মাদারীপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিতে নিহত তাওহীদ সন্ন্যামাতের (২১) পরিবার সরকারিভাবে শহিদ স্বীকৃতির দাবি করেছেন।
বুধবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে তাওহীদের গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সুচিয়ারভাঙ্গা গ্রামে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরা হয়। নিহত তাওহীদ ওই গ্রামের সালাউদ্দিন সন্ন্যামাতের ছেলে। সে বিভিন্ন এলাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করত।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৯ জুলাই কোটাসংস্কার আন্দোলনে ছাত্রদের সঙ্গে সদর উপজেলার খাগদী এলাকায় যোগ দেয় তাওহীদ। এ সময় এলোপাতারি গুলি ছুড়লে নিহত হয় তাওহীদ। পরের দিন পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পরে ১৪ আগস্ট পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে শহিদের স্বীকৃতির দাবি তোলা হয়।
মোস্তফাপুর ব্যাসস্ট্যান্ডের গোল চত্বরটি শহিদ তাওহীদের নামে নামকরণ করার দাবি তুলে তাওহীদের বাবা সালাউদ্দিন সন্ন্যামাত বলেন, সরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা না পেলে কোনোভাবেই বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। ছোট সন্তান হলেও তার আয়ের অর্থ দিয়ে পরিবার চালানোর পাশাপাশি বড় ভাইয়ের পড়ালেখার খরচ দিত তাওহীদ।
তাওহীদের মামা ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘তাওহীদ ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে গুলিতে মারা গেছে। এর আগে একদল সন্ত্রাসী তাওহীদকে কুপিয়ে আহত করে। তাওহীদের নামে এলাকায় একটি স্মরণীয় স্থাপনার দাবি জানাচ্ছি।’