ঢাকা ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মাঠে ফেরার লড়াইয়ে পাকুয়েতা আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে ওপেনক্ল অ্যাপ টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়ের নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য রোগীদের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে চিকিৎসকদের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কুড়িগ্রামে তিস্তা ছাড়া সব নদ-নদীর পানি কমছে সন্তানরা ফিরিয়ে নিয়েছেন মুখ! অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের শরণাপন্ন মা সমর্থকদের ভালোবাসাই আমাদের জয়ের মূল চালিকাশক্তি: আগুইরে কালুখালীতে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে চালক নিহত সীতাকুণ্ডে মহাসড়কে গাছ কাটার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীতে আরডিএ পার্ক উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী নরসিংদীতে কিশোরী ও প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার আমি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে গিয়েছি: সৈয়দ আব্দুল হাদী সিলেটে দুই সন্তান নিয়ে ১০ দিন ধরে ‘নিখোঁজ’ নারী সিংগাইরে পাটখেতে মিলল কিশোর অটোচালকের মরদেহ ব্যবস্থাপনার ধারণা অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র এনবিআরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে পাংশায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাছির উপদ্রব কমাতে কবরের ৩ পরীক্ষা ছাড়াই পার পেয়ে যাবেন যারা বুয়েট ও চুয়েটে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ শেষ ইকুয়েডের, পদত্যাগ করলেন কোচ নাফ নদীতে দুই বস্তায় মিলল ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা, যুবক আটক আপনার অফিসের কর্মপরিবেশ কতটা উপযোগী? মেক্সিকোর জয়ের পর উল্লাসে প্রাণ গেল দুজনের ভেনেজুয়েলায় ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৩ বছরের শিশু শার্শায় সাংবাদিক পরিচয়ে সোহাগের বিরুদ্ধে ফের চাঁদাবাজির অভিযোগ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বাংলাদেশের ৬০০ কেজি আম উপহার সুইডেনকে বিধ্বস্ত করার পর যা বললেন এমবাপ্পে-দেশম টেক্সটাইল খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আমি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে গিয়েছি: সৈয়দ আব্দুল হাদী

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
আমি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে গিয়েছি: সৈয়দ আব্দুল হাদী
ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী। তার গানের ক্যারিয়ার ছয় দশকেরও বেশি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন তিনি। গানের জন্য পেয়েছেন নানা পুরস্কার ও সম্মাননা। এই শিল্পীর আজ ৮৬তম জন্মদিন। এ উপলক্ষে গান, ব্যক্তিজীবন ও নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ মিজান-
 
শুভ জন্মদিন। বিশেষ এই দিনটি কীভাবে কাটাবেন?
ধন্যবাদ। আমাদের সময় তো জন্মদিন পালন করার বিষয় ছিল না। এখন জন্মদিন পালন করা হয়। প্রতিবারই আমার জন্মদিন ভুলে যাই। আমার বন্ধুবান্ধব ও ভক্তরা আমাকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠায়। এতে আমি ভীষণ আনন্দিত হই। আমার ভক্ত ও শ্রোতাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি দেশের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। তারা আমার গান শুনেছেন। আমাকে যে ভালোবাসা তারা দিয়েছেন তা বলে শেষ করা যাবে না। 
বিশেষ কোনো আয়োজন আছে?
চ্যানেল আই এবার আমার জন্মদিন উপলক্ষে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করেছে। এই অনুষ্ঠানে আমার ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে ক্যারিয়ার নিয়ে নানা কথা বলেছি। এটি চ্যানেল আইতে আমার জন্মদিন উপলক্ষে প্রচার হবে।
শোনা যাচ্ছে আপনি নতুন আর কোনো গান গাইবেন না। এটা কি সত্যি?
ঠিকই শুনেছেন। অনেকেই আমার কাছে নতুন গান নিয়ে আসেন। অনেকেই নতুন গান গাওয়ার কথাও বলেন প্রায়ই, কিন্তু আমি রাজি হইনি। আর নতুন কোনো গান গাইতে চাই না। আমি কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলাম। এরপর থেকেই শরীর কিছুটা দুর্বল। এ ছাড়া আরও কিছু কারণ আছে যেগুলো বলতে চাই না।
কারণগুলো কি ব্যক্তিগত?
না এটা বলা যাবে না। এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত বোধ। আসলে গান থেকে আমি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে গিয়েছি। অনেক গানই গেয়েছি একজীবনে। আর কত গাইব। সবারই একটা সময় থামতে হয়। আমি মনে করি, আমার এখন থামা উচিত। আমার মনে হয়েছে, আমি একসময় যে গান গেয়েছি, তা অতিক্রম করতে পারব না। তাই সম্মান ও ভালোবাসা থাকতেই একজন শিল্পীকে থামতে হয়।
কোনো অভিমান বা অপ্রাপ্তি আছে?
আমার কোনো অভিমান বা অপ্রাপ্তি নেই। তবে আমার কিছুটা রাগ আছে। সেই রাগের কথা কাউকে বলতে চাই না। আমি শ্রোতাদের যে ভালোবাসা পেয়েছি একজীবনে সেটা অনেক বেশি। সেটাই উপভোগ করতে চাই। তাই গান ও জীবন নিয়ে আমার কোনো অপ্রাপ্তি নেই। 
এ প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য কোনো পরামর্শ দেবেন?
আমার কোনো পরামর্শ নেই। এটা আসলে ভালো হবে না। আমি পরামর্শ দিলে আমার যুগের কথা চিন্তা করে দেব আর এখন সবকিছু অনেক বেশি আধুনিক। আমার সঙ্গে তাদের চিন্তার মিল হবে না। গান এখন আর শিল্পের মধ্যে নেই। গান এখন শতভাগ বিনোদনের পর্যায়ে চলে গেছে। আগে শিল্প ও বিনোদন পাশাপাশি ছিল। এখন শুধুই বিনোদন আছে, শিল্প নেই। তাই আমার জায়গা থেকে কারও জন্য কোনো পরামর্শ নেই। সবাই ভালো থাকুন– এটাই আমি চাই।

ধর্ম পরিবর্তন বিষয়ে যা বললেন উর্ফি জাভেদ

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
ধর্ম পরিবর্তন বিষয়ে যা বললেন উর্ফি জাভেদ

ভারতের আলোচিত অভিনেত্রী ও সোশ্যাল মিডিয়া তারকা উর্ফি জাভেদকে নিয়ে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়ে নতুন গুঞ্জন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, তিনি নাকি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এমনকি নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘রিতা ভরদ্বাজ’ রেখেছেন বলেও প্রচার করা হয়। তবে এসব দাবির জবাব দিয়ে মুখ খুলেছেন উর্ফি নিজেই।

সম্প্রতি মিতা চৌধরী নামে এক ইনফ্লেুয়েন্সার, যিনি নিজেকে সাবেক সাংবাদিক বলে পরিচয় দেন, ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, উর্ফি হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং নিজের নামও বদলে ফেলেছেন। পাশাপাশি উর্ফির খোলামেলা পোশাক নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।

ভিডিওতে মিতার দাবি, ছোট পোশাক পরার কারণেই পরিচিতি পেয়েছেন উর্ফি। এমনকি তিনি বলেন, ‘উর্ফি আগে মুসলিম ছিলেন। এখন নিজের নাম বদলে রিতা ভরদ্বাজ হয়েছেন। অর্থাৎ তিনি হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন।’

এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন উর্ফি। মিতার ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘আন্টি, একটু ভালো করে খোঁজ নিন। আমি কখনো নিজের নাম বা ধর্ম পরিবর্তন করিনি। আমি কোনো ধর্মেই বিশ্বাস করি না।’
মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলে তিনি আরও লেখেন, ‘আমি শুধু পোশাকের দিক থেকেই খোলামেলা নই, কথাবার্তাতেও সোজাসাপ্টা। আজ উত্তর দেওয়ার ইচ্ছা নেই। সমালোচনা করতে চাইলে করুন, কিন্তু মিথ্যা খবর ছড়াবেন না।’

এতেই থেমে থাকেননি উর্ফি। তার দাবি, ওই নেটপ্রভাবী ব্যক্তিগতভাবেও তাকে উসকানিমূলক বার্তা পাঠিয়েছিলেন। পরে সেসব বার্তা মুছে দিয়ে তাকে ব্লকও করে দেন।

এ প্রসঙ্গে উর্ফি বলেন, ‘তিনি আমাকে এমন কিছু বার্তা পাঠিয়েছিলেন, যা প্রকাশ করার মতো নয়। পরে সেগুলো ডিলিট করে আমাকে ব্লক করেছেন। অথচ তার দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। আমার কোনো অঙ্গই নকল নয়।’
সবশেষে মিতাকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি উর্ফি। তিনি লেখেন, ‘আমি তাকে অসম্মান করতে চাই না। কারণ তাকে দেখতে আমার দাদুর মতো লাগে।’

ধর্ম পরিবর্তন ও নাম বদলের গুঞ্জনের পর উর্ফির এ বক্তব্যে বিষয়টি নিয়ে চলা জল্পনার অবসান ঘটেছে। অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি না নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন, না ধর্ম বদলেছেন। বরং তার ভাষ্য, তিনি কোনো ধর্মেই বিশ্বাস করেন না।

/এমটি 

কাইলি জেনারের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
কাইলি জেনারের বিরুদ্ধে মামলা

আমেরিকার জনপ্রিয় রিয়েলিটি তারকা ও উদ্যোক্তা কাইলি জেনারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে মামলা করেছেন তার সাবেক ব্যক্তিগত রাঁধুনি। অভিযোগে বলা হয়েছে, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার কথা জানানো সত্ত্বেও তাকে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয়, প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়নি এবং বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হতে হয়েছে। এসবের ফলেই তিনি গর্ভপাতের মতো মর্মান্তিক ঘটনার মুখোমুখি হন বলে দাবি করেছেন।

এটি কাইলি জেনারের বিরুদ্ধে কর্মপরিবেশ নিয়ে ওঠা প্রথম অভিযোগ নয়। এর আগে তার দুই সাবেক গৃহপরিচারিকাও বৈরী কর্মপরিবেশের অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি সূত্রে জানা গেছে, পরিচয় গোপন রাখা ওই নারী ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত কাইলি জেনারের ব্যক্তিগত রাঁধুনি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, গর্ভাবস্থার কারণে তার সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে, প্রয়োজনীয় কর্মস্থল-সুবিধা দেওয়া হয়নি, মানসিক হয়রানি ও প্রতিশোধমূলক আচরণের শিকার হতে হয়েছে, যথাসময়ে ও সঠিক হারে পারিশ্রমিকও দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

মামলায় কাইলি জেনারের পাশাপাশি তার প্রতিষ্ঠান, ব্যবস্থাপনা সংস্থা এবং কয়েকজন তত্ত্বাবধায়কের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫৫ ঘণ্টা কাজ করতেন। 

কাইলি জেনারের পাশাপাশি মাঝে মধ্যে তার ভাই রব কার্ডাশিয়ানের জন্যও রান্না করতে হতো। একই সঙ্গে একাধিক স্থানে যাতায়াত করে দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি কাইলির টিমকে জানান যে, তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং তার গর্ভধারণ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।

স্বাস্থ্যগত কারণে কাজের চাপ কমানোর অনুরোধ জানালেও সেটি উপেক্ষা করা হয় বলে অভিযোগ। বরং আগের মতোই দীর্ঘ সময় কাজ, ভারী দায়িত্ব এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের খাবার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে তাকে কোনো সহায়তা ছাড়াই ভারী খাবারের সামগ্রী রাস্তা পার করে উঁচু জায়গায় বহন করতে বলা হয়। এতে তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। পরে নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় তাকে পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ওই ঘটনার পর থেকেই তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তীব্র মানসিক চাপে ভুগতে শুরু করেন বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, গর্ভাবস্থার পাঁচ মাসে তাকে ক্যালিফোর্নিয়ার পাম স্প্রিংসে কাইলি জেনারের সন্তানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কাজ করতে পাঠানো হয়। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে শারীরিকভাবে কষ্টকর কাজ করার কারণে তিনি চরম ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে তার রক্তক্ষরণ শুরু হলে তিনি নিজেই হাসপাতালে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে জানান, গর্ভস্থ শিশুর আর হৃৎস্পন্দন নেই।

গর্ভপাতের পর পরিবারের কাছাকাছি থাকার জন্য নিউইয়র্কে বদলি নিয়ে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। 

তার দাবি, অতীতে কাইলির টিম একাধিকবার নিউইয়র্কে কাজের প্রস্তাব দিলেও এবার সেই আবেদনকে চাকরি ছাড়ার ইচ্ছা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। 

তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন যে তিনি চাকরি ছাড়তে চান না। এরপরও কর্মস্থলে তার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ অব্যাহত ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় একটি টেক্সট বার্তারও উল্লেখ রয়েছে। সেখানে এক তত্ত্বাবধায়ক তাকে লিখেছিলেন, ‘থামো, দয়া করে থামো। তুমি কাইলিকে কষ্ট দিচ্ছ। তুমি তাকে হতাশ করে তুলছ।’

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলায় সাবেক রাঁধুনি অনির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তবে আদালতের নথিতে কাইলি জেনার ব্যক্তিগতভাবে তাকে সরাসরি হয়রানি বা নির্যাতন করেছেন–এমন অভিযোগ আনা হয়নি। অভিযোগে বলা হয়েছে, কর্মস্থলের অন্যান্য কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়কদের আচরণ সম্পর্কে কাইলি অবগত ছিলেন, কিন্তু পরিস্থিতি পরিবর্তনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি।

/এমটি 

হাসপাতালে ভর্তি মিল্টন খন্দকার, দ্রুত অস্ত্রোপচার

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
হাসপাতালে ভর্তি মিল্টন খন্দকার, দ্রুত অস্ত্রোপচার
ছবি: সংগৃহীত

দেশ বরেণ্য গীতিকার মিল্টন খন্দকার। দীর্ঘদিন ধরেই কাঁধ, কোমর ও মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছেন তিনি। চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার ২৯ জুন সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর আফতাব নগরের বিএলসিএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে মিল্টন খন্দকারকে। সেখানে ডা. ইয়াকুব আলীর তত্ত্বাবধানে তার স্টেমসেল অপারেশন হওয়ার কথা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মিল্টন খন্দকার বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কাঁধে ও কোমরের ব্যথা অনুভব করছি। মেরুদণ্ডেও তীব্র সমস্যা। সোমবার, ২৯ জুন রাজধানীর আফতাব নগরের বিএলসিএস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। এখানে ডা. ইয়াকুব আলীর তত্ত্বাবধানে অপারেশন (স্টেমসেল) হবে। সবার কাছে দোয়া চাই। আমি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরতে পারি।’
শিল্পীর অসুস্থতার খবরে তার ভক্ত-অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অপারেশনের পর সুস্থ হয়ে শিগগিরই স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন বলে আশাবাদী মিল্টন খন্দকার। 
মিল্টন খন্দকার সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবেও খ্যাতি পেয়েছেন। তার গান গেয়ে পরিচিতি ও দেশের অনেক শিল্পীই জনপ্রিয় হয়েছেন। গান লেখার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লাভ করেছেন মিল্টন খন্দকার।
‘আকাশেতে লক্ষ তারা, চাঁদ কিন্তু একটারে’, ‘রংচটা জিন্সের প্যান্ট পরা’, ‘পাথরে ফুল ফোটাবো শুধু ভালোবাসা দিয়ে’, ‘তোমরা কাউকে বলো না, এই তো প্রথম একটি মেয়ে আমার প্রেমে পড়েছে’, ‘এত ছোট জনম নিয়া জগতে আসিয়া, মেটে না মেটে না স্বাদ ভালোবাসিয়া’, ‘আমি যে তোমার কে, কাছে এসে নাও জেনে নাও’, ‘অঞ্জনা, হয়তো এ গান তুমি শুনছো না’-এমন অসংখ্য কালজয়ী ও শ্রোতাপ্রিয় গানের স্রষ্টা মিল্টন খন্দকার।

নির্মাতার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুললেন পারসা ইভানা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
নির্মাতার বিরুদ্ধে  যে  অভিযোগ তুললেন পারসা ইভানা
ছবি: সংগৃহীত

আলোচিত অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী পারসা ইভানা। গত ফেব্রুয়ারিতে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে মুক্তি পায় তার অভিনীত নাটক ‘নীলাঞ্জনা এক্সপ্রেস’। পরবর্তী সময়ে মে মাসে নাটকটি বঙ্গর ইউটিউব চ্যানেলেও প্রকাশিত হয়। নাটক প্রকাশের পরও অভিনয়ের সম্পূর্ণ পারিশ্রমিক এখনো পাননি বলে অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী।

এমন অভিযোগের বিষয় স্বীকার করলেও পারসা ইভানার বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন নাটকের নির্মাতা ফরহাদ আহমেদ ইশান। তার দাবি, পারসা তাকে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে না দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সম্প্রতি ফেসবুকে কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে পারসা ইভানা লেখেন, ‘সাত মাস ধরে আমি আমার প্রাপ্য পারিশ্রমিকের জন্য অপেক্ষা করছি। শুধু আমি নই, টিমের আরও অনেক সদস্য এখনো তাদের পাওনা বুঝে পাননি। আমাকে নির্মাতা কিছু টাকা দিয়েছেন, তবে এখনো পুরো পারিশ্রমিক পরিশোধ করেননি। সেটা আমি মেনে নিয়েছি। কিন্তু আমার টিমের কেউ টাকা পায়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলা একজন শিল্পী হিসেবে আমারও দায়িত্ব।’

এই অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘আমার নিজের টাকা না পেলেও হয়তো আমি মেনে নিতে পারি। কিন্তু যারা দিন এনে দিন খায়, সেই প্রোডাকশন বয়দের কথা? যে ছেলেটা নতুন করে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেছে, একটা ভালো সুযোগের আশায় কঠোর পরিশ্রম করছে, তার প্রাপ্যটুকু কি সে পাবে না? আমরা নিশ্চয়ই এমন একটি ইন্ডাস্ট্রি চাই, যেখানে সততা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অসততা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কোনো স্থান সেখানে থাকা উচিত নয়।’

অভিযোগ সম্পর্কে নির্মাতা ফরহাদ আহমেদ ইশান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পারসা আমার কাছে আরও ১০ হাজার টাকা পাবেন। তার সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাকে জানিয়েছি, দ্রুত পাওনা বুঝিয়ে দেব। কিন্তু তিনি হঠাৎ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অভিযোগ করেছেন, প্রোডাকশন বয়সহ অনেকেই আমার কাছে টাকা পান, যা পুরোপুরি সত্য নয়। দুয়েকজন ছাড়া প্রায় সবাইকে আমি পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছি।’

অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগে ইশান বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে আমার মাকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করছি। কোনো কাজ করতে পারছি না। ফলে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছি। বিষয়টি তাকে জানানোর পরও তিনি আমাকে হুমকি দিয়েছেন। বলেছেন, আমি কীভাবে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করি, সেটা তিনি দেখে নেবেন। এছাড়া তিনি আমার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ফেসবুক পোস্টে প্রকাশ করেছেন। এর ফলে আমি হেনস্তার শিকার হচ্ছি।’

বাগদান নিয়ে যা বললেন নীহা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:১২ পিএম
বাগদান নিয়ে যা বললেন নীহা
ছবি: সংগৃহীত

এ সময়ের জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী নাজনীন নীহা। দীর্ঘদিন ধরেই তার প্রেম-বিয়ে নিয়ে চলছে আলোচনা। এতোদিন বিষয়টি অস্বীকার করে আসছেন এই অভিনেত্রী। এবার নতুন করে গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছেন নীহা নিজেই। কারণ ফেসবুকে নিজের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস পরিবর্তন করেছেন এই অভিনেত্রী। এরপর থেকে অনুরাগীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে নীহার বাগদানের খবর। 
সোমবার (২৯ জুন) নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ‘এনগেজড’ হিসেবে হালনাগাদ করেন নাজনীন নীহা। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা জল্পনা। অনেকেই ধরে নেন, চুপিসারে বাগদান সেরেছেন এই অভিনেত্রী।
স্ট্যাটাস পরিবর্তনের পর মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অসংখ্য শুভেচ্ছাবার্তা পেলেও এসব  মন্তব্যের কোনো উত্তর দেননি নীহা।
পরে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকে নাজনীন নীহা বলেন, ‘আমি কিন্তু কোথাও বাগদানের কথা উল্লেখ করিনি। শুধু লিখেছি, এনগেজড। তার মানে আমি এখন আর সিঙ্গেল না। কারও না কারও সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছি। বাকিটুকু সময় হলে জানতে পারবেন।’
এই অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘আমি আমার জায়গা থেকে অনেস্ট থাকতে পছন্দ করি। ফেসবুক স্ট্যাটাস এনগেজড মিনস আমি এখন আর সিঙ্গেল না। এই তথ্যটা যেমন কাউকে খুঁজে বের করতে হয়নি, আমি নিজেই জানিয়েছি । তেমনি কোন একটা সুইটেবল সময়ে ইন্ডিভিজুয়াল এর পরিচয়ও জানাব।’
এর আগেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ক্যাপশন দিয়ে হলুদ মাখানো দুটি হাতের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নীহা। সেই পোস্ট ঘিরেও তার বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।