ঢাকা ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান মিশরের বিপক্ষে ‘বাঁচো নয়তো মরো’ লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া চকরিয়ায় ৩ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বালুদস্যু নাজিম কারাগারে ইউসিবিতে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি নকআউটের আগে মেন্ডিকে পাচ্ছে না সেনেগাল জয়পুরহাটে ধর্ষণ মামলায় সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন রূপগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা বহিষ্কার পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩৪২৯ কোটি, ঋণ পরিশোধ ২৫১৬ কোটি ছাদের সুরক্ষায় বাজারে এলো রেইনবো রুফ কোট এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই সময় অপচয় রোধে ফিফার নতুন নিয়ম দারুণ সফল: কোলিনা দুপুরের মধ্যে ১৫ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা সাতকানিয়ায় মাথায় গোলপোস্ট পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু মেহেরপুরে শিক্ষকের বাড়ি থেকে বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকির চিরকুট উদ্ধার নতুন নিয়মে লাল কার্ড দেখলেন ইকুয়েডরের হিনক্যাপিয়ে ‘এখন এআই দিয়ে যা হচ্ছে, হ্যারল্ড রশীদ তা আগেই করে ফেলেছেন’ পাবনায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দম্পতির মৃত্যু বিয়ের রাতে সবচেয়ে বড় অবিচার হয় যে কাজে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারাল মেক্সিকো সরকারি রাজস্ব জমায় ‘এ’ চালান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা: মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ১০ বছর চবিতে খেলা দেখা নিয়ে মারামারি: প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরসহ আহত চট্টগ্রামে চিনিগুঁড়ার দাম কেজিতে বেড়েছে ৭০ টাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নযাত্রায় বসনিয়ার বাধা পোলাওয়ের চালে নৈরাজ্য নরসিংদীতে কিশোরী ও প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিক হিসেবে ফুটবল বিশ্বকাপ কভার করার অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা কত সময় ব্যয় করছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়? ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ: গুলিতে যুবক নিহত, আহত ১৫ মানুষের বিকল্প হতে কতদূর

পাবনায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দম্পতির মৃত্যু

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
পাবনায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দম্পতির মৃত্যু
নিহত কৃষক দম্পতি। ছবি: খবরের কাগজ

পাবনা সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া গ্রামে বৈদ্যুতিক পাম্পের সাহায্যে ডোবার পানি সেচে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় শ্যালক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- পাবনা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের মো. তাইজুল ইসলাম (৪০) এবং তার স্ত্রী মোছা. আশা খাতুন (৩৫)। এই ঘটনায় গুরুতর আহত শ্যালকের নাম মো. আলম (৩০)। তিনি কুচিয়ামোড়া গ্রামের আবুল চৌকিদারের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাইজুল ইসলাম কয়েকদিন আগে স্ত্রী আশা খাতুনকে নিয়ে কুচিয়ামোড়া গ্রামে শ্বশুর আবুল চৌকিদারের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গতকাল বিকেলে শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে শ্যালক আলমের সঙ্গে মিলে একটি বৈদ্যুতিক পাম্প বসান।

পানি সেচ দেওয়ার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক পাম্পের তারে লিকেজ হয়ে পুরো ডোবার পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। সন্ধ্যা নামলে বিষয়টি সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থাকায় তহিদুল ইসলাম তাইজুল, তার স্ত্রী আশা খাতুন এবং শ্যালক আলম মাছ ধরার জন্য ওই ডোবার পানিতে নামেন। পানিতে নামামাত্রই তারা তিনজনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

গ্রামের বাসিন্দা কিরণ সালমান জানান, ঘটনার পর পরই স্বজন ও প্রতিবেশীরা ডোবা থেকে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে পথেই শেষে স্বামী-স্ত্রী দুজন মারা যান। অন্যদিকে শ্যালক আলম গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আমিনুল ইসলাম/আজহার/

চকরিয়ায় ৩ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বালুদস্যু নাজিম কারাগারে

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
চকরিয়ায় ৩ সাংবাদিকদের ওপর  হামলার ঘটনায় বালুদস্যু নাজিম কারাগারে
ছবিঃ খবরের কাগজ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পরিবেশ ধ্বংসের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলার মূল হোতা, চিহ্নিত বালুদস্যু ও সন্ত্রাসী নাজিম উদ্দিনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) কক্সবাজারের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইরফানুল হক চৌধুরী আসামি নাজিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার অন্য দুই আসামিকে (যারা উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন পেয়েছিলেন) চড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল হওয়া পর্যন্ত জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে মূল অপরাধী নাজিম উদ্দিনের ক্ষেত্রে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারেই রাখার আদেশ দেওয়া হয়।

হামলার শিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ ও দৈনিক আজাদীর চকরিয়া প্রতিনিধি ছোটন কান্তি নাথ আদালতের এই আদেশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বস্তি প্রকাশ করেন।

জানা যায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের উত্তর হারবাং ইছাছড়ি এলাকার ছড়াখাল ও ফসলি জমিতে শ্যালোমেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবেশ ধ্বংসের চিত্র ধারণ করতে যান সাংবাদিকরা। এ সময় দৈনিক কালের কণ্ঠ ও দৈনিক আজাদীর চকরিয়া প্রতিনিধি ছোটন কান্তি নাথ, দৈনিক সংবাদ ও দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশের চকরিয়া প্রতিনিধি এম জিয়াবুল হক এবং দৈনিক আমার দেশ ও দৈনিক পূর্বদেশের চকরিয়া প্রতিনিধি এ কে এম ইকবাল ফারুকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বালুদস্যু নাজিম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।

সন্ত্রাসীদের দা ও লাঠির আঘাতে সাংবাদিক এম জিয়াবুল হকের ডান হাত ভেঙে যায়। অন্য দুই সাংবাদিক ছোটন কান্তি নাথ ও ইকবাল ফারুককেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

হামলার পর সাংবাদিকদের চিকিৎসা না দিয়ে উল্টো বালুদস্যু নাজিমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তারা মুক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

এই হামলার পর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এ কে এম ইকবাল ফারুক বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৪-১৫ জনকে আসামি করে চকরিয়া থানায় একটি মামলা করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার মুখে পুলিশ মামলাটি নিতে বাধ্য হলেও রহস্যজনক কারণে মূল আসামি নাজিমকে গ্রেপ্তার করেনি। এই সুযোগে নাজিম উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নিয়ে এলাকায় বীরদর্পে ঘুরে বেড়ান। এমনকি গত সোমবার চকরিয়া উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা চলাকালেও খোদ ওসি এবং বিএনপির এক সিনিয়র নেতার সঙ্গে তাকে প্রকাশ্য সাক্ষাৎ ও কানাকানি করতে দেখা গেছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।

রাজু দাশ/হীরা/

সাতকানিয়ায় মাথায় গোলপোস্ট পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
সাতকানিয়ায় মাথায় গোলপোস্ট পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভায় টার্ফে ফুটবল খেলতে গিয়ে মাথায় লোহার গোলপোস্ট পড়ে আহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ (১১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

গত শুক্রবার সকালে ডলু ব্রিজের পশ্চিম পাশে একটি টার্ফে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে গিয়ে তার মাথায় লোহার গোলপোস্টটি পড়ে যায়।

এনায়েত উল্লাহ সাতকানিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সতিপাড়ার দর্জি বাদশা আলমের ছেলে।

জানা যায়, সে টার্ফে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে গিয়ে গোলপোস্টে ঝুলে থাকার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে গোলপোস্টটি ভেঙে তার মাথায় পড়লে সে গুরুতর আঘাত পায়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাতকানিয়া টাউন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি মোহাম্মদ হোসাইন খবরের কাগজকে বলেন, ’সে আমাদের বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। মাথায় গোলপোস্ট পড়ে আহত হওয়ার চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

আরিফুল/খাদিজা রুমি/

মেহেরপুরে শিক্ষকের বাড়ি থেকে বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকির চিরকুট উদ্ধার

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:১০ এএম
মেহেরপুরে শিক্ষকের বাড়ি থেকে বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকির চিরকুট উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামে শিক্ষক আক্কাস আলীর বাড়ি থেকে একটি বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকিমূলক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে বাড়ির মালিক সিঁড়ির রুমে লাল স্কচটেপে মোড়ানো বোমাসদৃশ বস্তু ও চিরকুট দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে প্রায় ছয় মাস ধরে প্রতিবেশী কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি পরিমাপ করেন। আজকে কাগজপত্র নিয়ে ভূমি অফিসে যাওয়ার কথা ছিল আক্কাস আলীর। এর আগেই দুর্বৃত্তরা বাড়িতে বোমাসদৃশ বস্তু ও একটি হুমকিমূলক চিরকুট রেখে যায় বলে অভিযোগ।

চিরকুটে রাস্তার পাশ দিয়ে পানি চলাচল বাধাগ্রস্ত না করার হুমকি দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি লেখা ছিল।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আল মামুন খবরের কাগজকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং বোমাসদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

তারেক হোসেন/থিওটোনিয়াস/

পাবনায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দম্পতির মৃত্যু

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
পাবনায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দম্পতির মৃত্যু
নিহত কৃষক দম্পতি। ছবি: খবরের কাগজ

পাবনা সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া গ্রামে বৈদ্যুতিক পাম্পের সাহায্যে ডোবার পানি সেচে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় শ্যালক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- পাবনা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের মো. তাইজুল ইসলাম (৪০) এবং তার স্ত্রী মোছা. আশা খাতুন (৩৫)। এই ঘটনায় গুরুতর আহত শ্যালকের নাম মো. আলম (৩০)। তিনি কুচিয়ামোড়া গ্রামের আবুল চৌকিদারের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাইজুল ইসলাম কয়েকদিন আগে স্ত্রী আশা খাতুনকে নিয়ে কুচিয়ামোড়া গ্রামে শ্বশুর আবুল চৌকিদারের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গতকাল বিকেলে শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে শ্যালক আলমের সঙ্গে মিলে একটি বৈদ্যুতিক পাম্প বসান।

পানি সেচ দেওয়ার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক পাম্পের তারে লিকেজ হয়ে পুরো ডোবার পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। সন্ধ্যা নামলে বিষয়টি সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থাকায় তহিদুল ইসলাম তাইজুল, তার স্ত্রী আশা খাতুন এবং শ্যালক আলম মাছ ধরার জন্য ওই ডোবার পানিতে নামেন। পানিতে নামামাত্রই তারা তিনজনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

গ্রামের বাসিন্দা কিরণ সালমান জানান, ঘটনার পর পরই স্বজন ও প্রতিবেশীরা ডোবা থেকে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে পথেই শেষে স্বামী-স্ত্রী দুজন মারা যান। অন্যদিকে শ্যালক আলম গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আমিনুল ইসলাম/আজহার/

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ: গুলিতে যুবক নিহত, আহত ১৫

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ: গুলিতে যুবক নিহত, আহত ১৫
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমন (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার হাসামদিয়া ও সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রথমে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর সন্ধ্যায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময়  গুলিবিদ্ধ হন সুমন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

সুমন ভাঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী মিলন বাবুর্চির ছেলে।

নিহত সুমনের সঙ্গে থাকা একই গ্রামের আলী হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম বলেন, ’সংঘর্ষে আহত সুমন নামে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এ ছাড়াও কমপক্ষে ১৫ জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।’

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত আটটার দিকে ঢাকা বরিশাল হাইওয়েতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের উভয় পাশে অসংখ্য গাড়ি আটকা পড়ে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিস্থিতির স্বাভাবিক হলে আবার যান চলাচল শুরু হয়। 

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু বলেন, ’নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলার সদরদি ও হাসামদিয়া গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহাতের কোনো খবর আমরা পাইনি। আমি ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে রয়েছি।’

এনকেবি নয়ন/খাদিজা রুমি/