শেষ মুহূর্তে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখার পরীক্ষার্থীরা কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে পড়লে এ প্লাস পাবে?
এ বছর পুরো সিলেবাসে পরীক্ষা হচ্ছে তাই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই ভালোভাবে বুঝেশুনে পড়তে হবে। তাহলে তোমরা সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি অংশে ভালো ফলাফল করতে পারবে। বিগত বছরের বোর্ড প্রশ্ন ও টেস্ট পেপার থেকেও তোমরা প্রশ্ন সম্পর্কে ধারণা নিতে পারো। পাঠ্যবইটা ভালোভাবে চর্চা করলে তোমরা সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি অংশে ভালো ফলাফল করবে। বহুনির্বাচনি, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক এই তিনটি অংশে আলাদা করে পাস করতে হয়। তাই তিনটি অংশে গুরুত্ব দেবে।
পরীক্ষার খাতায় কীভাবে উত্তর করলে পরীক্ষার্থীরা বেশি নম্বর পাবে?
বোর্ড পরীক্ষায় যেহেতু জ্ঞানমূলক ও সৃজনশীল প্রশ্ন আসে, জ্ঞানমূলক প্রশ্নে উত্তর হুবহু লিখতে হয়। এক্ষেত্রে জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক এই দুটি অংশ শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে। পাশাপাশি প্রয়োগ এবং উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই পড়লে নির্ভুল উত্তর লিখতে পারবে। একজন পরীক্ষক চান পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রটা যেন পরিচ্ছন্ন হয়। তাই খাতায় কাটিকাটি করবে না। শিক্ষার্থীদের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর যেন প্রাসঙ্গিক হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে।
গণিত, বাংলা ও ইংরেজিতে ভালো নম্বর পেতে পরীক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবে?
বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। তাই এ বিষয়কে শিক্ষার্থীরা অবহেলা করে। এতে তাদের ফলাফল ভালো হয় না। বাংলা বিষয়ে ভালো নম্বর পেতে হলে প্রাসঙ্গিক ও নির্ভুল উত্তর লিখতে হবে। গণিতে যেহেতু মনগড়া কোনো উত্তর দেওয়ার সুযোগ নেই, তাই কোনো কিছু বানিয়ে লিখবে না। গণিতে সঠিক, প্রাসঙ্গিক ও টু দ্য পয়েন্টে উত্তর লিখলে ভালো নম্বর পাবে। গণিত নিয়মিত চর্চা করতে হবে। ইংরেজিতে যেহেতু গ্রামারের অংশ থাকে তাই মুখস্থ করার পাশাপাশি নির্ভুলভাবে উত্তর দিতে পারলে ভালো নম্বর পাবে।
এ মুহূর্তে অভিভাবকদের উদ্দেশে আপনার পরামর্শ কী?
এ সময় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার দিকে অভিভাবকদের খেয়াল রাখা উচিত। শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিদিন বাসায় পাঠ্যবই রিভিশন দেয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা যেন চাপ মুক্ত থাকে সেদিকে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে।
ভালো ফলাফলের জন্য পরীক্ষার্থীদের কৌশল কেমন হওয়া উচিত?
শিক্ষার্থীরা যা পড়েছে তা রিভিশন দিতে হবে। বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখে বোর্ড পরীক্ষা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো নিজ থেকে বাসায় পরীক্ষা দেওয়া এবং নিজে পরীক্ষকের ভূমিকা পালন করা। এতে তাদের ভুলগুলো ধরা পড়বে এবং কনফিডেন্স বাড়বে। পাশাপাশি তাদের পরীক্ষাভীতি দূর হবে। তাহলে তিন ঘণ্টা সময়ের মধ্যে টু দ্য পয়েন্টে উত্তর লিখতে পারবে।
সাক্ষাৎকার গ্রহণ : শাকিলা ববি
লেখক: স্কলার্স হোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মেজরটিলা, সিলেট
জাহ্নবী