ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ফাইনালে চোখ আলভারেজের দেশম যুগের অবসান, ফ্রান্সের নতুন কোচ হচ্ছেন কে? ‘এটা শুধু ফুটবল নয়, ইতিহাসেরও লড়াই’ স্পেনের কাছে হেরে ‘বিধ্বস্ত’ ফ্রান্স, রেফারিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দেশমের ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে, খেলা কবে-কখন? আর্জেন্টিনা শিবিরে আত্মবিশ্বাসের সুর ফ্রান্স বধে ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত স্পেন, বিশ্বরেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে লা রোজারা লাল কার্ডে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর চাপ আরও বাড়ে: বালোগুন ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন ‘বিশ্বকাপ জিততে সেরাদেরই হারাতে হবে’ ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে গেল স্পেন ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে স্পেন ওইয়ারসাবালের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে গেল স্পেন সেমিফাইনালে হলুদ কার্ড দেখলে কি ফাইনাল মিস? যা বলছে ফিফার নিয়ম ফ্রান্স-স্পেনের শুরুর একাদশে আছেন যারা ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনাল লড়াই অনলাইনে দেখবেন যেভাবে সু চি কি জীবিত—জান্তার কাছে জবাব চায় বিশ্ব দুই দশক পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা নাসরিন দেশজুড়ে বন্যায় ৫৬ জনের মৃত্যু সচল চট্টগ্রাম বন্দর দেশে ১৩ দিনে রেমিট্যান্স এল ১৪২ কোটি ডলার টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিল পাস শাবিপ্রবির আশরাফুলের জন্য চ্যারিটি রান আখাউড়ায় নতুন বরিশল ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু কেরানীগঞ্জে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে খুনসুটি, বদলি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য, শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ অস্বীকার ‘নকল ডিম-চাল ও কেমিক্যালে পাকানো ফল নিয়ে সংসদে উদ্বেগ’ সোনারগাঁয়ে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে দুইজন গ্রেপ্তার

বাংলা দ্বিতীয় পত্র রচনা পয়েন্ট করে লিখলে বেশি নম্বর পাবে

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:৫৯ পিএম
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:২২ এএম
রচনা পয়েন্ট করে লিখলে বেশি নম্বর পাবে

প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা নিও। পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয় পত্র বিষয়ে ভালো ফলাফল করতে যা মনে রাখবে তা হলো-

অনুচ্ছেদ লিখন
প্রশ্নে উল্লেখিত অনুচ্ছেদের বিষয়টি WH Question-এ (5W+1H Formula) কী, কে / কারা, কখন, কোথায়, কেন, কীভাবে প্রশ্নের উত্তর সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক, অর্থনৈতিক ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক দিক আলোচনা করে ইতিবাচক কথায় মূল্যায়ন করে সংক্ষেপে এক প্যারায় লিখতে হবে।

ব্যক্তিগতপত্র ও আবেদনপত্র
সনাতন পদ্ধতিতে ব্যক্তিগত পত্রের ৬টি অংশ। যথা: ১. স্থান ও তারিখ, ২. মঙ্গলসূচক শব্দ কিংবা বাক্য, ৩. সম্বোধন, ৪. মূল পত্রাংশ / মূলবক্তব্য ৫. পত্র লেখকের নাম-স্বাক্ষর ও ৬. শিরোনাম / খামে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা।

ব্যক্তিগত পত্র লিখতে হলে ব্রিটিশ/সনাতন পদ্ধতিতে শুরুতে খাতার ওপরে তারিখ ডান দিকে লিখতে হবে। এনসিটিবির বোর্ড বইয়ের নির্মিতি অংশে মঙ্গলসূচক শব্দ কিংবা বাক্য কয়েক বছর ধরে ব্যবহার নেই। যার কাছে লিখবে, তাকে সম্বোধন করে ডাক নামে ও ছোট নামে (যেমন- প্রিয় সাজু) লেখার পর ঠিক তার নিচে সালামসহ কুশল বিনিময় করার কথা লেখা ভালো। এরপর দুটি বা তিনটি প্যারায় প্রাসঙ্গিক কথার বিবরণী বা মূল বক্তব্য উপস্থাপন তুলে ধরে শেষের প্যারায় প্রাপকের পরিবারের সদস্যদের সালাম শুভেচ্ছা দিয়ে নিচে ডান দিকে বিদায় সম্ভাষণ জানাতে ইতি লিখে সংক্ষিপ্ত প্রতীকী নাম (যেমন- রাজু) লেখা উত্তম। তবে পরীক্ষার প্রশ্নে কোনো নাম উল্লেখ থাকলে সেই নামই লিখতে হবে। আর সবশেষে খাম অঙ্কন করে ডান দিকে ডাকটিকিট লিখে নিচে বামে প্রেরক ও ডানে প্রাপকের প্রতীকী ঠিকানা লিখতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রশ্নে প্রাপকের প্রবাসী ঠিকানা থাকলে খামের ভেতরের সম্পূর্ণ অংশ ইংরেজি ক্যাপিটাল অক্ষরে লেখা উচিত। এক্ষেত্রে খামের উপরে By Air Mail ও ডানে Stamp কিংবা মেশিনের সাহায্যে ছাপ মারার Post এবং প্রেরকের জায়গায় From ও প্রাপকের জায়গায় To লিখে ইংরেজিতে পুরো ঠিকানা পোস্টাল কোডসহ লেখা উচিত।

আবেদনপত্র লিখতে হলে ব্রিটিশ পদ্ধতি (ডান-বাম দিক) কিংবা যুক্তরাষ্ট্রীয়/আধুনিক পদ্ধতিতে (সব বাম দিক) যেকোনো একটা পদ্ধতিতে অনুসরণ করে লেখা উচিত। আধুনিক নিয়মে শুরুতে তারিখ লেখার সময় ১লা, ২রা, ৪ঠা, ৫ই, ২২শে ইত্যাদি না লিখে শুধু সংখ্যা (জানুয়ারি ৯, ২০২৪ কিংবা ০৯.০১.২০২৪) লেখাই উত্তম। তবে অন্য ক্ষেত্রে বর্ণনায় ইতিহাসের ঐতিহ্য হিসেবে শুধু পহেলা বৈশাখ, একুশে ফেব্রুয়ারি, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ- এগুলো লেখা যেতে পারে। আর সাল বা সন লেখার পর বাং কিংবা ইং লেখা ঠিক নয়। হয় খ্রিষ্টীয় সালকে খ্রিষ্টাব্দ, নতুবা বাংলা সনকে বঙ্গাব্দ লেখা উচিত। কোনোমতেই ডট চিহ্নের (.) পরিবর্তে অনুস্বার ব্যঞ্জনবর্ণ লেখা যাবে না। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের আবেদনপত্র অংশে পরীক্ষার্থীর নাম ও বিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ না থাকলে খাতায় বিদ্যালয়ের নাম ও ঠিকানা এবং নিজের নাম প্রতীকীভাবে (যেমন- ক, খ ইত্যাদি) লেখা ভালো। মাধ্যম: শ্রেণিশিক্ষক না লিখলেও চলবে; তবে লেখা উত্তম। এরপর বিষয় লিখে বিসর্গ না লিখে কোলন (:) দিয়ে সংশ্লিষ্ট আবেদনের কথাটি লিখে পুরো বাক্যটির নিচে আন্ডারলাইন করা উত্তম। ‘জনাব’ (Mr.) শব্দ ব্যবহার না করে ‘মহোদয়’ (Sir) শব্দ ব্যবহার করা উত্তম। ‘বিনীত’ শব্দটি বাংলা ভাষায় বিশেষ করে আবেদনপত্রে যুগের পর যুগ বিভিন্ন বইয়ে প্রচলিত ভুল ব্যবহার করা হচ্ছে। বিভিন্ন অভিধানেও ‘অনুরোধ’ অর্থে লেখা হচ্ছে। তবে, বিনীত লেখার পরেই সবিনয় লেখা কোনো মতেই উচিত হবে না। যেকোনো একটা লিখতে হবে। কারণ এতে একই অর্থে বাহুল্য দোষ হবে। আর ‘বাধিত’ শব্দটি না লিখে ‘মর্জি’/‘মঞ্জুর’ শব্দটি লেখাই বেশি ভালো। অনেক পরীক্ষার্থী বিনীত নিবেদক লিখে নিচে আপনার একান্ত অনুগত বাধ্যগত ছাত্র লিখে থাকে। কিন্তু লেখা উচিত- নিবেদকের নিচে আপনার অনুগত ছাত্র/শিক্ষার্থী। ‘একান্ত’ খুব Personal কিছু বোঝায়, আর ‘বাধ্যগত’ শব্দটি ভুল। নিবেদকের নিচে আপনার অনুগত ছাত্র/শিক্ষার্থী লেখার পর নিচে অনুস্বাক্ষর দিয়ে নাম, শ্রেণি, শাখা, রোল লেখা উচিত। অবশ্য ছোট ক্লাসের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নমুনা স্বাক্ষর না দিলেও হবে। এ ছাড়া নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ছাড়া অন্য কোনো জায়গায় (যেমন- জেলা প্রশাসক) আবেদনপত্র ডাকযোগে পাঠানোর জন্য পোস্টাল কোডসহ ঠিকানা সংবলিত (বামে প্রেরক, ডান দিকে প্রাপক / বরাবর, তার একটু উপরে ও একটু ডানে ডাকটিকিট) খাম দিতে হবে। আবেদনপত্র এক পৃষ্ঠায় লেখা উচিত। অবশ্য ব্যক্তিগত পত্র দুই পৃষ্ঠার বেশি হলেও কোনো সমস্য নেই।

সারমর্ম ও সারাংশ
১. প্রথম বাক্যটি সরল বাক্যে সুসংহত, নির্ভুল, আকর্ষণীয় হতে হবে। এতে পরীক্ষক বেশি নম্বর দিতে আকর্ষিত হন।
২. প্রশ্নে ব্যবহৃত কোনো মনীষীর উদ্ধৃতি বা বাণী উল্লেখ করা যাবে না। মূলে প্রত্যক্ষ উক্তি থাকলে তা পরোক্ষ উক্তিতে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে হবে।
৩. সারমর্ম/সারাংশ/সারসংক্ষেপ সম্পূর্ণ নিজের ভাষায় লিখবে।
৪. এখানে উপমা, রূপক, প্রতীকী ইত্যাদি ব্যবহার এবং উদাহরণ দেবে না। অন্যের কোনো উদ্ধৃতি ব্যবহার করবে না।
৫. একই ক্রিয়াপদ দিয়ে একাধিক বাক্য সমাপন, অপ্রয়োজনীয় বিশেষণ ব্যবহার, ক্রিয়া-বিশেষণ প্রয়োগ ইত্যাদি করবে না।
৬. প্রশ্নের গদ্যাংশ বা পদ্যাংশ থেকে কোনো বাক্য বা বাক্যাংশ হুবহু লিখলে নম্বর পাবে না।
৭. উদ্ধৃত গদ্যাংশ বা পদ্যাংশ অপ্রধান ভাবকে পরিহার করে মূলভাব লিখবে।
৮. সারমর্মে/সারাংশে উত্তম পুরুষ (যেমন- আমি) ও মধ্যম পুরুষ (যেমন- তুমি, তোমরা) সম্পূর্ণ বর্জনীয়। নাম পুরুষ (যেমন- আমাদের) লিখবে। 
৯. সারাংশ বা সারমর্ম যেন মূল অংশের চেয়ে খুব বেশি ছোট বা বড় না হয়। সারমর্ম/সারাংশ মূলের সমান, অর্ধেক, এক-তৃতীয়াংশ বা তার কমও হতে পারে। মূল ভাবটি অল্পকথায় সহজ-সরলভাবে লিখবে।
১০. সারাংশ বা সারমর্ম একটি অনুচ্ছেদে লেখা বাঞ্চনীয়।

ভাবসম্প্রসারণ
মূলভাব সম্প্রসারণের সময় এবং তা সর্বজনীনরূপে উল্লেখকালে প্রয়োজনানুসারে ঐতিহাসিক, পৌরাণিক ও বৈজ্ঞানিক তথ্য-দিতে পার। মূল বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপমা বা উদ্ধৃতি দেবে; তবে অন্য কোনো ভাষায় উদ্ধৃতি দিলে অর্থাৎ উদ্ধৃতিটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে দেবে। ভাবসম্প্রসারণে শুধু মনীষীদের নাম উল্লেখ না করে তাদের জীবনের প্রায়োগিক দিক তুলে ধরবে। ভাবসম্প্রসারণে তিন থেকে চারটি প্যারায় লেখা উত্তম। এর মধ্যে সর্বশেষ অনুচ্ছেদটি হবে সংক্ষিপ্ত ও উপসংহারসূচক। মন্তব্যে নিজস্ব মতামত লিখবে।
ভাবসম্প্রসারণ লেখার সময় যা মনে রাখবে-
১. উদ্ধৃতাংশের লেখকের নাম জানা থাকলেও তা উল্লেখ করবে না।
২. কোনো বিশেষ শব্দের পৃথক টীকা-টিপ্পনী বা ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৩. ভাবসম্প্রসারণকে সারাংশের মতো আয়তনে ছোট এবং প্রবন্ধের মতো অতিদীর্ঘ করবে না।
৪. ভাবসম্প্রসারণে Sub-heading বা উপ-শিরোনাম (মূলভাব, সম্প্রসারিত ভাব ও মন্তব্য) লেখার প্রয়োজন নেই। ৩-৪ প্যারায় লিখবে।
৫. উদাহরণ দিতে হলে বিভিন্ন শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের গদ্য, কবিতা ও আনন্দপাঠের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অধ্যায়ের দিক, চরিত্র কিংবা মূল উপজীব্য তুলে ধরলে ভালো। বিদেশি ভাষার কোনো উদ্ধৃতি দিতে চাইলে, তা বাংলায় অনুবাদ করে লিখবে। 
৬. প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন মনীষীর বাণী, প্রবাদ, পবিত্র ধর্মীয় উদ্ধৃতি (তথ্যসূত্রসহ), আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার পরিসংখ্যান, ঈশপের গল্প ইত্যাদি ছোট করে দেবে। দীর্ঘ উদ্ধৃতি বা বহু উদ্ধৃতি দেবে না।
৭. প্রাসঙ্গিক কোনো লেখকের বা মনীষীর উদ্ধৃতি দিলে, উদ্ধৃতিতে যেসব বাক্য আছে তা হুবহু লিখবে; অন্যথায় কম নম্বর পাবে।
৮. কোনো বাক্যে বিরামচিহ্ন ভুল লেখা যাবে না। যেমন: যেখানে দাঁড়ি (।) হবে সেখানে প্রশ্নবোধক (?) বা বিস্ময় সূচক (!) চিহ্ন দেওয়া যাবে না। উদ্ধৃতি তুলে ধরার সময় বাক্যের শুরু ও শেষে উদ্ধৃতি চিহ্ন (“----------”) না দিলে উদ্ধৃতিই হবে না।
সংবাদ প্রতিবেদন
ক. সংবাদ প্রতিবেদন লিখতে সম্পাদক/কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো আবেদনপত্র লিখবে না। 
খ. হেডলাইন (শিরোনাম) দিয়ে প্রতিবেদন লেখা শুরু করবে।
গ. এরপর ডেটলাইন (প্রতিবেদকের নাম/পদবি, স্থান ও তারিখ) লিখে প্রথম অনুচ্ছেদ লিখবে।
ঘ. মূল প্রতিবেদনের প্রথম অনুচ্ছেদটি 5W+1H Formula ব্যবহার করে সংক্ষেপে লিখতে হয়। অর্থাৎ W= What, W= Where, W= When, W= Who, W= Why ও H= How এই প্রশ্নগুলোর উত্তর একত্রিত করে শিক্ষার্থী প্রথম অনুচ্ছেদটি লিখবে। প্রথম অনুচ্ছেদের পর একাধিক অনুচ্ছেদে ধারাবাহিকভাবে পুরো বিষয়টি বর্ণনা করবে।
ঙ. সংবাদ প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে উত্তম পুরুষে লেখার (যেমন: গিয়ে দেখলাম) দরকার নেই। ভাববাচ্যে (যেমন: গিয়ে দেখা গেল) লেখা বাঞ্ছনীয়।
চ. সংবাদ প্রতিবেদনে সাংবাদিক নিজস্ব মতামত দিতে পারবেন না; তথ্যদাতাদের মতামত তুলে ধরবে।
ছ. মূল প্রতিবেদন লেখা শেষে ‘বিনীত নিবেদক’, ‘ইতি’ এ ধরনের কথাগুলো লিখবে না।
জ. প্রতিবেদন লেখা শেষে প্রতিবেদকের স্বাক্ষর দেওয়া উচিত।
ঝ. প্রতিবেদন লেখায় কোনো খাম দিবে না। তবে প্রতিবেদন সম্পর্কিত তথ্য-ছক দেওয়া যেতে পারে।

প্রবন্ধ রচনা
প্রবন্ধ রচনায় খুব অল্প সময়ে দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব নয়। তার জন্য নিয়মিত অনুশীলন প্রয়োজন। প্রবন্ধ রচনায় ভালো নম্বর পেতে যা মনে রাখবে তা হলো- প্রশ্নে উল্লেখ করা পয়েন্টগুলোর আলোচনায় প্রসঙ্গক্রমে বিভিন্ন কবিতার চরণ দিতে পার এবং বিভিন্ন তথ্যসূত্র (যেমন- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন দিবসের ক্রোড়পত্র, বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার রিপোর্ট, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষণা জার্নাল ইত্যাদি) তারিখসহ সাল উল্লেখ করবে। 
• আধুনিক বানান বাদ দিয়ে পুরোনো বানান না লেখাই ভালো। 
• রচনায় সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটানো যাবে না। 
প্রত্যেক উত্তরের শেষে রিভিশন দেবে। কেননা এতে ভুল সংশোধন করতে পারবে।
নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষায় উত্তরপত্রে দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে বৃত্ত ভরাট করবে। একই প্রশ্নোত্তরে একের অধিক বৃত্ত ভরাট করবে না। উল্লেখ্য, নৈর্ব্যক্তিক অংশে ভালো নম্বর পেতে বোর্ডের বাংলা ব্যাকরণ বইটি ভালোভাবে পড়বে। আর নির্মিতির জন্য ড. হায়াৎ মামুদ সম্পাদিত ‘ভাষা- শিক্ষা বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও রচনা রীতি’সহ অন্যান্য লেখকের বইয়ের সহায়তা নেবে। 
• রচনা পয়েন্ট করে লিখলে বেশি নম্বর পাবে।

লেখক: সিনিয়র শিক্ষক (বাংলা)
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মতিঝিল, ঢাকা

জাহ্নবী

সংগঠন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
সংগঠন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢোকার আগে রিভিশন দিচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

চতুর্থ অধ্যায় : সংগঠন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। সংগঠন ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার কততম কাজ?
ক. প্রথম     খ. দ্বিতীয় 
গ. তৃতীয়     ঘ. পঞ্চম 

২। উপযুক্ত ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ নিচের কোনটি?
ক. পরিকল্পনা     খ. সংগঠন 
গ. কর্মীসংস্থান     ঘ. নির্দেশনা 

আরো পড়ুন : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

৩। সংগঠন প্রক্রিয়ার প্রথম কাজ নিচের কোনটি?
ক. কার্য বিভাজন     
খ. দায়িত্ব-কর্তৃত্ব নির্দিষ্টকরণ 
গ. দায়িত্ব কর্তৃত্ব অর্পণ 
ঘ. পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ

৪। সংগঠন প্রক্রিয়ার সর্বশেষ কাজ নিচের কোনটি?
ক. কার্য বিভাজন 
খ. দায়িত্ব-কর্তৃত্ব নির্দিষ্টকরণ 
গ. পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ 
ঘ. দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব অর্পণ 

উত্তর: ১. খ, ২. খ, ৩. ক, ৪. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪৭ ও ৪৮ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

মি. সাদেক একটি ওষুধ তৈরি কারখানার মালিক। পাঁচ বছর ধরে কারখানাটি একই পদ্ধতিতে তার প্রতিষ্ঠানে কর্মী নিয়োগ করছে।

৪৭। ওপরের উদ্দীপকে কোন ধরনের পকিল্পনার কথা বলা হয়েছে?
ক. লক্ষ্য      খ. একার্থক 
গ. স্থায়ী       ঘ. স্বল্পমেয়াদি

৪৮। এ ধরনের পরিকল্পনার ফলে প্রতিষ্ঠানের-
i. ব্যয় বৃদ্ধি পাবে     
ii. গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে
iii. সময়ের সদ্ব্যবহার হবে 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii     খ. i ও iii 
গ. ii ও iii     ঘ. i, ii ও iii 

আরো পড়ুন : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

মি. রাশেদ একটা বড় শিল্প ইউনিটের ম্যানেজার। সারা বছর খুবই ব্যস্ত থাকেন। বছরের শুরুতে খুবই তড়িঘড়ি করে পরিকল্পনা নেন কিন্তু নানান অসুবিধায় পড়েন। সামনে সময় ও প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিয়ে পরিকল্পনা করবেন বলে ভাবছেন। 

৪৯। মি. রাশেদ পরিকল্পনা প্রণয়নে যা করতে পারেন তা হলো- 
i. প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ 
ii. সম্ভাব্য বিকল্পগুলো নির্ধারণ পূর্বক মূল্যায়ন
iii. উত্তম বিকল্পকে পরিকল্পনা হিসেবে গ্রহণ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i ও iii 
গ. ii ও iii     ঘ. i, ii ও iii 

উত্তর: ৪৭. গ, ৪৮. গ, ৪৯. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

প্রথম অধ্যায় : ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। মোঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান হয় কত সালে?
ক) ১৭৫৭ সালে     খ) ১৭৫৯ সালে
গ) ১৭৬০ সালে     ঘ) ১৮৫৭ সালে

২। বাংলার প্রথম বাঙালি শাসক ছিলেন কে?
ক) সম্রাট বাবর     খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
গ) শশাঙ্ক             ঘ) ইসলাম খান

৩। বাংলায় দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করেন?
ক) লর্ড কার্জন        খ) লর্ড ক্লাইভ
গ) লর্ড ভাইসরয়     ঘ) লর্ড বেন্টিংক

৪। বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?
ক) নবাব আলীবর্দী খাঁ     
খ) বখতিয়ার খলজি
গ) নবাব সিরাজউদ্‌দৌলা    
ঘ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ

৫। বাংলায় বারোভূঁইয়ারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন কার আমলে?
ক) সম্রাট বাবরের আমলে     
খ) সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে
গ) সম্রাট অশোকের আমলে 
ঘ) সম্রাট আকবরের আমলে

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

১৭৭০ সালে বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নেমে আসে। তবু কোম্পানি করের বোঝা কমানোর কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়নি। লোকজন অনাহারে মারা যেতে থাকে। এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লোকের মৃত্যু হয়েছিল।

৬। ওপরের উদ্দীপকে নিচের কোন ধরনের চিত্রের প্রতিফলন হয়েছে? 
ক) একাত্তরের মন্বন্তর           খ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
গ) আটানব্বইয়ের মন্বন্তর     ঘ) বাহাত্তরের মন্বন্তর

উত্তর: ১. ক, ২. গ, ৩. খ, ৪. ঘ, ৫. খ, ৬. খ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

খাদ্য অধ্যায়ের ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
খাদ্য অধ্যায়ের ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
বিভিন্ন ধরনের খাবার। শিশুদের দেহের বৃদ্ধি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য নিয়মিত খাবার খাওয়া জরুরি। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : খাদ্য

সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন

প্রশ্ন: যথেষ্ট পরিমাণে আমিষ ও তেলসমৃদ্ধ খাবার খেলেও পুষ্টিহীনতা থাকতে পারে—কেন?

উত্তর: শুধু আমিষ ও তেলসমৃদ্ধ খাবার খেলে ভিটামিন, খনিজ লবণ, শর্করা ও আঁশের ঘাটতি পূরণ হয় না। একটি সুস্থ দেহের জন্য সব ধরনের পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। কোনো একটি উপাদান বেশি থাকলেও অন্যগুলো কম হলে দেহে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে। তাই সুষম খাদ্য না খেলে পুষ্টির ঘাটতি থেকেই যায়।

আরো পড়ুন : খাদ্য অধ্যায়ের ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

বর্ণনামূলক-উত্তর প্রশ্ন

প্রশ্ন: নিয়মিত খাদ্যগ্রহণ কীভাবে আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে?

উত্তর: নিয়মিত ও সঠিক সময়ে খাদ্যগ্রহণ শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে খাবার খেলে দেহের হজম প্রক্রিয়া ঠিকভাবে কাজ করে এবং শক্তি সরবরাহ স্থির থাকে। নিয়মিত খাদ্যগ্রহণ শরীরকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখে। নিয়মিত খাদ্যগ্রহণ আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষ্মায় যেভাবে ভূমিকা রাখে তা হলো-
হজমশক্তি উন্নত করে: নিয়মিত খাবার খেলে পেটের সমস্যা, গ্যাস বা অস্বস্তি কম হয়।
দেহের বৃদ্ধি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে: শিশুদের দেহের বৃদ্ধি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করার জন্য নিয়মিত খাবার খাওয়া জরুরি।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: নিয়মিত খাবার খেলে দেহ রোগ জীবাণুর বিরুদ্ধে সহজে লড়তে পারে।
মনোযোগ ও শেখার ক্ষমতা বাড়ায়: পড়াশোনায় মনোযোগ বা কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
ক্লান্তি, দুর্বলতা বা মাথা ঘোরা কম হয়: নিয়মিত খাবার খেলে শরীরের ক্লান্তি, দুর্বলতা ও মাথা ঘোরানো কম হয়। 
এসব কারণে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত খাদ্যগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র
বিভিন্ন ধরনের প্রাণী। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সোহেল পুকুরের পানিতে চিংড়ি ও রুই মাছ দেখতে পেল। 

৬। ওপরের উদ্দীপকের প্রথম প্রাণীতে নিচের কোনটি বিদ্যমান? 
(ক) এদের দেহত্বক আঁশ দিয়ে গঠিত    
(খ) এরা সন্ধিপদী প্রাণী 
(গ) এদের রেচন অঙ্গ নেফ্রিডিয়া     
(ঘ) ম্যান্টেল দিয়ে এদের দেহ আবৃত

৭। ওপরের উদ্দীপকের শেষোক্ত প্রাণীটির বৈশিষ্ট্য হলো-
i. এদের অন্তঃকঙ্কাল তরুণাস্থি নির্মিত 
ii. এদের দেহত্বক আঁশ আবৃত 
iii. এদের পুচ্ছ পাখনা হোমোসার্কাল
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii           (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii         (ঘ) i, ii ও iii

৮। Sarcopterygii শ্রেণির বৈশিষ্ট্য হলো-
(ক) গ্যানয়েড আঁশ               (খ) সাইক্লয়েড আঁশ
(গ) হোমোসার্কাল লেজ         (ঘ) হেটারোসার্কাল লেজ

৯। নিচের কোন শ্রেণিতে আঁশ দেখা যায়?
(ক) Thaliacea         (খ) Ascidiacea
(গ) Larvacea          (ঘ) Sarcopterygii

১০। পিণ্ডাকার পাখনা বিশিষ্ট মাছ নামে পরিচিত প্রাণীটি নিচের কোন শ্রেণির?
(ক) Chondrichthyes        (খ) Actiropterygii
(গ) Petromyzontida         (ঘ) Sarcopterygii

আরো পড়ুন : প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র

১১। Latimeria মাছের দেহ কোন ধরনের আঁশ দিয়ে আবৃত থাকে? 
(ক) গ্যানয়েড ধরনের         (খ) টিনয়েড ধরনের
(গ) সাইক্লয়েড ধরনের        (ঘ) প্ল্যাকয়েড ধরনের

১২। উভচর প্রাণীর বৈশিষ্ট্য- 
i. এদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট 
ii. এদের ত্বকে আঁশ থাকে না 
iii. এদের জীবন চক্রে লার্ভা দশা উপস্থিত
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii          (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii         (ঘ) i, ii ও iii

১৩। এক্টোথার্মিক প্রাণী নিচের কোনটি?
(ক) দোয়েল                          (খ) সোনা ব্যাঙ 
(গ) রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার     (ঘ) গিনিপিগ

উদ্দীপকটির আলোকে ১৪ ও ১৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

পৃথিবীতে এক ধরনের মেরুদণ্ডী প্রাণী রয়েছে, যারা জীবনের প্রথম পর্যায়ে ফুলকা এবং পরবর্তী পর্যায়ে ফুসফুস দিয়ে শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে। 
১৪। ওপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীরা কোন শ্রেণিভুক্ত?
(ক) Amphibia         (খ) Aves 
(গ) Reptilia             (ঘ) Mammalia

১৫। ওপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত শ্রেণির প্রাণীদের-
i. রক্ত শীতল প্রকৃতির         
ii. আঙুল নখরযুক্ত 
iii. হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii      (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii     (ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ৬. খ, ৭. ঘ, ৮. ক, ৯. ঘ, ১০. ঘ, ১১. ক, ১২. ঘ, ১৩. খ, ১৪. ক, ১৫. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, জীববিজ্ঞান বিভাগ
সরকারি মুজিব কলেজ, সখিপুর, টাঙ্গাইল

কবীর