ঢাকা ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ফাইন্যান্স এশিয়ার তিন পুরস্কার পেল আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস বালুর নিচে মিলল বিদেশি মদের মজুত, আটক বাড়ির মালিক Golden Touch বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির নোয়াখালীতে মডেল মসজিদের খতিবের মরদেহ উদ্ধার জন্মদিনে ভালোবাসা আর শুভেচ্ছায় সিক্ত জয়া আহসান ধামরাইয়ে মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে ভাগ্য বদল কৃষকের প্রয়াত নাট্যজগতের কিংবদন্তি বিজয়া মেহতা পুশইনের পর শূন্যরেখা থেকেই নিখোঁজ তিন যুবক পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে সিইও হওয়ার গল্প শোনালেন শরণ রাস্তার সংস্কার চাই শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র দরজায় কাফনের কাপড়, চিরকুটে হুমকির বার্তা! রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা এল নিনো: জলবায়ুর অস্থিরতা ও বাংলাদেশের ঝুঁকি মাস্টারকার্ড, এমটিবি ও জিপের যৌথ উদ্যোগে কো-ব্র্যান্ডেড প্রিপেইড কার্ড চালু এমআইএসটিতে দেশের প্রথম ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট ঐতিহাসিক সোনাহাট সেতুতে ফাটল, থেমে গেল ভারী যান চলাচল হাসপাতালে ভর্তি নজরুল ইসলাম খান চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা না দেওয়ার জন্য মানববন্ধন ও সমাবেশ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ডিসকাউন্ট ফেস্ট সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের তাৎপর্য সেনেগাল ম্যাচের আগে সতর্ক বেলজিয়াম চমেক হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীরা পেল হাইজিন কিট ও আর্থিক অনুদান সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিসের যাত্রা শুরু মাঠে ফেরার লড়াইয়ে পাকুয়েতা আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে ওপেনক্ল অ্যাপ

সন্তানরা ফিরিয়ে নিয়েছেন মুখ! অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের শরণাপন্ন মা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
সন্তানরা ফিরিয়ে নিয়েছেন মুখ! অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের শরণাপন্ন মা
ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত ছয় সন্তানের জননী মোছা. চম্পা বেগম। ছবি: খবরের কাগজ
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ির মোছা. চম্পা বেগম (৮০)। চার ছেলে থাকা সত্বেও ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত এই বৃদ্ধা এবার নিজের ভিটায় থাকার অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
 
এই বৃদ্ধার অভিযোগ, ছেলেরা তাকে নিয়মিত ভরণপোষণ দেন না। এমনকি বসবাসের ঘর ভেঙে দিয়ে তাকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগে স্বামী ইউনুছ আলীর মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারে বিরোধ শুরু হয়। বয়সের ভারে চলাফেরায় অক্ষম চম্পা বেগমের দাবি, তার তিন ছেলে আব্দুল কাদের, আব্দুল আজিজ ও ইব্রাহিম দীর্ঘদিন ধরে তার দেখাশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করছেন না।

তিনি জানান, প্রথমে দ্বিতীয় ছেলে আব্দুল কাদেরের জায়গায় একটি ঘরে থাকতেন। সেখানে বিভিন্ন সময় মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। একপর্যায়ে নাতি পারভেজের লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার পর ছোট ছেলে ইব্রাহিম ও নাতি সেলিম তার ঘরটি সরিয়ে আরেক ছেলে আব্দুল আজিজের জায়গায় নির্মাণ করে দেন।

চম্পা বেগমের অভিযোগ, প্রায় ১০ দিন আগে আব্দুল আজিজ ঘরটি ভেঙে ফেলেন এবং তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন। বর্তমানে তিনি বড় ছেলে চাঁন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে শেষ জীবনে নিজের স্বামীর ভিটাতেই থাকতে চান বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবারের পক্ষ থেকে বৃদ্ধার জন্য একটি জরাজীর্ণ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে, যা একটি পরিত্যক্ত নর্দমার পাশে অবস্থিত।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী এবং একজন বৃদ্ধ নারীর জন্য সেখানে থাকা অত্যন্ত কষ্টকর।

ঘটনার পর চম্পা বেগমের দুই মেয়ে ও তাদের স্বামীরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নিলেও অভিযুক্ত ছেলেরা উপস্থিত না হওয়ায় কোনো সমাধান হয়নি। পরে তিনি প্রশাসনের শরণাপন্ন হন।

চম্পা বেগম বলেন, ’স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই কষ্টে আছি। ছেলেরা আমার ভরণপোষণ দেয় না, থাকার ঘরও ভেঙে দিয়েছে। এখন অন্যের বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। আমি শুধু নিজের স্বামীর ভিটায় শেষ জীবনটা কাটাতে চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল কাদের ও ইব্রাহিম বলেন, ’চার ভাই মিলে বাবার কবরের পাশে তাদের মায়ের জন্য নতুন একটি ঘর নির্মাণ করবেন। পাশাপাশি দুই বোনের প্রাপ্য জমিও নিয়ম অনুযায়ী বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

তবে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি সেখান থেকে চলে যান। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, মৃত ইউনুছ আলীর নামে প্রায় ৩৬ শতাংশ জমি থাকলেও এখনো তা উত্তরাধিকারীদের নামে বণ্টন হয়নি। আইন অনুযায়ী চম্পা বেগম ও তার দুই মেয়েরও ওই সম্পত্তিতে অধিকার রয়েছে। অথচ জমি থাকা সত্ত্বেও বৃদ্ধা মায়ের স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা হয়নি।

এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের আশা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বৃদ্ধা মা তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবেন এবং নিরাপদে নিজ ভিটায় বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত হবে।

জুয়েল রানা/আজহার/

রোটারি ইন্টারন্যাশনালের বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি
ছবি: খবরের কাগজ

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল (ডিস্ট্রিক্ট -৬৫ রিপসা) কুমিল্লা জোনের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে রোটারি ২০২৬-২৭ বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, বেলুন উড়িয়ে  উদ্বোধন এবং নতুন বর্ষের বিভিন্ন কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বুধবার (১ জুলাই) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ও রোটারি ক্লাব অব ময়নামতির সাবেক সভাপতি রোটারিয়ান বিকাশ সাহা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান প্রফেসর ডা. তৃপ্তিশ চন্দ্র ঘোষ, পাস্ট ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর (পিডিজি) দিলনাশি মোহসেন এবং পাস্ট ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর (পিডিজি) আবু ফয়েজ খান চৌধুরী। 

অতিথিগণ বেলুন উড়িয়ে ২০২৬-২৭ বর্ষব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং রোটারির মানবসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কুমিল্লা জোনের ২৪টি রোটারি ক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র‍্যালি। রোটারিয়ানরা একই রঙের টি-শার্ট পরে টাউন হল প্রাঙ্গণে র‍্যালিতে অংশ নেন। এ সময় নতুন রোটারি বর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান ও মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

এ অনুষ্ঠানে রিপসা টিমের কুমিল্লা জোনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জেলার ২৪টি রোটারি ক্লাবের রোটারিয়ান, রোটার‌্যাক্টর ও ইন্টার‌্যাক্টররা অংশগ্রহণ করেন। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন রোটারি বর্ষে সমাজসেবা, মানবকল্যাণ ও জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আয়োজকরা জানান, নতুন রোটারি বর্ষে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং মানবিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কুমিল্লা জোনের আওতাধীন ক্লাবগুলো বছরজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

জহির শান্ত/নাঈম

বালুর নিচে মিলল বিদেশি মদের মজুত, আটক বাড়ির মালিক

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
বালুর নিচে মিলল বিদেশি মদের মজুত, আটক বাড়ির মালিক
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ মো. মামুন (৪২) নামে এক বাড়ির মালিককে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (৩০ জুন) রাতে নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছাতারপাইয়া রোডের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক মো. মামুন ওই ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের মৃত দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে। তার কাছ থেকে ৫৮ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ী মো. মামুনকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। কিন্তু মাদকের বিষয়টি তিনি কিছুতেই স্বীকার করেননি। পরে গভীররাতে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে তার বাড়ি উঠানে স্তুপ করা বালুর ভেতর থরে থরে রাখা ৫৮ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এসব মদ বিক্রির জন্য মজুদ করেছেন বলে মামুন স্বীকার করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আসামি মামুনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ইকবাল হোসেন মজনু/এসএন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আমিরুল হক।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম চেম্বারে যুক্তরাষ্ট্রের দুই কনস্যুলার পল ফর্স্ট ও ডেভিড মো এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি একথা বলেন।

আমিরুল হক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারও যুক্তরাষ্ট্র। তাই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার এখনই উপযুক্ত সময়।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে করিডোর, এক্সপ্রেসওয়ে, এমআরটি, বন্দর উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এসব খাতে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়লে তা উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতাগুলো দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। এতে আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্য উন্নত হবে এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। বাংলাদেশ কারও কাছে ভিক্ষা চায় না। আমরা পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চাই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘উইন-উইন’ ভিত্তিতে কাজ করতে চাই, যেখানে উভয় দেশই সমানভাবে লাভবান হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

নাঈম/

নোয়াখালীতে মডেল মসজিদের খতিবের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
নোয়াখালীতে মডেল মসজিদের খতিবের মরদেহ উদ্ধার
হাফেজ মুফতি মাকসুদুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হাফেজ মুফতি মাকসুদুল আলম (৩৬) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় মুক্তার ডুবাইওয়ালার বাড়ির সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাকসুদুল আলম উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জনতা বাজার এলাকার নুরুল আলম সওদাগরের ছেলে। তিনি সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব ছিলেন।

পুলিশ জানায়, পরিবারের মতে মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে মাকসুদুল আলম শ্বশুর বাড়িতে ছিলেন। বুধবার ভোরে মোটরসাইকেলে করে ফজরের নামাজ পড়াতে সুবর্ণচর মডেল মসজিদে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মারা যান। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুফতি মাকসুদুল আলম ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ইকবাল/এএফ

পুশইনের পর শূন্যরেখা থেকেই নিখোঁজ তিন যুবক

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
পুশইনের পর শূন্যরেখা থেকেই নিখোঁজ তিন যুবক
ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইজলামারী সীমান্তে নাগরিকত্ব জটিলতায় টানা ১৭ দিন ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করা তিন যুবকের খোঁজ মিলছে না।

বুধবার (১ জুলাই) ভোর থেকে তাদের আর সেখানে দেখা যাচ্ছে না।

তারা কোথায় গেছেন, নাকি কোনো পক্ষ তাদের সরিয়ে নিয়েছে, এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, তিন যুবক বর্তমানে শূন্যরেখায় নেই।

এর আগে গত ১৪ জুন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ইজলামারী সীমান্ত দিয়ে দুই শিশুসহ নয়জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। পরে পরিচয় যাচাই শেষে দুই শিশুসহ ছয়জনকে তাদের স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হলেও পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় বাকি তিন যুবক ইজলামারী সীমান্তের শূন্যরেখাতেই আটকে থাকেন। টানা ১৭ দিন খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছিলেন তারা।

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হাসানুর রহমান জানান, টানা ১৭ দিন ধরে তিন যুবক ইজলামারী সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিলেন। তবে বুধবার ভোর থেকে তাদের সেখানে আর দেখা যাচ্ছে না। তারা কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিজিবির নজরদারি ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সীমান্ত দিয়ে নতুন করে কোনো পুশইনের ঘটনা প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এসএন/