পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, ‘পুলিশ কোনো কিলার ফোর্স হতে পারে না। পুলিশের কাছে বড়জোর শটগান থাকতে পারে। এসব নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করছি।’
মঙ্গলবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ ক্রিকেট ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি কাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
হাতে ‘মারণাস্ত্র’ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত সোমবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির নবম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘কোনো মারণাস্ত্র আর অস্ত্র পুলিশের হাতে থাকবে না। মারণাস্ত্র থাকবে শুধু এপিবিএনের (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) কাছে। পুলিশ তাদের কাছে থাকা মারণাস্ত্র জমা দেবে।’
এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে বিষয়টা মিন করেছে সেটি হচ্ছে, যে অস্ত্রের গুলির ফলে নিশ্চিত মৃত্যু হয় যেমন- রাইফেল। রাইফেল থেকে বুলেট নির্গত হয়। এগুলো আমরা এভয়েড করব। আমরা আর্মামেন্টেরিয়াম (অস্ত্রাগার) নিয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করব।’
এপিবিএনকে মারণাস্ত্র দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এপিবিএনের কাজ কিন্তু অন্য পুলিশের থেকে একটু ডিফরেন্ট।’
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ‘যেসব জায়গায় ইনসার্জেন্সি থাকে, রিভল্ট হওয়ার সম্ভানা থাকে, ওই সব বিদ্রোহী থাকে যেখানে, সেসব জায়গায় আসলে আর্মামেন্টরিয়ামটা ডিফরেন্ট হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমরা অন প্রিন্সিপাল এটা মনে করি পুলিশ ক্যান নট বি এ কিলার ফোর্স। আমার কাছে বড়জোড় শটগান থাকবে। এটাই একটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা সবার। তাই না?’