স্পেনের মুর্সিয়া শহরে তিনটি নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত রবিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ভোর ছয়টায় ফন্ডা মিলাগ্রস নাইটক্লাব থেকে এই আগুনের সূত্রপাত। ক্লাবটি লা ফন্ডা নামেও পরিচিত। পরে পার্শ্ববর্তী আরও দুটি নাইটক্লাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ জানায়, নিহত ১৩ জনই ফন্ডা মিলাগ্রস ক্লাবে ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানায় পুলিশ।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে জন্মদিন উদযাপন করতে আসা এক পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন।
স্পেনের ন্যাশনাল পুলিশ সদস্য দিয়েগো সিরাল বলেন, লা ফন্ডা ক্লাবের ছাদ ধসে পড়ায় উদ্ধার কাজ ব্যহত হচ্ছে।
মুর্সিয়া শহরের মেয়র হোসে বালেস্তা সাংবাদিকদের জানান, আগুনের সূত্রপাত ক্লাবের প্রথমতলা থেকে। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা মর্মাহত।’ শহরে তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছেন তিনি।
লা ভারদাদ দে মুর্সিয়া সংবাদপত্রে বলা হয়েছে, আগুন শুরুর সময় ২৮ বছর বয়সী এক নারী তার মাকে অডিও বার্তা পাঠান। সেখানে তিনি বলেন, ‘মা, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমরা মারা যাচ্ছি।’ তিনি তার সঙ্গী এবং বন্ধুদের সাথে সেই নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন। তবে এখনো তিনি জীবিত আছেন নাকি তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ধারণা করা হচ্ছে, ৩০ বছরের বেশি সময়ের ইতিহাসে দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এটি। এর আগে ১৯৯০ সালে জারাগোজার এক অগ্নিকাণ্ডে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সূত্র: বিবিসি