ঢাকা ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে ওপেনক্ল অ্যাপ টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়ের নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য চিকিৎসকদের দায়িত্ব পালনে নির্দেশ দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সন্তানেরা ফিরিয়ে নিয়েছে মুখ, নিজের অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের শরণাপন্ন মা! সমর্থকদের ভালোবাসাই আমাদের জয়ের মূল চালিকাশক্তি: আগুইরে কালুখালীতে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে চালক নিহত সীতাকুণ্ডে মহাসড়কে গাছ কাটার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীতে আরডিএ পার্ক উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী নরসিংদীতে কিশোরী ও প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার আমি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে গিয়েছি: সৈয়দ আব্দুল হাদী সিলেটে দুই সন্তান নিয়ে ১০ দিন ধরে ‘নিখোঁজ’ নারী সিংগাইরে পাটখেতে মিলল কিশোর অটোচালকের মরদেহ ব্যবস্থাপনার ধারণা অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র এনবিআরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে পাংশায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাছির উপদ্রব কমাতে কবরের ৩ পরীক্ষা ছাড়াই পার পেয়ে যাবেন যারা বুয়েট ও চুয়েটে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ শেষ ইকুয়েডের, পদত্যাগ করলেন কোচ নাফ নদীতে দুই বস্তায় মিলল ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা, যুবক আটক আপনার অফিসের কর্মপরিবেশ কতটা উপযোগী? মেক্সিকোর জয়ের পর উল্লাসে প্রাণ গেল দুজনের ভেনেজুয়েলায় ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৩ বছরের শিশু শার্শায় সাংবাদিক পরিচয়ে সোহাগের বিরুদ্ধে ফের চাঁদাবাজির অভিযোগ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বাংলাদেশের ৬০০ কেজি আম উপহার সুইডেনকে বিধ্বস্ত করার পর যা বললেন এমবাপ্পে-দেশম টেক্সটাইল খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় ফের পেছাল জীবননগরে অবৈধভাবে গমের ভূষি তৈরি ও বাজারজাত করায় জরিমানা

সখীপুরে ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পিএম
সখীপুরে ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
ছবিঃখবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের এক দিন পর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে পারভীন (৪৬) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেটের দক্ষিণে বাসার কাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পারভীন ওই ওয়ার্ডের মৃত হুমায়ূন খানের স্ত্রী।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাভারে চাকরিরত ছেলে ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে তার শেষ কথা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। একই দিন সন্ধ্যায় ফাহাদ ঢাকা থেকে ফিরে সখীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। গতকাল রাত থেকেই পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এর একপর্যায়ে আজ বুধবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। 

টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) এ কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, সকালে ডোবা থেকে এক নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত আছে।

জুয়েল/হীরা/

সন্তানেরা ফিরিয়ে নিয়েছে মুখ, নিজের অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের শরণাপন্ন মা!

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
সন্তানেরা ফিরিয়ে নিয়েছে মুখ, নিজের অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের শরণাপন্ন মা!
ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত ছয় সন্তানের জননী মোছা. চম্পা বেগম। ছবি: খবরের কাগজ
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ির মোছা. চম্পা বেগম (৮০)। চার ছেলে থাকা সত্বেও ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত এই বৃদ্ধা এবার নিজের ভিটায় থাকার অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
 
এই বৃদ্ধার অভিযোগ, ছেলেরা তাকে নিয়মিত ভরণপোষণ দেন না। এমনকি বসবাসের ঘর ভেঙে দিয়ে তাকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগে স্বামী ইউনুছ আলীর মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারে বিরোধ শুরু হয়। বয়সের ভারে চলাফেরায় অক্ষম চম্পা বেগমের দাবি, তার তিন ছেলে আব্দুল কাদের, আব্দুল আজিজ ও ইব্রাহিম দীর্ঘদিন ধরে তার দেখাশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করছেন না।

তিনি জানান, প্রথমে দ্বিতীয় ছেলে আব্দুল কাদেরের জায়গায় একটি ঘরে থাকতেন। সেখানে বিভিন্ন সময় মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। একপর্যায়ে নাতি পারভেজের লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার পর ছোট ছেলে ইব্রাহিম ও নাতি সেলিম তার ঘরটি সরিয়ে আরেক ছেলে আব্দুল আজিজের জায়গায় নির্মাণ করে দেন।

চম্পা বেগমের অভিযোগ, প্রায় ১০ দিন আগে আব্দুল আজিজ ঘরটি ভেঙে ফেলেন এবং তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন। বর্তমানে তিনি বড় ছেলে চাঁন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে শেষ জীবনে নিজের স্বামীর ভিটাতেই থাকতে চান বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবারের পক্ষ থেকে বৃদ্ধার জন্য একটি জরাজীর্ণ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে, যা একটি পরিত্যক্ত নর্দমার পাশে অবস্থিত।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী এবং একজন বৃদ্ধ নারীর জন্য সেখানে থাকা অত্যন্ত কষ্টকর।

ঘটনার পর চম্পা বেগমের দুই মেয়ে ও তাদের স্বামীরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নিলেও অভিযুক্ত ছেলেরা উপস্থিত না হওয়ায় কোনো সমাধান হয়নি। পরে তিনি প্রশাসনের শরণাপন্ন হন।

চম্পা বেগম বলেন, ’স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই কষ্টে আছি। ছেলেরা আমার ভরণপোষণ দেয় না, থাকার ঘরও ভেঙে দিয়েছে। এখন অন্যের বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। আমি শুধু নিজের স্বামীর ভিটায় শেষ জীবনটা কাটাতে চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল কাদের ও ইব্রাহিম বলেন, ’চার ভাই মিলে বাবার কবরের পাশে তাদের মায়ের জন্য নতুন একটি ঘর নির্মাণ করবেন। পাশাপাশি দুই বোনের প্রাপ্য জমিও নিয়ম অনুযায়ী বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

তবে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি সেখান থেকে চলে যান। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, মৃত ইউনুছ আলীর নামে প্রায় ৩৬ শতাংশ জমি থাকলেও এখনো তা উত্তরাধিকারীদের নামে বণ্টন হয়নি। আইন অনুযায়ী চম্পা বেগম ও তার দুই মেয়েরও ওই সম্পত্তিতে অধিকার রয়েছে। অথচ জমি থাকা সত্ত্বেও বৃদ্ধা মায়ের স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা হয়নি।

এ বিষয়ে ধনবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের আশা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বৃদ্ধা মা তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবেন এবং নিরাপদে নিজ ভিটায় বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত হবে।

জুয়েল রানা/আজহার/

কালুখালীতে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে চালক নিহত

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
কালুখালীতে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে চালক নিহত
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপভ্যানের সংঘর্ষে পিকআপের চালক নিহত হয়েছেন। তার পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খাগজানা এলাকার পাইকারা মোড়ে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পর প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

পাংশা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাজ্জাত দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে পাংশা থেকে দৌলতদিয়াগামী পিকআপটির সঙ্গে কুষ্টিয়াগামী যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপটি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে এর চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কে আড়াআড়িভাবে থাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসটি সরিয়ে নেওয়া হলে দুপুর ২টার দিকে দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পাংশা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. সাজ্জাত খবরের কাগজকে বলেন, বাস ও পিকআপের সংঘর্ষে পিকআপচালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।

সুমন বিশ্বাস/থিওটোনিয়াস/

সিলেটে দুই সন্তান নিয়ে ১০ দিন ধরে ‘নিখোঁজ’ নারী

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
সিলেটে দুই সন্তান নিয়ে ১০ দিন ধরে ‘নিখোঁজ’ নারী
নিখোঁজ তিনজনের ছবি। ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে ১৬ বছরের মেয়ে ও তিন বছরের ছেলেসহ ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন জুলি বেগম (৩০) নামে এক নারী। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানায় স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ ডায়রি করেছেন তার স্বামী আজাদ মিয়া।  

পুলিশ বলছে, দাম্পত্য কলহ বা পরিবারিক কোনো সমস্যার কারণে এই নিখোঁজের ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে আজাদ মিয়া সাধারণ ডায়রিতে উল্লেখ করেছেন, স্ত্রীর সঙ্গে তার কোনো ঝগড়া বা মনমালিন্য নেই। তাই এ ঘটনা আত্মগোপন নাকি নিখোঁজ, এটা নিয়ে পুলিশের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সাধারণ ডায়রিতে নিখোঁজ তিনজন হলেন আজাদ মিয়ার স্ত্রী জুলি বেগম (৩০), তার মেয়ে ফাবিহাতুন নেছা ফাইজা (১৬) ও ছেলে আজান আহমদ (৩)।

আজাদ মিয়া জিজিতে উল্লেখ করেন, ২১ জুন রাতে তার অনুমতি ছাড়া ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান জুলি বেগম। যা সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত হন। এরপর সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করেও স্ত্রী-সন্তানদের সন্ধান পাননি তিনি। 

এ দিকে জুলি বেগমের বাবার বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে। তবে বর্তমানে তারা সিলেট নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা। সন্তানসহ জুলি বেগমের নিখোঁজের পর তার স্বামী ও বাবার বাড়ির পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। জুলি বেগম তার বাবার বাড়িতে না থাকলেও তার সবশেষ লোকেশন তার বাবার বাড়ির আশেপাশে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান।

এই জিডির তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণ সুরমা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মামুনুর রশীদ খবরের কাগজকে বলেন, ঘটনাটি বেশ রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তদন্ত চলছে। আজাদ মিয়ার স্ত্রী জুলি বেগমের পরিবারের সঙ্গে তার পরিবারের কোনো বিষয়ে সমস্যা থাকতে পারে। নিখোঁজ জুলি বেগমের বাবার বাড়িতে গিয়ে কথা বলেছি। তারাও মেয়ে ও নাতি-নাতনিকে খোঁজাখুঁজি করছেন। স্বামী-স্ত্রীর পরিবারের মধ্যে এ ব্যাপারে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। তবে আমরা তাদের উদ্ধার করতে সব ধরনের চেষ্টা করছি।

থিওটোনিয়াস/

নাফ নদীতে দুই বস্তায় মিলল ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা, যুবক আটক

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৪০ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
নাফ নদীতে দুই বস্তায় মিলল ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা, যুবক আটক
আটক ব্যক্তি ও উদ্ধর করা মালামাল

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় জাগীর হোসেন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।

বিজিবি জানায়, মায়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে শাহপরীর দ্বীপ দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে আসনে এমন খবরে বিজিবির সদস্যরা রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে নাফ নদীর শাহপরীর দ্বীপ জেটি থেকে প্রায় ৯০০ মিটার দক্ষিণে গোপনে অবস্থান নেন। পরে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে মায়ানমারের দিকে একটি সন্দেহজনক নৌকার চলাচল দেখা যায়।

একপর্যায়ে চাঁদের আলোয় দেখা যায়, এক ব্যক্তি দুটি বস্তা নিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে আসছেন। তখন বিজিবির সদস্যরা তাকে আটক করে তার সঙ্গে থাকা দুটি বস্তা তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করে।

আটক জাগীর হোসেন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সবসময় সতর্ক রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।

শাহীন/আজহার/

শার্শায় সাংবাদিক পরিচয়ে সোহাগের বিরুদ্ধে ফের চাঁদাবাজির অভিযোগ

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
শার্শায় সাংবাদিক পরিচয়ে সোহাগের বিরুদ্ধে ফের চাঁদাবাজির অভিযোগ
অভিযুক্ত সাংবাদিক সোহাগ হোসেন

যশোরের শার্শা উপজেলায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির করা সোহাগ হোসেনের (৩৫) বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ করেছেন এক বেকারি ব্যবসায়ী।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক।

গতকাল মঙ্গলবার ইউএনও ও ওসি বরাবর সোহাগ হোসেনসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে পৃথক লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলার বসতপুর এলাকার আবুল হোসেন।

সোহাগ হোসেন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক বাংলার ভোর পত্রিকার বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি বলে দাবি করেন। তিনি উপজেলার বাগুড়ী গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, সোমবার (২৯ জুন) দুপুরের বসতপুর এলাকায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সোহাগ হোসেন, শাহারুল ইসলাম রাজ, মহিউদ্দিন ও মিজানুর রহমান বেকারিতে এসে আবুল হোসেনের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। এরপর তারা কোনো অনুমতি ছাড়াই তার বেকারির ভেতরের ছবি ও ভিডিও ধারণ শুরু করেন।

তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেন। পরে তিনি নিরুপায় হয়ে সোহাগের হাতে তিন হাজার টাকা দেন। বাকি টাকা ০১৭৬৮৯৭৯৬৩৬ নম্বরে বিকাশ করতে বলেন।

বাকি টাকা না দিলে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করার হুমকি দিয়ে চলে যান সোহাগ ও তার সহযোগীরা।

পরে তিনি শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসি বরাবর পৃথক অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী আবুল হোসেন বলেন, ’আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন অন্যের বেকারিতে শ্রমিকের কাজ করে অনেক কষ্টের পর নিজ উদ্যোগে ছোট পরিসরে বসতবাড়িতে একটি বেকারি করেছি। এখান থেকে যা আয় হয়, তা দিয়েই আমার কোনরকম সংসার চলে। এটিই আমার একমাত্র আয়ের উৎস।’

এ ঘটনায় চরম আতঙ্কে ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে তিনি বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এর আগেও সাংবাদিক পরিচয়ে সোহাগের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার বেলতলা বাজারে আমের আড়তদার মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে সোহাগ চাঁদা দাবি করলে ওই সময় স্থানীয়রা তাকে গণধোলাই দেন। পরে ওই ব্যবসায়ী সোহাগের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে সেপ্টেম্বর মাসে সাতক্ষীরা আমলি আদালতে চাঁদাবাজির মামলা করেন। সেই মামলায় তিনি জেলে ছিলেন। জেল থেকে বের হয়ে আবারও জড়িয়ে পড়েন চাঁদাবাজিতে।

এ বিষয়ে সোহাগ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, ’এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে সত্যতা পেলে সোহাগ হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ বলেন, ’এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি আমি থানার ওসিকে জানিয়েছি। তদন্ত করে ওসি আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।’

তিনি আরও বলেন, ’ইদানীং শার্শা উপজেলায় সাংবাদিক পরিচয়ে একটি চক্র চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছে। আমরা তাদের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছি।’

নজরুল ইসলাম/আজহার/