নাশকতার মামলায় বিএনপির ১৩৫ জন নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর মিরপুর, হাজারীবাগ, তুরাগ, রামপুরা ও বংশাল থানার মামলায় বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) এসব রায় ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৯৯ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার নাশকতার এক মামলায় বিএনপির আটজন নেতা-কর্মীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পৃথক দুই ধারায় আসামিদের আড়াই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন মিজানুর রহমান, মানিক দত্ত, ইমরান, আ. কুদ্দুস, আসিফ হোসেন রানা, আমির হোসেন, কামরুল ইসলাম ও আক্তার হোসেন। দুজনকে খালাস দেওয়া হয়।
এদিকে, রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় নাশকতার মামলায় বিএনপির ছয়জনকে দেড় বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ন কবীর। দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন আবুল খায়ের ওরফে লিটন, আজিজ, সানাউল্লাহ, হাসু মিয়া, আব্দুল লতিফ ও হাসু। মামলায় দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় তাদের এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হাজারীবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে ২০১০ সালের নভেম্বরে মামলাটি করে। মামলার রায়ে ৫১ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
অন্যদিকে, তুরাগ থানার নাশকতার এক মামলায় বিএনপির ৯৩ নেতা-কর্মীকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শেখ সাদীর আদালত। পাঁচ বছর আগের মামলায় এই দণ্ড পান তারা। নাশকতার অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর তুরাগ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
এ ছাড়া ২০১৮ সালে রাজধানীর রামপুরা থানার দায়ের করা নাশকতার আরেক মামলায় বিএনপির ১৩ জনকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ। ওই বছর অক্টোবরে নাশকতার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।
পাঁচ বছর আগে ২০১৩ সালের নভেম্বরে নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর বংশাল থানার এক মামলায় বিএনপির ১৫ জনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান সোহাগ উদ্দিন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রায়ে ৪৬ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।