ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কেন গুগলে নিজের নাম সার্চ দিতে বললেন আর্লিং হালান্ড? দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ ইংলিশ ডিফেন্ডার মাশহাদে সমাহিত হলেন খামেনি ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯০ হামে মৃত্যু ৭৪৭, এক দিনেই শনাক্ত ৯৪৬ মুক্তাগাছায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ারসহ সহায়ক উপকরণ বিতরণ হঠাৎ দিক হারিয়ে সিরিজ হারল বাংলাদেশ মুনিরের সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপ, মার্কিন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা সাঙ্গু নদীতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে যুবদল কর্মী নিখোঁজ সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্রীয় শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে খামেনির মরদেহ সিএফমোটো ও ব্রেম্বোর নতুন অধ্যায় শুরু রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের মধ্যেই বন্যার আশঙ্কা উখিয়ার পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে দুর্যোগ সচিব গোপালগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু আসামির মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, পুলিশসহ আহত ১২ দুই দিন পর ফিরলেন সাজেকে আটকে পড়া ১৫০ পর্যটক চীনে জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৮ সাতকানিয়ায় পানিবন্দি ৮ নারী ও শিশুকে উদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড ইরান হামলা না থামালে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আরও ভয়ানক হবে: ট্রাম্প চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি হলেন সরোয়ার আলমগীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকার সভাপতি মোবারক, সম্পাদক সবুজ মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে যাওয়া নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর ফেরত ২ জন রিমান্ডে লাল কার্ডের রাজা এবার ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের রেফারি গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত, আশাবাদ ব্যক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ‘মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ’ বিলসহ সংসদে দুইটি বিল প্রত্যাহার এবার বাস্তবের ‘মোয়ানা’ আসছে পর্দায় দুই বছর পর খুলল আখাউড়া-ভারত ভ্রমণ ভিসার পথ

গণহত্যাকারী হাসিনা ও আ.লীগের কোনো ক্ষমা নেই: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:৩৪ পিএম
আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:৫১ পিএম
গণহত্যাকারী হাসিনা ও আ.লীগের কোনো ক্ষমা নেই: মির্জা ফখরুল
জাতীয় প্রেসক্লাবে জেএসডির ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

গণহত্যাকারী পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগের কোনো ক্ষমা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিভিন্ন ডামাডোলে আমরা যেন ভুলে না যাই স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা গণহত্যা করেছে। এখানে কোন ক্ষমা নেই, গণহত্যার কোন ক্ষমা হতে পারে না। ওই জায়গাতে আমাদের খুব শক্তভাবে একমত থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডির) ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। 

মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার পর অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রথম যে দলটি দাঁড়িয়েছিল সে দলটি হল জেএসডি। প্রথম যিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন তিনি হলেন আ স ম আব্দুর রব। রাষ্ট্রের কাঠামো পরিবর্তনের কথা অনস্বীকার্য বলায় জেএসডিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান সময়টা খুব সতর্কতার সঙ্গে অতিক্রম করতে হবে। ধৈর্য্য ধরে আমাদেরকে লক্ষ্য পৌঁছতে হবে। বিএনপি কোন বিপ্লবী রাজনৈতিক দল নয়, এটি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। আমরা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাসী। ৪৭ পর থেকে অর্থাৎ পাকিস্তান আমল থেকে এদেশে কোনদিন গণতন্ত্রের চর্চা হয়নি।

মির্জা ফখরুল বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে জনগণ একটাই দায়িত্ব দিয়েছে- ভয়াবহ জঞ্জাল দূর করে অর্থবহ একটা নির্বাচনের ব্যবস্থা করার। রাষ্ট্র সংস্কারের দফা আমরা ৩১ দফাতে দিয়েছি। জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কোন সংস্কার টেকসই হয় না। জনগণের যদি কোন সমর্থন না থাকে তবে সে সংস্কার কোনভাবেই দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আস্থার জায়গা থেকে বলতে পারি, এ ইউনূস সরকার সফল হবে। তিনি সমাদৃত। সচেতন হয়ে আপনারা (উপদেষ্টারা) কাজ করবেন। আমরা চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন তখনই হই, যখন সরকারের থাকা উপদেষ্টারা বলেন '৪ বছর আমাদের সরকারের মেয়াদ'। এমন কোন কথা বলবেন না, এমন কাজ করবেন না যেটি জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি হতে পারে। 

তিনি আরও বলেন, আমরা দ্রুত নির্বাচন চাই। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়া জনগণকে কেউ উপস্থাপন করতে পারে না। 

"বিদেশি সাংবাদিক, বিশেষ করে ভারতের সাংবাদিকরা আমাকে ফোন করে প্রশ্ন করে জানতে চায়, স্যার- ড. ইউনূস সাহেব কি ফেল করছেন" প্রতি উত্তরের মির্জা ফখরুল বলেন, তার দিকে তো গোটা দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে, আস্থাশীল। আমরা তো দেখছি, তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে দেশ চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন মির্জা ফখরুল।

বাজারের অবস্থা খুব ভালো না এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের দাম চড়া। সব সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে এবং সবাই মিলে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন মহল থেকে যারা দাবি দাওয়া তুলছেন, আপনারা আগে কেন তোলেননি? 

জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জেএসডির সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব, সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।

শফিকুল ইসলাম/এমএ/

জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে একটি বিস্ফোরক মামলায় শোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার দেখানোর) অনুমতি দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জামালপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বকশীগঞ্জ আমলি আদালতে তাকে তোলা হলে বিচারক তানজিনা আক্তার এ আদেশ দেন। গ্রেপ্তার নূর মোহাম্মদ জামালপুর - ১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা জানান, বিগত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বকশীগঞ্জ থানায় নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঢাকায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমিনুল ইসলাম। বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে শোন এরেস্ট দেখানোর অনুমতি দেন। আগামী ১৪ জুলাই তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা আরও জানান, আমরা আশা করি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের আবেদন করবেন। সেদিনই শুনানির পর আদালত পরবর্তী আদেশ দিবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ জুন রাতে রাজধানী ঢাকার গুলশানের একটি বাসা থেকে তাঁকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর আজ তাকে জামালপুর আদালতে আনা হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নূর মোহাম্মদ জামালপুর-১ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন তিনি। নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে নূর মোহাম্মদ, তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম ও ভাতিজা সাইফুল ইসলামের দেশত্যাগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আসমাউল আসিফ/এসএন

‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি
নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর

শরীয়তপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয়েছেন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর। এ সময় তিনি ওই সাংবাদিককে নানা ধরনের হুমকি ও চাকরিচ্যুত করার হুশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, সম্প্রতি এলজিইডি কার্যালয়ে অফিস সহকারী মো. তৌফিকুল ইসলামকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই অফিস সহকারী গতকাল বুধবার নড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে ঘটনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, জিডির কপি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করেন শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি খান মোহাম্মদ শিহান। 

সংবাদ প্রকাশের পরে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর। তিনি সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় মতিউর রহমান সাগর লিখেন, ‘আপনি কি সাংবাদিক, না সাংঘাতিক? আমার বক্তব্য ছাড়া নিউজ করলেন কিভাবে? ওসির দালালি করেন না। ঠিক আছে, আমি অপু ভাইয়ের (কালবেলার প্রকাশক ও সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু) সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’ 

ওই বার্তায় তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকের চাকরির বিষয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করবেন।

এ ব্যাপারে মতিউর রহমান সাগরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি উত্তেজিত ভাষায় বলেন, ‘পারলে আপনারা কিছু করেন। আমার এক মাসের আয় আপনাদের এই সাংবাদিকদের পেছনে খরচ করে হলেও দেখে নেব। বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না। যারাই আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেছে সবার বিরুদ্ধে আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।’

এ বিষয়ে কালবেলা প্রত্রিকার সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহান বলেন, ‘আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে তথ্য-প্রমাণ ও অভিযুক্তের বক্তব্য নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছি। এর পরও এ ধরনের হুমকি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার প্রেসক্লাব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেব।’

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আর টিভির প্রতিনিধি আবুল হোসেন সরদার বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের জেরে এ ধরনের হুমকি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উদ্বেগের বিষয়। তবে আমরা সাংবাদিকেরা এ ধরণের হুমকিকে পরোয়া করি না। আমরা আমাদের পেশাগত দায়িত্বে সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।

বিধান মজুমদার/অমিয়/

রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি
ছবি: খবরের কাগজ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বসহ পরিষদের ১২ জন মেম্বার ও শতাধিক কর্মী আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে হরিদসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম মাতুব্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সসভাপতি পদ থেকে মৌখিকভাবে পদত্যাগ করেন। 

এ সময় উপস্থিত থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ওয়ার্ড মেম্বার দেলোয়ার হোসেন মুন্সী, সাহেব আলী খাঁ, আব্দুল জলিল মাতুব্বর, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, আবুল মোল্লা, আব্দুর রশিদ মিনা ও সংরক্ষিত নারী আসনের মেম্বার শিরিন আক্তার ও বুড়ি বেগম।

এ সময় তাদের সমর্থন দেন শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা।

ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বর  বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। বিএনপি সরকার চাইলে তাদের হয়ে কাজ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে কোনো লাভ নাই। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি, তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। তারা আমাকে ভালবেসে দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। তাই আজ (৮ জুলাই) থেকে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ১২ জন মেম্বারও অব্যাহতি নিয়েছেন।’

রফিকুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি
ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে 'স্টপ লিস্ট' অনুযায়ী ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটক করা হয়।

আটক শাহরিয়ার করিম রাসেল ঝিনাইদহ পৌরসভার উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, ভারতগামী যাত্রী হিসেবে শাহরিয়ার করিম রাসেল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গেলে নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের সময় তার নাম ইমিগ্রেশন কালো তালিকায় (স্টপ লিস্টে) রয়েছে বলে শনাক্ত হয়। এরপর তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, শাহরিয়ার করিম রাসেলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০২৬) এর অধীনে ঝিনাইদহ সদর থানায়  একটি মামলা বিচারাধীন। এ কারণেই তার নাম ইমিগ্রেশন স্টপ লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমৃকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ‘স্টপ লিস্টে নাম থাকায় শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ঝিনাইদহ থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মাহফুজুর রহমান/খাদিজা রুমি/ 

যুবদল ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: মোনায়েম মুন্না

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ পিএম
যুবদল ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: মোনায়েম মুন্না
ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে যুবদলের প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীকে দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শ পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না।

বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন। 

মোনায়েম মুন্না গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদল সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী। কোনো বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। তাই সারা দেশে প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংগঠনকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে যুবদলের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিট ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।’ 

থিওটোনিয়াস/