ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল এনজো-লাউতারোর গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা গর্ডনের গোলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনা জিতলেই বিয়ে! পরীমনির স্ট্যাটাসে সরগরম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ১৯ ফাউলের প্রথমার্ধে গোলশূন্য আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের আগে ইংল্যান্ডকে ‘দখলদার জলদস্যু’ বললেন আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়েইন রুনির রেকর্ড ভাঙলেন হ্যারি কেইন বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার শেষ লড়াই কেমন ছিল? জানা গেল আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের একাদশ ইয়ামালের বাড়িতে চুরির চেষ্টা যেভাবে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড যেভাবে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ অনলাইনে দেখবেন যেভাবে এজিআই আসছে, প্রস্তুতির তাগিদ ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালের দায়িত্বে মেসির ‘প্রিয়’ রেফারি সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, গ্রেপ্তার ৮ জো বাইডেনের স্মৃতিকথা প্রকাশ হবে নভেম্বরে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কারা জিতবে? সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী ব্যাংকিং সেবায় ফি-চার্জ না বাড়াতে গভর্নরকে চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগ গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাদের মারধর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ বাঁশখালীতে ২০০০ বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ স্ক্রিনে শুরু, হৃদয়ে পূর্ণতা ত্রাণমন্ত্রী বিদায়ের পরই দুই ট্রাক ত্রাণ লুটের অভিযোগ স্বর্ণশিল্পকে শক্তিশালী খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য: বাজুস প্রেসিডেন্ট দুই মাস পর আমরা কোথায় থাকব জানিনা: জুলাই শহিদ শান্তর মা সালথা ছাত্রদলের কমিটিতে ৪ বিবাহিত নেতা, কারও রয়েছে সন্তানও ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম-স্বজনপ্রীতি বরদাস্ত করা হবে না: ত্রাণমন্ত্রী

সুদানের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ দখল করল সেনাবাহিনী

প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৫, ০৯:৩৬ পিএম
আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৫, ০৯:৩৭ পিএম
সুদানের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ দখল করল সেনাবাহিনী
রাজধানী খার্তুমের প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের পর সেনা সদস্যদের উচ্ছ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

সুদানের সেনাবাহিনী দেশটির রাজধানী খার্তুমের প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে। দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে এটি সেনাবাহিনীর জন্য একটি বড় প্রতীকী অর্জন। শুক্রবার (২১ মার্চ) প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ দখলের মধ্য দিয়ে দেশটির বিভাজনের আশঙ্কা আরও গভীর হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে পিছু হটলেও সম্প্রতি তারা সুদানের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে আধা সামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) কাছ থেকে বেশ কিছু এলাকা পুনর্দখল করেছে। অন্যদিকে আরএসএফ পশ্চিমাঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করেছে, যা দেশটিকে কার্যত বিভাজনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আরএসএফ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় একটি সমান্তরাল সরকার গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে, যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে তা স্বীকৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

সেনাবাহিনীর বক্তব্য, তারা খার্তুমের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে মন্ত্রণালয় ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোরও নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সামরিক সূত্রে জানা গেছে, আরএসএফ যোদ্ধারা প্রাসাদ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে সরে গেছে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে সংঘাত শুরুর পর আরএসএফ দ্রুত খার্তুম শহরের বেশির ভাগ অংশের পাশাপাশি প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদ দখল করে নেয়। 

সেনাবাহিনী প্রাসাদের ভেতরে সেনাদের জয়ধ্বনি করার ভিডিও শেয়ার করেছে, যেখানে দেখা গেছে প্রাসাদের কাচের জানালা ভাঙা এবং দেয়ালে গুলির চিহ্ন। আরএসএফ প্রাসাদ পুনর্দখল এবং খার্তুমে সেনাবাহিনীর অগ্রগতি সম্পর্কে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বৃহস্পতিবার দলটি জানিয়েছিল, তারা উত্তর দারফুর অঞ্চলে সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি দখল করেছে। 

প্রাসাদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার খবরে অনেক সুদানি নাগরিক আনন্দ প্রকাশ করেছেন। খার্তুমের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রাসাদ মুক্ত হওয়ার খবরটি সবচেয়ে ভালো খবর। এর মানে হলো, সেনাবাহিনী খার্তুমের বাকি অংশও নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরু করেছে। আমরা আবার নিরাপদে থাকতে চাই এবং ভয় ও ক্ষুধা ছাড়া বাঁচতে চাই।’

এই সংঘাত জাতিসংঘের তথ্যমতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট তৈরি করেছে। পাঁচ কোটি মানুষের এই দেশটিতে বিভিন্ন অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ ও রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। সংঘাতের উভয় পক্ষকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আরএসএফের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগও আনা হয়েছে। উভয় পক্ষই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। 

শুক্রবার খার্তুমে মাঝেমধ্যে গুলির আওয়াজ শোনা গেছে। সেনাবাহিনী আরএসএফকে কোণঠাসা করতে চাইছে বলে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরএসএফ এখনো শহরে প্রাসাদের দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তৃত এলাকা দখল করে আছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা সব যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছি, যতক্ষণ না এই মিলিশিয়া ও তাদের সহযোগীদের নোংরা উপস্থিতি থেকে আমাদের দেশের প্রতিটি ইঞ্চি পরিষ্কার করা হচ্ছে। 

দেশটি দুই বছর আগে গণতান্ত্রিক শাসনে উত্তরণের পরিকল্পনা করছিল, তখনই এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। ২০১৯ সালে ওমর আল-বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সেনাবাহিনী ও আরএসএফ একসঙ্গে কাজ করেছিল এবং পরে বেসামরিক নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করে। কিন্তু তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল, কারণ বশির আরএসএফকে সেনাবাহিনীর ভারসাম্য হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। আরএসএফের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ হামদান দাগালো, যিনি দারফুরের জাঞ্জাওয়িদ মিলিশিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছেন সেনা কর্মকর্তা আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান।

মাহফুজ/

এজিআই আসছে, প্রস্তুতির তাগিদ

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
এজিআই আসছে, প্রস্তুতির তাগিদ
ছবি: এআই

গুগলের এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিপমাইন্ডের প্রধান নির্বাহী ও নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ডেমিস হাসাবিস বলেছেন, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (এজিআই) বাস্তবে আসতে আর মাত্র কয়েক বছর বাকি। এই প্রযুক্তি যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতে এখনই জরুরি বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক ব্যক্তিগত ব্লগে এ কথা লিখেছেন হাসাবিস। তিনি বলেন, এজিআই এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাব্যবস্থা, যা মানুষের প্রায় সব ধরনের জ্ঞানগত সক্ষমতার সমান বা তার চেয়েও বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন হবে। গত জুনেও তিনি বলেছিলেন, আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যেই এজিআই বাস্তবে দেখা যেতে পারে। বর্তমানে করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দেশের মধ্যে এজিআই প্রতিযোগিতাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কিন্তু এর সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘এজিআই যত এগোবে, সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিও তত বাড়বে। ভবিষ্যতে পারমাণবিক ও জীববৈজ্ঞানিক নিরাপত্তাও বড় উদ্বেগ হয়ে উঠতে পারে। তাই আরও শক্তিশালী ও স্বয়ংক্রিয় এআই নিয়ন্ত্রণে আগেভাগেই সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এজিআইয়ের ভবিষ্যৎ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। এতে যেমন বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি অজানা ঝুঁকিও রয়েছে।’

অ্যানথ্রপিকের গবেষণার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য, এআই ইতোমধ্যে নিজেকে আরও উন্নত করার সক্ষমতা দেখাতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এটি মানব হস্তক্ষেপ ছাড়াই আরও শক্তিশালী মডেল তৈরি করতে পারে। এতে প্রযুক্তিগত ঝুঁকি মোকাবিলা করা সম্ভব। তবে এর জন্য সময়, সমন্বিত উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। কিন্তু বিশ্ব এখনো সেই প্রস্তুতি নিচ্ছে না।

বৈশ্বিক তদারকি সংস্থার প্রস্তাব
হাসাবিস যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি বৈশ্বিক এআই তদারকি সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ফিনরা’র আদলে এই প্রতিষ্ঠান গড়ার কথা বলেন। এতে শীর্ষ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কাজ করবেন। বাজারে ছাড়ার আগে উন্নত এজিআই মডেলগুলোকে নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানগুলো স্বেচ্ছায় তাদের মডেল পরীক্ষার জন্য জমা দেবে। বাজারে ছাড়ার অন্তত ৩০ দিন আগে তা মূল্যায়ন করা হবে। 

হাসাবিস বলেন, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কেউ কিছু জানে না। তাই সতর্কতার সঙ্গে এবং আশাবাদী হয়েই এগোনো উচিত।

তার মতে, এই উদ্যোগে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে উপযুক্ত। প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা তাদের রয়েছে। পরে এর ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এজিআই পুরো পৃথিবীকে প্রভাবিত করবে। তাই বড় ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ঐকমত্য প্রয়োজন। একই সঙ্গে সবাই যেন এই প্রযুক্তির সুফল পায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

হাসাবিস বলেন, ‘এজিআই আসার আগের এই সময়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখন নেওয়া সিদ্ধান্তই ভবিষ্যৎ মানবসভ্যতার পথ নির্ধারণ করবে।’

মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত?
হাসাবিস এই সময়কে মানবজাতির ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার বিশ্বাস, দায়িত্বশীলভাবে এজিআই তৈরি ও ব্যবহার করা গেলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে উপকারী প্রযুক্তিগুলোর একটি হবে।

তিনি বলেন, এজিআইকে শুধু ইন্টারনেট বা মোবাইল প্রযুক্তির সঙ্গে তুলনা করা যায় না। এটি বিদ্যুৎ বা আগুন আবিষ্কারের মতো যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। সিলিকন চিপকে চিন্তা করার সক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটি প্রযুক্তির এক বিস্ময়কর অর্জন। এজিআইয়ের প্রভাব শিল্পবিপ্লবের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি হবে। পরিবর্তনের গতিও হবে প্রায় ১০ গুণ দ্রুত।

তিনি বলেন, এজিআই ওষুধ আবিষ্কারের গতি বাড়াবে, নতুন পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উদ্ভাবনে সহায়তা করবে। উন্নত উপকরণ তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে। একসময় সম্পদের সীমাবদ্ধতাও মানব অগ্রগতির বড় বাধা নাও থাকতে পারে।

 সূত্র: এনডিটিভি

জো বাইডেনের স্মৃতিকথা প্রকাশ হবে নভেম্বরে

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:০৮ পিএম
জো বাইডেনের স্মৃতিকথা প্রকাশ হবে নভেম্বরে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পালনের সময় নিয়ে লেখা স্মৃতিকথা নভেম্বরে প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তার ক্যানসারের চিকিৎসা ‘খুব ভালোভাবেই চলছে’।

২০২৫ সালের মে মাসে, প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ছাড়ার চার মাস পর ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন জানান, তিনি আক্রমণাত্মক ধরনের প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন, যা তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। পরে তিনি রেডিয়েশন থেরাপি শুরু করেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বাইডেন বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ছাড়ার পর অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, জো, আপনি এখন কী করছেন?’

তিনি বলেন, ‘আমি পরিবারের সঙ্গে অনেক সময় কাটাচ্ছি। ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছি এবং চিকিৎসা খুব ভালোভাবেই চলছে।’ এ সময় তিনি তার সুস্থতা কামনায় শুভেচ্ছা জানানো সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাইডেন জানান, তার আসন্ন স্মৃতিকথা ‘প্রমিজ মি, আমেরিকা’তে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় দেশের সামনে আসা নানা চ্যালেঞ্জ, তার নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং সেসব সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ তুলে ধরা হবে।

বইটিতে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তার প্রেসিডেন্সির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার বর্ণনা থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প-সমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে হামলা, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার।

এ ছাড়া তিনি কেন দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং পরে কেন সরে দাঁড়ান, সেই বিষয়ও বইটিতে স্থান পাবে বলে জানান বাইডেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রেসিডেন্ট হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্থ্যগত সক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নের মুখে ছিলেন বাইডেন। তা সত্ত্বেও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রার্থী হন।

তবে ২০২৪ সালের জুনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে দুর্বল পারফরম্যান্সের পর ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরে ব্যাপক চাপের মুখে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

পরে তার স্থলাভিষিক্ত প্রার্থী, তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করে ট্রাম্প নির্বাচনে বিজয়ী হন।

গত জুনে ৮০ বছরে পা রাখা ট্রাম্প ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ করলে বাইডেনের ‘সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রেসিডেন্ট’ হওয়ার রেকর্ড অতিক্রম করবেন।

আগামী ১৭ নভেম্বর প্রকাশিত হবে বাইডেনের স্মৃতিকথা ‘প্রমিজ মি, আমেরিকা’। বইটি যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের (মিডটার্ম) কয়েক সপ্তাহ পর বাজারে আসবে।

উল্লেখ্য, কমলা হ্যারিসও গত বছর ‘১০৭ ডেজ’ শিরোনামে একটি স্মৃতিকথা প্রকাশ করেন। সেখানে বাইডেন নির্বাচনি লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তার সংক্ষিপ্ত নির্বাচনি প্রচারণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

রেকর্ড তাপমাত্রায় পুড়ছে যুক্তরাজ্য

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
রেকর্ড তাপমাত্রায় পুড়ছে যুক্তরাজ্য
ছবি: সংগৃহীত

গত শতাব্দীর প্রচলিত আবহাওয়ার তুলনায় যুক্তরাজ্যের জলবায়ু এখন মৌলিকভাবে বদলে গেছে।  দেশটির তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে ও চরম আবহাওয়ার ঘটনাও ঘন ঘন ঘটছে। 

বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মেট অফিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পর্যবেক্ষণভিত্তিক তথ্যপ্রমাণ দেখায়, সবচেয়ে গরম ও সবচেয়ে শীতল আবহাওয়ার যে পরিস্থিতিকে আমরা আমাদের ‘স্বাভাবিক’ জলবায়ু বলে মনে করি, তা বিংশ শতাব্দীর বেশিরভাগ সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।’ 

মে ও জুন মাসে যুক্তরাজ্যে নজিরবিহীন দুটি তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। এ সময় ইংল্যান্ডে মাসভিত্তিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড গড়ে যথাক্রমে ৩৫ দশমিক ১ এবং ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যে গড় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ১৯১০ সালের পর বছরটি ছিল সবচেয়ে বেশি রৌদ্রোজ্জ্বলও।

মেট অফিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বসন্ত ও গ্রীষ্ম মিলিয়ে যুক্তরাজ্যের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

এ সময় মোট সূর্যালোকের পরিমাণ ছিল ১৯৯১-২০২০ সালের গড়ের ১২৫ শতাংশ। প্রতিবেদনে একে রেকর্ড করা শুরুর পর থেকে ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ ও সবচেয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের উপকূলীয় এলাকাগুলোও এ পরিবর্তন থেকে রেহাই পায়নি। ২০২৫ সালে দেশটির উপকূলবর্তী সমুদ্রসীমায় ২৯৭ দিন সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। ১৯৮২ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ। ২০২৩ সালের ১৭৮ দিনের আগের রেকর্ডও অনেকটাই ছাড়িয়ে গেছে।

বার্ষিক রেকর্ডের বাইরে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৯৮০’র দশক থেকে প্রতি দশকে যুক্তরাজ্যের জলবায়ুর গড় তাপমাত্রা প্রায় শূন্য দশমিক ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে বেড়েছে। ১৮৮৪ সালের পর রেকর্ড করা সবচেয়ে উষ্ণ পাঁচ বছরের মধ্যে শেষ চার বছরই রয়েছে।

এর পাশাপাশি চরম আবহাওয়ার ঘটনাও বেড়েছে। ১৯৬১ থেকে ১৯৯০ সালের তুলনায় গ্রেটার লন্ডনে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিন এবং ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার রাতের সংখ্যা চার গুণেরও বেশি বেড়েছে।

খাদ্য ও পোশাক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার সম্প্রতি ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে সক্ষম সরঞ্জামে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে ইউরোস্টারও তাদের ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী উচ্চগতির ট্রেনগুলোর শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করবে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিক্ষোভে নিহত ৯

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিক্ষোভে নিহত ৯
জুনে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরের নীলম উপত্যকায়, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর জোট, নিষিদ্ধ ঘোষিত জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএসি)-র ডাকা প্রতিবাদ ও ধর্মঘট চলাকালে হওয়া বিক্ষোভ মিছিল। ফাইল ছবি: রয়টার্স

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি প্রতিবাদী গোষ্ঠীর সমর্থকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হয়েছে।

চলতি মাসের শেষের দিকে যে আঞ্চলিক নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে তার বিতর্কিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ওই গোষ্ঠীটি বুধবার একটি মিছিলের পরিকল্পনা করে।

তার একদিন আগে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।

অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) সমর্থকেরা সরকারি সতর্কতা অমান্য করে এ সপ্তাহে আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের দিকে পদযাত্রার ঘোষণা দেন।

বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল পুনছ জেলার শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা সরদার ওয়াহিদ বলেন, ‘মঙ্গলবার ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় সাত জন বেসামরিক ব্যক্তি, এক আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য ও এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ তাদের পদযাত্রা থামিয়ে দেবে।’

গত জুনে স্থানীয় সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর এ অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর বিক্ষোভকারী ও পুলিশের সংঘর্ষে ২২ জন নিহত হন। গোষ্ঠীটির সমর্থকরা ‘সন্ত্রাসী’ তকমা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা একে ‘নিপীড়নের’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন, তাদের আন্দোলনের লক্ষ্য বৈধ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়।

এক মাসের বেশি সময় ধরে অঞ্চলটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের অবস্থান কর্মসূচি চলছে। কর্তৃপক্ষ জেএএসির প্রধান কার্যালয় সিলগালা করেছে ও সংগঠনটির কয়েক শত সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে। বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখায় পুনছ জেলাজুড়ে অধিকাংশ দোকানপাট ও গণপরিবহনও বন্ধ রয়েছে।

এএফ/

নিউইয়র্কে ৬১৬ কোটি টাকায় বিক্রি হলো ডাইনোসরের কঙ্কাল

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
নিউইয়র্কে ৬১৬ কোটি টাকায় বিক্রি হলো ডাইনোসরের কঙ্কাল
রেকর্ড দামে বিক্রি হওয়া ডাইনোসরের কঙ্কাল ‘গাস’। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৫ কোটি ১ লাখ মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে ‘গাস’ নামে একটি ডাইনোসরের কঙ্কাল।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) আন্তর্জাতিক নিলাম প্রতিষ্ঠান সোদেবিজের আয়োজিত এক নিলামে কঙ্কালটি বিক্রি হয়।

এ নিলামটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি ডাইনোসরের কঙ্কাল বিক্রির রেকর্ড গড়েছে। নিলামে কঙ্কালটি কিনতে সাতজন ক্রেতা অংশ নেন। তখন প্রায় ১০ মিনিট ধরে তাদের মধ্যে দরাদরি প্রতিযোগিতা চলে এবং শেষ পর্যন্ত এক অজ্ঞাত ক্রেতা ৫ কোটি ১ লাখ ডলারে এটি কিনে নেন।

কঙ্কালটি বিশ্বের সবচেয়ে সম্পূর্ণ টি. রেক্স কঙ্কালগুলোর একটি। কঙ্কালটিতে মোট ১৮৩টি জীবাশ্মে পরিণত হওয়া হাড় রয়েছে। পুরো কঙ্কালটির প্রায় ৬৩ শতাংশ এখনও অক্ষত আছে। কঙ্কালটির দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৬ মিটার বা ৩৮ ফুট। আকারের দিক থেকেও এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে বড় টি. রেক্স নমুনাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের একটি গরুর খামারে ২০২১ সালে কঙ্কালটি খুঁজে পাওয়া যায়। পরে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে ধারণা করেন, এ ডাইনোসরটি আজ থেকে প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ থেকে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে পৃথিবীতে বাস করত। তখন পৃথিবীর জলবায়ু বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি গরম ছিল এবং সমুদ্রের পানির উচ্চতাও অনেক বেশি ছিল।

আগে উপকূলজুড়ে বিস্তীর্ণ সমতল এলাকা ছিল এবং সেখানে প্রায়ই বন্যার পানিতে প্লাবিত হতো। নিলামে এত টাকায় এই কঙ্কাল বিক্রি হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করেছে যে, ডাইনোসরের জীবাশ্ম ও হাড়ের আন্তর্জাতিক বাজার দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। তবে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক জীবাশ্মবিদ। তাদের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম ব্যক্তিগত সংগ্রহে চলে গেলে গবেষণা ও জনসাধারণের দেখার সুযোগ কমে যায়। 

নিলামের আগে সোদেবিজের বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগের প্রধান ক্যাসান্দ্রা হ্যাটন বলেন, পৃথিবীর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ, যেখানে এ ধরনের জীবাশ্ম ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো জমির মালিক যদি একটি জীবাশ্ম খুঁজে পান, তবে সে জীবাশ্মের মালিকানাও তার হয়ে যায়। তিনি চাইলে সেটি বিক্রি করতে পারেন। তাই ব্যক্তিগতভাবে ডাইনোসরের জীবাশ্ম কিনতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র জায়গা, যেখানে তা আইনিভাবে সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, এর আগে ২০২৪ সালে ‘এপেক্স’ নামে একটি স্টেগোসরাসের কঙ্কাল বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলারে। যেটি হেজ ফান্ডের ধনকুবের কেন গ্রিফিন কিনেছিলেন। এবার ‘গাস’ সে রেকর্ড ভেঙে নিলামে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে দামি ডাইনোসরের কঙ্কাল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/