ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতিতে মুমিনের করণীয় ৫ আমল মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য ব্র্যাক-লেগো ফাউন্ডেশনের ‘স্প্ল্যাশ’ উদ্যোগ পারিশ্রমিকে কফি ডেট থেকে ট্যুর, ভাইরাল ‘রেন্টাল গার্লফ্রেন্ড’ মূল্যতালিকা কুমারখালীতে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ স্পেনকে ভয় নয়, সমীহ করছে ফ্রান্স ফুসফুস ক্যানসারের ওষুধের ট্রায়ালে বড় সাফল্য আগামী ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ সুনামগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে পানি, প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা ফ্লাইট এক্সপার্টের বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা মুষলধারে বৃষ্টিতে ডুবল কুমিল্লা, চরম দুর্ভোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা নাটোরে ১ কিমি রাস্তায় তিন ভাঙা, চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা ১৬ জুলাই শুরু হচ্ছে ইসকনের ৯ দিনব্যাপী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব ফরাসি দল নিয়ে স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য, নিন্দার ঝড় পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা চুল পড়া ৯২ শতাংশ কমিয়ে দেয় ‘লাইট থেরাপি’ বিশ্বকাপে ভিএআর সুবিধাভোগী আর্জেন্টিনা-মেক্সিকো, খেসারত দিলো ক্রোয়েশিয়া-ইরান দুই দিনের ব্যবধানে কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত? নওগাঁয় স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু আর্জেন্টিনার সাফল্যকে অস্বাভাবিক বললেন মেসি পেকুয়ায় পাহাড়ধসে মাটির নিচে পানের বরজ, নিঃস্ব প্রবাস ফেরত চাষিরা আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ৫ মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার হাতিয়ায় পানিবন্দিদের পাশে ছাত্রদল গাজীপুর থেকে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে তিন রোভার স্কাউট গোপালগঞ্জে ১২ লাখ টাকার অবৈধ চিংড়ির পোনা জব্দ চাঁদাবাজির মামলায় কথিত সাংবাদিক শফিকুলসহ ৩ জনের কারাদণ্ড মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী যমজ ৩ বোনের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি ব্যাংককে বারে আগুন, নিহত ২৭

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন মির্জা আব্বাসের মামলার রায় ২৮ ডিসেম্বর

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:১৭ পিএম
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৩৯ এএম
মির্জা আব্বাসের মামলার রায় ২৮ ডিসেম্বর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম রায়ের দিন ধার্য করে মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় নতুন দিন ধার্য করে এই আদেশ দেন আদালত। এই নিয়ে দ্বিতীয় দফায় রায় ঘোষণার দিন পেছাল।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এই মামলায় কমিশনের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আদালত থেকে বের হয়ে জানান, আজ (গতকাল ১২ ডিসেম্বর) মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারকের বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাই মামলার রায় প্রস্তুত হয়নি।

প্রসঙ্গত, রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করে গত ২২ নভেম্বর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম এই আদেশ দেন। ওই দিন (৩০ নভেম্বর) রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুদক। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির উপপরিচালক মো. শফিউল আলম এই মামলা করেন। এতে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সংগতিবিহীন ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর ২০০৮ সালের ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হুদা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এতে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ২২ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ২০০৮ সালের ১৬ জুন আদালত এ মামলার দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি বর্তমানে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। 

এমএ/

২৫ বছর পূর্ণের আগে পদত্যাগে মিলবে না পেনশন সুবিধা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:০০ এএম
২৫ বছর পূর্ণের আগে পদত্যাগে মিলবে না পেনশন সুবিধা
হাইকোর্ট

সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে স্বেচ্ছায় কেউ পদত্যাগ করলে পেনশন বা অবসর-সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের বিপরীতমুখী রায় বাতিল করে সর্বোচ্চ আদালত এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

গত ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ২৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। রায়টি লিখেছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। এর আগে গত ১১ মার্চ বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের সমন্বয়ে গঠিত আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক। তাদের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। অন্যদিকে রিট আবেদনকারী মাহবুব মোরশেদ নিজেই নিজের পক্ষে শুনানি করেন।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত বলেন, আইনসভা যৌক্তিক ও নীতিগত বিবেচনায় এমন বিধান করেছে যে, সরকারি চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে তিনি পেনশন বা অবসরজনিত কোনো সুবিধা দাবি করতে পারবেন না। ফলে এ বিধান আইনসঙ্গত এবং কার্যকর।

মামলার নথি অনুযায়ী, মাহবুব মোরশেদ ১৯৯১ সালে সহকারী বিচারক হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দেন। প্রায় ১৯ বছর চাকরি করার পর ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি অতিরিক্ত জেলা জজ থাকা অবস্থায় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

পরে ২০১৫ সালে চাকরির ১৯ বছর বিবেচনায় ৬১ শতাংশ পেনশন ও আনুতোষিক পাওয়ার আবেদন করেন তিনি। তবে একই বছরের ২৫ মার্চ প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় আইন মন্ত্রণালয়কে জানায়, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করলে পূর্ববর্তী চাকরিকাল বাজেয়াপ্ত হয় এবং তা পেনশনের জন্য গণ্য করা যায় না। পাশাপাশি ২৫ বছর পূর্ণ না হওয়ায় ১৯৭৪ সালের গণকর্মচারী অবসর আইনের আওতায় তিনি পেনশনের যোগ্য নন বলেও উল্লেখ করা হয়।

ওই সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মাহবুব মোরশেদ ২০১৬ সালে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০২১ সালের ১৮ মার্চ হাইকোর্ট তার পক্ষে রায় দিয়ে মন্ত্রণালয়ের চিঠিকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী তার পেনশনসহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা ৯০ দিনের মধ্যে নির্ধারণ ও পরিশোধের নির্দেশ দেন।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর আপিল বিভাগ আবেদনটি গ্রহণ করে হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত রাখেন। পরবর্তী শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ।

আপিল বিভাগের এ রায়ের ফলে সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে স্বেচ্ছায় পদত্যাগকারী কর্মচারীরা পেনশন সুবিধা দাবি করতে পারবেন না- এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হলো।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে জেলে যেতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে জেলে যেতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর
ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায় দেশে ফেরামাত্রই গ্রেপ্তার করে তাকে জেলে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রবিবার (১২ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। এক প্রশ্নের উত্তরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ফেরত দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। এখন প্রশ্নটা হচ্ছে, তিনি যদি ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকেন, তাহলে তো তিনি নিজে নিজে আসার কোনো সুযোগ নেই। হয় প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তির আওতায় তাকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে অথবা তাকে পুশব্যাক করবে।

আর শেখ হাসিনা (রয়টার্সে) যেটা বলছেন, তিনি এবং তার দলীয় নেতা-কর্মীরা একত্রে এসে আত্মসমর্পণ করবেন। এই বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। কারণ তিনি তো এখন তার নিয়ন্ত্রণে নেই। তিনি তো স্বাধীন নেই অথবা তিনি আত্মগোপনে নেই।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয় তার বক্তব্য বাংলাদেশে তার নেতা-কর্মীদের কোনোভাবে একটু উজ্জীবিত রাখা কিংবা একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা ছাড়া অন্য কোনো কারণ নেই।’

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ-পরবর্তী আপিল প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সেকশন ২১-এর ৩ পরিষ্কার করে বলছে, ৩০ দিনের পরে আর কোনো আপিল হবে না। যদি শেখ হাসিনাকে কোনোভাবে বাংলাদেশে আনা হয় অথবা তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায় তিনি প্রথমত জেলে যাবেন। জেলে যাওয়ার পর তিনি আপিল করতে পারবেন কি পারবেন না, সে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। যদি আপিল করার সুযোগ না থাকে, তাহলে সাজা বহাল থাকবে। যদি আপিল করা যায়, তাহলে আপিল নিষ্পত্তি সাপেক্ষে যা হয়, তা হবে।

জমির উদ্দিনের মৃত্যু: সুপ্রিম কোর্ট আধাবেলা বন্ধ

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:০৭ এএম
জমির উদ্দিনের মৃত্যু: সুপ্রিম কোর্ট আধাবেলা বন্ধ
সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে রবিবার (১২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের 'কোর্টসমূহের কার্যক্রম অর্ধবেলা (দিনের দ্বিতীয় ভাগ) বন্ধ থাকবে'। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক মন্ত্রী এবং সুপ্রীম কোর্ট বারের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ ১২ জুলাই রবিবার ভোর ৪:১৯ ঘটিকায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।'

তার মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতি নিজের, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের এবং রেজিস্ট্রির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, 'তার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে আজ (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের কোর্টসমূহের কার্যক্রম অর্ধবেলা (দিনের দ্বিতীয় ভাগ) বন্ধ থাকবে। একই সাথে আজ চেম্বার কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।'

মাহমুদুল আলম/এএফ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:২২ এএম
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে
চলার অনুরোধ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: খবরের কাগজ

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনগত নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে সব গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ অনুরোধ জানানো হয়।

তথ্য বিবরণীতে দেশের সব প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধীর কোনো ধরনের বক্তব্য, সাক্ষাৎকার, অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যাপারে আইনগত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়। এমতাবস্থায় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো প্রকার ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য সরাসরি কিংবা ধারণকৃত অবস্থায় কোনো গণমাধ্যমে (টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক মাধ্যম) প্রচার বা প্রকাশ না করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকরা প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে তথ্য বিবরণীতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর ফেরত ২ জন রিমান্ডে

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর ফেরত ২ জন রিমান্ডে
ছবি: সংগৃহীত

জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত পাঠানো সাহেদুল ইসলাম (৩৭) ও রিশাদ তায়ানী (২৫) নামে দুইজনের কাছে থেকে তথ্য উদঘাটনের লক্ষ্যে তিনদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 

ফৌজদারি কার্যবিধি-র ৫৪ ধারায় বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা সাধারণ ডাইরি মূলে (জিডি) গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

দেশের কোনো জঙ্গী সংগঠনের সঙ্গে তারা জড়িত কিনা সে সম্পর্কে তথ্য জানতে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল আলম। 

আবেদনে বলা হয়, সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহে সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদের আটক করে। এরপর বিমানে করে সিঙ্গাপুর পুলিশ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের কর্তব্যরত অফিসারের কাছে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি সিটিটিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মারফত সংবাদ পেয়ে ঢাকায় ইমিগ্রেশনে ডিউটি অফিসারের কক্ষে উপস্থিত হয়ে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। তাদের কাছ থেকে ৩টি মোবাইল ও ৩টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। আসামিদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা সিঙ্গাপুর অবস্থানকালে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল বলে জানা যায়। আসামিরা যে-কোনো সময় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলা করার সম্ভাবনা বিদ্যমান। আসামিরা বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর গিয়ে ধর্তব্য অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদের আটক করে দেশে ফেরত পাঠায়।

আসামিরা বাংলাদেশের কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কিনা, কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে নিষিদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন কিনা এবং জঙ্গি কার্যক্রমের অর্থের জোগানদাতা কে বা কারা তা জানা, বাংলাদেশে তাদের অস্তিত্ব আছে কিনা এবং আন্তর্জাতিক নিষিদ্ধ কোনো কোনো সংগঠনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে কিনা তা জানার জন্য রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

আদালতে শুনানিতে তাদের পক্ষে কোনো আবেদন ছিলো না। আদালতে তাদের কোনো স্বজনকেও দেখা যায়নি। 

জলিল উজ্জ্বল/নাঈম