বরিশালে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করতে না পেরে অর্পিতা মাতুব্বর (১৬) ও মীম ইসলাম (১৬) নামে দুই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছ। এ ছাড়া বিভিন্ন উপজেলাতে আরও তিন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অর্পিতা মাতুব্বরের বাড়ি জেলার হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে। সে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে নিজ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। অর্পিতা খুন্না অমল মাতুব্বরের মেয়ে। সে এ বছর হিজলা বিসিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।
হিজলা থানার ওসি শেখ আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
পরিবার থেকে ময়নাতদন্ত করাতে না চাইলে আইনি প্রক্রিয়ার শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হতান্তর করা হয়েছে।
একই দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার কাজল খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী মীম ইসলাম (১৬) বিষপান করে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সন্ধ্যায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মীম উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের হুমায়ুন কবীরের মেয়ে।
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় পাস করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের খাদেম হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী মোরশেদা আক্তার ইমা (১৬), বাকেরগঞ্জ পৌরসভার জহিরুল ইসলামের মেয়ে তনি আক্তার (১৭) এবং নিয়ামতি চামটা গ্রামের আউয়াল হোসেনের মেয়ে মুরছানা আক্তার (১৭) এসএসসির ফলাফল জানার পর বিষ ও ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বর্তমানে তারা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মঈনুল ইসলাসম/সুমন/