে। গাড়ি চালানোর জন্য আরামদায়ক পোশাক, জুতা এবং এক্সেসরিজের প্রয়োজন হয়, যার ফলে ট্রেন্ডি এবং স্টাইলিশ পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। একই সঙ্গে, খেলাধুলায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ স্পোর্টসওয়্যারের চাহিদা বাড়াবে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

রেডসিয়ার মতে, আবায়াকে একটি আধুনিক ও উচ্চমানের পোশাক হিসেবে পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে, যা দেশটিতে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া ফ্যাশন ট্রেন্ডে অবদান রাখছে। প্রতিষ্ঠানটির বিশেষজ্ঞরা জানান, চুল ও মাথার সাজসজ্জার বাজারও ব্যাপকভাবে প্রসারিত হচ্ছে। কারণ দেশটিকে এখন আর নারীদের জন্য মাথা ঢাকা বাধ্যতামূলক নয়। গবেষণাটি বলেছে, সৌদি আরবের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্রেতা নতুন স্থানীয় ব্র্যান্ডের জিনিসই কিনতে চেষ্টা করেন এবং ৫৫ শতাংশ মানুষ বিভিন্নতা খুঁজছেন, যার ফলে স্থানীয় ডি২সি ব্র্যান্ডগুলোর জন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে। রেডসিয়ার আরও বলেছে, সৌদির ক্রেতাদের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যা অর্থাৎ ৪৫ শতাংশই ট্রেন্ডি কিন্তু মার্জিত ফ্যাশন পছন্দ করতে চায়।

গানেদিওয়ালা বলেন, ল্যান্ডমার্ক ও কামাল ওসমান জামজুমের (কেওজে) মতো বাজারের প্রতিযোগীরা সফলভাবে স্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড তৈরি করে এবং সেগুলোকে সরাসরি অফলাইনে গ্রাহকদের কাছে নিয়ে গেছে।

রেডসিয়ারের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী বলেন, সৌদির গ্রাহকরা তাদের কেনাকাটায় খুব ডিজিটাল হয়ে উঠছে এবং তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ নতুন স্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড কেনার চেষ্টা করছে। আমরা আশা করি ভবিষ্যতে স্থানীয় অনলাইনভিত্তিক সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে (ডি২সি) ব্র্যান্ডগুলো ফ্যাশন খাতকে আরও এগিয়ে নেবে।

বর্তমানে ই-টেইলিং বিশেষজ্ঞরা সৌদি আরবে ফ্যাশন রিটেইল বাজারের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যা মোট বিক্রির ৫০ শতাংশ অবদান রাখছে। এরপরেই ওমনি-চ্যানেলগুলোর অবদান ৩০ শতাংশ বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। [অ্যারাবিয়ান বিজনেসের প্রতিবেদন থেকে অনুবাদ করেছেন ইসমাঈল হোসাইন সোহেল]

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার
ইউএস ডলার। ছবি: সংগৃহীত

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮৪৭ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল-৬ (বিপিএম-৬) পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ১৯৯ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাঈম/

আজকের মুদ্রার বাজার: ৭ জুলাই, ২০২৬

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:১৪ এএম
আজকের মুদ্রার বাজার: ৭ জুলাই, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দিন দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ ছাড়াও পড়াশোনা, চিকিৎসা, ভ্রমণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রয়োজনে বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে আমাদের দেশের মুদ্রা বিনিময় করতে হয়।

একটা বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, মুদ্রার বিনিময় হার প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। আমরা প্রতিদিন সর্বশেষ বিনিময় হার তুলে ধরছি। আরও বিস্তারিত জানতে স্থানীয় ব্যাংক বা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা বা তাদের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা যেতে পারে।

মুদ্রা ক্রয় (টাকা) বিক্রয় (টাকা) বাড়ল/কমল
ইউএস ডলার     122.75 (ব্যাংক নির্ধারিত) 122.75 (ব্যাংক নির্ধারিত) --
ইউরো     140.54 140.57 --
ব্রিটেন পাউন্ড     164.49 164.54 --
অস্ট্রেলিয়ান ডলার     85.40 85.41 --
জাপানি ইয়েন 0.7579 0.7580 --
কানাডিয়ান ডলার 86.47 86.48 --
সুইস ক্রোনা 12.74 12.77 --
সিঙ্গাপুর ডলার 95.04 95.08 --
চায়না ইউয়ান     18.0813 18.0816 --
ইন্ডিয়ান রুপি     1.2876 1.2879 --
সৌদি রিয়াল 32.67 32.97 --
আরব আমিরাত দিরহাম 33.41 33.69  

সূত্র: (বাংলাদেশ ব্যাংক)

রিফাত/

জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৫২ এএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:০৭ এএম
জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের মাস মে-তে ছিল ৯.৪২ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা কমায় মূল্যস্ফীতিতে এই সামান্য স্বস্তি মিলেছে। 

সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত জুন মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। জুনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশে নেমেছে। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও সামান্য কমে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ থেকে কমে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশে এসেছে।

এদিকে, বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার কমলেও মাসভিত্তিক মূল্যবৃদ্ধি থেমে নেই। জুন মাসে জাতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক ১৪৫ দশমিক ৬১ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ১৪৬ দশমিক ১১ পয়েন্টে উঠেছে। অর্থাৎ এক মাসে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমলেও তা এখনো বাংলাদেশ ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রার অনেক ওপরে। বিশেষ করে চাল, ডাল, মাছ, মাংস, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমেনি। 

বিবিএসের তথ্য বলছে, গ্রাম ও শহর, উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। জুনে গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ থেকে কমে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ হয়েছে। শহরাঞ্চলে তা ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে কমে ৯ দশমিক ১০ শতাংশে নেমেছে।

খাদ্য মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রেও দুই এলাকাতেই উন্নতি হয়েছে। গ্রামে এ হার ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং শহরে ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনো তুলনামূলক বেশি। জুনে গ্রামীণ এলাকায় এ হার ছিল ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং শহরে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, শ্রমজীবী মানুষের আয়ের গতি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। জুনে জাতীয় পর্যায়ে মজুরি বৃদ্ধির হার হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ, যা মে মাসে ছিল ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি বৃদ্ধির হার প্রায় ১ শতাংশ কম থাকায় প্রকৃত আয় এখনো চাপে রয়েছে।

খাতভিত্তিক হিসাবে কৃষিতে মজুরি বেড়েছে ৮ দশমিক ২১ শতাংশ, শিল্পে ৮ দশমিক ১১ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তিন ক্ষেত্রেই আগের মাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার সামান্য কমেছে।

দীর্ঘমেয়াদি চিত্রে কিছুটা ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। বিবিএসের হিসাবে, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

অন্তরা/

লবণ চাষ: পকেট ভারী হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী ও মিল মালিকদের

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
লবণ চাষ: পকেট ভারী হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী ও মিল মালিকদের
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

দেশের বাজারে লবণের দাম বাড়লেও তার সুফল পাচ্ছেন না প্রান্তিক লবণচাষিরা। মাঠপর্যায়ের চাষিদের অভিযোগ–উৎপাদন খরচ বাড়লেও তারা লবণের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। মূলত বাজারজাতকরণ ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরে থাকা মধ্যস্বত্বভোগীরাই সিংহভাগ মুনাফা লুটে নিচ্ছেন। ফলে কায়িক শ্রম দেওয়া উৎপাদক এবং সাধারণ ভোক্তার পরিশোধ করা দামের মধ্যে একটি বিশাল ব্যবধান তৈরি হয়েছে। 

  • বাজারে লবণের দাম বাড়লেও প্রান্তিক লবণচাষিরা উৎপাদন খরচ অনুযায়ী ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না।
  • সংরক্ষণ সুবিধা ও অর্থায়নের অভাবে মৌসুমে চাষিরা কম দামে লবণ বিক্রি করতে বাধ্য হন।
  • সমবায়ভিত্তিক বিপণন, স্বচ্ছ সরবরাহব্যবস্থা এবং বাজার তদারকি জোরদার করা হলে লবণচাষিরা ন্যায্যমূল্য পাবেন।

লবণচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ চাষির পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা বা কার্যকর অর্থায়নের সুযোগ না থাকায় উৎপাদনের মৌসুমেই তাঁরা কম দামে লবণ বিক্রি করতে বাধ্য হন। পরে সেই লবণ বিভিন্ন হাত ঘুরে মিল, পাইকারি ও খুচরা বাজারে গিয়েই দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়।     

কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় লবণচাষিরা আরও অভিযোগ করেন, একসঙ্গে অনেক পরিমাণ লবণ উৎপাদিত হওয়ায় দাম কমে যায়। এ সময় সংরক্ষণ ব্যবস্থার অসুবিধা এবং পরবর্তী উৎপাদনের খরচ জোগাতে অনেক চাষি দ্রুত লবণ বিক্রি করেন। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা কম দামে লবণ কিনে মজুত করেন। পরে বাজারে সরবরাহ কমে এলে বেশি দামে তা বিক্রি করেন।

চকরিয়ার লবণচাষি মো. কামাল খবরের কাগজকে জানান, লবণ উৎপাদনের সময় প্রতি মণ লবণে খরচ হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা।  কিন্তু সেই লবণ বিক্রির সময় ২৫০ টাকার বেশি পাওয়া যায় না। এভাবে প্রতি মণে আমাদের লোকসান হয়। প্রতিবছরই লোকসানের ঝুঁকিতে  থাকি।

তিনি আরও বলেন, আমরা লবণ উৎপাদনের খরচ অনুযায়ী দাম পাই না। এই ঘটনা নতুন নয়। মধ্যস্বত্বভোগীরা আমাদের কাছ থেকে  অপরিশোধিত লবণ কিনে মিল মালিকদের কাছে লাভে বিক্রি করেন। মিল মালিকরা এই লবণ পরিশোধন করে বাজারে কয়েকগুণ লাভে বিক্রি করেন। এভাবে মধ্যস্বত্বভোগী ও  মিল মালিকরা সিন্ডিকেট করে আমাদের ঠকিয়ে লাভ করে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বেশি দামে লবণ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।  

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লবণের দাম প্রতি কেজি গড়ে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। ফ্রেশ, এসিআই, প্রাণ, তীর, মৌচাক ব্র্যান্ডের লবণ কেজি হিসেবে বিক্রি হয় ৪০ থেকে ৪২ টাকায়।

আরেক লবণচাষি বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের মিনজিরিতলা গ্রামের মোহাম্মদ ছগির খবরের কাগজকে জানান, বর্তমানে আমাদের লবণের সিজন নেই। এ সময়ে আমরা কিছু দাম পাই, তবে সেটা আহামরি লাভ হয় না। বর্তমানে লবণ উৎপাদন বন্ধ থাকায় কেজিপ্রতি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।  সিজনের সময় আরও কমে আমাদের থেকে লবণ ৪-৫ টাকা কেজি দরে ক্রয় করা হয়। সে হিসেবে আমাদের প্রতি মণ বিক্রি দাম দাঁড়ায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে। তাই আমাদের তেমন কোনো লাভ হয় না। বরং অনেক সময় লোকসান হয়। 

এদিকে, উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সরবরাহের একাধিক স্তর থাকায় প্রতিটি ধাপে মূল্য সংযোজনের পাশাপাশি মুনাফাও যোগ হয়। তবে কোথায় কত মুনাফা হচ্ছে, সে হিসাব না থাকায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয় এবং এর সুযোগ নিয়ে থাকে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।          

অন্যদিকে বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য থাকলেও অনেক সময় কৃত্রিম সংকটের ধারণা তৈরি হয়। এতে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা দেয়। ভোক্তারা বেশি দাম দিলেও সেই অর্থ লবণচাষি পর্যায়ে পৌঁছায় না।

ছানুয়া ইউনিয়নের লবণচাষি বোরহান উদ্দিন মিজান খবরের কাগজকে বলেন, আমাদের আসলে এই কাজে লাভ কিছুই নেই। যা লাভ আসে তা সব যায় ব্যবসায়ীদের পকেটে। বছর দুয়েক আগেও আমাদের মণপ্রতি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি হতো। কিন্তু এখন উৎপাদন খরচ যেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা হয়, সেখানে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার বেশি মিল মালিকদের থেকে দাম পাওয়া যায় না। বাজারে যেসব ব্র্যান্ডের লবণ পাওয়া যায়, সেগুলো দেখা যায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়।  

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি ও  সাবেক সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান খবরের কাগজকে বলেন, কৃষিপণ্যের মতো লবণের ক্ষেত্রেও বাজারব্যবস্থাকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ করতে হবে। উৎপাদকদের সংগঠিত করে সমবায়ভিত্তিক বিপণনব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং ভোক্তারাও তুলনামূলক কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, লবণের মতো পণ্যেও চাষিরা ঠকছেন। অন্যদিকে লাভবান হচ্ছে মিলমালিক ও মধ্যস্বত্বভোগীরা। ক্রেতাদেরও বেশি দামে লবণ কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

সারাদেশে বছরে লবণের চাহিদা

শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বিসিকের (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বার্ষিক লবণের মোট চাহিদা প্রায় ২৫ লাখ ৩০ হাজার টন। এর মধ্যে খাবার (ভোজ্য) লবণ ও অন্যান্য খাতে লাগে প্রায় ১৬ লাখ টন এবং বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় (টেক্সটাইল, ডাইং, চামড়া ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয় বাকি প্রায় ৯ লাখ টন।     

এদিকে, খাবার লবণের চাহিদা রয়েছে মোট চাহিদার বাকি ৫০ শতাংশ, যা প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন। এগুলো মিলগুলোতে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য রাখা হয়। তবে অপরিশোধিত লবণ ধুয়ে পরিষ্কার ও আয়োডিনযুক্ত করে যখন ভোজ্য লবণ বা প্যাকেটজাত খাবার লবণ তৈরি করা হয়, তখন বিভিন্ন প্রক্রিয়ার কারণে এর ওজন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম হয়। ফলে দেশের মানুষের বার্ষিক প্রকৃত খাবার লবণের ব্যবহার দাঁড়ায় প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ মেট্রিক টন।

খাবার লবণ ছাড়াও ভারী শিল্প ও চামড়া সংরক্ষণ, বিশেষ করে কোরবানির ঈদের সময় পশুর চামড়া কাঁচা রাখতে বছরে প্রায় ১ লাখ টন লবণের প্রয়োজন হয়, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যেমন শুঁটকি উৎপাদন ও গবাদি পশুর খাদ্য তৈরিতে বাকি লবণ ব্যবহৃত হয়।  

সূচক বাড়লেও লেনদেনে ভাটা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
সূচক বাড়লেও লেনদেনে ভাটা
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের মতো দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল সোমবার দেশের শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে দুই বাজারেই বেড়েছে মূল্যসূচক। তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতেই সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৬৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। দাম কমেছে ১৫৫টির এবং ৭১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮৩টির শেয়ার দাম বেড়েছে। ৮৫টির দাম কমেছে এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৩০টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৩৫টির এবং ১০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৫৩টির শেয়ার দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৩৫টির এবং ৩২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ১৭টির দাম বেড়েছে। ৩টির দাম কমেছে এবং ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স তার আগের দিনের তুলনায় ১২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক তার আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৯২ পয়েন্টে উঠে এসেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তার আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৫৩০ কোটি ৭ লাখ টাকা। লেনদেন কমেছে ১১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৭ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেক্সিমকোর শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ৩০ লাখ টাকার। ২৯ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট।

এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ড্রাগন সোয়েটার, আইটি কনসালটেন্টস, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্র্যাক ব্যাংক ও জেনেক্স ইনফোসিস।

অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৭৩ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৫টির দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৯৩টির এবং ২৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। তার আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৬৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।