ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
রায় কার্যকর না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ বাইক্কা বিলের হলুদ মোমলেজি পুরোনো যন্ত্রে নতুন স্বপ্ন ব্যাপক দুর্নীতিতে প্রশ্নের মুখে ইউনূস সরকার ১৬ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৬ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ১৮ বিশ্বকাপের সাক্ষী ৯১ বছরের ম্যাকাইয়া ফুটবল থামিয়ে মঞ্চে উঠবেন তারকারা ১৬ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি ইংল্যান্ডকে হারানোর পরই ধাক্কা, ফিফার শাস্তির মুখে আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার থেকে নায়ক আজকের ম্যাচ আমাদের সব অর্জনকে ছাপিয়ে গেছে: স্কালোনি মাঠের বাইরেও ‘ভিএআর’ প্রয়োজন? ‘ফকল্যান্ড দ্বীপ আর্জেন্টিনার’ ব্যানার নিয়ে উদ্‌যাপন, বিতর্কে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা সেমিফাইনাল হেরে টুখেল বললেন, ‘কোনো আক্ষেপ নেই’ বিশ্বকাপে আবার ফ্রান্স-ইংল্যান্ড লড়াই, ম্যাচ কবে-কখন? বিশ্বকাপে টানা ১৩ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড আর্জেন্টিনার ভীষণ কষ্ট পাচ্ছেন হ্যারি কেইন শেষ বাঁশির পর মাঠেই হাতাহাতি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে স্কালোনি, ইতিহাসে সপ্তম অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল এনজো-লাউতারোর গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা গর্ডনের গোলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনা জিতলেই বিয়ে! পরীমনির স্ট্যাটাসে সরগরম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ১৯ ফাউলের প্রথমার্ধে গোলশূন্য আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের আগে ইংল্যান্ডকে ‘দখলদার জলদস্যু’ বললেন আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়েইন রুনির রেকর্ড ভাঙলেন হ্যারি কেইন বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার শেষ লড়াই কেমন ছিল? জানা গেল আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের একাদশ

গরমে ঢিলেঢালা পোশাক

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৪, ০৪:৪৭ পিএম
আপডেট: ১৮ মে ২০২৪, ০৪:৪৮ পিএম
গরমে ঢিলেঢালা পোশাক


গরমের এই সময়টা আরাম দেয় ঢিলেঢালা পোশাক। একটা সময় ফিটিং জামা-কাপড় পরলেও গত কয়েক বছরে ঢিলেঢালা পোশাক তরুণীদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বর্তমানে ঢিলেঢালা পোশাকই ট্রেন্ডি, ফ্যাশনেবল এবং আরামদায়ক। কামিজ, কুর্তা বা ওয়েস্টার্ন পোশাকের ক্ষেত্রে নারীরা পছন্দ করছেন এই পোশাক। এবারের পোশাক নিয়ে লিখেছেন তামান্না মুন 

গরমের সময় কুর্তি, সালোয়ার-কামিজ, সিঙ্গেল কামিজ, টপস সব পোশাকই ঢিলেঢালা পরাই শ্রেয়। এ ধরনের পোশাক শরীরে বাতাস চলাচল করতে সাহায্য করে। পোশাক বেশি আঁটসাঁট হলে গরমে দম ফেলানো বেশ কষ্টকর হয়ে যায়। টি-শার্ট, ফতুয়া, কুর্তি, সালোয়ার, কামিজ কিংবা শাড়ি যা-ই পরুন না কেন টাইট ফিটিং না পরে একটু ঢিলেঢালা পোশাক পরলে আরাম পাওয়া যায় ও গরম কম লাগে।

পোশাকের কাটিং সঙ্গে ফেব্রিক হতে হবে আরামদায়ক। এ সময় শিফন, সুতি, ক্রেপড জর্জেট, সিল্ক, লিনেন, ভালো মানের নেটের তৈরি পোশাকগুলোয় স্বস্তি মেলে। তবে গরমে এগিয়ে আছে সুতি। এই কাপড়ে নতুন অধ্যায়ে এসেছে ভিসকসের মাধ্যমে। সুতির সঙ্গে ভিসকসের মিশ্রণের ফলে পোশাক হয় নরম ও আরামদায়ক। এ ছাড়া ফ্লপ কটনও পরতে পারেন। ফ্লপ কটন অনেকটা জর্জেট কাপড়ের মতো। তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। পশ্চিমা পোশাকে অনেক প্যাটার্ন খুব ভালোভাবে ফুটে এই কাপড়ে। অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নিতে পারেন শিফনের পোশাক। এই কাপড় পরতেও যেমন আরামের, তেমনি দিনে বা রাতের অনুষ্ঠানে মানিয়ে যায়। কাপড়টি নরম হলেও চকচকে ভাব থাকে। 

অবশ্যই পোশাকে যাতে খুব বেশি ভারী কাজ না করা থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। হালকা বা ফুলের প্রিন্ট, ছাপা নকশা পোশাকে বেশি স্বস্তি দেয়। কারণ এগুলো কাপড়কে অনেকটাই হালকা রাখে। জ্যামিতিক ডিজাইনের পোশাক কিছু বছর ধরে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যদি কেউ ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ সার্কেল, পিরামিড এ ধরনের ডিজাইন পছন্দ করেন তাহলে অনায়াসে বেছে নিতে পারেন জ্যামিতিক ডিজাইনের পোশাক।

আরাম ও স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনায় রেখে গরমে পরার জন্য ফ্যাশন ব্র্যান্ড সারা লাইফস্টাইল এনেছে ঢিলেঢালা পোশাক। গরমে চোখের আরামের জন্য কাপড়ের রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও প্রাধান্য দিয়েছেন তারা।

ফ্যাশন ব্র্যান্ড সারা লাইফস্টাইলের হেড অব ডিজাইন শামীম রহমান বলেন, নারীদের জন্য রয়েছে হালকা রঙের ঢিলেঢালা কামিজ ও টপস কাফতান। আমরা সবার জন্য ঢিলেঢালার মধ্যে পোশাক নকশা করার চেষ্টা করেছি। গরমের জন্য নীল, অফ হোয়াইট ও লেমন রংকে এবার প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।’

গরমের দিনে পোশাকের রং এমন হওয়া উচিত যেটা রোদের তাপ কম শোষণ করে বাইরের তাপমাত্রা থেকে শরীরকে রক্ষা করবে। তাই গাঢ় রং যেমন- কালো, লাল, হলুদ এ ধরনের রঙের পরিবর্তে হালকা রঙের কাপড় গরমের জন্য সবচেয়ে ভালো। এতে দেখতে যেমন প্রশান্তি লাগে তেমনি গরম কমাতেও বেশ কার্যকর। সাদা, ধূসর, বাদামি, সবুজ, ফিরোজা এ ধরনের হালকা রঙের পোশাক বেছে নিতে পারেন। হালকা রং গরম আটকে রাখে না দীর্ঘসময়। তাই গরম অনুভব হয় কম। যারা ওয়েস্টার্ন পরেন তাদেরও রঙের বিষয়টি সমানভাবে মাথায় রাখতে হবে। ফুল হাতা পোশাক না পরে স্লিভলেস কিংবা হাফহাতা পোশাক পরলে আরাম পাবেন।

পোশাকের ব্র্যান্ড বিশ্বরঙ, কে ক্র্যাফট, অঞ্জন’স, দেশাল, বিবিয়ানা, নিপুণ, রঙ বাংলাদেশ, হরীতকী, সরলা, কারভিকিউসহ বিভিন্ন অফলাইন ও অনলাইন ব্র্যান্ডে পাওয়া যাচ্ছে গরমে স্বস্তি দেবে এমন ঢিলেঢালা পোশাক। এ ছাড়া পছন্দমতো কাপড় দিয়ে পোশাক বানাতে চাইলে কাপড় কিনতে যেতে পারেন চাঁদনী চক, গাউছিয়া, নিউমার্কেট, গুলিস্তান, বসুন্ধরা সিটিতেও। এসব মার্কেট ছাড়াও সুতি কাপড় ছোট-বড় অনেক মার্কেটেই পাওয়া যায়। ফ্যাশনের জন্য সুতি কাপড় কিনে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন, লেস, বোতাম, ইয়োক দিয়ে তৈরি করে নেওয়া যায় গরমের পোশাক। লেস, বোতাম, ইয়োক ব্যবহারে করে পোশাক আনতে পারেন নান্দনিকতার ছোঁয়া। 

কলি

আন্তর্জাতিক ‘ফেভারিট শেফ ২০২৬’-এর কোয়ার্টার ফাইনালে কানাডা-বাংলাদেশি শেফ মাদিহা তুরশীন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
আন্তর্জাতিক ‘ফেভারিট শেফ ২০২৬’-এর কোয়ার্টার ফাইনালে 
কানাডা-বাংলাদেশি শেফ মাদিহা তুরশীন

কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি শেফ মাদিহা তুরশীন আন্তর্জাতিক ‘ফেভারিট শেফ ২০২৬’ প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছেন। খ্যাতিমান শেফ কার্লা হল-এর উপস্থাপনায় এবং জেমস বেয়ার্ড ফাউন্ডেশন-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় জনভোটের মাধ্যমে সেমিফাইনালিস্ট নির্বাচিত হবে। আগামী ২৩ জুলাই সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী) ভোট গ্রহণ চলবে।

‘ইয়াম মোমেন্টস’-এর শেফ ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে মাদিহা তুরশীন এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সমকালীন খাদ্যসংস্কৃতিকে তুলে ধরছেন। ধ্রুপদি রন্ধনপ্রযুক্তি, খাদ্যের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক গল্পবয়ান এবং শতাব্দীব্যাপী বাণিজ্য, অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ রন্ধনঐতিহ্যকে তিনি আধুনিক উপস্থাপনায় তুলে ধরছেন।

একটি নির্দিষ্ট পদকে নিজের পরিচয় না করে, মাদিহা তাঁর স্বকীয়তাকে বর্ণনা করেন ‘প্রযুক্তিনির্ভর বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের খাবারের আধুনিক উপস্থাপনা’ হিসেবে। প্রতিযোগিতায় তাঁর পরিবেশিত উল্লেখযোগ্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্দ্যুর (Verdure), রোহু আ লা বেঙ্গল (Rohu à la Bengal), কমফোর্ট, কালার্ড (Comfort, Coloured) এবং মনসুন টি অ্যান্ড মেমোরি (Monsoon Tea & Memory)। 

প্রতিটি পদেই ঐতিহ্য, পরিচয়, অভিবাসন এবং সংস্কৃতির গল্প আধুনিক রন্ধনশৈলীর মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। লে কর্দোঁ ব্লু-এর গ্রঁ দিপ্লোম ডিগ্রিধারী মাদিহা তুরশীনের কাজ শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নয়; খাদ্যের ইতিহাস, গবেষণা, গণমাধ্যম এবং আন্তঃবিষয়ক সৃজনশীল চর্চাতেও তিনি সক্রিয়। ‘ইয়াম মোমেন্টস’-এর মাধ্যমে তিনি খাবারকে সংস্কৃতি, নকশা, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও গল্প বলার এক মিলনস্থল হিসেবে তুলে ধরছেন।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হলে তিনি আধুনিক কৌশল ও বৈশ্বিক উপাদানের আলোকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রান্না নিয়ে একটি কফি-টেবিল গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনা করেছেন। পাশাপাশি ঢাকায় ‘ইয়াম মোমেন্টস’ নামে একটি সমন্বিত রন্ধন ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ রয়েছে, যেখানে দেশি-বিদেশি শেফ, শিল্পী, গবেষক ও সৃজনশীল ব্যক্তিরা একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবেন। তাঁর বিশ্বাস, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের রন্ধনভিত্তিক পর্যটনের বিকাশেও ভূমিকা রাখবে। প্রতিযোগিতায় প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার করে ভোট দেওয়া যাচ্ছে। 

মাদিহা তুরশিনের এই অগ্রযাত্রা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল ও সমৃদ্ধ রন্ধনঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরারও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

/এমটি 

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬ মুকুট জিতলেন সামানজার সাঈদ

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬ মুকুট জিতলেন সামানজার সাঈদ
ছবি: খবরের কাগজ

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, আলোকসজ্জা আর নতুন প্রজন্মের স্বপ্নকে ঘিরে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সামানজার সাঈদ-এর মাথায় ওঠে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মুকুট। প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্বাগতা সাহা আর দ্বিতীয় রানারআপের খেতাব অর্জন করেছেন লাবিবা মানজুর।

শুধু সৌন্দর্য নয়, বুদ্ধিমত্তা, নেতৃত্বের গুণ, আত্মবিশ্বাস, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার অঙ্গীকার—এসব গুণাবলির ভিত্তিতেই নির্বাচিত হয়েছেন এবারের বিজয়ী। এর মধ্য দিয়ে তিনি আগামী আগস্টে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠেয় ৭৩তম মিস ওয়ার্ল্ড ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন। তিনি দায়িত্ব নিচ্ছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৫ আকলিমা আতিকা কনিকার উত্তরসূরি হিসেবে।

এবারের প্রতিযোগিতার শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছিলেন আয়শা রহমান, যুক্তা ভৌমিক, লাবিবা মানজুর, সামানজার সাঈদ এবং স্বাগতা সাহা ঐশী। এই পাঁচ প্রতিযোগীর মধ্য থেকেই বিচারকদের মূল্যায়নে সেরা নির্বাচিত হন সামানজার সাঈদ।

প্রতিযোগীদের মূল্যায়নে দায়িত্ব পালন করেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯ শিরিন আক্তার শীলা, মিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ২০২৪ ইফা তাবাসসুম, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৯ রাফাহ নানজেবা তোরসা, দ্য ডেইলি স্টার–এর লাইফস্টাইল সম্পাদক মেহরিন আফরোজ চৌধুরী এবং হাল ফ্যাশন–এর কনসালট্যান্ট শেখ সাইফুর রহমান। বিচারকরা প্রতিযোগীদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা, মঞ্চে উপস্থিতি, ব্যক্তিত্ব, সামাজিক সচেতনতা এবং ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিবেচনা করে বিজয়ী নির্বাচন করেন।

আয়োজকরা জানান, এবারের আয়োজন শুধু একজন সুন্দরী নির্বাচনের অনুষ্ঠান নয়; বরং মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের নতুন যাত্রার সূচনা। ২০২৫ সালে আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প (এএমটিসি) জাতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিযোগিতাটিকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। লক্ষ্য হলো এমন তরুণীদের খুঁজে বের করা, যারা সৌন্দর্যের পাশাপাশি নেতৃত্ব, মানবিকতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা হতে পারেন।

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের জাতীয় পরিচালক এবং আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা আজরা মাহমুদ বলেন, “এটি শুধু নতুন একজন বিজয়ীর অভিষেক নয়; এটি মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা। আমাদের লক্ষ্য এখন আর কেবল সৌন্দর্য নয়, বরং উদ্দেশ্য, নেতৃত্ব এবং সমাজসেবা। আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নারীরা পরিবর্তনের দূত, সমাজের প্রতিনিধি এবং আগামী প্রজন্মের রোল মডেল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। একজন বিজয়ী যেন শুধু একটি মুকুট নয়, মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার শক্তি নিয়েও ঘরে ফেরেন।”

নতুন মুকুটধারী সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, সামানজার সাঈদের মধ্যে অসাধারণ সম্ভাবনা, সৌন্দর্যের সঙ্গে ব্যক্তিত্ব ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয় রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবেন বলে আমি আশাবাদী।

মুকুট জয়ের পর থেকেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি শুরু করবেন সামানজার সাঈদ। আগামী কয়েক সপ্তাহ তিনি ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক উপস্থাপনা, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ এবং ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’-এর আওতায় মানবিক কার্যক্রম নিয়ে কাজ করবেন। এই বৈশ্বিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম তরুণ নেতৃত্ব তৈরি করা।

বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতা। কারণ ২০২৬ সালে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা উদযাপন করছে তাদের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আগামী ৯ আগস্ট ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে শুরু হবে প্রায় এক মাসব্যাপী এই আন্তর্জাতিক আয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা সাংস্কৃতিক বিনিময়, সমাজসেবামূলক কার্যক্রম, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন। সবশেষে ৫ সেপ্টেম্বর ভিয়েতনামের ন্যা ট্রাং শহরে অনুষ্ঠিত হবে ৭৫তম মিস ওয়ার্ল্ড গ্র্যান্ড ফিনালে, যেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন এবারের বিজয়ী।

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬ আয়োজনের সহযোগী ছিল আমিশি (জুয়েলারি পার্টনার), রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন (হসপিটালিটি পার্টনার), পারসোনা (অফিশিয়াল মেকওভার পার্টনার), আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প (গ্রুমিং পার্টনার), ভি ফ্রেম (ফটোগ্রাফি পার্টনার) এবং সিনে স্ক্রিপচার (ভিজ্যুয়াল পার্টনার)।

আয়োজকদের আশা, নতুন এই দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তর্জাতিক মানের প্রস্তুতির মাধ্যমে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ শুধু একটি প্রতিযোগিতা হিসেবেই নয়, বরং তরুণ নারীদের নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস ও সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ 

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ হলো বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা মিস ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন-এর বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক জাতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি। জাতীয় পরিচালক আজরা মাহমুদের নেতৃত্বে আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প (এএমটিসি) এই প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করছে।

নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পরিচালিত এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শুধু সুন্দরী নির্বাচন নয়; বরং মেধা, মানবিকতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণে উজ্জ্বল তরুণ বাংলাদেশি নারীদের খুঁজে বের করা, তাঁদের দক্ষতা উন্নয়ন, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করা। পেশাগত বিকাশ, সামাজিক সচেতনতা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে প্রতিযোগীদের এমনভাবে প্রস্তুত করা হয়, যাতে তাঁরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন এবং একই সঙ্গে দেশ ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারেন।

তারেক/

‘ইয়েস ফ্যাশন’র ট্রেন্ডি জুব্বা

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
‘ইয়েস ফ্যাশন’র ট্রেন্ডি জুব্বা

ঋতু বৈচিত্র্যতায় বর্ষার অবস্থান ভিন্নতর। তাই ‘ইয়েস ফ্যাশন’ বর্ষা ঋতু উপযোগী, বেশ রুচিশীল ও উৎসব নির্ভর পোশাক তৈরি করেছে। ‘ইয়েস ফ্যাশন’ নিজের সৃজনশীলতায় তৈরি করছে একদম আলাদা স্টাইলের স্টাইলিস্ট সব পাঞ্জাবি। আপনার পছন্দের ব্র্যান্ড ‘ইয়েস ফ্যাশন’ এ পাবেন আধুনিক ফ্যাশনেবল ক্যাজুয়াল বা ফরমাল স্লিমফিট পাঞ্জাবি। 

‘ইয়েস ফ্যাশন’ এন্ড লাইফ স্ট্যাইল এর পাঞ্জাবিতে উৎসবের ছোঁয়া দিতে এবং আরামদায়ক পাঞ্জাবি তৈরির জন্য বরাবরই ভারত-চায়নার বিভিন্ন মিল কারখানা ঘুরে ভালো মানের উইন কটন, ডোবি কটন, ফেন্সি কটন কাপড় সংগ্রহ করে থাকে। 

সেই কাপড় দিয়ে সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী দ্বারা নিজস্ব কারখানায়, নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরি ‘ইয়েস ফ্যাশন’র সমস্ত পাঞ্জাবি। এই আবহাওয়ায় নিজেকে মানানসই করে তুলে ধরতে বেছে নিন পছন্দের পাঞ্জাবিটি। 

/এমটি

মেহজাবীনের হাত ধরে ওসান লাইফস্টাইল মিরপুরে

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম
মেহজাবীনের হাত ধরে ওসান লাইফস্টাইল মিরপুরে

হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল মেহজাবীন চৌধুরীর হাত ধরেই ২০২৪ সালে ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘ওসান লাইফস্টাইল’র যাত্রা শুরু হয়েছিলো রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে। যাতে ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন সানজিদা আলম। ‘ওসান লাইফস্টাইল’র ক্রেতা চাহিদা বাড়ার কারণে এবার নতুন আউলেট-এর যাত্রা শুরু হয়েছে রাজধানীর মিরপুর-১০-এর আগোরা বিল্ডিংয়ে।

যথারীতি দ্বিতীয় শো-রুমটিও উদ্বোধন করেন মেহজাবীন চৌধুরী এবং সঙ্গে ছিলেন সানজিদা আলম। ওসান লাইফস্টাইল এমন একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ড যেখানে এখানে ছেলে ও মেয়েদের যাবতীয় ট্রেন্ডি পোশাক, ডিজাইনারের করো পোশাকও পাওয়া যায়। 

শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় ওসান লাইফস্টাইল’র দ্বিতীয় শো-রুমটি উদ্বোধন শেষে ‘ওসান লাইফস্টাইল’ প্রসঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, ‘শুরুতেই ধন্যবাদ জানাই সানজিদা আপুকে আমাকে ওসানের সাথে যুক্ত রাখার জন্য। সানজিদা আপু আসলে আমাকে অনেক ভালোবাসেন। মিরপুর বাসীদের জন্য সুখবর যে ওসান এখন মিরপুরে।

আর সত্যি বলতে কী ওসান খুউব অল্প সময়ের মধ্যেই ক্রেতাদের কাছে পছন্দের একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে একেকজনের পছন্দ একেকরকম। কারো ওয়েষ্টার্ন গাউন পছন্দ, কারো বা শাড়ি আবার কারো সালোয়ার কামিজ পছন্দ। তো ওসানে আসলে সবকিছুই পাওয়া যাবে। এবার দেখলাম কিছু এক্সেসরিজও যুক্ত করা হয়েছে।

এখানে আসলে মেয়েদের ব্যবহারের জন্য সব ধরনের আইটেমই পাওয়া যায়। এই শো-রুমে ছেলেরদেরও আইটেম রাখা হয়েছে। যে কেউ এই ওসানে আসলে মা কিংবা বোন কিংবা স্ত্রী’র জন্য কিছু না কিছু ক্রয় করে নিতে পারবেন। আমার বিশ্বাস ভবিষ্যতে ওসানে আরো অনেক কিছুই যুক্ত হবে।’ 

ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর সানজিদা আলম বলেন, ‘এটা বলতেই হয় যে ওসান মানেই মেহজাবীন আপু। তিনি ওসানের একটা পার্ট। আর আমি চাই ওসান বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার একটা ব্র্যা- হয়ে উঠুক। আমার স্বপ্ন, একদিন দেশের প্রতিটা জায়গায় ওসান থাকবে যেখানে আমাদের ওসান কুইনস’রা ভালোবাসা আর বিশ্বাস নিয়ে আসবেন। দেশীয় ব্র্যান্ড হয়েও আমরা একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যাবো ওসানকে ইনশাআল্লাহ। আর মিরপুরে আমাদের স্বপ্নের আরেকটা অধ্যায়ের যাত্রা শুরু হলো।’ 

/এমটি 

 

ঘরেই বানান প্রাকৃতিক সাবান

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
ঘরেই বানান প্রাকৃতিক সাবান

সুন্দর ত্বক ও পরিচ্ছন্নতার জন্য সাবান একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ। তবে বাজারে পাওয়া অনেক সাবানেই থাকে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান, যা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য সব সময় উপযোগী নাও হতে পারে। তাই অল্প কিছু উপকরণ ও সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করে ঘরে বসেই কীভাবে সাবান তৈরি করা যায় সে বিষয়ে জানাচ্ছেন আফরোজা খানম মুক্তা

রোজমেরি সাবান
উপকরণ
স্বচ্ছ সাবান বেস ১০০ গ্রাম, রোজমেরি তেল ১০ থেকে ১২ ফোঁটা, পছন্দমতো রং (গোলাপি), প্রয়োজনমতো রাবিং অ্যালকোহল, পছন্দমতো সিলিকন ছাঁচ। স্প্রে বোতল।

প্রণালি
একটা হাঁড়ির অর্ধেক পানি ভরে পানি ফুটিয়ে নিন। আরেকটা ছোট সসপ্যানে সাবানের বেস ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন। পরে ফুটন্ত পানির ওপরে সসপ্যানের সাবানগুলো ৩০ সেকেন্ড গলিয়ে নিন। এবার গোলানো বেসের সঙ্গে রোজমেরি ওয়েল এবং গোলাপি রং ভালো করে মেশিয়ে নিন। মিশ্রণটি সিলিকন মোল্ডে ঢালুন।

সাবানের ওপর বুদবুদ থাকলে স্প্রে বোতল দিয়ে সামান্য অ্যালকোহল ছিটিয়ে দিন। বুদবুদ দূর হবে। সাবান শক্ত হলে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন। সাবান শক্ত হলে মোল্ড থেকে বের করে নিন। তারপর সাবান প্যাকেট করে নিন। রোজমেরি সাবান ত্বককে সতেজ রাখে এবং তেলতেলে ভাব দূর করতে সাহায্য করে। 

হলুদের সাবান
উপকরণ
সাবান বেস (গ্লিসারিন বা শিয়া বাটার বেস) ১০০ গ্রাম, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদ রঙের মাইকা পাউডার আধা চা-চামচ, পছন্দমতো এসেনশিয়াল অয়েল (ল্যাভেন্ডার বা টি ট্রি অয়েল) ১০ থেকে ১২ ফোঁটা, প্রয়োজনমতো রাবিং অ্যালকোহল, পছন্দমতো সিলিকন সাবানের ছাঁচ, স্প্রে বোতল, ডাবল বয়লারের জন্য দুটি পাত্র।

প্রণালি
সোপ বেজগুলো ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। পানির পাত্রের ওপর অন্য একটি পাত্র বসিয়ে (ডাবল বয়লার) বেজটি পুরোপুরি গলিয়ে নিন। গলানো তরল সাবানের সঙ্গে হলুদের গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে দিন। এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে কাজ করে। এবার আপনার পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে দিন। আর হলুদ রঙের মাইকা পাউডার দিন আধা চা-চামচ। তরল সাবানটি সাবানের সিলিকন মোল্ডে ঢেলে দিন। কয়েক ঘণ্টা বা সারা রাত ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। সাবান শক্ত হয়ে গেলে ছাঁচ থেকে বের করে নিন।

অ্যালোভেরা সাবান
উপকরণ
গ্লিসারিন সাবান বেস ১০০ গ্রাম, তাজা অ্যালোভেরা জেল ১ থেকে ২ টেবিল-চামচ, পছন্দমতো এসেনশিয়াল অয়েল (ল্যাভেন্ডার বা টি ট্রি) ১০ থেকে ১২ ফোঁটা, ভিটামিন ই ক্যাপসুল ১ থেকে ২টি, সবুজ খাদ্য রং সামান্য (ঐচ্ছিক), গোট মিল্ক সোপ বেস প্রয়োজনমতো (ছোট ফুল তৈরির জন্য), সিলিকন সাবানের ছাঁচ।

প্রণালি
প্রথমে গোট মিল্ক সোপ বেস গলিয়ে ছোট ফুলের আকৃতির ছাঁচে ঢেলে নিন। ফুলের আকৃতির সাবানগুলো সম্পূর্ণ শুকিয়ে আলাদা করে রেখে দিন।

এরপর গ্লিসারিন সাবান বেস ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ডাবল বয়লার পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ গলিয়ে নিন। গলে যাওয়া মিশ্রণটি কিছুটা ঠাণ্ডা হলে এতে অ্যালোভেরা জেল, এসেনশিয়াল অয়েল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরের তরল যোগ করুন। চাইলে আকর্ষণীয় রঙের জন্য সামান্য সবুজ ফুড কালারও মেশাতে পারেন।

সব উপকরণ ভালোভাবে মিশে গেলে সিলিকন ছাঁচের নিচে আগে থেকে তৈরি করা ফুলের আকৃতির সাবানগুলো সাজিয়ে রাখুন। এরপর প্রস্তুত তরল সাবানের মিশ্রণটি ধীরে ধীরে ছাঁচে ঢেলে দিন।

ছাঁচটি ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ফ্রিজে অথবা ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। সাবান সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে গেলে সাবধানে ছাঁচ থেকে বের করে নিন। প্রয়োজনে প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ করতে পারেন।

/এমটি