ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
উপভোগ্য ছিল পদ্মায় ইলিশ ধরা গ্রাফিতিতে বিশ্বকাপ, ফুটবল উন্মাদনায় ভাসছে জাককানইবি মরক্কোকে বেছে নেওয়ায় আফসোস নেই বুয়াদির নজরুলের অভিযান কবিতার এক শ বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তার বাঁশখালীতে জামায়াত আমিরের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন স্পেনকে হারাতে নিখুঁত ম্যাচ খেলতে হবে: লুকাকু লালপুরে হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণের দাম ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ উদ্বোধন নরওয়ের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা কম: হালান্ড খুলনায় বস্তাবন্দি মৃত স্কুলছাত্রীর পরিচয় শনাক্ত প্রাক-নিকার সভায় থাকবে আরও নতুন থানার প্রস্তাব মোশাররফ করিম ও নীলার ‘ভাসুর’ পেনাল্টি নিতে এমবাপ্পেকে অপেক্ষায় রাখায় ক্ষুব্ধ দেশম ঢাকাসহ ১৪ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা ইরানে দুই দিনে ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা কক্সবাজারের পৃথক স্থানে বন্যার পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮১১ মোদির বিদেশ সফর মানেই কী আন্তর্জাতিক সম্মাননা! সোনারগাঁয় ছাত্র হত্যা মামলার আসামি কামরুজ্জামান গ্রেপ্তার ন্যাটোতে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপ বিভাজন কাপ্তাই থেকে রাঙ্গুনিয়ার নিখোঁজ ব্যবসায়ী মরদেহ উদ্ধার জার্মানিতে তাপপ্রবাহে প্রাণহানি ৫ হাজারের বেশি মনির খানের ‘মন ভালো নাই’ মুখোমুখি স্পেন-বেলজিয়াম: লড়াইটা কর্তোয়া বনাম ইয়ামালেরও আট কারণে প্রত্যেক মুসলমানের পবিত্র কোরআন বুঝে পড়া আবশ্যক আপন আলোয় স্বতন্ত্র মানুষ হরমুজ প্রণালীতে ৮০০ জাহাজ পারাপারে মার্কিন সহায়তা: সেন্টকম বরিশালে অনিশ্চয়তার মুখে ২০ নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা

ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আইন চায় মহিলা জামায়াত

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৫, ০২:৩৩ পিএম
ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আইন চায় মহিলা জামায়াত
ছবি : খবরের কাগজ

ধর্ষণ মামলায় কারাদণ্ডের বিধান বাতিল করে শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডের (ফাঁসি) বিধান এবং ৯০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ।

শনিবার (১৫ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ধর্ষণ নামক ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে ৫ দাবিতে এবং শিশু আছিয়াকে পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে ‘বেঁচে থাকা ও নিরাপত্তার অধিকার দাও’, ‘ধর্ষকদের প্রকাশ্য জনসম্মুখে ফাঁসি চাই, দিতে হবে’, ‘ধর্ষণ মামলা ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি কর, করতে হবে’, ‘ধর্ষণ মামলায় জামিন বিধান বাতিল কর, করত হবে’, ‘ধর্ষণ মামলায় এক বিধান, এক শাস্তি; ধর্ষককে ফাঁসি দিবি, দিতে হবে’- এই দাবিতে উপস্থিত সহস্রাধিক নারী সরকারের কাছে এ দাবি জানান।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক নুরন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, আছিয়া হত্যার মামলার রায় এক সপ্তাহের মধ্যে দিতে হবে এবং আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। সব ধর্ষককে ফাঁসি দিতে হবে। ধর্মহীনতার চর্চা এবং নৈতিকতাহীন শিক্ষা মূল্যবোধের অবক্ষয়ের জন্য দায়ী, ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে জনগণকে উজ্জীবিত করতে হবে। আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। বিচারের দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ধর্ষণ মামলায় কারাদণ্ডের বিধান বাতিল করে শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডের (ফাঁসি) বিধান করতে হবে। ধর্ষকরা যুগে যুগে আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই সমাজ থেকে ধর্ষণ নামক ব্যাধি দূর করা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষককে তার নিজ এলাকায় জনসম্মুখে ফাঁসি দিতে হবে। এতে পরবর্তীতে কেউ ধর্ষণের অপরাধ করার সাহস পাবে না। 

অন্তর্বর্তী সরকারকে ৯০ দিনের মধ্যে ধর্ষণ মামলা নিষ্পত্তি করার এবং জামিন বিধান বাতিল করার যে ঘোষণা দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে নুরন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, শিশু আছিয়াকে শুধু ধর্ষণ করা হয়নি হত্যাও করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সরকারের ঘোষণা ও আমাদের ৫ দাবির আলোকে বিচার করতে হবে। নতুবা নারী সমাজ কঠোর আন্দোলনে রাজপথে নেমে আসবে।

শিশু আছিয়ার ধর্ষণ ও হত্যাকে দ্রুত বিচার আইনে বিচারের দাবি জানান জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী। 

তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের ছত্রছায়ায় ধর্ষণের ঘটনা সমাজে বিস্তার করেছে। ছাত্রলীগ নেতা ধর্ষণের সেঞ্চুরি করে মিষ্টি বিতরণ করেছে কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তার বিচার করেনি। এতেই স্পষ্ট আওয়ামী লীগ ধর্ষণের বিস্তার ঘটিয়েছে।
 
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের আগে মানুষের নৈতিকতার সংস্কার জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার জরুরি। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধীরা বেরিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে না আসলে রাষ্ট্র সংস্কারের সুফল পাওয়া যাবে না। সরকার এই ৫ দাবি বাস্তবায়ন না করলেই নারী সমাজকে কঠোর আন্দোলনে যেতে হবে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য নাজমুন্নাহার নীল বলেন, সমাজে মূল্যবোধ আর নৈতিকতার অভাব। তাই আমরা আর নিরব থাকতে পারি না। শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতার কোনো উপাদান নেই। শিক্ষাব্যবস্থায় ধস নামার কারণেই সমাজের আজ করুন পরিণতি। আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী বিগত ১০ বছরে সাড়ে তিন হাজার শিশু ধর্ষণের মামলা হলেও একটি মামলারও বিচার হয়নি। তিনি সব ধর্ষণ মামলা দ্রুত বিচার আইনে নিষ্পত্তি করে ধর্ষকদের ফাঁসি দেওয়ার দাবি জানান।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্মান ও মার্জিয়া বেগম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য যথাক্রমে- রোজিনা আখতার, আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, সালমা সুলতানা, ইরানি আখতার, মাহবুবা জাহান, খোন্দকার আয়েশা সিদ্দিকা, সুফিয়া জামালসহ মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের দায়িত্বশীল মহিলা নেত্রীরা।

শফিকুল ইসলাম/অমিয়/

জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে একটি বিস্ফোরক মামলায় শোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার দেখানোর) অনুমতি দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জামালপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বকশীগঞ্জ আমলি আদালতে তাকে তোলা হলে বিচারক তানজিনা আক্তার এ আদেশ দেন। গ্রেপ্তার নূর মোহাম্মদ জামালপুর - ১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা জানান, বিগত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বকশীগঞ্জ থানায় নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঢাকায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমিনুল ইসলাম। বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে শোন এরেস্ট দেখানোর অনুমতি দেন। আগামী ১৪ জুলাই তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা আরও জানান, আমরা আশা করি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের আবেদন করবেন। সেদিনই শুনানির পর আদালত পরবর্তী আদেশ দিবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ জুন রাতে রাজধানী ঢাকার গুলশানের একটি বাসা থেকে তাঁকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর আজ তাকে জামালপুর আদালতে আনা হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নূর মোহাম্মদ জামালপুর-১ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন তিনি। নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে নূর মোহাম্মদ, তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম ও ভাতিজা সাইফুল ইসলামের দেশত্যাগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আসমাউল আসিফ/এসএন

‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি
নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর

শরীয়তপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয়েছেন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর। এ সময় তিনি ওই সাংবাদিককে নানা ধরনের হুমকি ও চাকরিচ্যুত করার হুশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, সম্প্রতি এলজিইডি কার্যালয়ে অফিস সহকারী মো. তৌফিকুল ইসলামকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই অফিস সহকারী গতকাল বুধবার নড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে ঘটনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, জিডির কপি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করেন শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি খান মোহাম্মদ শিহান। 

সংবাদ প্রকাশের পরে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর। তিনি সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় মতিউর রহমান সাগর লিখেন, ‘আপনি কি সাংবাদিক, না সাংঘাতিক? আমার বক্তব্য ছাড়া নিউজ করলেন কিভাবে? ওসির দালালি করেন না। ঠিক আছে, আমি অপু ভাইয়ের (কালবেলার প্রকাশক ও সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু) সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’ 

ওই বার্তায় তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকের চাকরির বিষয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করবেন।

এ ব্যাপারে মতিউর রহমান সাগরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি উত্তেজিত ভাষায় বলেন, ‘পারলে আপনারা কিছু করেন। আমার এক মাসের আয় আপনাদের এই সাংবাদিকদের পেছনে খরচ করে হলেও দেখে নেব। বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না। যারাই আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেছে সবার বিরুদ্ধে আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।’

এ বিষয়ে কালবেলা প্রত্রিকার সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহান বলেন, ‘আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে তথ্য-প্রমাণ ও অভিযুক্তের বক্তব্য নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছি। এর পরও এ ধরনের হুমকি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার প্রেসক্লাব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেব।’

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আর টিভির প্রতিনিধি আবুল হোসেন সরদার বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের জেরে এ ধরনের হুমকি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উদ্বেগের বিষয়। তবে আমরা সাংবাদিকেরা এ ধরণের হুমকিকে পরোয়া করি না। আমরা আমাদের পেশাগত দায়িত্বে সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।

বিধান মজুমদার/অমিয়/

রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি
ছবি: খবরের কাগজ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বসহ পরিষদের ১২ জন মেম্বার ও শতাধিক কর্মী আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে হরিদসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম মাতুব্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সসভাপতি পদ থেকে মৌখিকভাবে পদত্যাগ করেন। 

এ সময় উপস্থিত থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ওয়ার্ড মেম্বার দেলোয়ার হোসেন মুন্সী, সাহেব আলী খাঁ, আব্দুল জলিল মাতুব্বর, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, আবুল মোল্লা, আব্দুর রশিদ মিনা ও সংরক্ষিত নারী আসনের মেম্বার শিরিন আক্তার ও বুড়ি বেগম।

এ সময় তাদের সমর্থন দেন শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা।

ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বর  বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। বিএনপি সরকার চাইলে তাদের হয়ে কাজ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে কোনো লাভ নাই। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি, তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। তারা আমাকে ভালবেসে দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। তাই আজ (৮ জুলাই) থেকে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ১২ জন মেম্বারও অব্যাহতি নিয়েছেন।’

রফিকুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি
ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে 'স্টপ লিস্ট' অনুযায়ী ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটক করা হয়।

আটক শাহরিয়ার করিম রাসেল ঝিনাইদহ পৌরসভার উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, ভারতগামী যাত্রী হিসেবে শাহরিয়ার করিম রাসেল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গেলে নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের সময় তার নাম ইমিগ্রেশন কালো তালিকায় (স্টপ লিস্টে) রয়েছে বলে শনাক্ত হয়। এরপর তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, শাহরিয়ার করিম রাসেলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০২৬) এর অধীনে ঝিনাইদহ সদর থানায়  একটি মামলা বিচারাধীন। এ কারণেই তার নাম ইমিগ্রেশন স্টপ লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমৃকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ‘স্টপ লিস্টে নাম থাকায় শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ঝিনাইদহ থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মাহফুজুর রহমান/খাদিজা রুমি/ 

যুবদল ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: মোনায়েম মুন্না

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ পিএম
যুবদল ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: মোনায়েম মুন্না
ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে যুবদলের প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীকে দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শ পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না।

বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন। 

মোনায়েম মুন্না গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদল সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী। কোনো বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। তাই সারা দেশে প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংগঠনকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে যুবদলের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিট ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।’ 

থিওটোনিয়াস/