ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী, একঝলক দেখতে মহাসড়কে নেতাকর্মীদের ভিড় পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন পানিবন্দি ৫ শতাধিক পরিবার হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের ভালোবাসার জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ঢাকা ও দিল্লির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল যাত্রা, শুভেচ্ছা জানালেন ফরিদপুরের হাজারো নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে মাওয়া প্রান্তে জনতার ঢল অপরূপা প্রজাপতি নীল পুনম শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ ইউসিটিসিতে ‘ফ্রেশারস মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে চার দৈত্য আদালতের রায়ে আইনি সংকটে মমতা ২৫ বছর পূর্ণের আগে পদত্যাগে মিলবে না পেনশন সুবিধা জয়পুরহাটে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু দ. চীন সাগরে চীনের দাবিকে অবৈধ বলল ১৪ দেশ ও ইইউ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে জেলে যেতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর বরিশালে বিএনপির পৃথক মিছিল, স্পষ্ট বিভাজন! টানা বর্ষণের ক্ষত সড়কে বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে অব্যাহত থাকবে ভারী বর্ষণ ১৩ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৩ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল প্রথমবার ইংলিশ পরীক্ষা দেবেন মেসি পেলে-ম্যারাডোনার পাশে বেলিংহ্যাম ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপ আমাকে বদলে দিয়েছে: হালান্ড ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচ কে জিতবে, অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী সেমিফাইনালের আগে ফ্রান্সকে নিয়ে মন্তব্য, তোপের মুখে স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাসের সামনে মেসি বিশ্বকাপে বিরল কীর্তি গড়ল সেমিফাইনালের ৪ দল

নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ শিকার: চাঁদপুরে ৩১ জেলের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০৬ পিএম
নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ শিকার: চাঁদপুরে ৩১ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে আটক ৩১ জেলে। ছবি: খবরের কাগজ

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে ৩১ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ইঞ্জিনচালিত দুটি নৌকা, ২৫ কেজি ইলিশ এবং ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় ১৯ জেলেকে ১২ দিন ও ১২ জেলেকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড, তিন জেলেকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং সাত জেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে অভিভাবকের জিম্মায় দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।

দণ্ডিত জেলেরা হলেন- মিলন শেখ (২৮), রফিক গাজী (৩৫), আল-আমিন মোল্লা (৩৬), সত্তর খাঁ (৪২), আবু তাহের পাটওয়ারী (৫৫), জাকির গাজী (২১), সুমন উকিল (২৮), আল-আমিন পাটওয়ারী (২২), রাসেল খালাসি (২৬), নুর মোহাম্মদ (৩২), সেলিম উদ্দিন (৩৩), দুলাল ঢালী (৪৯), জসিম পাটওয়ারী (২০), শাহজাহান শেখ (৫৫), মাসুদ বেপারী (২৩), শাহজাহান (৪৫), নাহিদ তালুকদার (১৮), মোহাম্মদ আলী শেখ (৩৯), সোহেল মিজি (২৭), মজিদ বেপারী (৪২), বজলুল হক হাওলাদার (২৭), সুজন গাজী (৩০), মো. ফারুক শেখ (৪০), মো. নাদিম (২১), আব্দুল কাদির (২৭), মো. জসিম খান (৩৫), সুমন গাজী (৩৩), মো. জাকির (২৫), মো. হান্নান গাজী (২৪), রফিক রাঢ়ী (৩০), আরিফ ঢালী (২২), হারুন দর্জি (৪০), মহসীন রাজন (১৯), ও মো. রাব্বি সামি (২২)।

মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া সাত শিশু হলো- মো. ফাহিম শেখ (১২), মো. হোসেন (১৪), মো. হাবিব (১২), মো. এমরান (১৫). মো. শাওন (১২), নাঈম গাজী (১৮), রাকিব হোসেন (১৩)।

তিনি বলেন, রবিবার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর হরিনা, বহরিয়া, গাজীরটেক ও আনন্দবাজার এলাকায় জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স এ অভিযান চালায় । 

পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস শীল এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া।

অভিযানে মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরের টেকনোলজিস্ট মো. হাসিব রানা, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ প্রকল্প) এসএম মুশফিকুর রহমান, উপ-সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামিল হোসেন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

ফয়েজ আহমেদ/মেহেদী/অমিয়/

জয়পুরহাটে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
জয়পুরহাটে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফিক

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় বজ্রপাতে রাশেদুল ইসলাম (২৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই)  রাত ৮টার দিকে বাঁশখুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাশেদুল ইসলাম একই গ্রামের মোজাফ্ফর রহমানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাশেদুল রাত ৮টার দিকে শালাইপুর বাজার থেকে সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজ মোহাম্মদ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

সাগর/এএফ

টানা বর্ষণের ক্ষত সড়কে

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
টানা বর্ষণের ক্ষত সড়কে
টানা বর্ষণের কারণে জমে থাকা পানির কারণে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যা পানি নেমে যাওয়ার পর দৃশ্যমান হয়। চট্টগ্রাম নগরীর রূপাবাদ এলাকা থেকে গতকাল তোলা। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে আট দিন ধরে ভারী বর্ষণ চলছে। নগরীতে ঘটেছে পাহাড়ধস আর প্রাণহানির মতো ঘটনা। নষ্ট হয়েছে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের ঘর, আসবাবপত্র, দোকানের মালামাল। কোমরসমান পানিতে ভোগান্তিও সয়েছেন অনেকে। বর্তমানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। তবে বেরিয়ে এসেছে রাস্তার ক্ষত। ছোট-বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় বিপাকে পড়ছেন গাড়িচালকরা। সেই সঙ্গে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা।

রবিবার (১২ জুলাই) সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর হালিশহর এলাকায় পোর্ট কানেকটিং রোড, উত্তর আগ্রাবাদ, ঈদগাঁ রোড, সিডিএ অ্যাভিনিউ, মুরাদপুর, অক্সিজেন, বায়েজিদ বোস্তামী সড়ক, জিইসি, অক্সিজেন-কুয়াইশ সংযোগ সড়ক, আমবাগান সড়ক, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক খানাখন্দে ভরা। ঈদগাঁ এলাকার নজির আহমদ সড়ক ও রঙ্গীপাড়া এলাকায় ওয়াসার স্যুয়ারেজ প্রকল্পের কাজের কারণে খোঁড়াখুঁড়ির পর আর ঢালাই করা হয়নি। এসব সড়কে যাতায়াতকারী চালকরা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যাওয়ায় ছোট-বড় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। ফলে গাড়ি চালানো দায় হয়ে পড়েছে। ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নগরীর রঙ্গীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ‘এই এলাকার সড়কটি দুই বছর আগেও খুব সুন্দর ছিল। ওয়াসার স্যুয়ারেজের কাজের কারণে ভালো পিচ ঢালা সড়কটি মেশিন দিয়ে কেটে ফেলা হয়। এরপর এ অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবনে নেমে আসে ভোগান্তি। দুই বছর ধরে মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। এই এলাকায় গাড়ি আনতে গেলে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে সড়কের অবস্থা আরও বেহাল হয়ে গেছে। আমরা সিটি করপোরেশনের কাছে এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে দেওয়ার অনুরোধ জানাই।’

অক্সিজেন এলাকার বাসিন্দা ইমরানুল হক বলেন, ‘অক্সিজেন মোড় থেকে শুরু করে আশপাশের সংযুক্ত সড়কগুলোর অবস্থা বেহাল। কারও কোনো মাথাব্যথা নেই। মুরাদপুর, অক্সিজেন দুই নম্বর গেট সড়কের অবস্থাও ভালো না। অথচ এগুলো নগরীর ব্যস্ত সড়ক। দ্রুত এসব সড়ক মেরামত করা না হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

গত এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণের সঙ্গে জোয়ারের পানি একত্রিত হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কোথাও কোমরসমান, আবার কোথাও হাঁটুপানি উঠে যায়। ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে অনেক। তবে কী পরিমাণ সড়কের ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিরূপণ করেনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি চিহ্নিতকরণ এবং করণীয় ঠিক করতে ৪ সংসদীয় আসনভিত্তিক সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে।

জানতে চাইলে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা ও সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতি চিহ্নিতকরণ এবং করণীয় সুপারিশে চারটি সংসদীয় আসনভিত্তিক সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত ও সমাধান করা যায়।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের নাগরিক সমস্যাগুলো কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। সমন্বিত উদ্যোগই এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের একমাত্র পথ। প্রতিটি কমিটিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকবেন। কমিটিগুলো সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর পরিমাণ, জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা, খাল-নালা, ড্রেনেজব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কারে করণীয় সরেজমিনে চিহ্নিত করবে। এরপর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এতে জনগণের দুর্ভোগ কমবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন আরও গতিশীল হবে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী জানিয়েছেন, গত এক দিনে (রবিবার বেলা ৩টা পর্যন্ত) ১৫১ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রামেও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে। 

সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো মরদেহ ভাসানোর খবর গুজব: ইউএনও

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ পিএম
সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো মরদেহ ভাসানোর খবর গুজব: ইউএনও
ছবি: সংগৃহীত

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, বন্যার ফলে কবরস্থানে দাফন করার মতো জায়গা না পেয়ে একটি মরদেহ কলাগাছের ভেলায় ভাসিয়ে দেওয়ার যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে এটি সম্পূর্ণ গুজব। মূলত যে ব্যক্তি মারা গেছেন তিনি তার ছেলের সঙ্গে কলাগাছের ভেলা নিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। তিনি সেখানে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যান। এরপর তাকে ওই ভেলায় করে বাড়িতে নেওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে জানাজা সহকারে তার দাফন কার্য সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা মাহমুদুল করিম কাসেমী বলেন, ওইদিন আসরের নামাজের পর ফোরকান মাছ ধরার সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাগাছের ভেলার সাহায্যে কেরানীহাট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে পুনরায়  ভেলার সাহায্যে বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দাফন করার মতো কোন জায়গা না থাকায় আমিসহ স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দস্তিদারহাট এলাকার ফকিরমুড়া নামক একটি পাহাড়ে দাফন করার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ওইদিন রাত ৯টার দিকে দস্তিদারহাট বাজারে জানাজা শেষে সেখানে তাকে দাফন করা হয়। আমি নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলাম।

প্রসঙ্গত, উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক মো. ফোরকান বাড়ির পাশে মাছ ধরার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। এরপরও পরিবারের সদস্যরা তিনি বেঁচে আছেন মনে করে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ৩০০ গজ দূরে অপেক্ষমান সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তোলার জন্য কলাগাছের ভেলার সাহায্যে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা এ ভিডিওটিকে কবর দেওয়ার মতো জায়গা না পেয়ে মরদেহ ভেলায় বেঁধে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে দাবি করে প্রচার করতে থাকেন।

আরিফুল ইসলাম/এসএন

সোনারগাঁয়ে বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
সোনারগাঁয়ে বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাত ভাইয়াপাড়া এলাকায় বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।

 শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে আহত রাহুল আহমেদ বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

জানা যায়, উপজেলার সাত ভাইয়া পাড়া গ্রামের জসীমউদ্দিন এলাকায় বিচার শালিস করে থাকেন। একই এলাকার হারকিউলিকসের ছেলে সেজান বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এ বিষয়ে শালিশকারী জসীমউদ্দিন শাসন করার তার সাথে বিরোধ দেখা দেয়৷ শনিবার সকালে জসীমউদ্দিনের মুদি দোকানের সামনে সেজানের নেতৃত্বে  রাতুল মিয়া, সজিব মিয়া, মাছুম মিয়া, মাসুদ রানা সহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র দা, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, সুইস গিয়ার চাকু, লোহার রড, এসএস পাইপ নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করিতে থাকে। এসময় গালাগালি করিতে নিষেধ করে।

এক পর্যায়ে এলোপাতাড়ীভাবে মারধর করে ও চুরিকাঘাত করে। এসময় দোকানে থাকার মালপত্র ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আহতের পরিবারের লোকজন ও তার ছেলে রাহুল আহমেদ  উদ্ধার করে  তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুপুরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছেলে রাহুল আহমেদকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। 

আহত জসীমউদ্দিন বলেন, সেজানকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার কারনে তার লোকজন নিতে তাকে ও তার ছেলেকে কুপিয়ে আহত করে। দোকানে হামলা করে করে লুটপাট ভাংচুর করে। কেউ প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হলে কেউ আর অপরাধের প্রতিবাদ করবে না। 

অভিযুক্ত সেজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। খুদে বার্তা দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কমর্কর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মো: ইমরান হোসেন/এসএন

বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম
বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাহজ

বাস্তুহারা মানুষের পুনর্বাসনে সরকারের পক্ষ থেকে বিকল্প জায়গা বা জমিতে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং তা বাস্তবায়নেও উদ্যোগ নেবেন। জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সার্বিক পরিস্থিতি এখনো সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল ৫টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত রাঙামাটি জেলার দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি । এসময় রাঙামাটির সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান দেওয়ান, সরকারি দপ্তরের প্রধান এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

প্রতিমন্ত্রী বিকেল সাড়ে চারটায় রাঙামাটি শহরের ওমদা মিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাই স্কুল আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে সাংবাদিকদের বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাসাবাড়ি মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। জনগণের কাছে কিন্তু আমাদের ওয়াদা। শুধু তাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট কত দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা মেরামত করতে পারি, সেই বিষয়গুলো বিবেচনায় আছে। সবকিছু নিয়েই আমরা কাজ করছি। এ অবস্হায় যারা ঘরবাড়ি ছেড়ে এসেছে (আশ্রয়কেন্দ্রে), কোনভাবেই যেন তাদের সহায় সম্পত্তি নিয়ে দুষ্কৃতকারীরা অরাজকতা করতে না পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন সর্তবতভাবে তৎপর থাকে  সেটিও আমরা নিশ্চিত করছি।

জিয়াউর রহমান জুয়েল/এসএন