ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
পেনাল্টিতে ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন এমবাপ্পে বিশ্বকাপে স্পেনই সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ: নুনো মেন্দেস প্রথমার্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য, তবু গোলশূন্য ফ্রান্স বিশ্বকাপে কঠিন পরীক্ষার মুখে লামিনে ইয়ামাল প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ফ্রান্সের একাদশ ঘোষণা কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর প্রতিপক্ষ কে? কানাডাকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো ওনাহির গোলে এগিয়ে গেল মরক্কো কানাডা-মরক্কোর কার্ডে ভরা প্রথমার্ধ ছন্দহীন মরক্কোকে বাঁচালেন বুনু, গোলশূন্য প্রথমার্ধ টেন্ডুলকারের রেকর্ড এখন সূর্যবংশীর সালিশের রায়ে ক্ষুব্ধ, দাদাকে গুলি জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী: গণরায় বাস্তবায়নে জামায়াতের গণমিছিল ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা বেঞ্চে কানাডার অধিনায়ক, মরক্কোর একাদশে পরিবর্তন ‘ঘর বাড়ি’ অ্যাপ তৈরি করলেন বেরোবি শিক্ষার্থী লাঠিপেটার ভিডিও ভাইরাল, আলোচনায় ইউপি চেয়ারম্যান তিন দিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে বরগুনায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন সম্পন্ন ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটে জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করল বাংলাদেশ প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালের জীবনাবসান স্মার্টফোনের দাম কমাল টেকনো পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বাস্তবায়ন করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু সংকটে ইউরোপের অগ্নিদহন সিঙ্গাপুরসহ তিন দেশে এনআইডি কার্যক্রম চলতি মাসে শুরু অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘বাভি’ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ত্যাগের কথা তুলে ধরলেন মির্জা ফখরুল একটি বিকেল, তিনটি প্রাণ, আজীবনের শোক ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ১৩৯ জন হাসপাতালে

Unit-7, Lesson-6 (B)-এর ২টি প্রশ্নোত্তর, ১ম পর্ব, এসএসসি ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০১:৫৮ পিএম
আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:০০ পিএম
Unit-7, Lesson-6 (B)-এর ২টি প্রশ্নোত্তর, ১ম পর্ব, এসএসসি ইংরেজি ১ম পত্র
মানবতার প্রতি তার ভালোবাসা এবং করুণার জন্য বিশ্ব মাদার তেরেসাকে আজও স্মরণ করে। ছবি- সংগৃহীত
Unit-7, Lesson-6 (B) 
 
Read the passage. Then answer the question no-1, 2.
 
Mother Teresa was moved by the sight of the sick and dying on the streets of Kolkata. She founded a home for the dying destitute and named it 'Nirmal Hriday', meaning 'Pure Heart'. She and her fellow nuns brought the dying people off the streets of Kolkata to this home. They were lovingly looked after and cared for. Since then many men, women and children have been taken from the streets and carried to Nirmal Hriday. These unloved and uncared for people get an opportunity to die in an environment of kindness and love. In their last hours they get human and divine love, and can feel they are also children of God. The Missionaries of Charity try to find jobs for those who survive, or send them to homes where they can live happily for some more years in a caring environment. Regarding commitment to family, Mother Teresa said, "Maybe in our own family, we have somebody, who is feeling lonely, who is feeling sick, who is feeling worried. Are we there? Are we willing to give until it hurts in order to be with our families, or do we put our interest first? We must remember that love begins at home and we must also remember that the future of humanity passes through the family".
Mother Teresa's work has been recognised throughout the world and she received a number of awards. These include the Pope John XXIII Peace Prize (1971), the Nehru Prize for Promotion of International Peace & Understanding (1972), the Balzan Prize (1978), the Nobel Peace Prize (1979) and the Bharat Ratna (1980).
Mother Teresa died at the age of 87, on 5 September 1997.The world salutes her for her love and compassion for humanity. She has taught us how to extend our hand towards those who need our love and support irrespective of creed, caste and religion. The picture of Mother Teresa draped in a white and blue-bordered saree, with a wrinkled face, ever soft eyes and a saintly smile, lives on in our mind.
 
1.  Choose the best answer from the alternatives.
 
(a) What does the phrase ‘Missionaries of Charity’ mean?
i. the donating preachers  
ii. the preachers iii. the donors   
iv. all the answers are correct
(b) Mother Teresa was recognized --.
i. in our country only    
ii. throughout the world
iii. in India only
iv. in Asian continent only
(c) What were the uncared people given?
i. an environment of peaceful death    
ii. full medicine     
iii. job opportunity    
iv. an opportunity to get jobs
 

(d) -— moved Mother Teresa.
i. The condition of working people on the streets 
ii. The condition of dying people in her home
iii. The condition of ailing people on the streets  
iv. The condition of sick people in the world
(e) Mother Teresa is a symbol of ---.
i. love and beauty
ii. kindness and honesty
iii. love and kindness  
iv. cruelty and jealousy
(f) The word ‘divine’ means ---.
i. worldly       ii. social
iii. heavenly   iv. personal
(g) Mother Teresa smiled ---.
i. falsely      ii. sacredly
iii. sinfully    iv. impiously
 
Answer: 1. (a) i. the donating preachers, (b) ii. throughout the world, (c) i. an environment of peaceful death, (d) iii. The condition of ailing people on the streets, (e) iii. love and kindness, (f) iii. heavenly, (g) ii. sacredly.
 
2. Answer the following questions in your own words.
 
(a) Why does the world salute her?
(b) For what purpose did Mother Teresa establish "Nirmal Hriday”?
(c) Why did Mother Teresa emphasize on family?
 
Answer: 2. (a) The world salutes her for her love and compassion for humanity.
(b) Mother Teresa established 'Nirmal Hridoy' to look after the dying people in the streets of Kolkata and care for them.
(c) Mother Teresa knew the fact that a family is a primary social institution where people live. If happiness does not exist at this root, the chance of getting happiness on the part of any person is rare. As it is also known that charity begins at home, Mother Teresa emphasized on family.
 
লেখক : প্রভাষক
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, ঢাকা
 
কবীর

The Grocer and the Fruit seller বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৮ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম
The Grocer and the Fruit seller বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৮ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র
একজন ফলের দোকানদার ফল বিক্রি করছেন। ছবি- সংগৃহীত

Story Writing

The Grocer and the Fruit seller

One day a grocer borrowed a balance and weights from a fruit seller. After a few days, the fruit seller asked the grocer to return his balance and weights to him. The grocer said, ‘The mice ate away your balance and weights. I am sorry that I can’t return them to you.’ The lame excuse of the dishonest grocer made the fruit seller very angry. But he controlled his temper and said, ‘Never mind. I can’t blame you. It’s my bad luck.’ The grocer thought to himself, ‘The illiterate fruit seller is a great fool.’ Then one day, the fruit seller said to the grocer, ‘I am going to the town to do some shopping. Please send your son with me to carry my thongs. We will come back tomorrow.’ So the grocer sent his son with the fruit seller. The next day the fruit seller came back alone from the town. ‘Where is

আরো পড়ুন : An Honest Farmer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৭ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

my son?’ asked the grocer. ‘A crow carried your son away’ replied the fruit seller. ‘You liar. How can a crow carry away such a big boy?’ the grocer shouted angrily. ‘Just the same way as mice can eat away the balance and weights,’ said the fruit seller. The grocer understood the point He returned the balance and weights to the fruit seller and told him with tearful eyes, ‘I wronged you greatly by lying to you about your weight and balance. I will give them back to you. Please pardon me and give me back my son.’ Then the fruit seller sent the boy back to his father.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ১৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ১৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কাজের ভিত্তি কোনটি?
ক. সংগঠন         খ. পরিকল্পনা 
গ. নেতৃত্ব            ঘ. নিয়ন্ত্রণ 

২। ব্যবস্থাপনা চক্রে নিয়ন্ত্রণ-পরবর্তী কাজ কোনটি? 
ক. সমন্বয়         খ. প্রেষণা 
গ. পরিকল্পনা     ঘ. কর্মীসংস্থান

৩। ব্যবস্থাপনার কোন পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়?
ক. নিম্ন পর্যায়ে     খ. মধ্য পর্যায়ে 
গ. উচ্চ পর্যায়ে     ঘ. সব পর্যায়ে 

৪। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন সর্বোচ্চ কত বছরের জন্য প্রণীত হয়?
ক. ১ বছরের জন্য    
খ. ২ বছরের জন্য    
গ. ৩ বছরের জন্য    
ঘ. ৪ বছরের জন্য

৫। পরিকল্পনার অভিপ্রেত ফলকে কী বলে?
ক. কর্মসূচি     খ. কৌশল 
গ. প্রকল্প        ঘ. লক্ষ্য

৬। নিচের কোনটি স্থায়ী পরিকল্পনা বহির্ভূত?
ক. নীতি        খ. পদ্ধতি 
গ. প্রক্রিয়া     ঘ. কর্মসূচি

৭। নিচের কোনটি স্থায়ী পরিকল্পনা?
ক. বাজেট     খ. নীতি 
গ. প্রকল্প       ঘ. কর্মসূচি

৮। নিচের কোনটি এক ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরিকল্পনা?
ক. কৌশল     খ. প্রক্রিয়া 
গ. কর্মসূচি    ঘ. নীতি 

৯। কোন পরিকল্পনা ব্যবস্থাপকদের কর্মভার লাঘব করে?
ক. একার্থক          খ. স্থায়ী 
গ. মধ্যমেয়াদি      ঘ. দীর্ঘমেয়াদি 

আরো পড়ুন : ব্যবস্থাপনার ধারণা অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

১০। নিচের কোনটি একার্থক পরিকল্পনা?
ক. পদ্ধতি     খ. লক্ষ্য 
গ. প্রকল্প       ঘ. প্রক্রিয়া 

১১। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থাপনার কোন কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ে?
ক. পরিকল্পনা প্রণয়নে     খ. কর্মীসংস্থানে 
গ. নির্দেশনা প্রদানে         ঘ. ব্যবস্থাপনার সব কাজে 

১২। সিদ্ধান্ত গ্রহণ বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
ক. পরিকল্পনা তৈরি         
খ. পরিকল্পনার পটভূমি নির্ণয় 
গ. বিকল্পগুলো থেকে উত্তম বিকল্প বাছাই 
ঘ. উপযুক্ত বিকল্পগুলো চিহ্নিতকরণ 

১৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ নিচের কোনটি? 
ক. তথ্য সংগ্রহ         খ. সমস্যা চিহ্নিতকরণ 
গ. বিকল্প নির্ধারণ     ঘ. উদ্দেশ্য নির্ধারণ 

১৪। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সর্বশেষ পদক্ষেপ নিচের কোনটি?
ক. তথ্য সংগ্রহ        খ. সমস্যা চিহ্নিতকরণ 
গ. বিকল্প নির্ধারণ     ঘ. উদ্দেশ্য নির্ধারণ 

১৫। পরিকল্পনা হলো-
i. ব্যবস্থাপনার প্রথম কাজ    
ii. ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কাজের ভিত্তি 
iii. ব্যবস্থাপনার মূলনীতি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii         খ. i ও iii 
গ. ii ও iii         ঘ. i, ii ও iii 

১৬। কোন ধরনের মনোভাব দূর করতে পারলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ যথাযথ হবে? 
ক. খোলামেলা          খ. নিরপেক্ষ    
গ. পক্ষপাতমূলক     ঘ. সচেতন 

১৭। বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান বর্তমানকালে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিচের কোনটি করে থাকে?
ক. SWOT বিশ্লেষণ     খ. গ্যান্ট চার্ট তৈরি 
গ. PERT                     ঘ. বিশেষ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ

উত্তর: ১. খ, ২. গ, ৩. গ, ৪. ক, ৫. ঘ, ৬. ঘ, ৭. খ, ৮. ক, ৯. ঘ, ১০. গ, ১১. ঘ, ১২. গ, ১৩. খ, ১৪. খ, ১৫. ক, ১৬. গ, ১৭. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

An Honest Farmer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৭ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম
An Honest Farmer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৭ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র
এক দরিদ্র কৃষক তাঁর পরিবারকে ভরণপোষণ করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতেন। ছবি- সংগৃহীত

Story Writing

An Honest Farmer

Once there lived a poor farmer who worked very hard to maintain his big family. But he hardly managed two square meals a day. One day while working in the field he found a basket. He picked it up and carried it home. His wife became very pleased to see it. She thought the basket must contain some valuable things. By selling those things, they could overcome their poverty and enjoy happy days. But the farmer was an honest man. He was not at all interested to use anything inside the basket. His wife opened it and found thousand taka in a paper packet covered with some ragged clothes. She told the farmer to use all the

আরো পড়ুন : Golden Touch বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

money for themselves. The farmer was in a great problem. However, he announced in the market that a basket was found by him. The real owner could take it from him showing/proving his/her real identity. At last the owner was found. He gave the farmer ten thousand taka being very pleased with him. With the money the farmer started a business. In course of time, he became a rich man. His poverty disappeared and he became a happy man. Thus, his honesty was rewarded.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : সমন্বয় ও নিঃসরণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৭। স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ নিচের কোনটি?
ক) মাথা     খ) হাত 
গ) পা         ঘ) কিডনি

৮। নিউরনের প্রধান অংশ কয়টি?
ক) ২টি     খ) ৩টি 
গ) ৪টি      ঘ) ৫টি

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৯ ও ১০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

মেহজাবিনের মায়ের ফলের দোকান আছে। মেহজাবিনের মা কাঁচা ফলগুলো পাকাতে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করেন।

৯। ওপরের উদ্দীপকের রাসায়নিক পদার্থটির নাম কী?
ক) অ্যাবসিসিক অ্যাসিড  খ) ইথিলিন
গ) অক্সিন                        ঘ) জিব্বেরেলিন

আরো পড়ুন :  সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১০। ওপরের উদ্দীপকের রাসায়নিক পদার্থের বৈশিষ্ট্য-
i. বৃদ্ধি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে 
ii. পাতা ঝরে পড়া ত্বরান্বিত করে
iii. ফুল ও ফল ঝরে পড়া ত্বরান্বিত করে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) ii ও iii 
গ) i ও ii      ঘ) i, ii ও iii

১১। কোনটির মাধ্যমে ফলের অকালে ঝরে পড়া রোধ করা যায়?
ক) ইথিলিন     খ) টক্সিন 
গ) অক্সিন       ঘ) সাইটোকাইনিন

উত্তর: ৭. ক, ৮. ক, ৯. খ, ১০. ঘ, ১১. গ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:০০ এএম
বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে প্রবহমান খাল। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প

(২য় পর্ব)

পর্যটনশিল্পে নিরাপত্তা ও নিরাপদ ভ্রমণ: পর্যটনশিল্পে  পর্যটকদের নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। কক্সবাজার ও সুন্দরবনে ট্যুরিস্ট পুলিশ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা পর্যটকদের আস্থা বাড়িয়েছে। তবে, কিছু এলাকায় চুরি, ছিনতাই এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা পর্যটকদের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার এবং পর্যটকদের জন্য তথ্য কেন্দ্র স্থাপন প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, সেন্টমার্টিন দ্বীপে নৌ নিরাপত্তা উন্নত করা হয়েছে। নিরাপদ ভ্রমণ পর্যটনশিল্পের সম্প্রসারণে অবদান রাখে।

পর্যটনশিল্পে প্রচারণা ও বিপণন: পর্যটনশিল্পের বিকাশে প্রচারণা ও বিপণন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের পর্যটনের প্রচার করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পর্যটনের প্রচার বাড়ছে। তবে, আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের পরিচিতি এখনো কম। উদাহরণস্বরূপ, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার তুলনায় বাংলাদেশের পর্যটন বিপণন দুর্বল। আন্তর্জাতিক ট্রাভেল মেলা এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এই শিল্পকে শক্তিশালী করতে পারে। প্রচারণা পর্যটনশিল্পের বৃদ্ধির চাবিকাঠি।

পর্যটনশিল্পে প্রযুক্তির ভূমিকা: প্রযুক্তি বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে বিপ্লব এনেছে। অনলাইন বুকিং প্ল্যাটফর্ম, যেমন–শেয়ারট্রিপ ও গো জায়ান, পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ সহজ করেছে। ভার্চুয়াল ট্যুর এবং ডিজিটাল মানচিত্র পর্যটন অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করছে। বাংলাদেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগে ইন্টারনেট সুবিধা বাড়ছে, যা পর্যটন প্রচারে সহায়ক। তবে, গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগের অভাব এবং ডিজিটাল দক্ষতার ঘাটতি প্রযুক্তির ব্যবহারে প্রধান বাধা। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার পর্যটনশিল্পকে আধুনিক করতে পারে।

পর্যটনশিল্পে পরিবেশ দূষণের প্রভাব: পর্যটনশিল্পে পরিবেশ দূষণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিনে প্লাস্টিক দূষণ এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করছে। সুন্দরবনে অতিরিক্ত পর্যটক ও দূষণ জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। পরিবেশবান্ধব পর্যটন নীতি এবং প্লাস্টিক ব্যবহার হ্রাস এই সমস্যা সমাধানে সহায়ক। উদাহরণস্বরূপ, সুন্দরবনে পরিবেশ সুরক্ষা প্রকল্প চালু হয়েছে। সচেতনতা এবং টেকসই উন্নয়ন পরিবেশ দূষণ কমাতে পারে। পরিবেশ সুরক্ষা পর্যটনশিল্পের টেকসই বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

পর্যটনশিল্পে স্থানীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা: স্থানীয় সম্প্রদায় পর্যটনশিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাঙামাটি ও বান্দরবানে আদিবাসী সম্প্রদায় তাদের সংস্কৃতি ও হস্তশিল্প পর্যটকদের কাছে তুলে ধরে। স্থানীয়রা ট্যুর গাইড, নৌকা চালক এবং ব্যবসায়ী হিসেবে কাজ করে। তবে, স্থানীয়দের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সুবিধার অভাব তাদের অংশগ্রহণ সীমিত করে। সরকার ও এনজিওর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি স্থানীয়দের ক্ষমতায়ন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সুন্দরবনে স্থানীয়দের পর্যটন ব্যবসায়ে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সম্প্রদায় পর্যটনশিল্পের সাফল্যে অবদান রাখে।

পর্যটনশিল্পের চ্যালেঞ্জ: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, নিরাপত্তার অভাব, পরিবেশ দূষণ এবং দক্ষ জনবলের ঘাটতি প্রধান সমস্যা। কক্সবাজার ও সিলেটে পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত হোটেল ও পরিবহন সুবিধা নেই। আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের পর্যটন এলাকার প্রচারণায় দুর্বল। রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগও পর্যটনের জন্য হুমকি। তবে, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, পর্যটন বোর্ডের প্রচারণা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

পর্যটনশিল্পে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ: সরকার ও বেসরকারি খাত বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড ও পর্যটন করপোরেশন পর্যটন প্রচার ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। বেসরকারি খাতে হোটেল, রিসোর্ট এবং ট্যুর অপারেটররা পর্যটন সুবিধা বাড়াচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্যটন প্রচার বাড়ছে। তবে, সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং বিনিয়োগের ঘাটতি রয়েছে। সমন্বিত উদ্যোগ পর্যটনশিল্পকে শক্তিশালী করতে পারে।

পর্যটনশিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা উজ্জ্বল। প্রাকৃতিক, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পদ এই শিল্পকে বিশ্ব মানচিত্রে তুলে ধরতে পারে। ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম এবং সাংস্কৃতিক পর্যটন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ এই শিল্পকে শক্তিশালী করবে। উদাহরণস্বরূপ, কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণ পর্যটন বৃদ্ধিতে সহায়ক। তবে, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। পর্যটনশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি হতে পারে।

উপসংহার: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রচারের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। সুন্দরবন, কক্সবাজার, সিলেট এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলো পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। এই শিল্প বৈদেশিক মুদ্রা আয়, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখে। তবে, অবকাঠামোগত ঘাটতি, পরিবেশ দূষণ এবং প্রচারণার অভাব এই শিল্পের সম্ভাবনাকে সীমিত করে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ, টেকসই পর্যটন নীতি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার এই শিল্পকে শক্তিশালী করতে পারে। তখন পর্যটনশিল্প বাংলাদেশকে বিশ্বে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর