কুষ্টিয়ার মেহেরপুরে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় স্বপন আলী (৩৪) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার (৩০ জুন) ট্রাইবুনানের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় দেন।
জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের আশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।
আসামি স্বপন মেহেরপুর গাংনী উপজেলার মোহাম্মদপুর কেলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাকে দণ্ডাদেশের পর কারাগারে পাঠানো হয়।
রায়ের আদেশ সূত্রে জানা যায়, আসামি স্বপনের সঙ্গে কুষ্টিয়া দৌলতপুর থানার রাহাতুল ইসলামের মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক হয়। ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সেই কিশোরীকে গাংনী থানায় ডেকে নেয়। তার পর সারাদিন গাংনী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে রাতে আকুবপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় আশ্রয় নেয় তারা। সেখানে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করে তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায় স্বপন। পরদিন স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিজ পরিবারে ফেরত পাঠানো হয় ভুক্তভোগী কিশোরীকে। ২০১৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর গাংনী থানায় নারী শীর্ষ নির্যাতন দমন আইনে স্বপন ও শাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা রাহাতুল ইসলাম। পরে পুলিশ তদন্তে সাহারুল ইসলামের নাম বাদ দেওয়া হয়।
এ মামলায় আটজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারা দণ্ডাদেশ দিয়েছে ট্রাইবুনাল। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আতাউর রহমান।
বেন ইয়ামিন/পপি/