সাভারের আশুলিয়ায় এক কিশোরী ও শিশু ধর্ষণের পৃথক দুটি ঘটনায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। উভয় ঘটনায় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর সৎ বাবা। তাদের একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারলেও অন্যজন পলাতক।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে বুধবার রাতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত শাবলু মাতাব্বরকে (৪০) আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে মামলা করা হলে আশুলিয়া থানা পুলিশ তাকে ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতে পাঠায়।
তবে আশুলিয়ার নবীনগর এলাকায় ধর্ষণের আরেক ঘটনায় এখনও পলাতক অভিযুক্ত লুৎফর রহমান (৪৮)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় কেছু মুন্সির বাড়িতে শাবলু মাতাব্বর, তার স্ত্রী এবং স্ত্রীর প্রথম পক্ষের ১৪ বছরের কিশোরী ও তাদের দুই মেয়েসহ বসবাস করেন। ভুক্তভোগীর মা সকাল ৭ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করলেও তার স্বামী বেকার। এই সুযোগে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় এক বছর থেকে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছেন শাবলু। সর্বশেষ গতকাল বুধবার রাতে ভুক্তভোগী মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা শাবলুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে এবং পরে তাকে থানা হেফাজতে দেন তারা।
ধর্ষণের আরেক ঘটনার এজাহারে বলা হয়, প্রথম স্বামী মারা গেলে তিন কন্যাসন্তানসহ এক নারীকে বিয়ে করেন লুৎফর রহমান। গত দুই বছর থেকে তারা আশুলিয়ার নবীনগর এলাকায় একই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। গত ৮ মার্চ রাতে স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে পাশের কক্ষে তার শিশু মেয়েকে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে লুৎফর দৌড় দিয়ে অপর কক্ষে প্রবেশ করে এবং পরে সকালে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণের দুটি ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনেরা। একটি ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে অপর ঘটনায় পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ইমতিয়াজ/তাওফিক/