জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের বিবাহিত ও অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে কর্তৃপক্ষের দেওয়া নোটিশের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গে ওই নোটিশ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে জবি প্রশাসনকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শুনানিতে রিটের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ব্যরিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।
‘আবাসিক ছাত্রীদের যাদের স্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে, তারা অতি দ্রুত হল ত্যাগ করবে। কোনো মানোন্নয়ন (মাস্টার্স) পরীক্ষার্থী, এমফিল ছাত্রী হলে থাকতে পারবে না। এ ছাড়া আবাসিকতা লাভ ও বসবাসের শর্তাবলি এবং আচরণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা-২০২১–এর ১৭ নম্বর ধারা মোতাবেক বিবাহিত ও অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীরা আবাসিক সিট (আসন) পাবে না। বিধায় তারা অতি দ্রুত হলের সিট ছেড়ে দেবে। অন্যথায় তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ মর্মে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষ দীপিকা রানী সরকারের স্বাক্ষরিত নোটিশ জারি করা হয়। পরে বিবাহিত ও অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করে ব্লাস্ট ও নারীপক্ষসহ সাতটি মানবাধিকার সংগঠন।