বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম রায়ের দিন ধার্য করে মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় নতুন দিন ধার্য করে এই আদেশ দেন আদালত। এই নিয়ে দ্বিতীয় দফায় রায় ঘোষণার দিন পেছাল।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এই মামলায় কমিশনের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আদালত থেকে বের হয়ে জানান, আজ (গতকাল ১২ ডিসেম্বর) মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারকের বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাই মামলার রায় প্রস্তুত হয়নি।
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করে গত ২২ নভেম্বর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম এই আদেশ দেন। ওই দিন (৩০ নভেম্বর) রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।
প্রসঙ্গত, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুদক। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির উপপরিচালক মো. শফিউল আলম এই মামলা করেন। এতে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সংগতিবিহীন ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর ২০০৮ সালের ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হুদা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এতে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ২২ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ২০০৮ সালের ১৬ জুন আদালত এ মামলার দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি বর্তমানে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।
এমএ/