কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায়, সদর দক্ষিন উপজেলার কোটবাড়ি এলাকায় পলিটেকনিক ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষ হয়।
জানা গেছে, কোটবাড়ি এলাকায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় মারা কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যায় ছাত্রশিবিরের সদস্যরা ওই শিক্ষার্থীকে মারার বিচার চাইতে অধ্যক্ষের কক্ষে যান। অধ্যক্ষ বিচারের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হচ্ছে বলে জানান। কিন্তু তাৎক্ষণিক বিচার দাবি করে ছাত্রশিবির। এ সময় অধ্যক্ষের কক্ষেই হঠাৎ করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় হামলায় লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ নাকচ করে বলছেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে ছাত্রশিবির বলছে, গুপ্ত লেখাকে কেন্দ্র করেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের উপর হামলা করেছে ।
কুমিল্লা পলিটেকনিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ইমন আহমেদ বলেন, বিকেলে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে হলের দুই শিক্ষার্থীর কথা কাটাকাটি হয়। তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে ।
কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আহমেদ জানান, সারাদেশে ছাত্রদলের গুপ্ত লেখার কর্মসূচি ছিল। এই কর্মসূচি চলার সময় ছাত্রশিবিরের কর্মী নাফিস আব্দুল্লাহ কে ছাত্রদলের ছেলেরা মারধর করে। অধ্যক্ষের কাছে মারধরের ভিডিও চাইতে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের উপর হামলা করে । আহত কয়েকজন কুমিল্লা মেডিকেলেজে ভর্তি করা হয়েছে। হামলায় পলিটেকনিক্যাল ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং সেক্রেটারি দুজনই আহত হয়েছেন।
কুমিল্লা পলিটেকনিক্যালের অধ্যক্ষ মাজারুল ইসলাম জানান, এখানে কোন ছাত্রদল ছাত্রশিবিরের কোনো স্লোগান ছিল না । হঠাৎ করেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে । বৃহস্পতিবার বিকেলে একজনকে থাপ্পর মারা কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে । আমি একটি তদন্ত কমিটি করেছিলাম । কিন্তু এর আগেই সংঘর্ষ ঘটে ।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার (ওসি তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক জানান, পরিবেশ শান্ত আছে । দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঘটনা ঘটেছে।আহত কতজন খোঁজ খবর নিচ্ছি ।
জহির/অন্তরা


