ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
পে-স্কেল বাস্তবায়নে দফায় দফায় বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম ভ্যাঙ্কুভারে ইউরোপ-লাতিন লড়াই সাম্বা নেই, সাফল্যও নেই সমতা ধরে রাখতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র, প্রথমার্ধে এগিয়ে বেলজিয়াম কেটেলারের গোলে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম বালোগুনকে নিয়ে নামছে যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়ামের বেঞ্চে ডোকু-ডি ব্রুইনা বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর পর্তুগালের দায়িত্ব ছাড়লেন মার্তিনেজ স্পেনের জোড়া বিশ্বরেকর্ড কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে? চোখের জলে শেষ হলো রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ মুহূর্তের গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন, পর্তুগালের বিদায় প্রথমার্ধে গোলশূন্য পর্তুগাল-স্পেন বালোগুনকে আটকাতে পারল না বেলজিয়াম, আবেদন নাকচ ফিফার পর্তুগাল-স্পেনের একাদশ ঘোষণা বালোগুনের পর এবার ওলিসে, ফিফার দ্বারস্থ ফ্রান্স পর্তুগাল-স্পেন ম্যাচে কে জিতবে, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গ্রামসরকার গঠন করলে নেতৃত্ব বিকশিত হবে: মির্জা ফখরুল মিরপুরে অফিসার্স কোয়ার্টারে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ টন জিরা আমদানি ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু নওগাঁয় মানত পূরণে সাঁতরে নদী পার হতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল ছেলে ৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট আফগানিস্তানের উন্নয়নে নারী-পুরুষ সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ তুরস্ককে এফ-৩৫ না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নেতানিয়াহুর আহ্বান জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সাম্বা নেই, সাফল্যও নেই

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ এএম
সাম্বা নেই, সাফল্যও নেই
ছবি: সংগৃহীত

নরওয়ের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। যে দলকে ঘিরে প্রতি বিশ্বকাপে আলাদা উন্মাদনা তৈরি হয়, সেই ব্রাজিল এবারও প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ। সাম্বা ফুটবলের সেই ঝলক আর তারকাখচিত আধিপত্য–সবকিছুরই যেন আরেকবার করুণ সমাপ্তি ঘটল এই বিদায়ের মধ্য দিয়ে।

ব্রাজিল সব সময়ই হট ফেবারিট দল। বাংলাদেশের ফুটবল অনুরাগীদের একটি বড় অংশও যুগ যুগ ধরে ব্রাজিলকে সমর্থন করে আসছে। এর মূল কারণ তাদের সাম্বা ফুটবল। কিন্তু বর্তমান ব্রাজিল আর সেই পুরোনো ‘সাম্বা ব্রাজিল’ নয়। ২০০২ সালে তারা সর্বশেষ বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। সেই দলে রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনহো, রবার্তো কার্লোসের মতো একঝাঁক বিশ্বমানের সুপারস্টার ছিলেন। যারা ফুটবলকে শুধু জয়-পরাজয়ের খেলা নয়, বরং শিল্পে রূপান্তর করেছিলেন। এরপর সময় যত এগিয়েছে, পরবর্তী বিশ্বকাপগুলোতে সেই তারকাখ্যাতি ও ধারাবাহিকতা ধীরে ধীরে কমতে দেখা গেছে।

বর্তমান ব্রাজিল দলে কাসেমিরো, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো প্রতিভা থাকলেও আগের মতো একঝাঁক সুপারস্টারের উপস্থিতি এখন আর চোখে পড়ে না। সত্যি বলতে, আমাদের দেশে অনেকেই এখন ব্রাজিলকে সমর্থন করে শুধু আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একটি দল বেছে নেওয়ার মানসিকতা থেকে। একসময়ে যে নান্দনিক ফুটবলের জন্য ব্রাজিল বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয় জয় করেছিল, সেই ব্রাজিলকে এখন অনেকেরই খুঁজে পেতে কষ্ট হচ্ছে।

২০১৪ বিশ্বকাপ ব্রাজিল ফুটবলের ইতিহাসে এক ভয়াবহ মোড়। ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে সাত গোল হজম করা ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য এক অবিশ্বাস্য ধাক্কা। সেই ম্যাচে মাঠে উপস্থিত থাকা ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতা। সেই সময় থেকেই ব্রাজিলের পতনের শুরু বলে অনেকে মনে করেন। ওই আসরে জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হলেও পরবর্তী সময়ে তারাও আগের মতো ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। আধুনিক ফুটবলে সুপারস্টার-নির্ভরতার পাশাপাশি দলীয় ভারসাম্যের ঘাটতিই এসব পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের ২-১ গোলের এই হারকে শুধু দুর্ভাগ্য বলা যায় না। ফুটবল মূলত গোলের খেলা। যে দল সুযোগ কাজে লাগায়, তারাই জয়ী হয়। ম্যাচে ব্রাজিল তুলনামূলক বেশি সুযোগ তৈরি করলেও নরওয়ে ছিল অনেক বেশি কার্যকর। ফলে ম্যাচ শেষে জয় তুলে নেয় নরওয়ে।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল শুরুতে পেনাল্টি পায়। ব্রুনো গিমারাইস সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচের গতিপথ ভিন্ন হতে পারত। আবার বদলি হিসেবে নেমে এনদ্রিকও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিলেন, যা থেকে গোল আসেনি। অন্যদিকে নরওয়ে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে। ম্যাচের শুরুতেই তাদের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও সেই মুহূর্তটি দলকে আরও উদ্দীপ্ত করে তোলে।

নরওয়ের গোলরক্ষক আরিয়ান হশল নিলাদ শুধু পেনাল্টি রক্ষা করেই থেমে থাকেননি, পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে ধরে রাখেন। অনেকের মতে, তিনিই ছিলেন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়। তবে নরওয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি নিঃসন্দেহে আর্লিং হালান্ড। তার শারীরিক শক্তি, গতি এবং দুই পায়ের অসাধারণ শুটিং ক্ষমতা যেকোনো রক্ষণভাগকে ভেঙে দিতে সক্ষম। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে তিনি নিয়মিতই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছেন। ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের তুলনামূলক উচ্চতার সীমাবদ্ধতা এই ম্যাচে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যার সুযোগ নিয়ে হালান্ড দ্বিতীয় গোলটি করেন।

টুর্নামেন্টজুড়েই ব্রাজিলের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল না। নেইমার পুরো ম্যাচ খেলার মতো ফিট ছিলেন না। অনেকের মতে, তার উপস্থিতি মূলত ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ নেইমার না থাকলে ব্রাজিলের আকর্ষণও কিছুটা কমে যায়। মিডফিল্ডে কাসেমিরোও তার সেরা ছন্দে ছিলেন না। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একমাত্র ব্যতিক্রম হলেও তাকে যথাযথ সাপোর্ট দিতে পারেননি সতীর্থরা। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই গোল করার পর প্রতিপক্ষরা তাকে কঠোরভাবে মার্ক করায় তিনি নিজের স্বাভাবিক খেলাও খেলতে ব্যর্থ হন।

ব্রাজিল যদি অন্তত কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারত, তাহলে বিশ্বকাপের উত্তেজনা আরও বাড়ত। তাদের বিদায়ে অনেক দর্শকের কাছেই টুর্নামেন্টের উন্মাদনা কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে।

লেখক: জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার

সমতা ধরে রাখতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র, প্রথমার্ধে এগিয়ে বেলজিয়াম

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৫ এএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:০২ এএম
সমতা ধরে রাখতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র, প্রথমার্ধে এগিয়ে বেলজিয়াম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে সমতায় ফিরেও তা ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। চার্লস ডি কেটেলারের জোড়া গোলে প্রথমার্ধ শেষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে রেড ডেভিলসরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সিয়াটল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় শুরু হয় ম্যাচটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বেলজিয়াম। প্রথম মিনিটেই যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজকে পরীক্ষায় ফেলেন টিমোথি কাস্তানে। লং থ্রো-ইনের পর বক্সের বাইরে বল পেয়ে জোরালো শট নেন তিনি। গোলের ওপরের কোণ লক্ষ্য করে নেওয়া সেই শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন ফ্রিজ। তবে কর্নার থেকে কোনো সুবিধা আদায় করতে পারেনি বেলজিয়াম।

এরপর দারুণ এক সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ইউরি টিলেমান্স। ডান দিক থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়েও ঠিকমতো শট নিতে পারেননি তিনি। তার শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পোস্টের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

তবে গোলের জন্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বেলজিয়ামকে। ম্যাচের নবম মিনিটে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণে চাপ তৈরি করে তারা। নিকোলাস রাসকিন ডান দিকে দারুণ একটি পাস বাড়ান চার্লস ডি কেটেলারের উদ্দেশে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন কেটেলারে। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বেলজিয়াম।

পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের ৩১ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান ম্যালিক টিলম্যান। তার নেওয়া শট বেলজিয়ামের ডিফেন্ডারের মাথায় লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। ফলে গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার কিছুই করার ছিল না।

তবে সমতায় ফেরার আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের। মাত্র দুই মিনিট পরই আবারও এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। বাঁ দিক থেকে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড দারুণ একটি ক্রস পাঠান বক্সের ভেতরে। সেই বলের নাগাল পেয়ে শক্তিশালী হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ডি কেটেলারে। তার গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-১।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে সমতায় ফেরার বড় সুযোগ পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ডান দিক থেকে লং থ্রো-ইনের পর বক্সের ভেতরে বল পেয়ে খুব কাছ থেকে শট নেন ফোলারিন বালোগান। তবে তার জোরালো প্রচেষ্টা চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে বেলজিয়াম।

প্রথম ৪৫ মিনিটে আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে বেলজিয়াম। তারা মোট ১১টি শট নিয়েছে, যার মধ্যে ৫টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র পুরো প্রথমার্ধে মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছে। যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল একটি।

এসজি/

কেটেলারের গোলে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৩ এএম
কেটেলারের গোলে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এগিয়ে যেতে মাত্র ৯ মিনিট সময় নিল বেলজিয়াম। চার্লস ডি কেটেলারের গোলে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সিয়াটল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ম্যাচটি শুরু হয়।

ম্যাচের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজের পরীক্ষা নেন টিমোথি কাস্তানে। লং থ্রো-ইনের পর বক্সের বাইরে বল পেয়ে জোরালো শট নেন কাস্তানে। যা গোলের ওপরের কোণ লক্ষ্য করে গেলেও ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন ফ্রিজ। তবে কর্নার থেকে সুবিধা করতে পারেনি বেলজিয়াম। 

এরপর দারুণ এক সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ইউরি টিলেমান্স। ডান দিক থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়েও ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি তিনি। তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পোস্টের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

তবে গোল না পাওয়ার হতাশা দ্রুতই কেটে যায় বেলজিয়ামের। ম্যাচের নবম মিনিটে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে তারা। নিকোলাস রাসকিন ডান দিকে দারুণ একটি পাস বাড়ান চার্লস ডি কেটেলারের উদ্দেশে। সুযোগটি কাজে লাগাতে ভুল করেননি কেটেলারে। যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে শুরুতেই বেলজিয়ামকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন তিনি।

এসজি/

বালোগুনকে নিয়ে নামছে যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়ামের বেঞ্চে ডোকু-ডি ব্রুইনা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ এএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ এএম
বালোগুনকে নিয়ে নামছে যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়ামের বেঞ্চে ডোকু-ডি ব্রুইনা
ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে ফোলারিন বালোগুনকে নিয়ে মাঠে নামছে যুক্তরাষ্ট্র। তার লাল কার্ডজনিত এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ফিফা স্থগিত করায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বেলজিয়ামের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের শুরুর একাদশে রাখা হয়েছে তাকে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সিয়াটল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের একাদশে কোনো পরিবর্তন নেই। অন্যদিকে বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া একাদশে চারটি পরিবর্তন এনেছেন। জেরেমি ডোকু, আর্থার থিয়াতে, হ্যান্স ভানাকেন এবং কেভিন ডি ব্রুইনার জায়গায় একাদশে জায়গা পেয়েছেন আমাদু ওনানা, নাথান এনগয়, দোদি লুকেবাকিও এবং নিকোলাস রাসকিন।

যুক্তরাষ্ট্র একাদশ: ম্যাট ফ্রিজ (গোলরক্ষক), সার্জিনিও ডেস্ট, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টনি রবিনসন, টিম রিম, টাইলার ফ্রিম্যান, টাইলার অ্যাডামস, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, মালিক টিলম্যান, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, ফোলারিন বালোগুন।

বেলজিয়াম একাদশ: থিবো কোর্তোয়া (গোলরক্ষক), ব্র্যান্ডন মেখেলে, ম্যাক্সিম ডি কুইপার, টিমোথি কাস্তানিয়ে, নাথান এনগয়, ইউরি টিলেমান্স, নিকোলাস রাসকিন, আমাদু ওনানা, লিয়ান্দ্রো ট্রোসার, দোদি লুকেবাকিও, চার্লস ডি কেতেলায়েরে।

এসজি/

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর পর্তুগালের দায়িত্ব ছাড়লেন মার্তিনেজ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬ এএম
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর পর্তুগালের দায়িত্ব ছাড়লেন মার্তিনেজ
ছবি: সংগৃহীত

শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর পর্তুগাল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন রবার্তো মার্তিনেজ।

সোমবার (৬ জুলাই) ডালাসে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় পর্তুগাল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মার্তিনেজ নিশ্চিত করেন, এটাই ছিল জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তার শেষ ম্যাচ।

তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটাই জাতীয় দলের হয়ে আমার শেষ ম্যাচ। আমি গর্বিত। ৪৫টি ম্যাচে দলের দায়িত্ব পালন করেছি। পর্তুগালে আমি যেভাবে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, তা সারাজীবন মনে রাখব।’

মার্তিনেজ আরও বলেন, ‘এটি ছিল আমার জন্য সম্মান, গর্ব এবং বড় দায়িত্ব। অবশ্যই কঠিন মুহূর্ত, তবে একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দায়িত্ব ছাড়াটাই সবচেয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।’

২০২৩ সালে পর্তুগালের দায়িত্ব নেওয়া মার্তিনেজের চুক্তির মেয়াদ ছিল এই বিশ্বকাপ পর্যন্ত। এর আগে ২০২৪ ইউরোতেও কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল তার দল।

পর্তুগালের বিদায়ের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দীর্ঘ ক্যারিয়ারেরও ইতি ঘটতে পারে। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি মার্তিনেজ। তিনি পর্তুগিজ অধিনায়ককে একজন আদর্শ নেতা হিসেবে প্রশংসা করেন এবং জাতীয় দলের জন্য তার অসামান্য অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান।

এসজি/

স্পেনের জোড়া বিশ্বরেকর্ড

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩০ এএম
স্পেনের জোড়া বিশ্বরেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। এই জয়ের ম্যাচেই দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

সোমবার (৬ জুলাই) ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পর্তুগালকে গোল করতে দেয়নি স্পেন। এর ফলে বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে ক্লিন শিট রেখে ইতিহাস গড়েছে লা রোজারা।

যার শুরু হয়েছিল ২০২২ বিশ্বকাপে। কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মরক্কোর বিপক্ষে ০-০ গোলে ড্র করেছিল তারা। যদিও টাইব্রেকারে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। এরপর চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে স্পেন। পরে সৌদি আরবকে ৪-০, উরুগুয়েকে ১-০, শেষ ৩২-এ অস্ট্রিয়াকে ৩-০ এবং শেষ ষোলোতে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা ছয় ম্যাচে নিজেদের জাল অক্ষত রাখে তারা।

এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা ছয়টি ক্লিন শিটের রেকর্ড গড়েছে স্পেন। এর আগে ইতালি (১৯৯০) ও সুইজারল্যান্ড (২০০৬-২০১০) টানা পাঁচটি করে ম্যাচে ক্লিন শিট রেখেছিল। এবার তাদের সেই রেকর্ড ভেঙে এককভাবে শীর্ষে উঠল স্পেন।

এ ছাড়া এই সময়ে ৬০৯ মিনিট নিজেদের জাল অক্ষত রেখেও ইতিহাস গড়েছে স্পেন। এর আগে, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি সময় গোল না খাওয়ার রেকর্ড ছিল সুইজারল্যান্ডের দখলে। ১৯৯৪ থেকে ২০১০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সাতটি ম্যাচ মিলিয়ে তারা টানা ৫৫৯ মিনিট কোনো গোল হজম করেনি। এবার স্পেন তাদের সেই রেকর্ড ভাঙল। 

এসজি/