শরীয়তপুর বনবিভাগ এলাকায় এক নারীকে ধর্ষণ, মারধর এবং ভিডিও করে টাকা আদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত মারুফ খানসহ আরও অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। পরে মারুফ খানের চার সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে পালং মডেল থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেল ৫টার দিকে ওই নারী তাঁর ছেলে বন্ধুর সঙ্গে একটি রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়ার পর শরীয়তপুর বনবিভাগের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বখাটে ও কিশোরগ্যাং নেতা মারুফ খান তার সহযোগীদের নিয়ে বনবিভাগের ভেতরে ওই নারীকে জোরপূর্বক নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, মারধর এবং নগ্ন ছবি–ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি করেন। এ সময় তারা সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে যায়। এছাড়া তার ছেলে বন্ধুকেও মারধর করা হয়। তারা ওই নারী ও তাঁর ছেলে বন্ধুর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে বা কাউকে জানালে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
পালং মডেল থানার ওসি বলেন, ঘটনার পর গতকাল রাতে নির্যাতিতা নারী থানায় এসে মামলা করলে ডিবি ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযানে মারুফের চার সহযোগীকে আটক করে। তাদের আজ আদালতে পাঠানো হবে।
মেহেদী/