ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

কাবিখার কাজে ভেকু মেশিন!

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:৫৩ পিএম
কাবিখার কাজে ভেকু মেশিন!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির (কাবিখা) আওতায় শ্রমিকের বদলে মাটি কাটার এক্সকাভেটর মেশিন (ভেকু মেশিন) ব্যবহার করা হচ্ছে। দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চরকাছিয়া গ্রামের পানিরঘাট এলাকার রাস্তা নির্মাণকাজে শ্রমিকদের দিয়ে মাটি কাটার কথা থাকলেও ভেকু মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়েছেন। প্রকল্প সভাপতি অধিক লাভের আশায় এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় শ্রমিক সর্দার নুর উদ্দিন বলেন, ‘চরে এখন শ্রমিকদের কাজ নেই। অনেক শ্রমিক পরিবার-পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন যাপন করছে। অনেকেই কাজের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছেন। অথচ নিজ এলাকায় শ্রমিকের কাজ করানো হচ্ছে মেশিন দিয়ে।’ 

দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, কাবিখা কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার প্রকল্পে দক্ষিণ চরবংশী ইউপির চরকাছিয়া গ্রামের পানিরঘাট এলাকায় আধা কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণকাজের জন্য চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিদিন ২৫ জন শ্রমিকের ৭ দিনে রাস্তা সংস্কারে মাটি কাটার কথা রয়েছে। কিন্তু প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা নিয়ম না মেনে বেশি লাভের আশায় এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা সংস্কারের কাজ করাচ্ছেন। ফলে দুর্ভোগ ও ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক, শ্রমিকসহ হতদরিদ্ররা।

দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে এক্সকাভেটর মেশিন ব্যবহারের নিয়ম নেই। আমি যতদূর জানি ওই প্রকল্পটি স্থানীয় শ্রমিকদের দিয়ে করানোর কথা। তবে কীভাবে মেশিন দিয়ে করানো হচ্ছে, সেটা বোধগম্য নয়।’

এ বিষয়ে সংরক্ষিত ইউপি সদস্য ও প্রকল্পটির সভাপতি ফাতেমা বেগম বলেন, এক্সকাভেটর মেশিন দিয়ে কম খরচে বেশি মাটি কাটা যায় বলে এমনটা করা হয়েছে। আগামীতে এমন ভুল আর হবে না।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমা বিনতে আমিন বলেন, যেকোনো প্রকল্পের একটি নিজস্ব নিয়মনীতি রয়েছে। ওই নিয়মের মধ্যেই কাজটি হতে হবে। বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হলাম। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৯ এএম
রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার
ছবি: খবরের কাগজ

রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা পেলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান। মামলার রহস্য উদঘাটন, গণমুখী পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা, শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য তিনি পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে জাতীয় পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে এ পদক পরিয়ে দেন।

পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেন। তিনি ২৭তম বিসিএসের একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রিফাত/ইসরাত চৈতি/ 

টঙ্গীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৭ এএম
টঙ্গীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ছবি : খবরের কাগজ

গাজীপুরের টঙ্গীতে মরিয়ম ম্যানশন নামের একটি বহুতল ভবনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে টঙ্গী ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৫টায় আগুন লাগে।  ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট সকাল ৭টায়  আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় ছয়জন সামান্য দ্বগ্ধ হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, টঙ্গী বাজার এলাকায় মরিয়ম ম্যানশন নামের একটি সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি প্রাইভেট ব্যাংক তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। ভবনের বাকি অংশ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গুদাম হিসেবে মালামাল মজুত করেন। বুধবার ভোরে ওই ভবনের চারতলায় আগুন দেখতে পেয়ে নেভানোর চেষ্টা করেন তারা। পরে চারতলায় লাগা আগুন পাঁচতলায় ও ছয়তলায় ছড়িয়ে পড়তে দেখে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আফরিন ট্রেডার্সের মালিক মো. সোহেল ও মনির হোসেনসহ ১০ ব্যবসায়ী গুদামজাত করা কয়েক কোটি টাকার মালামালের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তারা।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা জোন ৩-এর উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে সাড়ে পাঁচটার দিকে ভবনে আগুন দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ৫টা ৪৭ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে। সবশেষ সকাল ৭টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে জানা যাবে।

ওই ভবনে থাকা ব্যবসায়ী লিখন হোসেন জানান, তিনিসহ ওই ভবনে থাকা ৬ জন আগুনে সামান্য দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন লিটন, রাকিব, সাগর, রোমান ও মনোয়ারুল। তাদের কারও হাত, মাথার চুল ও পা আগুনে সামান্য ঝলসে গেছে। তারা স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

পলাশ প্রধান/জোবাইদা/

২ মাস পর আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৫ এএম
২ মাস পর আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু
ছবি : খবরের কাগজ

প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর ফের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বন্দর দিয়ে ১৯টি ট্রাকে করে প্রায় ৪৫০ টন ভাঙা পাথর ভারত থেকে আমদানি করা হয়। আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত নির্মাণাধীন চার লেন মহাসড়কের ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড পাথরগুলো আমদানি করেছে। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজ আমদানি করা পাথরের ছাড়করণের কাজ করবে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দুই হাজার টন ভাঙা পাথর আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ১৯টি ট্রাকে করে ৪৫০ টন ভাঙা পাথর বন্দরে প্রবেশ করে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি পাথরগুলো চলে আসবে। নির্ধারিত শুল্ক ও মাশুল পরিশোধের পর বন্দর থেকে পাথরগুলো ছাড়করণ শুরু হবে। 

তিনি আরও জানান, দুই মাস পর পাথর আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দরে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

আখাউড়া শুল্ক স্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর সর্বশেষ এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানি হয়েছিল। এরপর অন্যান্য পণ্য আমদানি হলেও পাথর আমদানি হয়নি। শুল্ক মাশুল পরিশোধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ছাড়পত্র দেওয়া হবে।’

জুটন বনিক/জোবাইদা/

সুনামগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী যাত্রাপালা উৎসব শুরু

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৩৮ এএম
সুনামগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী যাত্রাপালা উৎসব শুরু
সুনামগঞ্জে মঙ্গলবার থেকে ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা উৎসব শুরু হয়েছ। ছবি : খবরের কাগজ

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য যাত্রাপালা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সুনামগঞ্জে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী যাত্রাপালা  উৎসব। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে এ যাত্রাপালা উৎসবের শুরু হয়।

যাত্রাপালা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মানবসম্পদ ও উন্নয়ন সাব্বির আহমদ আখঞ্জি। 

জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পৌর মেয়র নাদের বখত, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আবেদীন, সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট যাত্রাশিল্পী রমেন্দ্র কুমার ও বিজীত ভূষণ তালুকদার। 

এ সময় শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে তরুণ থেকে বৃদ্ধ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যাত্রাপালা দেখতে যান।

বক্তারা জানান, আবহমান কাল থেকে এ দেশের গ্রামে-গঞ্জে, পথে-প্রান্তরে সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত যাত্রাপালার প্রচলন ছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে যাত্রাপালা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এটা একটা শিল্প। একটা সময় মানুষ আগ্রহ, আবেগ নিয়ে রাতভর যাত্রাপালা দেখত, হাসত, কাঁদত। তবে বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই শিল্প তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে তরুণ প্রজন্মকে এই শিল্পের সঙ্গে পরিচয় করাতে হবে। যাত্রাশিল্পের সঙ্গে দেশের, জাতির, সমাজের, পরিবারের নানা অসংগতি ও দুঃখ সমাধানের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। তাই এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

উৎসবের প্রথম দিন নেত্রকোনা জেলার নবযোগ যাত্রাপালা ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ পরিবেশন করেন।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন সুনামগঞ্জের অপেরা যাত্রাপালা ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’ এবং তৃতীয় দিন সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার লোকনাথ যাত্রাপালা ‘মেঘনা বধ’ পরিবেশন করবে।

সুনামগঞ্জ জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল খবরের কাগজকে বলেন, ‘যাত্রাশিল্প প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিলুপ্ত এই সংস্কৃতিকে মূল সংস্কৃতির স্রোতধারায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য তিন দিনব্যাপী এই যাত্রা উৎসবের আয়োজন। যাত্রা বাদ দিয়ে আমাদের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য চিন্তা করা যায় না।’ 

দেওয়ান গিয়াস/পপি/

যুবককে হত্যা : ক্ষোভে আসামিদের ঘরে আগুন

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:২০ এএম
যুবককে হত্যা : ক্ষোভে আসামিদের ঘরে আগুন
ছবি : খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদক কারবার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মো. মোরসালিন ভূঁইয়া হত্যা মামলার আসামি মো. আব্দুল্লাহর বাড়ির তিনটি বসতঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশের পাহারার মধ্যেই আসামি আব্দুল্লাহ, সেলিম ও শহিদুলের তিনটি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে পরিবারসহ পলাতক থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভায়।

নিহত মোরসালিন উপজেলার মনিয়ন্ধ ইউনিয়নের মিনারকোট গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে। গত রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মো. আব্দুল্লাহর বাড়ি খেকে মোরসালিন ভূঁইয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে আব্দুল্লাহ পরিবার নিয়ে পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহতের বড় ভাই আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করে আখাউড়া থানায় একটি মামলা করেন। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ আব্দুল্লাহ ও তার সহযোগীর কাছে মোরসালিন ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে বাড়িতে ডেকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর তাকে তালাবদ্ধ ঘরে ফেলে তারা পালিয়ে যায়। নিহত ও অভিযুক্তরা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। মাদকের টাকা দেনা-পাওনার বিরোধেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। অভিযুক্ত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদকসহ অন্তত ১৬টি মামলা আছে। মোরসালিনের বিরুদ্ধে আছে চারটি মামলা। তবে তারা সবাই একসঙ্গেই চলাফেরা করত বলে জানা যায়।

মনিয়ন্ধ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম চৌধুরী দীপক বলেন, ‘আগুন লাগার বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে কে বা কারা লাগিয়েছে সেটি বুঝতে পারছি না।’

আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ একটু সরে অন্যদিকে যাওয়ার সুযোগে আগুন জ্বালিয়ে তিনটি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে জানার চেষ্টা চলছে। তবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো পরিবারটির ওপর এলাকাবাসীরও ক্ষোভ ছিল। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে। আগুন লাগার ঘটনায় অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুটন বনিক/জোবাইদা/