ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো মরদেহ ভাসানোর খবর গুজব: ইউএনও ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে ২১ নতুন বোয়িং, বিনিয়োগ ১৪ হাজার কোটি টাকা সোনারগাঁয়ে বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা ইরানের রাজধানীতে দুর্ঘটনার শিকার জবি শিক্ষকদের বাস, আহত  ৩ নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬ বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত বিশ্বমঞ্চে ইল্লিয়ীন, ডি-৮ হালাল এক্সপোতে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফ্যাশন ঝিনাইদহে ফি দিতে দেরি, পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হলো শিক্ষার্থীকে ত্রাণ ও সহায়তা নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে যুবদল আনোয়ারায় ত্রাণ বিতরণে নাহিদ, বেড়িবাঁধ নির্মাণে লুটপাটের অভিযোগ জমিরউদ্দিন সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে বন্যা পরিস্থিতি: ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ, নিহত ৫১ নাটোরে সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি দেড় লাখ যে আমল ৩৬০ জোড়ার সদকা টেলিটক বিক্রি নয়, বরং আপগ্রেড করা হচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী ওসমানী বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নারী গ্রেপ্তার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি বৃক্ষরোপণ ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন? পুঁজিবাজারে স্থিতিশীল গতি প্রয়োজন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর বরখাস্ত সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও বন্যাপ্লাবিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন বিয়ের আনন্দ ম্লান, ডোমারে সড়কে ঝরল মা-দুই সন্তানসহ ৪ প্রাণ

সানেমের জরিপ তরুণদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিএনপি, এরপর জামায়াত ও এনসিপি

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৫, ১০:১৫ এএম
তরুণদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিএনপি, এরপর জামায়াত ও এনসিপি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের তরুণ ভোটারদের বড় একটি অংশ বিএনপির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এক জরিপে দেখা গেছে, ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণদের ৩৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ বিএনপিকে ভোট দিতে চান। আর তাদের মধ্যে জামায়াতের পক্ষে ২১ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং সদ্য গঠিত এনসিপির প্রতি ১৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ সমর্থন দিচ্ছে।

সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ যৌথভাবে জরিপটি পরিচালনা করে। জরিপের নাম ছিল ‘ইউথ ইন ট্রানজিশন’। এতে দেশের ৮টি বিভাগের ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রায় ২ হাজার তরুণ-তরুণীর মতামত নেওয়া হয়েছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৭৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ তরুণ জানিয়েছেন, তারা আগামী নির্বাচনে ভোট দিতে চান। তবে ৮২ দশমিক ৭ শতাংশ তরুণ জানিয়েছেন, তারা রাজনীতিতে জড়াতে চান না।

কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি ও রাজনীতিবিদদের নৈতিকতার অভাব রয়েছে।

জরিপে আরও দেখা গেছে, বিএনপিকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে গ্রামীণ অঞ্চলের ৩৭ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং শহর অঞ্চলের ৩৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ উত্তরদাতা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। জামায়াতের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন গ্রামের ২১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং শহরের ২১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এনসিপির ক্ষেত্রে এ হার গ্রামে ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং শহরে ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে ৪০ শতাংশ, এসএসসি বা এর ওপরে ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে শহরের ছিল ৫০ শতাংশ এবং গ্রামের ৫০ শতাংশ।

তরুণদের মতে, দেশের রাজনীতিতে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ভালো শিক্ষা ও চাকরির সুযোগের অভাব রয়েছে।

সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, ‘১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণদের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার উদ্দেশ্যে জরিপটি পরিচালিত হয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘জরিপের ফলাফল শুধু তরুণ অংশগ্রহণকারীদের মতামত তুলে ধরেছে। রাজনীতির বিষয়ে এটি পুরো জনসংখ্যার বা অন্যান্য বয়সের নাগরিকদের চিত্র নয়। তাই এ জরিপের ফলাফল ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত যেন ভুল ব্যাখ্যা বা বিভ্রান্তি না হয়।’

বাঁশখালীতে ইসলামী আন্দোলন মহাসচিবের ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
বাঁশখালীতে ইসলামী আন্দোলন মহাসচিবের ত্রাণ বিতরণ
বাঁশখালীতে ইসলামী আন্দোলন মহাসচিবের ত্রাণ বিতরণ। ছবি: খবরের কাগজ

বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করতে বাঁশখালীতে এসেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মওলানা গাজী আতাউর রহমান।

রবিবার (১২ জুলাই) সকালে তিনি পশ্চিম চাম্বল ডেপুটিঘোনা, সরল ও ইলশা এলাকা পরিদর্শন এবং ৫০০ শতাধিক মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

এ সময় ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা আলহাজ আবদুর রহমান, আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম, ড. মওলানা বেলাল নুর আজিজী, আলহাজ আল মোহাম্মদ ইকবাল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি মওলানা ছগির আহমদ চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি মওলানা হাফেজ রুহুল্লাহসহ স্থানীয় নেতারা সঙ্গে ছিলেন।

শফকত হোসাইন/থিওটোনিয়াস/

তরুণদের নেতৃত্বেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: হাসনাত

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
তরুণদের নেতৃত্বেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: হাসনাত
মতলবে জুলাই পদযাত্রায় হাসনাত আবদুল্লাহ/ খবরের কাগজ

মতলব উত্তর ছেংগারচর কলেজ মাঠে গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আয়োজিত জুলাই পদযাত্রায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মতলব উত্তর উপজেলা এনসিপি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।  

এ সময় তিনি বলেন, ‘বিএনপি চাঁদাবাজি নয়, চাঁদাবাজদের পরিবর্তন চায়। এতদিন একদল যেভাবে খেয়েছে এখন সেই ভাবে খেতে চায় বিএনপি।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘দেশকে তরুণরাই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। দেশের প্রতি মুরুব্বিদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে কিন্তু মুরুব্বীদের অনেক পিছুটান থাকায় তারা অনেক সময় কিছু করতে পারে না। আপনারা চব্বিশের আন্দোলনে দেখেছেন, তরুণরা কিভাবে নিজেদের রক্ত বিলিয়ে দিয়েছে। তাই আমরা চাই সকলে মিলেমিশে দেশটাকে এগিয়ে নিতে। আমরা চাই সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান, মেম্বার, মেয়র পদে তরুণরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক। দেশের রাজনীতির প্রেক্ষাপটের সমালোচনা করে হাসনাত বলেন, ‘দেশের রাজনীতিকে দুর্বৃত্তের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে। মাদকসম্রাটদের বিরুদ্ধে অনেক রাজনীতিবিদ কার্যকর পদক্ষেপ নেন না।’ একইভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ও তারা নীরব থাকেন।’’

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন, দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ, যুগ্ম সদস্যসচিব আকরাম হোসাইন, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মাহাবুব,জাতীয় ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর মজুমদার ও মহিউদ্দিন রনি। কুমিল্লা বিভাগের যুগ্ম সদস্যসচিব মাহাবুব আলম,জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তরিকুল ইসলাম, চাঁদপুর জেলা এনসিপির সভাপতি মাহবুব আলম। মতলব উত্তর উপজেলা এনসিপির সদস্যসচিব ইমাদুল ইসলাম।

সাহাদাত/তামান্না রুপা/

পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের: স্পিকার

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘তাজউদ্দীন সাহেব শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়ে বলেছিলেন, পাকিস্তানিরা আক্রমণ করতে যাচ্ছে। মানুষ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ সাহেব তখন বলেছিলেন, আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে পারি না, পাকিস্তান ভাঙতে আমার কোনো অবদান থাকুক, এটি আমি চাই না। সুতরাং তিনি (শেখ মুজিবুর রহমান) স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।’

 শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ইতিহাস ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন। রাওয়া চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।

স্পিকার বলেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে যখন জাতি দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখনই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ওই সংকটময় মুহূর্তে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্দীপ্ত ও অনুপ্রাণিত করেছিল। এটিই হলো প্রকৃত সত্য। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও এদেশের মহান রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানকে, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।

হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, এটি ছিল একটি জনতার যুদ্ধ। অথচ, স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় এসে একটি বিশেষ গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃত করে শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছিল, যা ছিল চরম অন্যায়। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা সাধারণত অন্যের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করেন এবং নিজের দলের নেতাকে ছাড়া কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না।’ 

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘তখন পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। একেকটি ক্যান্টনমেন্টে তারা কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা যোগাযোগ ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করেন এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এই প্রতিরোধ যুদ্ধই ছিল ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি।’ এ সময় তিনি সৈনিকদের সঙ্গে অফিসারদের সম্পর্কের যে চিরাচরিত বন্ধন, তা পুনরায় শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

সব দুর্নীতিবাজ ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের হারিয়ে দিয়েছে

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
সব দুর্নীতিবাজ ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের হারিয়ে দিয়েছে
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান (এমপি) বলেছেন, ‘সব দুর্নীতিবাজ এক হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের হারিয়ে দিয়েছে।’ গতকাল শনিবার বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

তিনি বলেন, বাজারে গিয়ে জনগণ অস্থির। জনগণ চাঁদাবাজি করে না। জনগণ এই দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তাদের অবৈধ উৎস নেই। তারা ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তাদের এই দুঃখ ওই লোকেরা কেমন করে বুঝবে, যারা চাঁদাবাজিতে লিপ্ত। 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বৈষম্য দূর করে প্রথাগত রাজনীতিকে বিদায় জানিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্যে আমাদের সন্তানরা লড়াই করেছিল। সেই নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য সংস্কারের উদ্দেশ্যে গণভোট হয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দুটি কথা বলেছিলেন, ভোট দেবেন দুটো। একটি আমার দলকে, আরেকটি গণভোটে। প্রথমটা রক্ষা করেছেন, দ্বিতীয়টা করেন নাই। আমাদের বিভিন্নভাবে গণভোট বাস্তবায়নের দাবি থেকে সরিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা জাতির সঙ্গে বেইমানি করতে পারব না।’

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ। তিস্তা নিয়ে আগো ভালো ভালো কথা বলছে। তিস্তা নিয়ে বাজেটে ১০ টাকার পদক্ষেপ নেই। জামায়াত আগামীতে সরকারের গঠন করলে ভোটে নির্বাচিত হয়ে এই দাবি বাস্তবায়ন করবে। 

জামায়াত আমির বলেন, সীমান্তে সুড়সুড়ি দিচ্ছে প্রতিবেশী ভারত। পুশইন করছে। সরকার মুখে কুলুপ দিয়ে আছে। প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য বিজিবির সঙ্গে জনগণ লড়াই করে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে একটা শব্দ আসেনি। কার ভয়ে? কাকে খুশি করার জন্য?

এ সময় তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের পালস বোঝার চেষ্টা করুন। জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না। তিস্তার ব্যাপারে কোনো ধানাইপানাই বুঝি না। তিস্তা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করতে হবে।’ শেখ হাসিনার দেশে আসার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘গতকাল আমরা একটা সাক্ষাৎকার শুনতে পেয়েছি। ডিসেম্বেরে কেউ একজন দেশে আসার অপেক্ষা করছেন। আমরা ফাঁসির দড়ি রেডি করে রেখেছি। বাংলাদেশ থেকে যে পালিয়ে যায় সে আর ফিরে আসতে পারে না। পাকিস্তানরাও সম্মান নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। শেখ হাসিনা এই কাপুরুষের মতো এই দেশ ছেড়ে, জনগণকে ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। তিনি আর এই দেশে আসার সৎসাহস কখনোই রাখবেন না।’ 

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপার) রাশেদ প্রধান, এপি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আকবর, এলডিপির প্রসিডেন্ট অলি আহমদসহ ১১-দলীয় জাতীয় ও স্থানীয় নেতারা।

আনোয়ারায় বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা ছাত্রদল

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম
আনোয়ারায় বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা ছাত্রদল
ছবি: খবরের কাগজ

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার উপকূলীয় এলাকার বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের পূর্ব গহিরা ফকিরহাট এলাকায় এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসমাইল বিন মনির।

তিনি বলেন, ‘কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে রায়পুর ইউনিয়নের অনেক পরিবার পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের লক্ষ্যেই এই শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।’

তিনি জানান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দিনের নির্দেশনায় বন্যাকবলিত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবাঈদ খান সিফাত, সদস্য মোফাজ্জল হোসেন জুয়েল, আবদুল হান্নান, আনোয়ারা উপজেলা ছাত্রদল নেতা রাশেদুল বাশার, আরিফ হাসান, হেলাল, দিদার, এয়াকুব, ইসমাইল, আলমগীর, আয়াদ, সেজাম, ফাহিম, বটতলী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তারেক, সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন রাকিব, যুগ্ম সম্পাদক আশিকুর রহমান আশিকসহ স্থানীয় ছাত্রদলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

আতিকুল/রিফাত/