ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মারিয়ানো রাখয়ের বর্ণবাদী মন্তব্যে যা বললেন স্পেন ডিফেন্ডার সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেক্সিকোতে ট্রাকের ধাক্কায় দুই শিশুসহ নিহত ১০ আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বর্জ্যের স্তূপ ধস, ৯ শ্রমিক নিহত ‘জুরাসিক পার্ক’ খ্যাত অভিনেতা স্যাম নিল আর নেই ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙলো ২০২৬ বিশ্বকাপ অধরা স্বপ্ন পূরণের মিশনে কেইন রাজশাহী চিড়িয়াখানাকে সাফারি পার্ক করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের সন্তানদের বিয়েতে সহায়তা তাপমাত্রা নীতিমালা নিয়ে আলোচনায় ফিফা ও ফিফপ্রো গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, পদ ১১ বন্যা পরিস্থিতিতে যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ধামরাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু, আশঙ্কায় স্থানীয়রা দাউদকান্দিতে বন্যায় বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান পেল সরকার শাহ আমানত বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণের চালান আটক বন্যায় মজুত পর্যাপ্ত হলেও দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শক্ত হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করুন ভোগান্তি দূর করতে তদারকি বাড়াতে হবে সারাদেশে নারীসহ ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু নেপালে জেন-জিদের রোষানলে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ধামরাইয়ে শ্বশুরবাড়ির সামনে জামাইয়ের আত্মহত্যা অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতিতে মুমিনের করণীয় ৫ আমল মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য ব্র্যাক-লেগো ফাউন্ডেশনের ‘স্প্ল্যাশ’ উদ্যোগ পারিশ্রমিকে কফি ডেট থেকে ট্যুর, ভাইরাল ‘রেন্টাল গার্লফ্রেন্ড’ মূল্যতালিকা কুমারখালীতে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ স্পেনকে ভয় নয়, সমীহ করছে ফ্রান্স

এইচএসসি পরীক্ষার লেখাপড়া: বাংলা দ্বিতীয় পত্র

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:৫৯ এএম
এইচএসসি পরীক্ষার লেখাপড়া: বাংলা দ্বিতীয় পত্র

ভাবসম্প্রসারণ

সুপ্রিয় ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও। আজ তোমাদের বাংলা দ্বিতীয় পত্র থেকে আরও ২টি ‘ভাবসম্প্রসারণ’ নিয়ে আলোচনা করা হলো।

গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন
নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন

ভাবসম্প্রসারণ: মানবজীবনের অত্যাবশ্যকীয় দুটি উপকরণ বিদ্যা এবং সম্পদ। জীবনে চলার পথে এর গুরুত্ব অপরিসীম। যে বিদ্যা আত্মস্থ নয় এবং যে ধন অপরের কাছে সঞ্চিত তা প্রয়োজনে কোনো কাজেই আসে না। এক্ষেত্রে ধন এবং বিদ্যা কোনোটিই আমাদের সত্যিকারের সম্পদ বলে বিবেচ্য নয়।

পৃথিবীর ইতিহাস এখন অনেক পুরোনো। জীবনযাত্রাও এখন অনেক জটিল। এ জীবন চলার পথে জ্ঞান আহরণের কোনো বিকল্প নেই। কারণ, এ ক্ষুদ্র জীবনে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সব জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের গ্রন্থের সাহায্য নিতেই হবে। গ্রন্থের তথ্য অধ্যয়ন করে বাস্তবতার নিরিখে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাস্তব জীবনে যখন কাজে লাগানো হয় তখনই সেটি প্রকৃত বিদ্যা বা জ্ঞান হয়ে ওঠে। সেই জ্ঞানই সত্যিকার অর্থে আমাদের আলোর পথ দেখায়। গ্রন্থে মানুষের চিন্তা-চেতনা, অভিজ্ঞতা, দর্শন প্রভৃতি লিপিবদ্ধ থাকে। গ্রন্থে আবদ্ধ মানব উৎকর্ষের সোনালি সাফল্যের স্বাদ গ্রহণ করতে হলে বই থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা হৃদয়ঙ্গম করতে হবে। বুঝতে হবে তার ভাষ্য, গভীরতা, মর্মার্থ। প্রচুর বই সংগ্রহ করা এবং তাকে হুবহু গলাধঃকরণ করে সেগুলো থেকে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে না। অধীত বিদ্যা যদি বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা না যায়, জীবনের উন্নতিতে যদি তা কাজে লাগানো না যায় তবে সে বিদ্যা কখনো সার্থকতার মুখ দেখে না। এ বিদ্যা হয়তো পরীক্ষা পাস কিংবা ভালো ফলাফলে সহায়ক কিন্তু জীবন চলার পথে তা সহায়তা করে না। নিছক লোক দেখানো ডিগ্রি অর্জনের জন্য গ্রন্থের শরণাপন্ন হলে যথার্থ জ্ঞান অর্জন করা যায় না। প্রয়োজনের সময় সেসব জ্ঞান যথার্থ অর্থে প্রয়োগ করা যায় না। তেমনিভাবে ধন-সম্পদের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য। বর্তমান সভ্যতার উৎকর্ষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে অর্থের কোনো বিকল্প নেই। ধন-সম্পদের সদ্ব্যবহার বিশ্বে বয়ে আনে নতুন নতুন কল্যাণবার্তা, উন্নয়নের প্রাণচাঞ্চল্যকর খবর। কিন্তু এসব কোনো কাজেই যদি সম্পদের ব্যবহার করা না যায়, তা যদি কেবল নাগালের বাইরেই থাকে, থাকে অন্যত্র স্তূপীকৃত কিংবা পরের হাতে গচ্ছিত, প্রয়োজনে যদি তা নিজের অধিকারে না থাকল তবে সে ধন থাকা না থাকা সমান কথা। কারণ পুঁথিতে যে বিদ্যা থাকে আর পরের হাতে যে ধন থাকে দুটিই সমান। দরকারের সময় সে বিদ্যা, বিদ্যা নয়। সে ধন, ধন নয়। যে বিদ্যা হৃদয়ঙ্গম করা থাকে সে জ্ঞান প্রকৃত জ্ঞান। আর যে ধন দিয়ে জরুরি মুহূর্তে প্রয়োজন মেটানো সম্ভব সেটাই সার্থক ধন।

বিদ্যা এবং ধন-সম্পদ যদি যথাযথ অবদান উপযোগী করে অর্জিত হয় তবে জীবন ও জগৎ বিকাশের ক্ষেত্রে সেসব আমাদের সত্যিকার উপকারে আসবে এবং অর্জিত হবে জীবনের সার্থকতা। 

দ্বার রুদ্ধ করে দিয়ে ভ্রমটাকে রুখি
সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?

ভাবসম্প্রসারণ: মানবমনের দ্বার সব সময়ই অবারিত রাখা প্রয়োজন। খোলা মন দিয়ে বিচার বিবেচনা করেই যথার্থকে উপলব্ধি করা প্রয়োজন। অন্যথা ঘটলে মানব মন স্থবির হয়ে পড়বে এবং জগৎ সংসার থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে পড়বে।

আমাদের যা কিছু আকাঙ্ক্ষিত প্রকৃতি থেকে আমরা সেটি নিষ্কণ্টক উপায়ে আহরণ করতে পারি না। সুখের সঙ্গে দুঃখের একটা যোগসূত্র থাকে। দুঃখকে অতিক্রম করেই সেই সুখের অনুভূতিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়। সত্যের আকরিক মিথ্যার নানা উপাদানের সঙ্গে মিশ্রিত থাকে। সুতরাং মিথ্যাকে পাশ কাটিয়ে সত্যকে লাভ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কোনো ভুল বা ভ্রান্ত ধারণা যেন মনে প্রবেশ করতে না পারে এ উদ্দেশ্যে যদি আমরা মনের দুয়ার বন্ধ করে রাখি তবে বাস্তবজ্ঞান মনের ভেতরে প্রবেশ করার রাস্তা খুঁজে পাবে না। তখন সে মানুষের পক্ষে সত্য উপলব্ধি করা বা সত্য জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে সঠিক পন্থা হলো জ্ঞান আহরণের জন্য মনের দুয়ার খোলা রাখা, সত্য বা মিথ্যা উভয় প্রকারের জ্ঞানই অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া এবং বিবেচনার মাধ্যমে মিথ্যাকে বর্জন করে সত্যকে হৃদয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে ধারণ করা। এক্ষেত্রে প্রয়োজন সঠিকভাবে বিবেচনাবোধ জাগ্রত করা। এ সংসারের দুর্গম পথে চলতে গেলেই আমরা পদে পদে ভুল-ভ্রান্তি করতে পারি। অভিজ্ঞতার আলোকে এসব ভুল আমরা অপনোদন করতে পারি। অবশেষে একসময় আমরা নির্ভুলভাবে পথ চলতে পারব। কিন্তু ভুলের ভয়ে যদি আমরা পথ চলাই বন্ধ করে দিই তবে সঠিক পথের সন্ধান আমরা কখনো পাব না। তেমনি দুর্ঘটনার ভয়ে আমরা যদি যাত্রাই না করি তবে গন্তব্যে পৌঁছানো কখনো সম্ভব হবে না। মহামূল্যবান খনিজ দ্রব্য সংগ্রহ করতে গেলে এটিকে যেমন আমরা বিভিন্ন অপদ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিত পাই সত্যও তেমনি মিথ্যা দিয়ে আবৃত থাকে। মহামূল্যবান খনিজ দ্রব্যকে বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে কারখানায় পরিশুদ্ধ করে তবেই ব্যবহার উপযোগী করা হয়। সত্যকেও তেমনি বিভিন্ন মিশ্রিত তথ্য থেকে সংগ্রহ করতে হবে এবং তাকে চিনে নিয়ে জীবনের জন্য কাজে লাগাতে হবে। মনের দ্বার রুদ্ধ করে দিলে বহু আকাঙ্ক্ষিত সেই সত্যের স্বাদ আমরা কখনো পাব না।

ভ্রম আমাদের সব সময়ের সঙ্গী। এটিকে বাদ দিয়ে পথ চলা সম্ভব নয়। ভুল হবে বলে পথ চলা বন্ধ না করে হৃদয়মনকে অবারিত রেখে সত্যের সন্ধানে অগ্রসর হওয়া উচিত।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

জাহ্নবী

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

অষ্টম অধ্যায় : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-৩

উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নের উত্তর লেখ।

বিশ্বব্যাপী শিশুদের রক্ষায় ১৯৪৬ সালে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে। এই সংগঠন শিশুদের অধিকার রক্ষা, শিশু নির্যাতন, শিশু বঞ্চনা, শিশু মৃত্যুহার প্রভৃতি প্রতিরোধ ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

ক. UNDP-এর একটি লক্ষ্য উল্লেখ করো।
খ. আন্তর্জাতিক সংস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে প্রদত্ত কার্যক্রমের সঙ্গে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্যক্রমের মধ্যে উক্ত সংস্থার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি’ উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর: ক.   UNDP-এর লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য হ্রাসকরণ। 

খ. আন্তর্জাতিক সংস্থা বলতে একাধিক জাতির সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনকে বোঝায়, যা একাধিক দেশে তার কার্যক্রমের বিস্তৃতি ঘটিয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বা জাতির সমন্বয়ে গঠিত যেসব সংস্থা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সমাজকল্যাণ কার্যক্রম প্রণয়ন, উন্নয়ন ও প্রসারে নিয়োজিত থাকে সেসব সংস্থাকেই আন্তর্জাতিক সংস্থা বলা হয়। যেমন- জাতিসংঘ, ইউনিসেফ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ইত্যাদি। এসব সংস্থা নিজ নিজ নীতিমালা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

গ. উদ্দীপকে প্রদত্ত কার্যক্রমের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের কার্যক্রমের সাদৃশ্য রয়েছে।
সারা বিশ্বের শিশুদের সার্বিক কল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে ১৯৪৬ সালে ইউনিসেফ যাত্রা শুরু করে। শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে ইউনিসেফ যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করে সেগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মসূচি অন্যতম। এ কর্মসূচির আওতায় ইউনিসেফ মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বিনামূল্যে নলকূপ স্থাপন, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধির টিকা দেওয়া জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী শিশুদের রক্ষায় ১৯৪৬ সালে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে। এই সংগঠন শিশুদের অধিকার রক্ষা, শিশু নির্যাতন, শিশু বঞ্চনা, শিশু মৃত্যুহার প্রভৃতি প্রতিরোধ ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ওই সংস্থার সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল বা ইউনিসেফের কার্যক্রমের মিল রয়েছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্যক্রমের মধ্যে ওই সংস্থা তথা ইউনিসেফের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি, উক্তিটি যথার্থ। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী শিশুদের সার্বিক কল্যাণে নানা ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করছে। সংস্থাটি উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের শিশুদের অকালমৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে মাতৃসদন ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালি ব্যবস্থা, যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিকার ও প্রতিরোধে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া পুষ্টিহীনতা মোকাবিলায় সংস্থাটি পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ, পুষ্টি সংক্রান্ত জ্ঞানদান, দুর্যোগ-পরবর্তী খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ নানা ধরনের পুষ্টিবিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। সেই সঙ্গে নারীদের কর্মোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য ইউনিসেফ নানা ধরনের বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচি নিয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করছে ইউনিসেফ। এইচআইভি আক্রান্ত শিশুদের জন্য সহায়তামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, শিশুর জন্ম পরিচয়কে নিশ্চিত করার জন্য জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম, মাতৃমৃত্যু হ্রাসকরণ প্রভৃতি কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দরিদ্র, অসহায়, এতিম ও দুস্থ শিশুদের সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে সংস্থাটি কাজ করছে। ইউনিসেফ যেকোনো ধরনের বৈষম্যের বিরোধী। বৈষম্যবিরোধী মনোভাব গড়ে তুলতে সংস্থাটি নারী শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
ওপরের আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে ইউনিসেফের সব কার্যক্রমের প্রতিফলন ঘটেনি।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৪৩। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল বক্তব্য হলো-
i. সততার শিক্ষা             
ii. নৈতিক চেতনার বিকাশ
iii. অপরের সম্পদ হরণ
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i            (খ) ii 
(গ) i ও ii      (ঘ) i, ii ও iii

৪৪। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পটিতে লেখক তাদের জয়গান গেয়েছেন, যারা-
i. অন্যের জিনিস ফিরিয়ে দেয়    
ii. সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে
iii. পড়ে পাওয়া দ্রব্য ভোগ করে
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i             (খ) ii 
(গ) i ও ii       (ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন :  পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

রিফাতের সারা জীবনের সাধনা, সে আমেরিকা যাবে। কিন্তু তার সামর্থ্য নেই। একদিন ট্রেনে শরিফ সাহেবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শরিফ সাহেব ট্রেন থেকে নামার সময় ভুলে তার ব্যাগটি ফেলে যান। রিফাত ব্যাগটি তুলে নেয় এবং দেখে ভেতরে ১০ লাখ টাকার একটি চেক। রিফাত ভাবে তার আমেরিকা যাওয়ার সাধ বুঝি এবার পূরণ হলো। কিন্তু রাতে ঘুমের ঘোরে রিফাত স্বপ্ন দেখে তার আদর্শবাদী স্কুল মাস্টার মৃত বাবা তাকে বলছেন ‘রিফাত তোকে অন্যের ধন আত্মসাৎ করার জন্য মানুষ করিনি।’ রিফাত চেকটি শরিফ সাহেবকে ফেরত দেয়।

৪৫। উদ্দীপকের রিফাতের মাঝে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন বিশেষ দিকটি ফুটে উঠেছে? 
(ক) আত্মসাৎ     (খ) অকল্যাণ 
(গ) সততা         (ঘ) সিদ্ধান্তহীনতা

উত্তর: ৪৩. গ, ৪৪. গ, ৪৫. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

তৃতীয় অধ্যায় : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৩৯। পূর্বানুমান নির্ভর করে-
i. বর্তমান উপাত্তের ওপর 
ii. গবেষণার ওপর
iii. অতীত অভিজ্ঞতার ওপর
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii         খ. i ও iii 
গ. ii ও iii         ঘ. i, ii ও iii 

৪০। ভালো পরিকল্পনায় যেসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়-
i. কী করা হবে এবং কে করবে 
ii. কোথায় করা হবে 
iii. কীভাবে এবং কখন করা হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii         খ. i ও iii 
গ. ii ও iii         ঘ. i, ii ও iii 

৪১। রাশেদ মিয়াগঞ্জে দীর্ঘদিন মুদির ব্যবসা করেন। তিনি বড় শিল্প  প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা করেছেন। তার এ পরিকল্পনা নিচের কোন মুখ্য কারণে উত্তম পরিকল্পনার বহির্ভূত হবে?
ক. পরিকল্পনা সহজে বোধগম্য হবে না 
খ. এর উদ্দেশ্য অস্পষ্ট থাকবে 
গ. এটি বাস্তবমুখিতার গুণ বিবর্জিত হবে 
ঘ. এটি সঠিক পথনির্দেশনা দিতে পারবে না

৪২। সেনাবাহিনীর একটা দল বিদ্রোহী অঞ্চলে অভিযানে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় উপকরণ ও লোকবল সবই সঙ্গে রয়েছে। উদ্দেশ্য বলে দেওয়া হলেও করণীয় বলা হয়নি। পরিকল্পনায় কোনটির অভাব রয়েছে?
ক. এটি বাস্তবমুখী নয় 
খ. এটি সহজবোধ্য নয়    
গ. এতে সঠিক পদনির্দেশনার অভাব রয়েছে 
ঘ. তথ্যটি নির্ভরশীলতা সমৃদ্ধ নয় 

আরো পড়ুন : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

৪৩। মি. সীমান্ত একটি কোম্পানির ব্যবস্থাপক। তিনি মুনাফার পরিমাণ ২৫% বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছেন। বিক্রি বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিতে তার জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিচের কোনটি?
ক. বিক্রি বৃদ্ধির টার্গেট নির্ধারণ করা
খ. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান করা
গ. প্রতিযোগীদের অবস্থা মূল্যায়ন করা
ঘ. কর্মীদের আন্তরিকতা বিবেচনা করা

৪৪। বাকিতে বিক্রি করে বিগত বছরগুলোয় এম ট্রেডার্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল কম লাভে পণ্য বেচবে কিন্তু বাকিতে বিক্রি করবে না। এটি কোন ধরনের পরিকল্পনা?
ক. লক্ষ্য নির্ধারণ         
খ. স্থায়ী পরিকল্পনা 
গ. একার্থক পরিকল্পনা     
ঘ. কার্যভিত্তিক পরিকল্পনা

৪৫। পানিতে আর্সেনিক দূষণ রোধ করার জন্য সরকার বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ পরিকল্পনাটি নিচের কোন ধরনের-
ক. কর্মসূচি        খ. কর্মপদ্ধতি 
গ. প্রকল্প           ঘ. প্রক্রিয়া 

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

বনলতা হাউজিং লিমিটেড ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত একটি পরিকল্পনা তৈরি করে। কিন্তু ২০১৩ সালে কোম্পানিটি প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করে পরিকল্পনাটি পুনঃমূল্যায়ন করে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করছে।

৪৬। নিচের কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে বনলতা হাউজিং লিমিটেডের পরিকল্পনা পুনঃমূল্যায়ন করা সম্ভব হয়েছে?
ক. বাস্তবমুখিতা     খ. নমনীয়তা 
গ. গ্রহণযোগ্যতা     ঘ. সহজবোধ্যতা 

উত্তর: ৩৯. খ, ৪০. ঘ, ৪১. গ, ৪২. গ, ৪৩. ঘ, ৪৪. খ, ৪৫. ক, ৪৬. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করছে। ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : সমন্বয় ও নিঃসরণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

নাফিজা বই পড়ে জানতে পারল যে, মানুষের ক্রোধ, লজ্জা, গরম, শীত, নিদ্রা, তাপ সংরক্ষণ ও চলন মস্তিষ্কের কোনো একটি অংশের কাজ।

২৬। মস্তিষ্কের কোন অংশ বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণ করে?
ক) মধ্যমস্তিষ্ক     
খ) লঘুমস্তিষ্ক 
গ) মেডুলা     
ঘ) গুরুমস্তিষ্ক

২৭। মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ কোনটি?
ক) চর্ম             খ) বৃক্ক 
গ) লোমকূপ     ঘ) ফুসফুস

২৮। মানবদেহে রেচন অঙ্গ কয়টি?
ক) ৫টি     খ) ৪টি 
গ) ৩টি     ঘ) ২টি

আরো পড়ুন : সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯। লঘুমস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে-
i. চলাফেরা 
ii. কথা বলা
iii. চিন্তা-চেতনা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     
খ) ii ও iii 
গ) i ও ii     
ঘ) i, ii ও iii

৩০। মেরুরজ্জুর বাইরের দিকে কোনটি থাকে?
ক) ধূসর পদার্থ     
খ) লাল পদার্থ 
গ) শ্বেত পদার্থ     
ঘ) হলুদ পদার্থ

উত্তর: ২৬. ঘ, ২৭. খ, ২৮. গ, ২৯. গ, ৩০. গ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ  পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর ভূমিরূপের পরিবর্তন। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায়: ভূমিরূপ পরিবর্তন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

২৬। সমভূমি অঞ্চলের নদী উপত্যকা- 
i. প্রশস্ত হয়    
ii. গভীর হয়
iii. সংকীর্ণ হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i      খ) ii
গ) iii     ঘ) i, ii ও iii

২৭। বাংলাদেশের কোন নদীকে ‘চর উৎপাদী’ নদী বলা হয়?
ক) যমুনা নদীকে    খ) পদ্মা নদীকে
গ) মেঘনা নদীকে    ঘ) তিস্তা নদীকে

২৮। বাংলাদেশের পাহাড়ি নদী নিচের কোনটি?
ক) পদ্মা       খ) সাংগু
গ) মেঘনা    ঘ) ধলেশ্বরী

২৯। ক্ষয়কাজের মাধ্যমে সৃষ্ট ভূমিরূপ কোনটি?
ক) জলপ্রপাত    খ) পলল কোণ
গ) পলল পাখা    ঘ) পশ্চাৎ ঢাল

৩০। যমুনা নদীর উৎপত্তি কোথায়? 
ক) গঙ্গোত্রী হিমবাহে    খ) নাগা-মনিপুরে
গ) লুসাই পাহাড়ে          ঘ) মানস সরোবরে

আরো পড়ুন : ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৩১। পদ্মা নদীর উৎপত্তি কোথায়?
ক) মানস সরোবরে    
খ) লুসাই পাহাড়ে
গ) নাগা-মনিপুরে    
ঘ) গঙ্গোত্রী হিমবাহে

৩২। যমুনা নদীর উপনদী নিচের কোনটি?
ক) তিস্তা        খ) পদ্মা
গ) মেঘনা        ঘ) গোমতি

৩৩। করতোয়া, তিতাস, আত্রাই কোন নদীর উপনদী?
ক) তিস্তা        খ) যমুনা
গ) মেঘনা        ঘ) ব্রহ্মপুত্র

নিচের চিত্রের আলোকে ৩৪ ও ৩৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

৩৪। ওপরের চিত্রে ‘ক’ চিত্রটি কোন ধরনের ভূমিরূপ?
ক) অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ    খ) প্লাব ভূমি     
গ) কর্দম ছিপি              ঘ) বাঁকের চর

৩৫। ওপরের চিত্রে ‘ক’ ভূমিরূপটি গঠিত হয়-
i. নদীর দুটি বাঁক পরস্পর সন্নিকটে প্রবাহিত হলে
ii. দুটি বাঁকের মধ্যবর্তী অংশ ক্ষয় হয়ে প্রবাহিত হলে
iii. বাঁকের মধ্যবর্তী অংশ ক্ষয় না হয়ে প্রবাহিত হলে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii         খ) i ও iii
গ) ii ও iii         ঘ) i, ii ও iii 

উত্তর: ২৬. ক, ২৭. ক, ২৮. খ, ২৯. ক, ৩০. ঘ, ৩১. ঘ, ৩২. ক, ৩৩. খ, ৩৪. ক, ৩৫. ক।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর