ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
হলুদের ফাঁদে ১৮ তারকা ফ্রান্স-মরক্কো লড়াই অনলাইনে দেখবেন যেভাবে কেন গুগলে নিজের নাম সার্চ দিতে বললেন আর্লিং হালান্ড? দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ ইংলিশ ডিফেন্ডার মাশহাদে সমাহিত হলেন খামেনি ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯০ হামে মৃত্যু ৭৪৭, এক দিনেই শনাক্ত ৯৪৬ মুক্তাগাছায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ারসহ সহায়ক উপকরণ বিতরণ হঠাৎ দিক হারিয়ে সিরিজ হারল বাংলাদেশ মুনিরের সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপ, মার্কিন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা সাঙ্গু নদীতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে যুবদল কর্মী নিখোঁজ সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্রীয় শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে খামেনির মরদেহ সিএফমোটো ও ব্রেম্বোর নতুন অধ্যায় শুরু রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের মধ্যেই বন্যার আশঙ্কা উখিয়ার পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে দুর্যোগ সচিব গোপালগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু আসামির মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, পুলিশসহ আহত ১২ দুই দিন পর ফিরলেন সাজেকে আটকে পড়া ১৫০ পর্যটক চীনে জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৮ সাতকানিয়ায় পানিবন্দি ৮ নারী ও শিশুকে উদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড ইরান হামলা না থামালে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আরও ভয়ানক হবে: ট্রাম্প চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি হলেন সরোয়ার আলমগীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকার সভাপতি মোবারক, সম্পাদক সবুজ মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে যাওয়া নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর ফেরত ২ জন রিমান্ডে লাল কার্ডের রাজা এবার ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের রেফারি গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত, আশাবাদ ব্যক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ‘মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ’ বিলসহ সংসদে দুইটি বিল প্রত্যাহার

১টি গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর, ২য় পর্ব, এসএসসি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৫:২৯ পিএম
১টি গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর, ২য় পর্ব, এসএসসি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-২

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
প্রেক্ষাপট-১: নাসির উদ্দিন তার দুই সন্তান সাজিদ ও সাবিহাকে নিয়ে বিকেলে ১০ তলা বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠলেন। নীল আকাশের রঙিন আভা দেখে সাজিদ বলল, আহা কী সুন্দর রঙিন আকাশ! আল্লাহ নিজ হাতে কত সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন। এই কথা শুনে সাবিহা বলল, এটা তো প্রকৃতির সৃষ্টি মনে হয়। প্রকৃতি তাকে এভাবে সাজিয়েছে। তখন সাজিদ বলল, এ ব্যাপারে তোমার এখনো ধারণা হয়নি। এটা কোনো মুমিনের বিশ্বাস হতে পারে না। মুমিন হতে হলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে, সবকিছুই মহান আল্লাহর সৃষ্টি।

প্রেক্ষাপট-২: রফিক সাহেব তার ব্যক্তিগত ড্রাইভারকে নিয়ে চট্টগ্রামে বেড়াতে গেলে হঠাৎ রাস্তায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে কোনোরকম প্রাণে বেঁচে গেলেন। তখন তিনি ড্রাইভারকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘আজকে তুমি না থাকলে আমি মনে হয় বাঁচতে পারতাম না।’
ক. তাওহিদের বিপরীত শব্দ কী? 
খ. তাওহিদে বিশ্বাস বলতে কী বোঝায়?
গ. প্রেক্ষাপট-১-এ বর্ণিত সাবিহার মধ্যে কোন বিশ্বাসের অভাব রয়েছে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে মানবজীবনে এর প্রভাব ব্যাখ্যা করো। 
ঘ. প্রেক্ষাপট-২-এ বর্ণিত রফিক সাহেবের আচরণে কী প্রকাশ পেয়েছে? বর্ণিত বিষয়টি কত ধরনের হতে পারে? এর কুফল ও প্রতিকার ব্যাখ্যা করো। 
উত্তর: ক. তাওহিদের বিপরীত শব্দ শিরক। 
খ. তাওহিদ শব্দের অর্থ একত্ববাদ।
ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহতায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে স্বীকার করে নেওয়াকে তাওহিদ বলা হয়।
তাওহিদের মূল কথা হলো আল্লাহতায়ালা এক ও অদ্বিতীয়, তিনি তার সত্তা ও গুণাবলিতেও অদ্বিতীয়। তিনিই প্রশংসা ও ইবাদতের একমাত্র মালিক। তার তুলনা কেউ নেই। বস্তুত আল্লাহতায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা ও ইবাদতের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাসের নামই তাওহিদ।
গ. প্রেক্ষাপট-১-এ বর্ণিত সাবিহার মধ্যে তাওহিদে বিশ্বাসের অভাব রয়েছে। 
ঈমানের সর্বপ্রথম ও প্রধান বিষয় হলো তাওহিদ। অর্থাৎ মুমিন বা মুসলিম হতে হলে একজন মানুষকে সর্বপ্রথম আল্লাহতায়ালার একত্ববাদে বিশ্বাস করতে হবে। তাওহিদে বিশ্বাস ছাড়া কোনো ব্যক্তির ঈমান ঠিক থাকে না।  অর্থাৎ  সে সত্যিকারের মুসলমান হতে পারে না। ইসলামের সব শিক্ষা ও আদর্শ তাওহিদের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাওহিদ হলো আল্লাহতায়ালার একত্ববাদে বিশ্বাস। মানবজীবনে এই বিশ্বাসের প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক। তাওহিদে বিশ্বাস মানুষকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ করে দেয়। কেননা আল্লাহতায়ালা আমাদের একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা।
তাওহিদে বিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষ এই সত্যকে স্বীকার করে নেয়। মানুষ এর দ্বারা আল্লাহতায়ালার কৃতজ্ঞতা আদায় করে। তাওহিদে বিশ্বাস মানুষকে আত্মসচেতন ও আত্মমর্যাদাবান করে মানুষ আল্লাহতায়ালা ছাড়া অন্য কারও কাছে মাথা নত করে না। ফলে জগতের সব সৃষ্টির ওপর মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয় চরিত্রবান হওয়ার ক্ষেত্রেও মানবজীবনে তাওহিদের প্রভাব অপরিসীম। মানুষ আল্লাহতায়ালার গুণাবলি ও পরিচয় লাভ করে এবং সেসব গুণে গুণান্বিত হওয়ার পথ অনুসরণ করে, ফলে মানব সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাওহিদের ভূমিকা অপরিসীম। 
তাওহিদে বিশ্বাস মানুষকে ইবাদত ও সৎ কর্ম উৎসাহিত করে। আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি লাভের জন্য মানুষ সৎকর্মে ব্রতী হয়ে অসৎ অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকে, ফলে মানব সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়।

ঘ. প্রেক্ষাপট-২-এ বর্ণিত রফিক সাহেবের আচরণে শিরক প্রকাশ পেয়েছে।
কারণ রফিক সাহেব ড্রাইভারকে বলেছেন, ‘তুমি না থাকলে আমি আজ হয়তো বেঁচে থাকতে পারতাম না।’ এ কথাতে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা হয়েছে।
বেঁচে থাকা বা মৃত্যুবরণ করা একমাত্র আল্লাহতায়ালার হাতেই রয়েছে। তিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং  জন্ম ও মৃত্যুর মালিক। 
আল্লাহতায়ালার সঙ্গে শিরক চার ধরনের হতে পারে-
১. আল্লাহতায়ালা সত্তা ও অস্তিত্বে শিরক করা। যেমন- হজরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র মনে করা।
২. আল্লাহতায়ালার গুণাবলিতে শিরক করা। যেমন- 
আল্লাহতায়ালার পাশাপাশি অন্য কাউকে সৃষ্টিকর্তা, রিজিকদাতা মনে করা।
৩. সৃষ্টি জগতের পরিচালনায় কাউকে আল্লাহর অংশীদার বানানো। যেমন- ফেরেশতাদের জগৎ পরিচালনাকারী হিসেবে মনে করা।
৪. ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহতায়ালার সঙ্গে কাউকে শরিক করা। যেমন- আল্লাহ ছাড়া কাউকে সিজদা করা, কারও নামে পশু জবাই করা ইত্যাদি।
শিরকের কুফল ও প্রতিকার: শিরক অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। পৃথিবীর সব ধরনের জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো শিরক। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।’ আল্লাহতায়ালা দুটি গুনাহকে কখনো ক্ষমা করেন না। একটি হলো শিরক অপরটি হলো অন্যের হক বা অধিকার নষ্ট করা।

এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা সুরা আন-নিসায় বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সঙ্গে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না, এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।’
উপরোক্ত আলোচনায় আমরা বুঝতে পারলাম শিরক সম্পর্কে আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। ভুলক্রমে আল্লাহতায়ালার সঙ্গে শিরক করে ফেললে সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় ঈমান আনতে হবে। অতঃপর বিশুদ্ধ অন্তরে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। ভবিষ্যতে এরূপ পাপ কাজ না করার শপথ করতে হবে। তাহলে আশা করা যায়, আল্লাহতাআলা আমাদের ক্ষমা করে দিতে পারেন।

মো. আজিজুর রহমান, সিনিয়র শিক্ষক
বিএএফ শাহীন কলেজ, কুর্মিটোলা, ঢাকা/আবরার জাহিন

অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

প্রথম অধ্যায় : অর্থায়নের সূচনা

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন:  সরকারি অর্থায়ন কী?
উত্তর: যে অর্থায়নে রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় সরকারের আয়-ব্যয় নীতি, আয়-ব্যয় সমন্বয় নীতি এবং সে সংক্রান্ত সমস্যাগুলো ও তা সমাধানের ব্যবস্থা করা হয় তাকে সরকারি অর্থায়ন বলা হয়।

প্রশ্ন:  অর্থায়ন কাকে বলে?
উত্তর: তহবিল সংগ্রহ এবং ব্যবহার-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলিকে অর্থায়ন বলে।

প্রশ্ন:  ব্যবসায় অর্থায়ন কী?
উত্তর: ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্যবসায়িক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য যে অর্থায়ন করে থাকে তাকে ব্যবসায় অর্থায়ন বলা হয়।

প্রশ্ন:  বেসরকারি অর্থায়ন কী?
উত্তর: সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নকে বেসরকারি অর্থায়ন বলে।

প্রশ্ন:  ব্যক্তিগত অর্থায়ন কাকে বলে?
উত্তর: কোনো ব্যক্তি তার নিজস্ব বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য যে অর্থায়ন করে থাকে তা-ই ব্যক্তিগত অর্থায়ন। ব্যক্তিগত অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তি প্রথমে আয়ের পরিমাপ নির্ণয় করে এবং এই আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যয় করে থাকে।

প্রশ্ন: পারিবারিক অর্থায়ন কী?
উত্তর: একটি পরিবারের সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবহার-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলিকে পারিবারিক অর্থায়ন বলে।

প্রশ্ন:  অব্যবসায় অর্থায়ন কাকে বলে?
উত্তর: মানব কল্যাণে নিয়োজিত অব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য অর্থ সংগ্রহ এবং ব্যবহার সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলিকে অব্যবসায় অর্থায়ন বলে।

প্রশ্ন:  আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কী?
উত্তর: যে অর্থায়ন ব্যবস্থায় আমদানি ও রপ্তানি খাতগুলো এবং আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের ঘাটতি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বলে।

প্রশ্ন:  চলতি মূলধন কাকে বলে?
উত্তর: প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম, যেমন- উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল কেনা, শ্রমিকদের মজুরি দেওয়া, বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক ও বাজারজাতকরণ ব্যয় মেটানোর জন্য যে তহবিল ব্যবহার করা হয় তাকে চলতি মূলধন বলা হয়।

প্রশ্ন:  মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত কী?
উত্তর: দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রকল্প মূল্যায়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত বলা হয়।

প্রশ্ন:  অর্থায়ন সিদ্ধান্ত কাকে বলে?
উত্তর: বিনিয়োগ প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য তহবিল কোন কোন উৎস থেকে, কীভাবে, কত সময়ের জন্য এবং কোন সময় সংগ্রহ করা হবে সেগুলো যথাযথভাবে নির্ধারণ করাকে অর্থায়ন সিদ্ধান্ত বলে।

প্রশ্ন: তহবিল বণ্টন বা লভ্যাংশ সিদ্ধান্ত কী?
উত্তর: অর্জিত মুনাফার কত অংশ বা কী পরিমাণ শেয়ার মালিকদের মধ্যে বণ্টন করা হবে এবং কত অংশ বা কী পরিমাণ ভবিষ্যতে পুনরায় বিনিয়োগের জন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করা হবে, সে সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকেই তহবিল বণ্টন বা লভ্যাংশ সিদ্ধান্ত বলা হয়।

প্রশ্ন:  পোর্টফোলিও কাকে বলে?
উত্তর: পোর্টফোলিও হচ্ছে দুই বা তার অধিক আর্থিক সম্পদের সমাহার।

প্রশ্ন: পোর্টফোলিও বৈচিত্রায়ন নীতি কী?
উত্তর: পোর্টফোলিও বৈচিত্রায়ন নীতি হলো বিনিয়োগকারী তার সঞ্চিত তহবিল একটি কোম্পানির আর্থিক সম্পদে বিনিয়োগ না করে একাধিক কোম্পানির আর্থিক সম্পদে বিনিয়োগ করাকে বোঝায়।

প্রশ্ন:  সামষ্টিক অর্থনীতি কী?
উত্তর: সামষ্টিক অর্থনীতি হলো একটি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিবেশ। অর্থনৈতিক কাঠামো, রাজস্ব নীতি ও আর্থিক নীতি নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণসহ সামগ্রিক প্রক্রিয়াই সামষ্টিক অর্থনীতি। যেমন- সামগ্রিক চাহিদা, সামগ্রিক জোগান, সামগ্রিক আয় ইত্যাদি।

প্রশ্ন: ব্যষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে?
উত্তর: অর্থনীতির যে শাখায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলে। যেমন- একক ব্যক্তির চাহিদা, একক ব্যক্তির জোগান, একক ব্যক্তির আয় ইত্যাদি।

প্রশ্ন: ব্যবস্থাপকীয় অর্থায়ন কাকে বলে?
উত্তর: ব্যবস্থাপকীয় অর্থায়ন বলতে আর্থিক ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব ও কর্তব্যকে বোঝায়। আর্থিক ব্যবস্থাপক প্রত্যক্ষভাবে ব্যবসার আর্থিক কার্যাবলির ব্যবস্থা করে থাকে। সেগুলো হলো- ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক, প্রাথমিক বাজার ও মাধ্যমিক বাজারের মাধ্যমে। অর্থায়নের মৌলিক সিদ্ধান্তগুলো হলো- বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত, অর্থায়ন সিদ্ধান্ত, লভ্যাংশ সিদ্ধান্ত।

প্রশ্ন: মুদ্রা বাজার কাকে বলে?
উত্তর: যে বাজারে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক সম্পত্তি কেনাবেচা করা হয় তাকে মুদ্রা বাজার বলে। মুদ্রা বাজারে সাধারণত বাণিজ্যিক কাগজ (Commercial paper), প্রতিজ্ঞাপত্র (Promissory notes), ট্রেজারি বিল (Treasury bill) ইত্যাদি কেনাবেচা করা হয়।

প্রশ্ন: আর্থিক বাজার কী? 
উত্তর: যে বাজারে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সম্পত্তি কেনাবেচা করা হয় তাকে আর্থিক বাজার বলে। আর্থিক বাজারের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি মূলধন সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। যেমন- শেয়ার, বন্ড, বাণিজ্যিক কাগজ ইত্যাদি।

প্রশ্ন: মূলধন বাজার কী?
উত্তর: যে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সম্পত্তি কেনাবেচা করা হয় তাকে মূলধন বাজার বলে। মূলধন বাজারে সাধারণত শেয়ার, ঋণপত্র, মিউচুয়াল ফান্ড ইত্যাদি কেনাবেচা করা হয়।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ 
সিদ্ধেশ্বরী কলেজ, ঢাকা

কবীর

খাদ্য অধ্যায়ের ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
খাদ্য অধ্যায়ের ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
সুষম খাদ্য। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : খাদ্য

সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন

প্রশ্ন: আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ কেন প্রয়োজন?

উত্তর: আমিষ জাতীয় খাদ্য দেহের বৃদ্ধি, গঠন ও রোগ প্রতিরোধ সাহায্য করে। দেহের পেশি, রক্ত, ত্বক, নখ-চুল তৈরি করতে আমিষ প্রয়োজন। এছাড়া আমিষ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে শক্তিশালী রাখে।

প্রশ্ন: সুষম খাদ্য গ্রহণের উপকারিতা লেখ।

উত্তর: সুষম খাদ্য দেহকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। এটি দেহের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। সুষম খাদ্য খেলে মনোযোগ বাড়ে ও পড়াশোনায় ভালো ফল পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন : খাদ্য অধ্যায়ের ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

বর্ণনামূলক উত্তর প্রশ্ন

প্রশ্ন: খাদ্য সংরক্ষণ কাকে বলে? কীভাবে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়?

উত্তর: খাদ্য সংরক্ষণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে খাদ্যকে নষ্ট হওয়া, পচে যাওয়া, জীবাণু বা পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে দীর্ঘসময় ভালো রাখা যায়। খাদ্য রোদে শুকিয়ে রাখা, ফ্রিজে রাখা, লবণ বা চিনি মিশিয়ে রাখা, আচার বানিয়ে রাখা অথবা বায়ুরোধী পাত্রে রাখা–এসবই খাদ্য সংরক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি।
খাদ্য সংরক্ষণ করার কারণ: ১. খাদ্য নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়: সংরক্ষণ না করলে অনেক খাদ্য দ্রুত পচে যায়।
২. দীর্ঘ সময় খাদ্যের গুণমান বজায় থাকে: খাদ্য সংরক্ষণ করলে খাদ্যের স্বাদ, রং ও পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকে।
৩. প্রয়োজনের সময় খাদ্য পাওয়া যায়: মৌসুম শেষ হলেও সংরক্ষিত খাদ্য সহজে পাওয়া যায়।
৪ অপচয় কমে: অতিরিক্ত খাদ্য সংরক্ষণ করা হলে, অপচয় হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
৫. দুর্যোগের সময় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়: বন্যা, খরা বা জরুরি সময়ে সংরক্ষিত খাবার কাজে লাগে।
৬. বাজারে চাহিদা ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ হয়: খাদ্য সংরক্ষণ করলে খাদ্যের দাম স্থিতিশীল থাকে এবং সারা বছর খাদ্যদ্রব্য পাওয়া যায়। এতে বাজারে খাদ্যদ্রব্যের চাহিদা ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা পঠিত বিষয় নিয়ে গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৩৯। বাক্সটি ফেরত পেয়ে লোকটির চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগল; কারণ হলো-
i. হারানো সম্পদ ফিরে পাওয়ার আনন্দে
ii. মানুষের মাঝে দেবতার অস্তিত্ব পাওয়ায়
iii. গরিবদের ওপর দরদি মানুষ দেখে
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i              (খ) ii 
 (গ) i ও ii       (ঘ) i, ii ও iii

৪০। লোকটা অপ্রতিভভাবে চলে যাওয়ার কারণ হলো-
i. লোভে পড়ে এসেছে 
ii. ওর মতো কত লোক আসবে
iii. বাক্স আমরা কুড়িয়ে পাইনি
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i              (খ) ii 
(গ) i ও ii        (ঘ) ii ও iii

আরো পড়ুন : পড়ে পাওয়া গল্পের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

৪১। সেবার নদীতে আসা বন্যাকে ‘ভীষণ বন্যা’ বলার কারণ হলো-
i. পটোল-কুমড়া-লাউয়ের আবাদ ভেসে যায়
ii. ঘরের চালাঘর ভেসে যেতে দেখা যায়
iii. অম্বরপুর চরের কাপালিরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে, তাই
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i                (খ) ii 
(গ) i ও ii          (ঘ) i, ii ও iii

৪২। অম্বরপুরের কাপালির এ গাঁয়ে চাকরির খোঁজে আসার কারণ হলো-
i. এই বর্ষায় না আছে কাপড়, না আছে ভাত
ii. দু আড়ি ধান ধার দিয়েছিল গোয়ালারা দয়া করে সেও এবার ফুরিয়ে এল
iii. বন্যায় নিরাশ্রয় হয়ে নির্বিষখোলার গোয়ালাদের চালাঘরে আশ্রয় নিয়েছে, তাই
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i              (খ) ii 
(গ) i ও ii        (ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ৩৯. ঘ, ৪০. গ, ৪১. ঘ, ৪২. ঘ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রাথমিকের শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
প্রাথমিকের শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৩ সালে কোটার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়া সরকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ১৫১ জন রিট পিটিশনারকে সহকারী শিক্ষক পদে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। 

আইনজীবী তাজুল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছিল। ওই সময় বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসারে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

তিনি বলেন, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন রিটকারী হাইকোর্টে মামলা করেন।

রিটকারীদের যুক্তি ছিল, পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের আলোকে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ দেওয়ার বিধান কার্যকর হওয়া উচিত।

এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করে ১৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করে।

তাজুল ইসলাম জানান, আপিল বিভাগের শুনানি শেষে আজ এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়েছে। রায়ে আদালত তিনটি পর্যবেক্ষণ দিয়ে আপিল নিষ্পত্তি করেছেন।

আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ তৈরি হলো।

কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ১ম পত্র
বিভিন্ন ধরনের কোষ। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : কোষ ও এর গঠন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। সর্বপ্রথম ক্রোমোসোম কে আবিষ্কার করেন?
(ক) W. Flemning     
(খ) E. Strasberger
(গ) W. Stransfield 
(ঘ) W. Waldeyer

২। ধানের ক্রোমোসোম সংখ্যা কত?
(ক) ২৪    (খ) ২৮    
(গ) ৪০    (ঘ) ৪২

৩। পেঁয়াজের ক্রোমোসোম সংখ্যা কত?
(ক) ১২     (খ) ১৪ 
(গ) ১৬     (ঘ) ১৮

৪। নিচের কোনটিকে বংশগতির সক্রিয় অংশ বলা হয়?
(ক) ক্রোমোমিয়ার     
(খ) হেটেরোক্রোমাটিন 
(গ) ইউক্রোমাটিন     
(ঘ) ম্যাট্রিক্স

৫। নিচের কোনটিকে নিউক্লিওলাস পুনর্গঠন অঞ্চল বলা হয়?
(ক) সেন্ট্রোমিয়ার     (খ) কাইনেটোকোর 
(গ) গৌণকুঞ্চন        (ঘ) টেলোমিয়ার

৬। স্যাটেলাইটযুক্ত ক্রোমোসোমকে কী বলা হয়?
(ক) অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম 
(খ) মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম 
(গ) স্যাট ক্রোমোসোম 
(ঘ) ডিফিউজড ক্রোমোসোম

৭। কোষ বিভাজনের কোন ধাপে ক্রোমোসোমগুলো V, L, J, I-এর আকার ধারণ করে?
(ক) প্রোফেজ ধাপে
(খ) মেটাফেজ ধাপে
(গ) অ্যানাফেজ ধাপে
(ঘ) টেলোফেজ ধাপে

নিচে দেওয়া চিত্রটির গঠন দেখে ৮ ও ৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

৮। ওপরের চিত্রের যৌগটির নাম হলো-
(ক) dATP     
(খ) dADP 
(গ) ATP     
(ঘ) AMP

৯। ওপরের চিত্রের যৌগটি দিয়ে সৃষ্ট জৈব অ্যাসিডিটি-
i. ইউরোসিলের সঙ্গে সম্পৃক্ত 
ii. পলিপেপটাইড তৈরি করে
iii. কোষীয় সাইটোপ্লাজমে থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii     
(খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii     
(ঘ) i, ii ও iii

নিচের চিত্রের গঠন দেখে ১০ ও ১১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

১০। ওপরের চিত্রের যৌগটি হলো-
(ক) dAMP     
(খ) AMP 
(গ) dADP     
(ঘ) ATP 

১১। ওপরের চিত্রের যৌগটি দিয়ে সৃষ্ট জৈব অ্যাসিডিটি-
i. ডাবল হেলিক্সযুক্ত     
ii. জেনেটিক কোড বহন করে
iii. মাস্টার মলিকিউল নামে খ্যাত
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii     
(খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii     
(ঘ) i, ii ও iii

নিচের চিত্রটি লক্ষ করে ১২ ও ১৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

১২। ওপরের চিত্রে প্রদর্শিত অণুটির নাম-
(ক) অ্যাডিনোসিন মনোফসফেট 
(খ) গুয়ানোসিন মনোফসফেট 
(গ) সাইটিডিন মনোফসফেট 
(ঘ) ইউরিডিন মনোফসফেট

১৩। ওপরের চিত্রে অণুটির সঙ্গে DNA নিউক্লিওটাইডের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য- 
i. নাইট্রোজেন ক্ষারকে 
ii. ফসফেটে 
iii. শ্যুগারে
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii     (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii     (ঘ) i, ii ও iii

নিচের চিত্রটি দেখে ১৪ ও ১৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

১৪। ওপরের চিত্রে হাইড্রোজেন বন্ধনের সংখ্যা কত?
(ক) ৭       (খ) ১৪ 
(গ) ১৭     (ঘ) ২১

১৫। ওপরের চিত্রের অন্যান্য বন্ধন হলো-
i. গ্লাইকোসাইডিক 
ii. এস্টার 
iii. ফসফোডাই এস্টার
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii      (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii     (ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ১. খ, ২. ক, ৩. গ, ৪. গ, ৫. গ, ৬. গ, ৭. গ, ৮. ঘ, ৯. ঘ, ১০. ক, ১১. ঘ, ১২. খ, ১৩. খ, ১৪. গ, ১৫. ঘ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, জীববিজ্ঞান বিভাগ
সরকারি মুজিব কলেজ, সখিপুর, টাঙ্গাইল

কবীর