ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, পানিবন্দি লাখো মানুষ একটু অসচেতনতায় হারিয়ে যাচ্ছে অসামান্য উপহার জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট বহিরাগত প্রবেশে নিরাপত্তা শঙ্কায় ইবির শিক্ষার্থীরা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন আদনান আজাদ জনপ্রশাসনে বড় পদোন্নতি, ১৭২ জন হলেন যুগ্মসচিব কারেনের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের পুঁজি ২৪৭ প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সংসদে এমপিদের অসন্তোষ, খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস আহসান হাবীব: কবিতায় নিবিড়, গভীর অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক শিশুশিক্ষায় প্রয়োজন জলবায়ু সহনশীল শিক্ষাব্যবস্থা মালা নয়, হাতে উঠল হাতকড়া শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল বাড়াতে প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ ইউজিসির টানা বৃষ্টিতে কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়ক পানির নিচে সীতাকুণ্ডে শিশু ইরা হত্যা: পাঁচ মাস পর বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড রক্ত পরীক্ষায় ভয় নয় দেশজুড়ে ফ্লেক্সিবল ডেলিভারি অপশন নিয়ে এলো পাঠাও পার্সেল সিলেট সীমান্তে বিএসএফের অবৈধ পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, সতর্ক বিজিবি দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি: ত্রাণমন্ত্রী মুখ দেখালেই বোর্ডিং পাস আইস্ক্রিনে ফুটবলের সেরা দুই সিনেমা ‘দামাল’ ও ‘জাগো’ রাজবাড়ীতে কোরআন পোড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শেরপুরে বাসচাপায় নিহত ১, আটক ২ উর্মি খানের নতুন গান ‘ভাবনার মিছিল’ দেশের বাজারে ভিভোর নতুন স্মার্টফোন বাবার মামলায় ছেলের জেল, হাজতেই আত্মহত্যা মাদক ও বিচারহীনতার বিষবৃক্ষ সন্দ্বীপে টর্নেডোয় ব্যাপক ক্ষতি

শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন আজ

প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:৩৪ পিএম
আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৬:৪৬ পিএম
শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন আজ
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি)।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ইশতেহার নিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বলে দলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

অমিয়/

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন আদনান আজাদ

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন আদনান আজাদ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার ঢাকার আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আদনান আজাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: আরিফুল আমিন

দেশের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৬’ (স্বর্ণপদক) পেয়েছেন আদনান আজাদ (ফয়সাল বিন আজাদ)। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ জাতীয় পুরস্কারের ‘ক’ ক্যাটাগরিতে ব্যক্তিপর্যায়ে তিনি এই সম্মাননা লাভ করেন। আদনান আজাদ বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক এবং সেভ ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড নেচার (সোয়ান)-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা ২০২৬, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর যৌথ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আদনান আজাদের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘রেপটাইল ম্যান অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত আদনান আজাদ দীর্ঘদিন ধরে দেশের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করে আসছেন। গত ২৮ বছর ধরে লোকালয় ও মানুষের বসতবাড়িতে ঢুকে পড়া অসংখ্য সাপসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে নিরাপদে অবমুক্ত করার মাধ্যমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি বুনো হাতির নিরাপদ করিডোর সংরক্ষণের দাবিতে ২০২১ সালে উচ্চ আদালতে রিট করেন, যা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে হাতি সংরক্ষণ নীতিমালা প্রণয়নে ভূমিকা রাখে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি তিনি দেশের একজন অন্যতম বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবেও সমাদৃত।

পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় আদনান আজাদ বলেন, এই স্বীকৃতি দেশের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাঁর কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেবে। লোকালয়ে চলে আসা বন্যপ্রাণী হত্যা না করে, সেগুলোকে উদ্ধার ও অবমুক্ত করার বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

/আবরার জাহিন

খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সংসদে এমপিদের অসন্তোষ, খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সংসদে এমপিদের অসন্তোষ, খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যপণ্যে ভেজাল নিয়ে জাতীয় সংসদে উদ্বেগ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহার। তিনি বলেছেন, 'মাদকে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যে ভেজাল। এটা বড়ই আশ্চর্যজনক বিষয়।'

একই সঙ্গে খাদ্যের মান সংরক্ষণ এবং জনগণের জন্য ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ জানতে চান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২২তম দিনের বৈঠকে সম্পূরক প্রশ্নে তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন।

সাবিকুন্নাহার বলেন, এই ফলের মৌসুমে ফলের রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়। কোন ফলটি যে কিনবো, কোনটি যে ফরমালিন মুক্ত, কোনটি যে আমার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, সেটা আমরা ডিসাইড করতে পারি না। তো এই অবস্থা কতদিন চলবে? লক্ষ্য করছি মাদকের মধ্যে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যের মধ্যে ভেজাল। এটা বড়ই আশ্চর্যজনক বিষয়। এ পরিস্থিতি কতদিন চলবে, সরকারের উদ্দেশ্যে সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, খাদ্যে ভেজাল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। ভেজাল খাদ্যের কারণে ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ নানা জটিল অসুখে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার ও প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে দীর্ঘ বৈঠকে ভেজালবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। জনপ্রশাসন উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে, যা প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে। ইতোমধ্যে কমিটির প্রথম বৈঠকে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে ভেজালবিরোধী অভিযান ও তদারকি জোরদার করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্যদ্রব্য ভেজালমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণে সরকার সচেষ্ট থাকবে।

এলিস/এএফ

দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: ছবি: সংগৃহীত

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্যাঞ্চলে সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ের ঢালে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে বাড়ি নির্মাণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে মন্ত্রী জানান, পাহাড়ধস ও বন্যায় এখন পর্যন্ত কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, বান্দরবানে ৫ জন এবং রাঙ্গামাটিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্গত এলাকায় চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রিতদের জন্য বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য ও তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি জানান, প্রথম দফায় পাঁচ জেলায় ১০ লাখ টাকা করে জিআর (নগদ) ও ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ, কক্সবাজারে ২০ লাখ এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১০ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি চট্টগ্রামে ৩০০, কক্সবাজারে ২৫০ এবং বাকি তিন জেলায় ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও প্রতিটি দুর্গত জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাহাড়ধসে বারবার প্রাণহানি রোধে খাসজমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য ঘর নির্মাণ করবে সরকার।

এ কাজে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগে ভবিষ্যতে পাহাড়ধসে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

এলিস/এএফ

নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আমদানি সহজীকরণসহ বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আমদানি সহজীকরণসহ বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। ছবি: সংগৃহীত

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার আমদানি সহজীকরণ, শুল্ক-কর যৌক্তিকীকরণ, বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা জোরদারসহ বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, আটা ও চালসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি সহজীকরণ, বিকল্প উৎস অনুসন্ধান এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক ও করহার সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, নিত্যপণ্যের উৎপাদন, আমদানি, মজুদ, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কৃত্রিম সংকট, মজুতদারি ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্য আয়ের মানুষের জন্য টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি চলমান রয়েছে।

সংসদে অপর এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্বের ২০২টি গন্তব্যে বাংলাদেশের ৮১২টি পণ্য (চার ডিজিট এইচএস কোড) রপ্তানি হয়েছে। প্রধান রপ্তানি পণ্য থেকে আয় হয়েছে ৪৪ হাজার ১৬৭ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯১ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

উল্লেখযোগ্য রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে ওভেন পোশাক, নিটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ, কৃষিজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা এবং প্রকৌশল পণ্য।

এদিকে চা খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির কারণে রপ্তানি কমেছে। ২০২৫ সালে ৯৪ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়; দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে ১ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন কেজি রপ্তানি এবং মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৫ মিলিয়ন কেজি চা আমদানি করা হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভর্তুকিতে সার, ক্ষুদ্র চাষিদের প্রশিক্ষণ এবং টাস্কফোর্স গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এলিস/এএফ

খবরের কাগজের সংবাদের পর মেট্রোরেল স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএমটিসিএল

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
খবরের কাগজের সংবাদের পর মেট্রোরেল স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএমটিসিএল
ছবি: খবরের কাগজ

‘দৈনিক খবরের কাগজ’ এ প্রকাশিত সংবাদের পর রাজধানীর মেট্রোরেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ দখল-ভাসমান দোকানের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উত্তরা উত্তর থেকে পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত চারটি স্টেশন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

ডিএমটিসিএলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে এমআরটি পুলিশ, তুরাগ থানা পুলিশ এবং আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

এর আগে গত ৮ জুলাই দৈনিক খবরের কাগজ-এ ‘স্বপ্নের মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে এখন হাটবাজার’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়, মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে নিয়মিত হাটবাজার ও ভাসমান দোকান বসায় যাত্রীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে যানজট এড়িয়ে দ্রুত যাতায়াতের জন্য মেট্রোরেলের ওপর নির্ভরশীল যাত্রীরা এ পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, অভিযানে ২০ থেকে ২৫টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দোকানদার ও স্থানীয়দের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয় এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রেখে মেট্রোরেলের যাত্রীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সচেতন করা হয়।

অভিযান চলাকালে স্টেশনসংলগ্ন এলাকার অবৈধ দখল, ভাসমান দোকান ও অননুমোদিত স্থাপনা অপসারণ করা হয়। ডিএমটিসিএলের দাবি, অভিযানের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো দখলমুক্ত হয়েছে এবং যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, মেট্রোরেল স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ দখল প্রতিরোধে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

রাজু/এএফ