ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
১৬ জুলাই শুরু হচ্ছে ইসকনের ৯ দিনব্যাপী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব ফরাসি দল নিয়ে স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য, নিন্দার ঝড় পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা চুল পড়া ৯২ শতাংশ কমিয়ে দেয় ‘লাইট থেরাপি’ বিশ্বকাপে ভিএআর সুবিধাভোগী আর্জেন্টিনা-মেক্সিকো, খেসারত দিলো ক্রোয়েশিয়া-ইরান দুই দিনের ব্যবধানে কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত? নওগাঁয় স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু আর্জেন্টিনার সাফল্যকে অস্বাভাবিক বললেন মেসি পেকুয়ায় পাহাড়ধসে মাটির নিচে পানের বরজ, নিঃস্ব প্রবাস ফেরত চাষিরা আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ৫ মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার হাতিয়ায় পানিবন্দিদের পাশে ছাত্রদল গাজীপুর থেকে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে তিন রোভার স্কাউট গোপালগঞ্জে ১২ লাখ টাকার অবৈধ চিংড়ির পোনা জব্দ চাঁদাবাজির মামলায় কথিত সাংবাদিক শফিকুলসহ ৩ জনের কারাদণ্ড মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী যমজ ৩ বোনের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি ব্যাংককে বারে আগুন, নিহত ২৭ নোবিপ্রবিতে গুচ্ছ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি, ক্লাস শুরু ১৯ জুলাই শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ, ব্যবসার খরচ কমানোর দাবি শিবচরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় আপন দুই ভাইয়ের অনন্য সাফল্য জাককানইবিতে শুরু হলো ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব সংবিধান সংশোধন-সংস্কার: মুখোমুখি সরকারি ও বিরোধী দল প্রকৌশলীর কাজে চিকিৎসক, লক্ষ্যের নেই অগ্রগতি বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দুর্গম এলাকায় পৌঁছেনি ত্রাণ দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো চুক্তি আইএমএফের সঙ্গে হবে না: অর্থমন্ত্রী বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী, একঝলক দেখতে মহাসড়কে নেতাকর্মীদের ভিড় হবিগঞ্জে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ত্রিপুরার ‘চাকমা গেট’ পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন

সাবেক এমপি জিএম ফজলুল হক আর নেই

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
সাবেক এমপি জিএম ফজলুল হক আর নেই
জিএম ফজলুল হক

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) জিএম ফজলুল হক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ছেলে ব্যারিস্টার জিয়াউল হক জিকু। 

দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন জিএম ফজলুল হক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। তিনি পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করতেন।

নিজ গ্রামের বাড়িতে জানাজা ও পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে পরিবার থেকে এখন পর্যন্ত জানাজার সময় জানানো হয়নি।

জিএম ফজলুল হক ১৯৯৬ সালে সপ্তম ও ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনীত হয়ে চাঁদপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই আসনে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী দীপু মনির কাছে তিনি পরাজিত হন। তিনি জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

তার মৃত্যুতে চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকসহ জেলা বিএনপির নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

ফয়েজ/এসজি/ 

১৬ জুলাই শুরু হচ্ছে ইসকনের ৯ দিনব্যাপী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
১৬ জুলাই শুরু হচ্ছে ইসকনের ৯ দিনব্যাপী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব
ফাইল ছবি।

আগামী ১৬ জুলাই থেকে রাজধানীসহ দেশের ১২৮টি স্থানে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) বাংলাদেশের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব। ৯ দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন হবে ঢাকার স্বামীবাগ আশ্রমে বিশেষ অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে। সমাপনী উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর স্বামীবাগ আশ্রমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী।

তিনি জানান, প্রথম দিন সকাল ৮টায় বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ ও দেশের সমৃদ্ধি কামনায় বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে বিশেষ যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দুপুরের পর স্বামীবাগ আশ্রম থেকে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা শুরু হয়ে জয়কালী মন্দির, ইত্তেফাক মোড়, শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, জাতীয় প্রেস ক্লাব, কার্জন হল, দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার ও পলাশীর মোড় অতিক্রম করে শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পৌঁছাবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ওড়িশার পুরীর রথযাত্রার পর ঢাকায় ইসকনের এই আয়োজন বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অন্যতম বৃহৎ রথযাত্রা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও এই উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে।

ইসকন বাংলাদেশ জানায়, জগন্নাথদেবের রথযাত্রার মূল বার্তা হলো সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এই উৎসব সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে সংগঠনটির বিশ্বাস।

উৎসবের নিরাপত্তার বিষয়ে আয়োজকরা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পাঁচ শতাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসকন বাংলাদেশের সভাপতি শ্রী সত্যরঞ্জন বাড়ৈ, কোষাধ্যক্ষ শ্রী জ্যোতিশ্বর গৌরহরি দাস ব্রহ্মচারী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শ্রী বিমলা প্রসাদ দাস, শ্রী হৃষিকেশ গৌরাঙ্গ দাস ও শ্রী শুভ নিতাই দাস উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/এএফ

বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ এএম
বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশাল সফরে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বিএনপি চেয়ারম্যানের এটিই প্রথম বরিশাল সফর। প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী এ সফরকে ঘিরে বরিশালজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিশেষ করে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের জোয়ার বইছে।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কয়েক দিন ধরে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো প্রস্তুতি সভা, আনন্দ মিছিল ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী কোথাও তোরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন ব্যবহার করা হচ্ছে না। তবে গৌরনদী থেকে বরিশাল পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে মানবপ্রাচীরের মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানানো হবে। এ সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। কর্মসূচিস্থলগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা করবেন–এ প্রত্যাশা করছেন এই বিভাগের মানুষ।

দলীয় সূত্র আরও জানিয়েছে, গত শনিবার রাতে বরিশাল সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভা হয়। এতে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার ও মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ প্রশাসন ও দলের অন্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, সফরকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে নেতা-কর্মীদের শৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরে কোনো কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল নগরের ত্রিশ গোডাউন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্রায় ৫০০ নেতাকর্মীকেও ওই কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, কয়েক দিন ধরেই সফর সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সমন্বয় করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে রবিবারও নগরজুড়ে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকালে বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির উদ্যোগে নগরের অশ্বিনী কুমার হলসংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য আবুল হোসেন। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চাঁন ও মেজবাউদ্দিন ফরহাদ, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন, সৈয়দ আকবর ও ফারহানা তিথি।

সমাবেশে আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়–এমন কোনো আয়োজন রাখা হয়নি।

অন্যদিকে একই সময়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের উদ্যোগে পৃথক একটি আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়।

জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রী একযোগে দুই হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়ের কর্মসূচিও রয়েছে।

বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কর্মসূচি স্থলগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গ্রহণ করেছে।

উন্নয়ন ঘোষণার প্রত্যাশায় দক্ষিণাঞ্চল

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের আশা, এ সফরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা আসবে।

এ বিষয়ে বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবায়েদুল হক চান বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অনেক বেড়েছে। সরু সড়কের কারণে যানজট ও দুর্ঘটনাও বেড়েছে। মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত হলে যোগাযোগের পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, সমুদ্রভাঙনের কারণে কুয়াকাটা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে এটিকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা প্রত্যাশা করছেন এ অঞ্চলের মানুষ।

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় সদস্যসচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে এখনো রাজধানীতে যেতে হয়। বরিশালে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি।

ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মিত হলে সড়ক যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে ভোলায় শিল্পায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এদিকে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী নুরুল আলম রাজু প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য সম্প্রতি ১৫ দফা উন্নয়ন দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করেন। সেটি তিনি ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে বরিশালে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ঢাকা-বরিশাল রেলপথের জন্য নেওয়া প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা। বরিশাল বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ, শিল্পাঞ্চল, আইটি পার্ক নির্মাণ, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি গৌরনদীর বাটাজোর ইউনিয়নে নতুন খনন করা সরিকল-বাটাজোর খালের পাশে এবং দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল নগরের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমিসংলগ্ন সাগরদী খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সার্কিট হাউসে সংক্ষিপ্ত বিরতির পর বেলা ৩টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে বিকেলেই তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

দেশজুড়ে অব্যাহত থাকবে ভারী বর্ষণ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২০ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৩ এএম
দেশজুড়ে অব্যাহত থাকবে ভারী বর্ষণ
দেশজুড়ে বর্ষণের পূর্বাভাস ও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতার মধ্যে, পথচারীরা পানির মধ্য দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। ছবি: খবরের কাগজ

দেশের আট বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের ছয় বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সতর্কতাও জানানো হয়েছে।

গতকাল রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, ‘মৌসুমি বায়ু অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্তও বিস্তৃত আছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ধারণা করছি, আগামী ৪৮ ঘণ্টা সারা দেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। এরপর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।’

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত শনিবার সকাল থেকে গতকাল রবিবার সকাল পর্যন্ত পটুয়াখালীতে ১৩২ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১১৫ মিলিমিটার, মানিকগঞ্জের আরিচায় ১০৬ মিলিমিটার, ফরিদপুরে ১০১ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ৯৮ মিলিমিটার এবং ঢাকায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে ২১ নতুন বোয়িং, বিনিয়োগ ১৪ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে ২১ নতুন বোয়িং, বিনিয়োগ ১৪ হাজার কোটি টাকা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস তাদের বহর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য বিনিয়োগ করা হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা (১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বহরে যুক্ত হবে আরও ২১টি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ। এর মাধ্যমে ইউএস-বাংলার বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হবে। 

২০২৭ সালের মধ্যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে ইউএস-বাংলা। এ জন্য বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠান (লেসর) থেকে ২১টি বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন বিনিয়োগে কেবলমাত্র ইউএস-বাংলার বহর ও আন্তর্জাতিক রুটই সম্প্রসারিত হবে না, পাশাপাশি দেশের বিমান পরিবহন শিল্পের সক্ষমতাও অনেক খানি বাড়বে। 

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনকে পাঠানো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের একটি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের এই উড়োজাহাজগুলো বহরে যুক্ত হওয়ার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তুলবে ইউএস-বাংলা। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ারলাইনসটি।

চিঠিতে বলা হয়, রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ২৯ জুলাই ২১টি নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের এই পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগিহ, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ দেশি-বিদেশি এভিয়েশন, ট্রাভেল ও পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে বিনিয়োগ পরিকল্পনা, উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সূচি এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ কৌশলের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। 

বিডা চেয়ারম্যানকে দেওয়া চিঠিতে ইউএস-বাংলা আরও বলেছে, নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন শুধু একটি ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ নয়; বরং এটি দেশের এভিয়েশন খাতে একটি যুগান্তকারী বিনিয়োগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ইউএস-বাংলা শুধু বহরের আকার বৃদ্ধিই নয়, যাত্রীসেবায়ও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। নতুন উড়োজাহাজগুলোয় আন্তর্জাতিক মানের কেবিন ইন্টেরিয়র এবং প্রিমিয়াম সিট থাকবে। প্রতিটি উড়োজাহাজে থাকবে আধুনিক ওয়্যারলেস ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম। এর মাধ্যমে যাত্রীরা নিজেদের স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে কোনো তার ছাড়াই দেশি-বিদেশি সিনেমা, নাটক, টিভি অনুষ্ঠান, সংগীতসহ হলিউড-বলিউডের বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিটি উড়োজাহাজে ইন-ফ্লাইট ওয়াই-ফাই সুবিধাও থাকবে। ফলে যাত্রীরা আকাশে ভ্রমণের সময়ও ইন্টারনেট ব্যবহার, বার্তা আদান-প্রদান এবং ফোন কলে কথা বলতে পারবেন। এ ধরনের সুবিধা বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনেক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসেই থাকলেও বাংলাদেশের কোনো বেসরকারি এয়ারলাইনসের জন্য এটি হবে অন্যতম বড় প্রযুক্তিগত সংযোজন।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করবে লিজিং প্রতিষ্ঠানগুলো। এই উদ্যোগে ইউএস-বাংলার বহরে শুধু নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যাই বাড়বে না, বাড়বে পরিচালন সক্ষমতাও। উড়োজাহাজগুলো যুক্ত হলে আরও বেশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চালু, বিদ্যমান রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং যাত্রী পরিবহনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি পাইলট, প্রকৌশলী, কেবিন ক্রু, কারিগরি জনবলসহ বিভিন্ন পর্যায়ে শত শত কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এতে দেশের পর্যটন, বাণিজ্য এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে ইউএস-বাংলা। 

বর্তমানে ইউএস-বাংলা দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি এয়ারলাইনস। তাদের বহরে রয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ। এর মধ্যে নয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, তিনটি এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০, ১০টি এটিআর ৭২-৬০০ এবং তিনটি অন্যান্য উড়োজাহাজ। নতুন ২১টি বোয়িং যুক্ত হলে উড়োজাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৪৬টি হবে। 

দেশের সব অভ্যন্তরীণ গন্তব্যের পাশাপাশি ইউএস-বাংলা বর্তমানে ভারতের কলকাতা ও চেন্নাই, মালদ্বীপের মালে, ওমানের মাসকাট, কাতারের দোহা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, শারজাহ ও আবুধাবি, সৌদি আরবের জেদ্দা ও রিয়াদ, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, চীনের গুয়াংজুসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আরও কয়েকটি গন্তব্যে সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে এয়ারলাইনসটির।

এসএন/

নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন
ছবি: সংগৃহীত

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১২ জুলাই) নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান রাজধানীর বনানীতে নৌবাহিনী সদর দপ্তরে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান’ উদ্বোধন করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৯ জুলাই দেশব্যাপী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ অভিযানের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বৃক্ষরোপণ অভিযানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান গ্রহণ করেছে। নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধনের সময়ে নৌবাহিনী প্রধান ছাড়াও নৌবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, নৌ অঞ্চলসমূহের আঞ্চলিক কমান্ডার, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং নাবিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আইএসপিআরে জানিয়েছে, 'বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সকল নৌ ঘাঁটি, স্থাপনা এবং উপকূলীয় এলাকাসমূহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছে। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নৌবাহিনী প্রধান সরকার ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ অভিযান বাস্তবায়নে প্রত্যেক নৌসদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানোর আহবান জানান। 

আলমগীর হোসেন/এসএন