পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি প্রতিবাদী গোষ্ঠীর সমর্থকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হয়েছে।
চলতি মাসের শেষের দিকে যে আঞ্চলিক নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে তার বিতর্কিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ওই গোষ্ঠীটি বুধবার একটি মিছিলের পরিকল্পনা করে।
তার একদিন আগে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) সমর্থকেরা সরকারি সতর্কতা অমান্য করে এ সপ্তাহে আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের দিকে পদযাত্রার ঘোষণা দেন।
বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল পুনছ জেলার শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা সরদার ওয়াহিদ বলেন, ‘মঙ্গলবার ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় সাত জন বেসামরিক ব্যক্তি, এক আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য ও এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ তাদের পদযাত্রা থামিয়ে দেবে।’
গত জুনে স্থানীয় সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর এ অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর বিক্ষোভকারী ও পুলিশের সংঘর্ষে ২২ জন নিহত হন। গোষ্ঠীটির সমর্থকরা ‘সন্ত্রাসী’ তকমা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা একে ‘নিপীড়নের’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন, তাদের আন্দোলনের লক্ষ্য বৈধ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়।
এক মাসের বেশি সময় ধরে অঞ্চলটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের অবস্থান কর্মসূচি চলছে। কর্তৃপক্ষ জেএএসির প্রধান কার্যালয় সিলগালা করেছে ও সংগঠনটির কয়েক শত সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে। বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখায় পুনছ জেলাজুড়ে অধিকাংশ দোকানপাট ও গণপরিবহনও বন্ধ রয়েছে।
এএফ/