ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সাইপ্রাসের পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ ‘এমভি জিএফএস গ্যালাক্সি’তে হামলা চালানোর অভিযোগ এবং হরমুজ প্রণালীতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ অবস্থায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) চলতি সপ্তাহে তৃতীয় দফায় বড় আকারের বিমান হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, ইরানের অন্তত চারটি প্রদেশে সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
বুশেহর প্রদেশে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি জাস্ক, সিরিক, বন্দর আব্বাস, বন্দর-এ দেইর, কাঙ্গান ও আসালুয়েহ এলাকায়ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বন্দর নগরী জাস্কে অন্তত ১০টি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে আইআরজিসি হরমুজ প্রণালীতে কঠোর নজরদারি এবং নির্দিষ্ট ট্রানজিট রুট ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।
উত্তেজনা পার্শ্ববর্তী উপসাগরীয় দেশগুলোতেও প্রভাব ফেলেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে আসা বলে সন্দেহ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় তাদের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
অন্যদিকে কাতার জাতীয় নিরাপত্তা সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়াতে এবং নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
একই সময়ে বাহরাইনের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সংকেত বাজানো হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা
আজহার/অমিয়/