ঢাকা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দেয়ালের রঙে ফুটুক ঘরের ব্যক্তিত্ব কমিউনিটি ক্লিনিক হবে ‘হেলথ হাব’ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড উদ্যোক্তা গড়তে ১০ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ৬টি নতুন প্রকল্প হচ্ছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার সুইডেনের বিপক্ষেও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে ফ্রান্স ফুটবল ও সাম্বার দেশ ব্রাজিলে ইসলামের অজানা অধ্যায় ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯ জন সুনামগঞ্জে আবারও সড়ক অবরোধ মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে দৃঢ় হতে চাণক্যের নামে প্রচলিত ৮ নীতি ডাচদের বিদায়ে হেগে ভক্তদের হুলুস্থুল ‘আমরা সবার সম্মান অর্জন করেছি’ নরওয়ে ম্যাচের আগে সতর্ক আইভরি কোস্ট বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন মায়ানমারে পাথরের খনি ধসে ৫ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১৫ তেঁতুলিয়ায় ইউএনওর সম্মানহানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্ণফুলীতে পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য কোনো দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা ভেনেজুয়েলায় ৫৮ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে: মির্জা ফখরুল ফ্রান্সকে হারাতে জীবনের সেরা পারফরম্যান্স দরকার, বললেন সুইডেন কোচ পটার হলমার্কসহ ঋণ কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন: এমপি আখতার হোসেন রাজধানীতে এআই ক্যামেরায় ১৫০০ মামলা: ডিএমপি কমিশনার বিচার বিভাগের বাজেট ১ টাকায় নামানোর প্রস্তাব, ‘পুলিশি রাষ্ট্র’ হওয়ার শঙ্কা আইনমন্ত্রীর ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার নাকি মেশ নেটওয়ার্ক ভালো বিশ্বকাপ যুদ্ধে চার চ্যাম্পিয়ন বজলু ভাইয়ের দল বদলের রহস্য হিলিতে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা, আটক ১ অপরাধ থামাতে পুলিশকে কঠোর হতে হবে বিশ্ববাজারে তেলের বড় দরপতন

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলার নির্দেশ

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:১৪ এএম
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলার নির্দেশ
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় গভীর নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বা জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা আর নেই। এ অবস্থায় চারটি সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। তবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

সর্বশেষ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী দেশের প্রধান শহর ও উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর তাপমাত্রা নিম্নরূপ—

ঢাকা: সর্বোচ্চ ৩৩°সে., সর্বনিম্ন ২৭.২°সে.

চট্টগ্রাম: সর্বোচ্চ ৩৩.৪°সে., সর্বনিম্ন ২৫.৯°সে.

কক্সবাজার: সর্বোচ্চ ৩৩.২°সে., সর্বনিম্ন ২৬°সে.

মোংলা: সর্বোচ্চ ৩৪.৪°সে., সর্বনিম্ন ২৫.৫°সে.

পায়রা (পটুয়াখালী): সর্বোচ্চ ৩৩.৪°সে., সর্বনিম্ন ২৪.৭°সে.

এ ছাড়া দেশের অধিকাংশ স্থানে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় যথাক্রমে সকাল ৫টা ৫০ মিনিট ও বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে পরিবর্তিত হবে অঞ্চলভেদে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আবহাওয়াগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে নদীবন্দরগুলোকে স্থানীয় আবহাওয়ার সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মেহেদী/

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ । ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ্ আলি খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম

ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের আমন্ত্রণে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ৩ জুলাই তেহরানে পৌঁছাতে পারেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির জানাজা ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে হবে। এরপর আগামী ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে তাকে সমাহিত করা হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সি আয়াতুল্লাহ্ আলি খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। মৃত্যুর আগে তিনি টানা ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন।

তামান্না রুপা/অমিয়/

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য কোনো দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:২৮ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য কোনো দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান আজ (মঙ্গলবার) সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের মতবিনিময় করেন। ছবি : পিআইডি

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সরকারের সুদৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে জনগণ এবং নিজস্ব স্বার্থ অনুযায়ী তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এতে অন্য কোনো দেশের ‘কনসার্ন’ থাকার সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘তিস্তাপাড়ের মানুষের সংকট অত্যন্ত গভীর ও মানবিক। বর্ষায় নদীভাঙন এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র অভাব উত্তরাঞ্চলের মানুষকে চরম সংকটে ফেলে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ নদী শাসন, ড্রেজিং এবং পানি সংরক্ষণ করা। এই কাজে চীনের বিপুল দক্ষতা (এক্সপার্টিজ) এবং প্রয়োজনীয় ফান্ড রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

প্রকল্পটি নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক কোনো চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সার্বভৌম দেশ হিসেবে জণগণ ও তার নিজস্ব স্বার্থে পদক্ষেপ নেবে। এই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রকাশের অধিকার রাষ্ট্রের রয়েছে। আমাদের এই উন্নয়নমূলক পদক্ষেপে অন্য কোনো দেশের কনসার্ন হওয়ার কারণ দেখি না। ভারত বা অন্য যেকোনো দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবেই এনগেজ করবে। যদি কারও কোনো সিকিউরিটি বা নিরাপত্তা কনসার্ন থাকেও, বাংলাদেশ তা মাথায় রাখবে। এসব সংবেদনশীল বিষয়ে কোনো আপস না করেই কাজ করবে।’

বিগত আমলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় জনগণের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে শুধু একটি নয়, একাধিক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই অবস্থান থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে এসেছে। আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে পারস্পরিক ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষা করেই কাজ করব।’

জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘এই প্রকল্প বা ব্যারেজ নির্মাণের অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা দাবি করা ছেড়ে দিচ্ছে। আমরা তিস্তা ও গঙ্গাসহ অভিন্ন ৫৩টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আমাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে নদী শাসন ও সুরক্ষায় অভ্যন্তরীণ ডাউনস্ট্রিম ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ নিজেদের স্বার্থেই দ্রুত করতে হবে।’

প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার-প্রচারণায় গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল আচরণ, দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের স্বাধীন ভূমিকা এবং খুব দ্রুতই নতুন তথ্য কমিশন গঠনের অগ্রগতির বিষয়ে সরকারের অবস্থান ও নীতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন। ‍সূত্র: বাসস

আজহার/

দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:২১ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম
দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে: মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ১১ ভাগ মানুষ এখনও আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন পানি নিষ্কাশন আউটলেট নির্মাণ, ১০৮টি হটস্পট চিহ্নিতকরণ এবং সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৯তম দিনের বৈঠকে লিখিত ও তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য দেন মন্ত্রী।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ’বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের যৌথ Multiple Indicator Cluster Survey (MICS) 2019 অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।’

তিনি জানান, নিরাপদ পানির আওতা বাড়াতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গভীর নলকূপ, পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুকুর খনন ও পুনর্খনন এবং সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার। এসব উদ্যোগের ফলে আর্সেনিক ঝুঁকিতে থাকা মানুষের হার ৫ থেকে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত সমগ্র দেশে ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি, উপকূলীয় এলাকায় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি, পল্লী অঞ্চলে ৮৮ হাজার ২৩৫টি এবং অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫টি নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ’রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ১০৮টি জলাবদ্ধতাপ্রবণ হটস্পট চিহ্নিত করেছে এবং ১০টি অঞ্চলে ২১টি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে। পাশাপাশি খাল পরিষ্কার, নর্দমা উন্নয়ন এবং অবৈধ দখল রোধে ২৯টি খালের সীমানা নির্ধারণ ও ১ হাজার ১৮১টি সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিদ্যমান তিনটি আউটলেটের পাশাপাশি আরও দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত একটি বৃহৎ পানি নিষ্কাশন নর্দমা নির্মাণের উদ্যোগও রয়েছে। রাজধানীর জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে নতুন ড্রেনেজ অবকাঠামো, খাল পুনরুদ্ধার, বক্স কালভার্ট নির্মাণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

 এলিস/আজহার/

হলমার্কসহ ঋণ কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন: এমপি আখতার হোসেন

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:১৬ পিএম
হলমার্কসহ ঋণ কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন: এমপি আখতার হোসেন
ছবি: সংগৃহীত

হলমার্ক, জনতা ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মধ্যে বিদ্যমান প্রশাসনিক দ্বৈততা দূর করে সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম অধিবেশনের ১৯তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ১০ নম্বর দাবির ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কিছু দুর্বলতা ও প্রশাসনিক ঘাটতি এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং প্রশাসনিক দ্বৈততা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ পরিস্থিতির অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, অতীতে হলমার্ক, জনতা ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির মতো বড় ধরনের অনিয়ম দেশের ব্যাংকিং খাতকে গভীর সংকটে ফেলেছে। এসব ঘটনায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কোনো কর্মকর্তা জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঋণ পুনঃতফসিল (রিশিডিউলিং) করে থাকে। তবে যথাযথ তদারকি না থাকলে এর মাধ্যমে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র আড়াল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়, যা দেশের আর্থিক খাতের জন্য উদ্বেগজনক।

তিনি অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ঋণ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে কীভাবে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা হবে এবং খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র সংরক্ষণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মধ্যে বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা ও দ্বৈততা নিরসনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আলোচনায় আখতার হোসেন বলেন, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিকল্প নেই। এতে আর্থিক খাতের প্রতি জনআস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঋণ কেলেঙ্কারি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

এলিস/অন্তরা/

রাজধানীতে এআই ক্যামেরায় ১৫০০ মামলা: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
রাজধানীতে এআই ক্যামেরায় ১৫০০ মামলা: ডিএমপি কমিশনার
লেক রোডের এআই ক্যামেরা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।

এআই ক্যামেরা চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৫০০টি মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁও বিভাগের লেক রোডে এআই ক্যামেরার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

কমিশনার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এআই ক্যামেরায় ১ হাজার ৫০০ মামলা দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি ৩৮ হাজার গাড়ির মালিকের কাছে সমন জারি করা হয়েছে। প্রতিটি মামলার জরিমানার পরিমাণ আলাদা হওয়ায় মোট আদায়ের হালনাগাদ তথ্য ট্রাফিক বিভাগের কাছে রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জংশনেও এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।’

এআই ট্রাফিক প্রসিকিউশন নিয়ে কমিশনার বলেন, ‘ক্যামেরায় শনাক্ত হওয়া ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শুধু মোবাইলে বার্তা নয়, ডাকযোগেও (বাই পোস্ট) অভিযুক্ত গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের ঠিকানায় প্রসিকিউশনের নোটিশ পাঠানো হয়। একইসঙ্গে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের নির্ধারিত দুইটি নম্বর থেকেও এসএমএস পাঠানো হয়। এছাড়া বিষয়টি ডিএমপির ট্রাফিক ও ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নে কমিশনার বলেন, ”ঢাকায় অটোরিকশা পুলিশের একার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। এটি নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত আছে। মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সমন্বয় করে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।”

নিবন্ধন ও নম্বরপ্লেটহীন এই বাহনগুলোর কারণে ডিজিটাল ট্রাফিকিং ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হবে না বলে বারবার সতর্ক করেছেন পরিবহন বিশ্লেষকরা।

তামান্না রুপা/