আধুনিক ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালনকালে হয়ে ওঠেন প্রজাতন্ত্রের নীতি-নির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু।
আফ্রিকায় এমপক্সের ব্যাপক বিস্তারের জন্য গতকাল বুধবার (১৪ আগস্ট) বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতির জন্য সর্বোচ্চ সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। খবর বিবিসির।
ডব্লিউএইচও জানায়, পূর্বে মাঙ্কিপক্স নামে পরিচিত এমপক্স একটি ভাইরাল রোগ, যা মানুষ ও সংক্রমিত প্রাণীদের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে। রোগটি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে, যেমন- স্পর্শ, চুম্বন বা যৌনতার পাশাপাশি চাদর, পোশাক ও সুঁচের মতো দূষিত পদার্থের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং আশপাশের দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন ডব্লিউএইচও প্রাদুর্ভাব পর্যালোচনার জন্য দ্রুত বিশেষজ্ঞদের একটি সভা আহ্বান করেছে।
ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আজ জরুরি কমিটি বৈঠক করেছে এবং আমাকে পরামর্শ দিয়েছে যে তাদের দৃষ্টিতে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগজনক। জনস্বাস্থ্য বিষয়ে এই উদ্বেগ ও একটি জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শ আমি গ্রহণ করেছি।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনে পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল কনসার্ন (পিএইচইআইসি) এই রোগের সম্ভাব্য বিস্তার রোধে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে একটি সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।
এই ঘোষণা পিএইচইআইসির একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য প্রবিধানের অধীনে সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা, যা ১৯৬টি দেশের জন্য আইনত বাধ্যতামূলক।
টেড্রস আধানম বলেন, ‘পূর্ব-ডিআরসিতে এমপক্সের একটি নতুন ক্লেডের শনাক্তকরণ এবং এটির দ্রুত বিস্তার, যেসব প্রতিবেশী দেশগুলোতে এর আগে সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি, সেসব দেশে এমপক্স শনাক্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে আফ্রিকা ও এর বাইরে এমপক্সের আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা খুবই উদ্বেগজনক।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান আরও বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে এই প্রাদুর্ভাব বন্ধ করতে এবং জীবন বাঁচাতে একটি সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া অপরিহার্য। এটি এমন একটা কিছু, যা আমাদের সবাইকে উদ্বিগ্ন করে।’