ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে এক হাজার কেজি হাঁড়িভাঙা আম পাঠাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৪ জুলাই) তার জন্য আমগুলো পাঠানো হবে এবং আগামী ১৫ জুলাই এই আমের চালানটি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছাবে। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে এই ‘ম্যাঙ্গো কূটনীতি’ প্রচলিত আছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নয়াদিল্লি পৌঁছানোর পর মৈত্রীর অংশ হিসেবে আমগুলো ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, কূটনীতিক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যেও বিতরণ করা হবে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির জন্যও গত সপ্তাহে ৩০০ কেজি হাঁড়িভাঙা আম পাঠিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীসহ সেখানকার বিশিষ্টজনদের জন্য ৩০০ কেজি হাঁড়িভাঙা আম উপহার পাঠানো হয়। আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে ৬০টি কার্টুনে এসব আম পাঠানো হয়। ত্রিপুরার রাজ্য সরকারও উপহার হিসেবে বাংলাদেশের জন্য পাঠায় বিখ্যাত রসালো ‘কুইন’ জাতের আনারস। সূত্র জানায়, ভারতের গুয়াহাটি, মুম্বাই ও চেন্নাইতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনগুলোতেও চলতি সপ্তাহে আম পাঠানো হবে। এই আম সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকার মৌসুমি উপহার হিসেবে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আমসহ বিভিন্ন ফল পাঠিয়ে থাকে। চলতি বছরের আম উপহার পাঠানোর কার্যক্রমটি পরিচালনা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং এটি রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ‘আম কূটনীতি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আগের সরকারের আমলেও এটি চলমান ছিল। এই সরকারের সময়েও এটি সৌহার্দ্য এবং পারস্পরিক শুভেচ্ছার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।