পুলিশ হেফাজতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক উপ-পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ মৃত্যুর ঘটনায় ওই থানার ওসি, আদালতের পেশকারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে থানায় গেলে মামলা গ্রহণ করেননি কোতোয়ালী থানার ওসি।
উক্ত ওসি মামলার বাদী শহীদুল্লাহর ছেলে আসিফ শহীদকে জানিয়ে দিয়েছেন থানায় মামলা গ্রহণ করতে পারবেন না। থানায় গেলে ২ ঘণ্টায়ও ওসির সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন আসিফ শহীদ।
বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি মামলা দায়ের করতে যান। কিন্তু কোতোয়ালি থানার ওসি ওনার সঙ্গে দেখা না করে থানায় বসিয়ে রেখেছেন। দুই ঘণ্টা পরে বলে জানিয়ে দেন মামলা নিতে পারবেন না।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি মো. জাহিদুল কবীর বলেন, আমি সারা দিন বাইরে ছিলাম। থানায় আসতে দেরি হয়েছে। তারা আমার জন্য অপেক্ষা করে চলে গেছেন। কিন্তু একই বিষয়ের ওপর দুবার মামলা হয় না। এর আগে তারা আদালতে মামলা করেছিল।
পরিবারের অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে চাঁদগাঁও থানায় নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ হেফাজতে দুদক কর্মকর্তা শহীদুল্লাহর মৃত্যু হয়।
মামলায় আদালতের পেশকারসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন-- চট্টগ্রাম ৬ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পেশকার মো. হারুণ অর রশীদ, চাঁদগাঁও থানার ওসি খাইরুল ইসলাম, চাঁদগাঁও থানার ওসি তদন্ত মুনিবুর রহমান, এএসআই ইউসুফ, এএসআই সোহেল রানা, আসাদুজ্জামান, জসিম উদ্দিন, মো, লিটন, রনি আক্তার (তানিয়া)।
গত ৩ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর চাঁদগাঁও থানায় পুলিশ হেফাজতে সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ মারা যান। এ ঘটনায় দুই এএসআইকে থানা থেকে প্রত্যাহার করেছে সিএমপি।
ইফতেখারুল /জোবাইদা/