ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ দুই বছরে ৩৬০টি পোশাক কারখানা বন্ধ স্পেনের সামনে আবার বিশ্বজয়ের হাতছানি ঘাম ঝড়িয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা দেশের তৈরি পোশাক খাতের সংকট বাড়ছে টানা বৃষ্টিতে রাজধানীজুড়ে জনদুর্ভোগ চরমে, সংকটে নিম্ন আয়ের মানুষ ফাইনালের আগে আরেক ফাইনাল ডিমের ন্যায্যমূল্য ও ডিজিটাল ডেটাবেজের দাবি বিপিআইএর কে এই ড্যান এনডয়ে? আর্জেন্টিনার জালে বল ঠেলে নজরে সুইস ফরোয়ার্ড বন্যায় চট্টগ্রাম বন্দরে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ: শান্তি আলোচনা কি আবার শুরু হবে? বন্ধ জুট মিলে বছরে ব্যয় আট কোটি টাকা মানবভ্রূণের ডিএনএ বদলের নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার বাবা হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচে এমবোলোকে লাল কার্ড কেন? কচুয়া-বেতাগী সেতু: নকশা জটিলতায় অপচয় শতকোটি ভোজিনহার নামে নতুন প্রজাতির নামকরণ পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের: স্পিকার সব দুর্নীতিবাজ ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের হারিয়ে দিয়েছে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার ১২ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১২ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই ১৪ ম্যাচ পর থামলেন গোলমেশিন হালান্ড বিশ্বকাপের নতুন সুপারস্টার, যার বয়স মাত্র ৩ বছর! সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে আর্জেন্টিনা কেন কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলছে আর্জেন্টিনা? ১০ মিনিটেই এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ কে? সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা

বাবা হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
বাবা হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজে প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির দাবি এবং তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে।’

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতাকে উদ্দেশ্য করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আপনার পবিত্র রক্ত এবং এই দুই যুদ্ধে শহিদ সবার রক্তের প্রতিশোধ আমরা নেব বলে অঙ্গীকার করছি।’

এতে আরও বলা হয়, ‘এই অপরাধীদের নাম ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত আমাদের জানা এবং নথিভুক্ত রয়েছে। তারা যেন বার্ধক্যে বিছানায় শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর আশা নিয়ে কবরে না যায়। তাদের জানা উচিত, এই প্রতিশোধ আমার বা অন্য কোনো কর্মকর্তার উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে না।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা থাকি বা না থাকি, খুব শিগগিরই এই অঙ্গীকার পূরণ করা হবে।’

ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের নেতৃত্ব তাকে লক্ষ্যবস্তু করলে দেশটির ‘প্রতিটি অঞ্চল সম্পূর্ণ ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’। এর কয়েক ঘণ্টা পরই মোজতবা খামেনি প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। 

সম্প্রতি ইসরায়েলের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়েছেন, তেহরানের কট্টরপন্থি নেতৃত্বের কিছু অংশ ট্রাম্পকে হত্যার ইচ্ছা পোষণ করছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে ট্রাম্পকে হত্যার কোনো নতুন বা নির্দিষ্ট ইরানি ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং বিভিন্ন ইরানি গোষ্ঠীর এমন ইচ্ছা নিয়ে চলমান আলোচনা বা গুঞ্জনের তথ্যই পাওয়া গেছে।

নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরও মোজতবা খামেনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি। ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তার বাবা, মা ও স্ত্রী নিহত হওয়ার সময় তিনি আহত হয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। সমর্থকদের সঙ্গে কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে যোগাযোগ করছেন। এখন পর্যন্ত তার কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়নি। শনিবারের বিবৃতিটি সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোজতবার প্রকাশিত কয়েকটি বার্তার অন্যতম।

মামলা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের হুমকি ইরানি বিচারবিভাগীয় প্রধানের 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিচার ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের অঙ্গীকার করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি-এজেই বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসন আমাদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ করেছে।’

ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ তার বরাত দিয়ে জানায়, ‘আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা এবং শাস্তি নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অপরাধীদের শুধু শাস্তিই নয়, তাদের সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষতিপূরণও দিতে হবে।’

আইএসএনএ জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নিতে মোহসেনি-এজেই অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক আইনজীবী ও আইন বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বৈঠকে তিনি বলেন, ‘জায়নবাদীরা প্রায় আট দশক ধরে ফিলিস্তিন ও লেবাননে গণহত্যা ও শিশু হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছে। এই নৃশংস জায়নবাদীদের বিরুদ্ধে আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করব। তাদের বিরুদ্ধে যেখানে প্রতিরোধের পতাকা উড়বে, সেখানে সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে আমরা দ্বিধা করব না।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘অপরাধীদের নিশ্চিতভাবে জানতে হবে, তারা ইরানি জাতির যে ক্ষতি করেছে, তার ক্ষতিপূরণও আমরা তাদের কাছ থেকে আদায় করব।’ সূত্র: সিএনএন ও ডন

বাবা হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
বাবা হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজে প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির দাবি এবং তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে।’

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতাকে উদ্দেশ্য করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আপনার পবিত্র রক্ত এবং এই দুই যুদ্ধে শহিদ সবার রক্তের প্রতিশোধ আমরা নেব বলে অঙ্গীকার করছি।’

এতে আরও বলা হয়, ‘এই অপরাধীদের নাম ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত আমাদের জানা এবং নথিভুক্ত রয়েছে। তারা যেন বার্ধক্যে বিছানায় শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর আশা নিয়ে কবরে না যায়। তাদের জানা উচিত, এই প্রতিশোধ আমার বা অন্য কোনো কর্মকর্তার উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে না।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা থাকি বা না থাকি, খুব শিগগিরই এই অঙ্গীকার পূরণ করা হবে।’

ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের নেতৃত্ব তাকে লক্ষ্যবস্তু করলে দেশটির ‘প্রতিটি অঞ্চল সম্পূর্ণ ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’। এর কয়েক ঘণ্টা পরই মোজতবা খামেনি প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। 

সম্প্রতি ইসরায়েলের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়েছেন, তেহরানের কট্টরপন্থি নেতৃত্বের কিছু অংশ ট্রাম্পকে হত্যার ইচ্ছা পোষণ করছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে ট্রাম্পকে হত্যার কোনো নতুন বা নির্দিষ্ট ইরানি ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং বিভিন্ন ইরানি গোষ্ঠীর এমন ইচ্ছা নিয়ে চলমান আলোচনা বা গুঞ্জনের তথ্যই পাওয়া গেছে।

নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরও মোজতবা খামেনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি। ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তার বাবা, মা ও স্ত্রী নিহত হওয়ার সময় তিনি আহত হয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। সমর্থকদের সঙ্গে কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে যোগাযোগ করছেন। এখন পর্যন্ত তার কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়নি। শনিবারের বিবৃতিটি সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোজতবার প্রকাশিত কয়েকটি বার্তার অন্যতম।

মামলা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের হুমকি ইরানি বিচারবিভাগীয় প্রধানের 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিচার ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের অঙ্গীকার করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি-এজেই বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসন আমাদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ করেছে।’

ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ তার বরাত দিয়ে জানায়, ‘আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা এবং শাস্তি নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অপরাধীদের শুধু শাস্তিই নয়, তাদের সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষতিপূরণও দিতে হবে।’

আইএসএনএ জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নিতে মোহসেনি-এজেই অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক আইনজীবী ও আইন বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বৈঠকে তিনি বলেন, ‘জায়নবাদীরা প্রায় আট দশক ধরে ফিলিস্তিন ও লেবাননে গণহত্যা ও শিশু হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছে। এই নৃশংস জায়নবাদীদের বিরুদ্ধে আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করব। তাদের বিরুদ্ধে যেখানে প্রতিরোধের পতাকা উড়বে, সেখানে সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে আমরা দ্বিধা করব না।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘অপরাধীদের নিশ্চিতভাবে জানতে হবে, তারা ইরানি জাতির যে ক্ষতি করেছে, তার ক্ষতিপূরণও আমরা তাদের কাছ থেকে আদায় করব।’ সূত্র: সিএনএন ও ডন

যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা মানেনি, অভিযোগ আরাঘচির

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা মানেনি, অভিযোগ আরাঘচির
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইরান তার প্রতিশ্রুতি পালন করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সমঝোতা স্মারকের নবম অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

শনিবার (১১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, সমঝোতা স্মারকের ওই ধারায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ অঞ্চলে অতিরিক্ত সামরিক বাহিনী মোতায়েন না করার কথা বলা হয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে তিনি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আরও আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছেন বলেও জানান।

এসএন/

নেতানিয়াহুর ছেলে বদলে ফেললেন নিজের নাম

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:২৮ পিএম
নেতানিয়াহুর ছেলে বদলে ফেললেন নিজের নাম
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ায়ের নেতানিয়াহু নিজের নাম পরিবর্তন করে ইয়োনাথান রেখেছেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই

 এমন সময় এ পরিবর্তনের খবর সামনে এলো, যখন গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাকে ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত।

তবে ইয়ায়ের এবারই প্রথম এমন পদবি ব্যবহার করছেন তা নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এর আগে নিজেকে ইয়ায়ের হুন হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। হুন মূলত তার মা সারা নেতানিয়াহুর বাবা শমুয়েল-এর আসল পদবি ছিল, যা পরে পরিবর্তন করে বেন আর্টজি রাখা হয়।

নেতানিয়াহু পরিবারে নাম বা পদবি পরিবর্তনের ঘটনা অবশ্য এটাই প্রথম নয়। হারেৎজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়ায়েরের ভাই আভনেরও প্রায় পাঁচ বছর আগে নিজের নাম পরিবর্তন করে আভি সেগাল রেখেছিলেন। নজরদারি ও মানুষের মনোযোগ এড়াতে আভি সেগাল নামে তিনি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে ৬ লাখ ৭২ হাজার মার্কিন ডলার নগদ মূল্যে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

স্বয়ং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ১৯৮০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময় নিজের নাম বদলে বেন নিতাই ব্যবহার করেছিলেন। পরে তিনি জানিয়েছিলেন, সে সময় তিনি আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের কথা ভাবছিলেন।

এসএন/

ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী নৌকা ডুবে ১৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী নৌকা ডুবে ১৫ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ফু কুওকের কাছে একটি পর্যটকবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানায় দেশটির সংবাদমাধ্যম ভিয়েতনাম এক্সপ্রেস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ দুর্ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক, তিনজন নাবিক এবং একজন পরিচারকসহ মোট ৩৬ জন আরোহী ছিলেন।

ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, তারা ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তায় হো চি মিন সিটি ও হ্যানয়ে জরুরি যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপন করেছে।

এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় ঘটনাটির সঠিক বিবরণ এখনও যাচাই করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে ঘটনাটিকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, হন মে রুট দ্বীপ থেকে আন থোই বন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে নৌকাটি উপকূল থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে সমুদ্রে উল্টে যায়। এ সময় ওই এলাকায় সমুদ্র উত্তাল ছিল।

ভিয়েতনামের বৃহত্তম দ্বীপ ফু কুওক দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্বীপটি বিপুলসংখ্যক ভারতীয় পর্যটককে আকর্ষণ করছে। সূত্র: রয়টার্স

অমিয়/

ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১১৮

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১১৮
ছবি: সংগৃহীত।

ভেনিজুয়েলায় গত ২৪ জুন পরপর ভয়াবহ দুইটি ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চার হাজার ১১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) ভেনিজুয়েলার পার্লামেন্টের প্রধান হোর্হে রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক বার্তায় জানান, গত ২৪ জুন পরপর আঘাত হানা দু’টি ভূমিকম্পে কমপক্ষে চার হাজার ১১৮ জন নিহত এবং ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছেন।

উপকূলীয় লা গুয়াইরা রাজ্যের পুরো এলাকাজুড়ে বহু ভবন ধসে পড়েছে। এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের পর মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে আরো একটি শক্তিশালী ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে।

এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি ছিল ভেনিজুয়েলায় সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে বহু বহুতল আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

উদ্ধারকারী দলগুলো জীবিতদের সন্ধানে অভিযান বন্ধ করলেও, স্বজনরা এখনো ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তাদের প্রিয়জনদের খুঁজে চলেছেন, যাতে অন্তত মর্যাদাপূর্ণভাবে তাদের শেষ বিদায় জানানো যায়।

শুক্রবার রাজধানী কারাকাসের কেন্দ্রীয় এলাকায় ৩ দশমিক ০ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের কম্পনে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কয়েকটি ভবন খালি করা হয়।

দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সঙ্কটে ভুগতে থাকা ভেনিজুয়েলার জন্য এই বিপর্যয়ের পর পুনর্গঠন কার্যক্রম একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটির সরকারি সেবাব্যবস্থা এরই মধ্যে মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বুধবার জাতিসংঘ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রায় ৩০ কোটি ডলারের জরুরি তহবিলের আবেদন জানিয়েছে। ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ বিদেশে জব্দ থাকা দেশটির সম্পদ পুনরুদ্ধার করে তা ভূমিকম্প-পরবর্তী পুনর্বাসন কাজে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আটকে থাকা ভেনিজুয়েলার প্রায় ৩০ টন স্বর্ণ ছাড় করতে তিনি ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে অনুরোধ করেছেন। সূত্র: বাসস

এএফ/