ঢাকা ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
লিটন-তাসকিনকে ছাড়াই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা, অধিনায়ক হৃদয় বিশ্বকাপে পেলের রেকর্ড ভাঙলেন হ্যারি কেইন শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর মুখোমুখি ইংল্যান্ড, ম্যাচ কবে? জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোয় তুললেন হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের সামনে ৬০ বছরের দুঃস্বপ্ন সোনারগাঁয় সেতুর নিচের ময়লার ভাগাড়, অতিষ্ট জনজীবন এমপাসির সেভে স্তব্ধ ইংল্যান্ড, প্রথমার্ধে এগিয়ে ডিআর কঙ্গো ইবির আইসিটি বিভাগে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত: বাড়ছে রোগী, ভয়াবহতার আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের শুভেন্দু অধিকারীকে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ সপ্তম মিনিটেই ইংল্যান্ডের জালে কঙ্গোর গোল টঙ্গীতে অস্ত্র নিয়ে মোটরসাইকেল মহড়া, গ্রেপ্তার ৩ নকআউটে ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি ইংল্যান্ড, একাদশে কারা? ঢাকার ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন উদ্ধারে ধীরগতি, ভেনেজুয়েলায় গভীর মানবিক বিপর্যয় জন্মহার বাড়াতে মা-বাবার জন্য অতিরিক্ত ছুটি চালু করল ফ্রান্স ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার সেজে মোবাইল টাওয়ারে ডাকাতির ছক, গ্রেপ্তার ৪ টেকনাফে জেলের জালে মিলল ৫ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হয়েছে : ট্রাম্প চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায় ৮১৪৭১ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ১২.৩৭ শতাংশ আখাউড়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ জয়পুরহাটে প্রায় ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এক বছরে ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ঘোষণা কিম জং উনের সিলেটে ধর্ষণ মামলার ১৪ বছর পর আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দিলেন আদালত নোবিপ্রবির সঙ্গে জাপানের শিজুওকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর টাঙ্গাইলে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ মিলল পাটখেতে নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন, পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত ইউআইইউ স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সের উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন

নোবিপ্রবির চার শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
নোবিপ্রবির চার শিক্ষার্থী বহিষ্কার
ছবি : খবরের কাগজ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) চার শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—ফার্মেসি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শ্রাবন দাস, ফার্মেসি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদুল হাসান রিয়াদ, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গোলাম সারওয়ার এবং কৃষি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. আশিক ইকবাল আদর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে নকলের উপাদান সঙ্গে রাখা এবং তা থেকে দেখে লেখার দায়ে ফার্মেসি বিভাগের শ্রাবন দাস এবং মাহমুদুল হাসান রিয়াদকে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার পত্র বাতিলসহ ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া, মোবাইল ফোন ও নকলের উপাদান সঙ্গে রাখার অভিযোগে বিএমবি বিভাগের গোলাম সারওয়ারকে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার পত্র বাতিলসহ এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একই অপরাধে কৃষি বিভাগের মো. আশিক ইকবাল আদরকে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার পত্র বাতিলসহ ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কাউসার আহমেদ/জোবাইদা/

ইবির আইসিটি বিভাগে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
ইবির আইসিটি বিভাগে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: খবরের কাগজ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি), ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফিরোজা নাজনীনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে গণমাধ্যমে নানা অনিয়মের অভিযোগ দৃষ্টিগোচর হলে তার নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত রাখা হয়। অভিযোগগুলো ব্যক্তিগতভাবে যাচাই করে দেখার কথা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।

এদিকে অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে অনুসন্ধান করলে বেশকিছু প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। প্রথম বর্ষে প্রার্থী ফিরোজা নাজনীনের এক কোর্সে ফেইলসহ রেজাল্ট পয়েন্ট হয় ২.৯৩ । ২য় বর্ষে তিনি ৩.৩৫ রেজাল্ট নিয়ে উত্তীর্ণ হন। পরে ৩য় ও ৪র্থ বর্ষে প্রার্থীর বর্তমান স্বামী পরীক্ষা কমিটির সভাপতি হলে তার রেজাল্টে ব্যাপক পরিবর্তন হয়। ৩য় বর্ষে তার রেজাল্ট ৩.৫৭ এবং ৪র্থ বর্ষে ৩.৮৪ হয়। ফলে ৪টি বর্ষের রেজাল্টের গড় দাড়ায় ৩.৪২। পরবর্তীতে প্রার্থী মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এ সময় মানোন্নয়ন পরীক্ষার দায়িত্বে ড. জাহিদ ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মানোন্নয়ন পরীক্ষায় তিনি অভূতপূর্ব রেজাল্ট করেন। মানোন্নয়নের পরে প্রথম বর্ষে রিটেইক ও ২টি মানোন্নয়ন পরীক্ষাসহ রেজাল্ট হয় ৩.৩৮, ২য় বর্ষে ১টি মানোন্নয়নসহ ৩.৪২, ৩য় বর্ষে ১টি মানোন্নয়নসহ ৩.৬৪ ও ৪র্থ বর্ষে ৩.৮৪ । অথচ প্রথমবর্ষে মানোন্নয়ন ছাড়া তার রেজাল্ট ছিল ২.৯৩। তার মাস্টার্সে ফলাফল ছিল ৩.৬৪। রেজাল্টের এমন হেরফের প্রশ্ন ও সন্দেহ তৈরি করেছে।

নিয়োগ বোর্ডের আগে ফিরোজা নাজনীনের স্বামী ও আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম নিয়োগ বোর্ডের এক্সপার্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী ফারহান আহমেদের সঙ্গে কুষ্টিয়ার দিশা টাওয়ারে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকারের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রফেসর ড. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ”আমি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি। মানুষ কি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারে না? আমার ২ বছর আগে থেকেই তার সাথে পরিচয়”।

এদিকে একইস্থানে আইসিটি বিভাগের সভাপতি ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদও গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। এ সাক্ষাৎ নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে অন্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 

অভিযোগের বিষয়ে অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ফিরোজা নাজনীন ছাত্রী থাকাকালে পরীক্ষা কমিটির সদস্য ছিলাম, তবে বিয়ের পরে কোনো কমিটিতে ছিলাম না এবং তার কোনো ক্লাসও নেইনি।

ফলাফল প্রভাবিত করার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, পরীক্ষা কমিটিতে একাধিক সদস্য থাকেন এবং একজন শিক্ষক এককভাবে ফলাফল নির্ধারণ করেন না। বরং আমার সঙ্গে বিয়ের কারণে ফিরোজা থিসিস পায়নি এবং মাস্টার্সেও কম নম্বর পেয়েছেন। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়োগ বোর্ডের (এক্সপার্ট) বিশেষজ্ঞ সদস্য অধ্যাপক চৌধুরী ফারহান আহমেদ বলেন, “শুধু ড. জাহিদুল ইসলামের সঙ্গেই নয়, সেদিন আরও অনেক শিক্ষকের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। ড. জাহিদের সঙ্গে আমার ২০১৯ সাল থেকে পরিচয়। আমরা গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে একসঙ্গে শিক্ষকতা করেছি। এ ছাড়া দুজনই দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পিএইচডি করেছি। তাই তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়াটা স্বাভাবিক নয় কি? তার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে, তবে নিয়োগ-সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। যারা এ নিয়ে বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের বিষয়েও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা হওয়া উচিত।”

গত ১৪ মে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। দায়িত্ব নিয়েই শিক্ষক সংকট কাটাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। এ সময় আওয়ামী আমলের স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন। এরই মধ্যে তিনটি বিভাগে চারজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইসিটি বিভাগে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফিরোজা নাজনীন বিভাগটির প্রভাষক হিসেবে সিন্ডিকেটে নিয়োগ পেয়েছেন। নতুন প্রশাসনের প্রথম নিয়োগ ঘিরে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অস্বস্তিতে পড়েছে নতুন প্রশাসন। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নিয়োগপত্র স্থগিত করা হয়েছে। 

নিয়োগ ঘিরে এ অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, যে নিয়োগটির বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে সেটি আমি একান্তভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখব।

নিয়ামতুল্লাহ/নাঈম

নোবিপ্রবির সঙ্গে জাপানের শিজুওকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
নোবিপ্রবির সঙ্গে জাপানের শিজুওকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জীববিজ্ঞান অনুষদের সঙ্গে জাপানের শিজুওকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্য গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সমঝোতা স্মারক (গড়ট) ০৮ জুন ২০২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়।

বুধবার (০১ জুলাই) উপাচার্য দপ্তরে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী মহোদয়ের নিকট চুক্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 

হস্তান্তর প্রাক্কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, জাপানের শিজুওকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়ের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হলো। নোবিপ্রবি ও জাপানের শিজুওকা বিশ্ববিদ্যালয় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ক্ষেত্রে কাজ করলে ভবিষ্যতে উভয় বিশ্ববিদ্যালয় উপকৃত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নোবিপ্রবি ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর সরকার, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম হোসেন, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জামিউদ্দীন আহমেদসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, সমঝোতা স্মারকে নোবিপ্রবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। শিজুওকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্য গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির পক্ষে স্বাক্ষর করেন উক্ত স্কুলের ডিন জুন কোনডো।

কাউসার/নাঈম

ইউআইইউ স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সের উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
ইউআইইউ স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সের উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সর (এসওবিই) উদ্যোগে “নেক্সাস সেমিনার সিরিজ” শীর্ষক প্রোগ্রাম মঙ্গলবার (৩০ জুন) ইউআইইউ ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগটি ব্যবসা, অর্থনীতি, সমাজ এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি কার্যকর ও টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।

বৈশ্বিক অস্থিরতার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের চাপ ও ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক ব্যয়ের মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। এই প্রেক্ষাপটে সদ্য চালু হওয়া সিরিজটি অ্যাকাডেমিক সক্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এসওবিইর আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য নেক্সাস সেমিনারগুলোতে শিল্পক্ষেত্রের পেশাদারদের নেতৃত্বে সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

এতে ইউআইইউর শিক্ষার্থীরা শীর্ষস্থানীয় ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পাবে, যা শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের সাথে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার এক সমন্বয় সৃষ্টি করবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র কৃষি অর্থনীতিবিদ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ড. ইফতিখার মোস্তফা ;কাঠামোগত সংস্কারের জন্য উদ্ভাবন, ভ্যালু চেইন এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা শীর্ষক মূল বক্তব্য প্রদান করেন। তিন দশকের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি কাঠামোগত সংস্কার চালনার জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন: উদ্ভাবনী বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলা, বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খল (জিভিসি) শক্তিশালী করা এবং অর্থবহ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করা।

এ প্রসঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সম্প্রসারণযোগ্য সমাধানের উদাহরণ তুলে ধরেন, যার মাধ্যমে বোঝা যায় কীভাবে সমন্বিত প্রণোদনা টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে সম্ভব করে তুলতে পারে।

আলোচক হিসেবে ইউআইইউর অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. এম. ওমর ফারুক, তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন- বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত-পরবর্তী অর্থনীতিতে বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খলে (জিভিসি) উত্তরণের জন্য মূল্য সৃষ্টি, মূল্য আহরণ এবং মূল্য বণ্টন সম্পর্কে একটি ব্যাপকতর ও আরও পরিশীলিত বোঝাপড়া অত্যন্ত জরুরি।

অর্থবহ পদ্ধতিগত সংস্কার অর্জনের অপরিহার্য পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি সিস্টেম থিংকিং এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, পদ্ধতিগত সংস্কার কখনোই শূন্যে ঘটে না, এর জন্য প্রয়োজন সুপরিকল্পিত দৃষ্টিভঙ্গি ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষায় আন্তঃশাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও সক্ষমতা বিকাশের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন এবং উল্লেখ করেন; বর্তমানে সমাজ যে জটিল সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে, তার অধিকাংশই কোনো একক অ্যাকাডেমিক শাখার সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

নেক্সাস সিরিজের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ বলেন- বাংলাদেশের প্রচলিত প্রবৃদ্ধির কর্মপন্থা তার কাঠামোগত সীমায় পৌঁছে গেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (৪আইআর) যুগে কঠিন অর্থনৈতিক আপস-মীমাংসা কমাতে পরিমাপযোগ্য ও উদ্ভাবনী সমাধান অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন- কাঠামোগত সংস্কারের জন্য সরকার, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়াকে এক সমন্বিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং অর্থবহ পরিবর্তন আনতে এই তিনটি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইউআইইউ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক এবং সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এমেরিটাস ড. এম রিজওয়ান খান এবং বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক প্রফেসর ড. সালমা করিম, গবেষণা-ভিত্তিক নীতি সংলাপকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়ে তাদের বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

কার্যকরী নীতি সংস্কারের উপর একটি আলাপচারিতামূলক প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শেষ হয়, যেখানে বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গবেষক এবং ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের উচ্চপর্যায়ের ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি/

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১০৬তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। 

বুধবার (১ জুলাই) সকাল থেকেই দিবসটি উদযাপনে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। সকাল সাড়ে ৯টায় দিবসটি উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল, হোস্টেল ও প্রশাসনিক ভবন থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হন। সেখান থেকে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। 

সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের মাঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটা হয়। 

এ সময় সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত ও উদ্দীপনামূলক দেশাত্মবোধক গান ও থিম সং পরিবেশিত হয়। এ ছাড়া, বিদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অন্য একটি সংগীত পরিবেশিত হয়।

সকাল সাড়ে ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। 

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস মূলত গণতন্ত্র, জ্ঞানচর্চা এবং সামাজিক অগ্রগতির ইতিহাস। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে মুক্তবুদ্ধি, অসাম্প্রদায়িকতা, সমতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চায়।

আগামী দিনেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ভূমিকা পালন করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, নারী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনন্য। তবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা, জ্ঞানসৃষ্টি, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ ও জ্ঞানচর্চার সমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনেও জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ভূমিকা পালন করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং জাতি গঠনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদানের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আশা করি আগামীতেও জাতির সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির প্রত্যাশা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।’

এ সময় আলোচনায় অংশ নেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। 

এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়াসহ আরও অনেকে।

এদিকে বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলানায়তনে এক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া বিকেল ৪টায় সাইক্লিং ক্লাবের উদ্যোগে বাই সাইকেল র‌্যালি এবং স্টান্ট শো'র আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনের দ্বিতীয় দিনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আয়োজনে আর সি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে ‘১০৫ বছরে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ: অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। 

বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মুমিত আল রশিদের সভাপতিত্বে ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার ও ইরান দূতাবাসের ঢাকাস্থ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মাহদি মৌলায়ী আরানি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আরিফ জাওয়াদ/নাঈম

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিসের যাত্রা শুরু

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিসের যাত্রা শুরু
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ‘টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস’ (টিটিও) এবং এর অফিশিয়াল ওয়েব পেজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিক রূপ দিতে এবং একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি-বিজনেস সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই অফিসের উদ্বোধন করেন সিকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম। একই সঙ্গে অফিসের অফিশিয়াল ওয়েব পেজটিও (https://tto.sau.ac.bd)) চালু করা হয়।

বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত উচ্চশিক্ষা মান উন্নয়ন প্রকল্পের (হিট) অধীনে এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপ-প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো সিকৃবিতে ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ-ভিত্তিক একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি সুদৃঢ় নেটওয়ার্ক তৈরি করা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিসি অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, ‘টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিসের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। এটি দেশের কৃষি ও শিল্প খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’ তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধনে সহায়ক হবে। এ সময় তিনি গবেষণালব্ধ জ্ঞান বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখারও আহ্বান জানান।

উপ-প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিকৃবির ট্রেজারার অধ্যাপক এ টি এম মাহবুব-ই-ইলাহী, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহাম্মদ এবং সিকৃবি লেডিস ক্লাবের সভানেত্রী মাহবুবা রহমান।

ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্য অধ্যাপক মো. রুহুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে টেকনোলজি ট্রান্সফার বিষয়ে বিশেষ বক্তব্য দেন সহকারী প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক মো. মাসুদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. আসাদ-উদ-দৌলা, পরিকল্পনা উন্নয়ন ও ওয়ার্কস বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মো. মাছুদুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী অধ্যাপক মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক কৃষিবিদ খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক ও হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।