ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জিতলে ব্যাংক হলিডের ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর ফ্রান্স ও মরক্কোর শুরুর একাদশে আছেন যারা হলুদের ফাঁদে ১৮ তারকা ফ্রান্স-মরক্কো লড়াই অনলাইনে দেখবেন যেভাবে কেন গুগলে নিজের নাম সার্চ দিতে বললেন আর্লিং হালান্ড? দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ ইংলিশ ডিফেন্ডার মাশহাদে সমাহিত হলেন খামেনি ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯০ হামে মৃত্যু ৭৪৭, এক দিনেই শনাক্ত ৯৪৬ মুক্তাগাছায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ারসহ সহায়ক উপকরণ বিতরণ হঠাৎ দিক হারিয়ে সিরিজ হারল বাংলাদেশ মুনিরের সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপ, মার্কিন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা সাঙ্গু নদীতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে যুবদল কর্মী নিখোঁজ সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্রীয় শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে খামেনির মরদেহ সিএফমোটো ও ব্রেম্বোর নতুন অধ্যায় শুরু রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের মধ্যেই বন্যার আশঙ্কা উখিয়ার পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে দুর্যোগ সচিব গোপালগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু আসামির মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, পুলিশসহ আহত ১২ দুই দিন পর ফিরলেন সাজেকে আটকে পড়া ১৫০ পর্যটক চীনে জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৮ সাতকানিয়ায় পানিবন্দি ৮ নারী ও শিশুকে উদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড ইরান হামলা না থামালে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আরও ভয়ানক হবে: ট্রাম্প চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি হলেন সরোয়ার আলমগীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকার সভাপতি মোবারক, সম্পাদক সবুজ মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে যাওয়া নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর ফেরত ২ জন রিমান্ডে লাল কার্ডের রাজা এবার ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের রেফারি

সংস্কারের ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৯:২১ পিএম
সংস্কারের ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই: প্রধান উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: পিআইডি

জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রকাঠামোতে সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, তা করা না গেলে অন্তর্বর্তী সরকারের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে মনে করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, অসংখ্য ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে সুযোগ পাওয়া গেছে, তা ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে; আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টাকে সভাপতি করে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজকে এই কমিশনের সহসভাপতি করা হয়েছে।

শনিবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রথম সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা।

গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মত্যাগ সার্থক করতে ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাই মিলে সব রকম চেষ্টা করবেন বলে সংলাপের সময় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ড. ইউনূস।

রাষ্ট্রকাঠামোতে সংস্কার আনা না গেলে অন্তর্বর্তী সরকারের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের (সংস্কার নিয়ে) ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা ব্যর্থ হতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিজ্ঞা করি, আমরা যেন গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান না জানাই। যে কারণে তারা আত্মত্যাগ করেছিল সেটা যেন পরবর্তী সব প্রজন্ম মনে রাখে, তাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে, তাদের আত্মত্যাগকে সার্থক করার জন্য আমরা সবাই মিলে সব রকম চেষ্টা করব, তাদের সে স্বপ্ন যেন বাস্তবায়ন করতে পারি।

তারা এ ত্যাগ না করলে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকলেও জবাব খোঁজার আমাদের কোনো সুযোগ থাকত না। প্রশ্ন আমাদের মনে যতটুকু ছিল, বহু বছর ধরে ছিল, সুযোগ পাইনি। অসংখ্য ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা সে সুযোগ পেয়েছি।’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিশ্বব্যাপী অভূতপূর্ব সমর্থন থাকার বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ছোট, মাঝারি এবং বড় সব দেশই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন তাদের (বিশ্বনেতাদের) সঙ্গে কথা বলি, তারা জিজ্ঞেস করে যে তুমি কী চাও, আমরা সবকিছু দেব… আমরা এই সুযোগটি হাতছাড়া করতে চাই না।’

জাতিসংঘ সরকারকে সমর্থন দিয়েছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, সম্প্রতি জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্ট ক্ষমতাচ্যুত সরকারের নৃশংসতা প্রকাশ করে বিশ্বকে (দৃষ্টি) বদলে দিয়েছে।

গোপন নির্যাতন কেন্দ্র আয়নাঘরে তার সাম্প্রতিক সফরের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদনে গুমের শিকারদের অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেছে। তিনি সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যাতে কেউ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত পরবর্তী সরকার সম্পর্কে প্রশ্ন তুলতে না পারে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংস্কার প্রস্তাবগুলোর ওপর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যাতে সেগুলো নিয়ে কাজ শুরু করা যায়।

ছয়টি সংস্কার কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে অভিহিত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সবার উচিত অন্তর্বর্তী সরকারকে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করা।’

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা কেবল সুপারিশগুলো নিয়ে এসেছি, আমরা শুধু সাচিবিক কাজগুলো আপনাদের করে দিলাম। এটা আমার কাজ না, এটা আপনাদের কাজ, যেহেতু আপনারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন।’

ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯০

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২১ পিএম
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯০
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৯০ জন।

 বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত দুজনের মধ্যে একজন ঢাকা বিভাগের ও অপরজন খুলনা বিভাগে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে। মৃতদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ৭৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৭৪৯ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ৯৯৭ জন নারী।

এদিকে ২০২৫ সালে দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ও মারা যান ৪১৩ জন। এর আগের বছর ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের।

এসএন/

হামে মৃত্যু ৭৪৭, এক দিনেই শনাক্ত ৯৪৬

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
হামে মৃত্যু ৭৪৭, এক দিনেই শনাক্ত ৯৪৬
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৪৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৭ জনে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, গত এক দিনে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন করে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে সরাসরি কোনো মৃত্যু হয়নি। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১২৮ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ৮১৮ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এক দিনে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪৬ জনে।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় ১৩ হাজার ১৯৮ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, একই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মোট ৯২ হাজার ৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে এ পর্যন্ত ৮৮ হাজার ৪১৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এসএন/

মুক্তাগাছায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ারসহ সহায়ক উপকরণ বিতরণ

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম
মুক্তাগাছায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ারসহ সহায়ক উপকরণ বিতরণ
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ার, ওয়াকার, হিয়ারিং এইড, আই গ্লাসসহ বিভিন্ন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রতিবন্ধী কমিউনিটি সেন্টারের উদ্যোগে এবং 'ইআরইডিএমসিএম' (EREDMCM) প্রকল্পের আওতায় এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ার, এএফও, এফও, হ্যান্ড স্প্লিন্ট, ওয়াকার, স্পেশাল জুতা, হিয়ারিং এইড এবং আই গ্লাস বিতরণ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৃষ্ণ চন্দ্র। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, যুব গ্রুপের সদস্য এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি কেবল সহানুভূতি নয়, তাদের প্রাপ্য অধিকার ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত। তারা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ; তাদের বাদ দিয়ে উন্নয়নের পূর্ণতা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তাদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে না।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন এবং সমাজের মূলধারায় তাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কৌশল ও করণীয় তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ইআরইডিএমসিএম প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. ইকবাল হোসেন উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অধিকার বাস্তবায়নে প্রকল্পটি কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে স্থানীয় কমিউনিটিকে সহায়ক উপকরণ ব্যবস্থাপনায় আরও সক্ষম করে তোলার পাশাপাশি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এসএন/

চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি হলেন সরোয়ার আলমগীর

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি হলেন সরোয়ার আলমগীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন চট্টগ্রাম-২ আসনের নবনির্বাচিত বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর। ছবি: পিআইডি

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাসের আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

এর আগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের প্রাথির্তা বৈধ এবং তাকে বিজয়ী ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে সরোয়ার আলমগীর প্রায় ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে তার প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত ছিল। সম্প্রতি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলে সব আইনি বাধা দূর হয়। এরপর আদালতের রায়ের আলোকে নির্বাচন কমিশন তাকে চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।

এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলেও ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। আপিলের পর কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করলে সরোয়ার আলমগীর হাইকোর্টে রিট করেন।

হাইকোর্ট কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তাকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেন। পরে আপিল বিভাগ তাকে নির্বাচন করার সুযোগ দিলেও চূড়ান্ত আইনি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। এরপর হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পর তার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সব আইনি বাধা দূর হয়।

এলিস/এএফ

গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত, আশাবাদ ব্যক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত, আশাবাদ ব্যক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নয়াদিল্লি চুক্তিটির গুরুত্ব অনুধাবন করবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে... চুক্তি নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে এ মুহূর্তে আলোচনার সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

শামা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে ভারত এ চুক্তির গুরুত্ব এবং উভয় দেশের জন্য গঙ্গার পানির তাৎপর্য সম্পর্কে অবগত।

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ভারত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেই অভিন্ন স্বার্থকে সামনে রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে অল্প সময় বাকি থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গঠিত দল ও কমিটি এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

এ বিষয়ে আশাবাদের কারণ জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, চলমান আলোচনা সম্পর্কে এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই। আমরা আশাবাদী।’

তিনি আরও বলেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে প্রায় ছয় মাস বাকি রয়েছে এবং এর নবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের ওপর নির্ভর করছে।

শামা বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, আশা করি ভারত গঙ্গা চুক্তির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে এবং সে অনুযায়ী এগিয়ে আসবে।’

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।

চুক্তিটি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টনের কাঠামো নির্ধারণ করে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে।

অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন নদী-সংক্রান্ত বিষয়ে দুই দেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে আলোচনা করে থাকে। এই কমিশন যৌথ পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

এসএন/