ঢাকা ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
২৬ হাজার ৭৮১ কোটির মহাক্রয় প্রকল্প নিচ্ছে রেল পাসিংয়ের শিল্প ও প্রেসিংয়ের ঝড় শেষ ষোলোয় কার মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র? ২ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা আজ, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার মরুর যোদ্ধাদের সামনে সুইস দেয়াল টরন্টোয় পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়ার আগুন লড়াই ২ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আর্লিং নয়, ব্রাউট হালান্ড ’৯৮-এর বন্ধন ফিরেছে ’২৬-এ শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় সেনেগালকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় বেলজিয়াম ৩ মিনিটে দুই গোল শোধ, অতিরিক্ত সময়ে গড়াল বেলজিয়াম-সেনেগাল ম্যাচ বেলজিয়ামের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে সেনেগাল কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে বেলজিয়ামের জালে সেনেগালের গোল লিটন-তাসকিনকে ছাড়াই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা, অধিনায়ক হৃদয় বিশ্বকাপে পেলের রেকর্ড ভাঙলেন হ্যারি কেইন শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর মুখোমুখি ইংল্যান্ড, ম্যাচ কবে? জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোয় তুললেন হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের সামনে ৬০ বছরের দুঃস্বপ্ন সোনারগাঁয় সেতুর নিচের ময়লার ভাগাড়, অতিষ্ট জনজীবন এমপাসির সেভে স্তব্ধ ইংল্যান্ড, প্রথমার্ধে এগিয়ে ডিআর কঙ্গো ইবির আইসিটি বিভাগে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত: বাড়ছে রোগী, ভয়াবহতার আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের শুভেন্দু অধিকারীকে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ সপ্তম মিনিটেই ইংল্যান্ডের জালে কঙ্গোর গোল টঙ্গীতে অস্ত্র নিয়ে মোটরসাইকেল মহড়া, গ্রেপ্তার ৩ নকআউটে ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি ইংল্যান্ড, একাদশে কারা? ঢাকার ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন উদ্ধারে ধীরগতি, ভেনেজুয়েলায় গভীর মানবিক বিপর্যয়

প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের যে ১০ কারণে কোরবানি দেওয়া উচিত

প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
আপডেট: ১১ মে ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের যে ১০ কারণে কোরবানি দেওয়া উচিত
কোরবানি কোনো ঐচ্ছিক আমল নয়, এটি আল্লাহর সরাসরি নির্দেশ।ছবি: সংগৃহীত

প্রতি বছর ঈদুল আজহা আসে। কেউ কোরবানি দেন, কেউ দেন না। যারা দেন না তাদের অনেকে সামর্থ্যবান–কিন্তু উদাসীন। কেউ ভাবেন টাকাটা অন্য কাজে লাগাবেন, কেউ ভাবেন গরিবকে সরাসরি টাকা দিলেই হয়, কেউ ভাবেন এটা আর কতটুকু জরুরি। কিন্তু কোরবানি শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি একসঙ্গে ইবাদত, সমাজসেবা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও মানবিক দায়িত্বের এক অপূর্ব সমন্বয়। কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা থেকে শুরু করে আধুনিক বিজ্ঞান পর্যন্ত–সব দিক থেকেই কোরবানির পক্ষে শক্তিশালী যুক্তি রয়েছে। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের কেন আবশ্যকভাবে কোরবানি দেওয়া উচিত, ১০টি কারণ এখানে তুলে ধরা হলো–

এটি আল্লাহর সরাসরি নির্দেশ: কোরবানি কোনো ঐচ্ছিক আমল নয়–এটি আল্লাহর সরাসরি নির্দেশ। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, ‘তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করো এবং কোরবানি করো।’ (সুরা কাউসার, ২)
আল্লাহতায়ালা আরও এরশাদ করেছেন, ‘আমি প্রতিটি সম্প্রদায়ের জন্য কোরবানির নিয়ম করে দিয়েছি, যেন তারা নির্দিষ্ট গৃহপালিত পশুর ওপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।’ (সুরা হজ, ৩৪)

এ আয়াত দুটি স্পষ্ট করে দেয়–কোরবানি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি ইবাদত। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাতের মতো কোরবানিও ইসলামের একটি মৌলিক আমল। যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান হয়েও এই আদেশ উপেক্ষা করেন–তিনি আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করার ঝুঁকিতে থাকেন। 

কোরবানি না করলে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কঠোর সতর্কবাণী: রাসুলুল্লাহ (সা.) সামর্থ্যবান হয়েও কোরবানি না করার বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে, তবু সে কোরবানি করল না–সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।’ (ইবনে মাজাহ, ৩১২৩) একটু ভাবুন–রাসুলুল্লাহ (সা.) এত কঠোর ভাষায় বললেন কেন? কারণ কোরবানি শুধু একটি আমল নয়, এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ্য ঘোষণা। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও এই ঘোষণা না দেওয়া মানে আল্লাহর প্রতি উদাসীনতার প্রকাশ।

আরো পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার: ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

কোরবানির ফজিলত অতুলনীয়: কোরবানির ফজিলত এতটাই বিশাল যে, এই ইবাদত ছেড়ে দেওয়া মানে অসংখ্য নেকি থেকে বঞ্চিত হওয়া। হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে।’ (ইবনে মাজাহ, ৩১২৭)। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোরবানির রক্তের প্রথম ফোঁটা মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোরবানিদাতার যাবতীয় গুনাহ মাফ হয়ে যায়।’ (মুসতাদরাকে হাকিম, ৭৫২৪)

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘কোরবানির দিনের আমলগুলোর মধ্যে পশু কোরবানি করার চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় কোনো আমল নেই। কিয়ামতের দিন এই কোরবানিকে তার শিং, পশম ও ক্ষুরসহ উপস্থিত করা হবে।’ (তিরমিজি, ১৪৯৩) এতগুলো ফজিলত জানার পরও যিনি কোরবানি ছেড়ে দেন–তিনি নিজেই নিজের ক্ষতি করেন।

কোরবানি সুন্নতে ইবরাহিমির জীবন্ত স্মৃতি: কোরবানি শুধু একটি আমল নয়–এটি হাজার বছরের ইতিহাস, ত্যাগ ও আনুগত্যের জীবন্ত স্মৃতি। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন–‘আর আমরা এক মহান কোরবানির বিনিময়ে তাকে মুক্ত করলাম। আমরা এটিকে পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিলাম।’ (সুরা সাফফাত, ১০৭-১০৮)

হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম (রা.) থেকে বর্ণিত, সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ! এই কোরবানি কী? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন–এটি তোমাদের পিতা ইবরাহিম (আ.)-এর সুন্নত।’ (ইবনে মাজাহ, ৩১২৭)
যখন একজন মুমিন কোরবানি দেন—তখন তিনি কেবল একটি পশু জবাই করেন না। তিনি হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সেই আনুগত্যের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেন। এই সংযোগ অনুভব করতে হলে কোরবানি দিতেই হবে।

কোরবানি গরিবের পুষ্টির সবচেয়ে বড় উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদের (এনএনএস) জরিপ অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ দরিদ্র পরিবার বছরে মাত্র দুয়েকবার মাংস খেতে পারে। এই পরিবারগুলোর জন্য কোরবানির মাংস হলো বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন সরবরাহ।  ডব্লিউএইচওর পুষ্টি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৫০-৭০ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। একটি গরু থেকে গড়ে ১৫০-২০০ কেজি মাংস পাওয়া যায়, যা একটি পরিবারের দুই থেকে তিন মাসের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে। আল্লাহতায়ালা এ কারণেই নির্দেশ দিয়েছেন, ‘তোমরা তা থেকে খাও এবং দুস্থ ও অভাবীদের খাওয়াও।’ (সুরা হজ, ২৮) একজন সামর্থ্যবান মানুষ যখন কোরবানি দেন না; তখন শুধু একটি ইবাদত ছুটে যায় না, একটি গরিব পরিবারের বছরের সেরা খাবারটাও ছুটে যায়।

আরো পড়ুন: ইতিহাসের প্রথম কোরবানি কোনটি?

কোরবানি দেশের অর্থনীতির বিশাল চালিকাশক্তি: কোরবানি কেবল ধর্মীয় আমল নয়, এটি দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, কোরবানির মৌসুমে মাত্র তিন দিনে দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বাংলাদেশে ১ কোটিরও বেশি পশু কোরবানি হয়। পশু পালনকারী খামারি ও কৃষকদের বার্ষিক আয়ের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কোরবানির মৌসুমে আসে। কসাই, পরিবহন শ্রমিক, হাটের ব্যবসায়ী, চামড়া শিল্পের লাখ লাখ মানুষ–সবার জীবিকা এই মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল। একজন সামর্থ্যবান মানুষ কোরবানি না দিলে–তিনি শুধু নিজের ইবাদত নষ্ট করেন না, এই শ্রমজীবী মানুষগুলোর জীবিকায়ও আঘাত করেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, প্রতি বছর ঈদুল আজহায় বাংলাদেশে ১ কোটি থেকে ১ দশমিক ২ কোটির বেশি পশু কোরবানি হয়। চামড়া খাত থেকে বার্ষিক রপ্তানি আয় ৯০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে, যার একটি বড় অংশ কোরবানির চামড়া থেকে আসে। 

কোরবানি সামাজিক সংহতির সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম: সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কোরবানির মাংস বণ্টন একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সামাজিক সংহতি প্রক্রিয়া, যা ধনী-গরিবের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের ভাই।’ (বুখারি, ২৪৪২) কোরবানির মাংস ভাগ করে নেওয়া এই ভ্রাতৃত্বের সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ। ধনী-গরিব সবাই একই দিনে একই খাবার খায়–এটি ইসলামের সাম্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

কোরবানি মানসিক সুস্বাস্থ্যের পথ: আধুনিক মনোবিজ্ঞান বলছে, ত্যাগ ও দান মানুষের মানসিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে মানুষ নিজের প্রিয় জিনিস অন্যের জন্য ত্যাগ করতে পারেন–তার মনে লোভ, হিংসা ও কৃপণতার জায়গা থাকে না। American Psychological Association-এর গবেষণা অনুযায়ী, দানশীল ব্যক্তিদের মধ্যে বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মাত্রা অন্যদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। 
আল্লাহতায়ালা কোরবানির মাধ্যমে একজন মুমিনকে এই মানসিক পরিশুদ্ধির সুযোগ দিয়েছেন। পশু জবাইয়ের সময় মনের ভেতর যে ত্যাগের অনুভূতি জন্ম নেয়—তা একটি অসাধারণ আত্মিক অভিজ্ঞতা, যা কোরবানি না দিলে কখনো অনুভব করা সম্ভব নয়।

কোরবানি পরিবেশবান্ধব প্রোটিন সরবরাহের মাধ্যম: FAO-এর গবেষণা অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে লালিত-পালিত পশু থেকে প্রাপ্ত মাংস শিল্পজাত মাংসের তুলনায় অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব। বাংলাদেশের গ্রামীণ পরিবেশে প্রাকৃতিক উপায়ে লালন করা গরু-ছাগল শিল্পজাত খামারের মতো কার্বন নির্গমন করে না। কোরবানির মাংস তাৎক্ষণিকভাবে ভোগ করা হয়–সংরক্ষণ ও পরিবহনে অতিরিক্ত শক্তি খরচ হয় না। এটি একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা। পাশাপাশি কোরবানির বর্জ্য সঠিকভাবে মাটিতে পুঁতে দিলে তা জৈব সার হিসেবে কাজ করে–মাটির উর্বরতা বাড়ায়। এটি ইসলামের সেই শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেখানে প্রকৃতির যত্ন নেওয়াকে ইবাদতের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।

আরো পড়ুন: তাওয়াফের সাত চক্করে কি আলাদা দোয়া পড়তে হয়?

কোরবানি না করলে চামড়া শিল্পে বিপর্যয়: বাংলাদেশ চামড়া শিল্প সমিতির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর কোরবানি থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ করা হয়। এর বাজারমূল্য ১,০০০ থেকে ১,৫০০ কোটি টাকার বেশি। কোরবানির চামড়ার টাকা মাদরাসা ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে গেলে–হাজার হাজার এতিম ও গরিব শিশুর পড়াশোনার খরচ মেটে। একজন সামর্থ্যবান মুসলমান কোরবানি না দিলে–শুধু নিজের ইবাদত নষ্ট হয় না, এই শিশুদের শিক্ষার সুযোগও কমে যায়।

কোরবানি একটি সমন্বিত ইবাদত। এতে আছে আল্লাহর আদেশ পালনের সওয়াব, গরিবের খাবারের ব্যবস্থা, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার অবদান, সমাজের বন্ধন মজবুত করার শক্তি এবং নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার সুযোগ।

যিনি সামর্থ্যবান হয়েও কোরবানি দেন না–তিনি একটি ইবাদত মিস করেন না, একসঙ্গে ১০টি কল্যাণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোরবানির দিনের আমলগুলোর মধ্যে পশু কোরবানি করার চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় কোনো আমল নেই।’ (তিরমিজি, ১৪৯৩) এই একটি হাদিসই যথেষ্ট। আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানি দেওয়ার এবং এই মহান ইবাদতের পূর্ণ ফজিলত অর্জন করার তৌফিক দিন। আমিন।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক

 

২ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ এএম
২ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি
জুলাই, ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচির ছবি

প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ (সালাত) ইসলাজুলাইর পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলাজুলাইর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ (বুখারি মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)

সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে হলে, নামাজের সময় জানতে হবে।

 

আজ ২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার ঢাকা পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— 

জোহর

১২.০ মিনিট

আসর

৪.৪২ মিনিট

মাগরিব

৬.৪ মিনিট

এশা

৮.২০ মিনিট

ফজর (৩ জুলাই)

.৪৯ মিনিট

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে।

বিয়োগ

চট্টগ্রাম: মিনিট

সিলেট: মিনিট

যোগ

খুলনা: মিনিট

রাজশাহী: মিনিট

রংপুর: মিনিট

বরিশাল: মিনিট

 

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

 

যেভাবে চিনবেন একজন অহংকারী মানুষকে

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
যেভাবে চিনবেন একজন অহংকারী মানুষকে
ছবি: সংগৃহীত

সকালের চায়ের টেবিলে বসে কিংবা ফেসবুকের নিউজফিড স্ক্রল করতে করতে আমরা প্রায়ই ভাবি, সমাজটা এত অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে কেন? আসলে এই অসহিষ্ণুতার শেকড় লুকিয়ে আছে এক অদৃশ্য ব্যাধিতে—যার নাম অহংকার। আমরা ভাবি অহংকার মানেই হয়তো কোটি টাকার দম্ভ। কিন্তু প্রতিদিনের যাপনে, আমাদের খুব চেনা মানুষের আচরণে, এমনকি নিজের অজান্তেই এই আত্মগর্বের বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ছে।

ইসলামি পরিভাষায় একে কিবির, তাকাব্বুর বা ইস্তিকবার বলা হয়। ইমাম রাগিব আল-আসবাহানির মতে, অহংকার হলো নিজের প্রতি এমন এক মুগ্ধতা, যা মানুষকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ভাবায়। আর এর চূড়ান্ত রূপ হলো সত্যকে অস্বীকার করে স্রষ্টার অবাধ্য হওয়া। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) খুব চমৎকারভাবে বলেছেন, মানুষের সব নিন্দনীয় চরিত্রের মূল উৎসই হলো অহংকার ও হীনতা।

বাস্তব জীবনে একটু লক্ষ্য করলেই অহংকারের নানা রূপ আমাদের চোখে পড়বে। এর সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো সত্যকে মেনে না নেওয়া। পবিত্র কোরআনে সুরা আন-নামলের ১৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, মানুষ অন্যায় ও অহংকারবশত সত্যকে অস্বীকার করে। আবার সমাজে অনেকে নিজের ক্ষমতা, পদবি বা শক্তির দম্ভ দেখান, যেমনটা করেছিল প্রাচীন আদ জাতি (সুরা ফুসসিলাত: ১৫)। এছাড়া অন্যের সাফল্যে হিংসা করা, অবজ্ঞাভরে পথ চলা (সুরা আল-ইসরা: ৩৭) কিংবা নিজের আমলকে সবসময় শ্রেষ্ঠ মনে করাও অহংকারের স্পষ্ট রূপ। এমনকি রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করেছেন, কেউ যদি নিজের সম্মানে অন্যদের দাঁড়িয়ে থাকা পছন্দ করে, সে যেন জাহান্নামে নিজের আসন অবধারিত করে নেয় (আবু দাউদ, ৫২২৯)।

কিন্তু যাপিত জীবনে একজন অহংকারী মানুষকে আপনি চিনবেন কীভাবে? মনস্তাত্ত্বিক ও আচরণগত কিছু চেনার উপায় নিচে দেওয়া হলো:

জনসমক্ষে একা চলতে অপছন্দ করা এবং সবসময় পেছনে অনুসারী বা চামচাবৃত দল রাখতে চাওয়া।

গরিব বা সাধারণ মানুষের দাওয়াত এড়িয়ে চলা এবং সমমানের না হলে অন্যের বাড়িতে যেতে অস্বস্তি বোধ করা।

অসুস্থ, দুর্বল বা নিম্নবিত্ত মানুষের পাশে বসলে নিজের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয় পাওয়া।

তর্কে নিজের ভুল প্রমাণিত হওয়ার পরও তা মেনে না নেওয়া এবং ভুল ধরিয়ে দেওয়া ব্যক্তিকে শত্রু মনে করা।

নিজের সাধারণ কাজ বা বাজার নিজে বহন করতে লজ্জাবোধ করা।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, অহংকার হলো এক প্রকার মিথ্যা শ্রেষ্ঠত্বের মরিচীকা, যা মানুষকে মানুষের থেকে এবং পরিশেষে স্রষ্টার রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। এর একমাত্র প্রতিষেধক হলো—নিজের ক্ষুদ্রতা অনুধাবন করা, বিনয়ী হওয়া এবং সত্যকে অবলীলায় মেনে নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করা।

 

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

কবরের ৩ পরীক্ষা ছাড়াই পার পেয়ে যাবেন যারা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০ পিএম
কবরের ৩ পরীক্ষা ছাড়াই পার পেয়ে যাবেন যারা
ছবি: সংগৃহীত

পরীক্ষার হলে বসার আগেই যদি জানা যায় কিছু বিশেষ কারণে পুরো প্রশ্নপত্রই মাফ হয়ে গেছে, তবে কেমন লাগবে? দুনিয়ার পরীক্ষায় এমনটা না ঘটলেও, পরকালের প্রথম স্টেশন ‘কবর’-এর চূড়ান্ত পরীক্ষায় কিন্তু এই সুযোগ রয়েছে। ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, অন্ধকার কবরে প্রত্যেক মানুষকে তার রব, দীন ও নবী সম্পর্কে তিনটি মৌলিক প্রশ্ন করা হবে। যার উত্তর মিললে কবর হবে জান্নাতের বাগান, নতুবা জাহান্নামের গর্ত।

ব্যস্ত এই নাগরিক জীবনে আমরা কতশত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিই। কিন্তু মাটির নিচের সেই অনিবার্য পরীক্ষার প্রস্তুতি কতটুকু? তবে আনন্দের কথা হলো, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী এমন কিছু সৌভাগ্যবান মানুষ রয়েছেন, যাদের কবরে এই কঠিন জেরার মুখোমুখি হতেই হবে না।
রেফারেন্সসহ দেখে নেওয়া যাক সেই মহান ব্যক্তিদের তালিকা:

১. নবি-রাসুলগণ: বিখ্যাত ইসলামিক স্কলার ইবনুল কায়্যিম জাওজি (রহ.) তার 'আর-রুহ' কিতাবের ১১০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন, অধিকাংশ আলেমের মতে, নবি-রাসুলদের কবরে কোনো প্রশ্ন করা হবে না। কারণ তাঁরা নিজেই ছিলেন দুনিয়াতে আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষক।

২. জীবন উৎসর্গকারী শহিদ: যারা আল্লাহর জমিনে দ্বিন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে শহিদ হন, তাঁদের কোনো প্রশ্ন করা হবে না। সুনানে নাসায়ির ২০৫৩ নম্বর হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, যুদ্ধের মাঠে শহীদের মাথার ওপর তরবারির ঝলকানিই কবরের পরীক্ষা থেকে নিরাপদ থাকার জন্য যথেষ্ট।

৩. দেশের সীমান্ত প্রহরী: দেশের বা ইসলামি রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দেওয়া অবস্থায় যাদের মৃত্যু হয়, তাঁরাও এই দায় থেকে মুক্ত। সুনানে নাসায়ির ৩১৬৭ নম্বর হাদিস অনুযায়ী, সীমান্ত পাহারা দেওয়া অবস্থায় মৃত ব্যক্তি কবরের যাবতীয় ফিতনা ও জিজ্ঞাসাবাদ থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

৪. জুমার দিনে মৃত্যু: সপ্তাহের সেরা দিন জুমার বার। এই দিনে বা রাতে কোনো মুসলিম মারা গেলে তিনি বিশেষ সুবিধা পান। সুনানে তিরমিজির ১০৭৪ নম্বর হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে বা রাতে কোনো মুসলিম মারা গেলে আল্লাহ তাকে কবরের আজাব ও ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। কবর হলো অনন্তকালের প্রবেশদ্বার। দুনিয়ার সাময়িক জীবনের আমলই নির্ধারণ করবে এই প্রবেশদ্বারটি আমাদের জন্য শান্তির হবে নাকি শাস্তির।

৫. পেটের পীড়ায় মৃত্যু: শুনতে অবাক লাগলেও পেটের অসুখে ভুগে মারা যাওয়া ব্যক্তিও এই ছাড় পাবেন। মুসনাদে আহমদের ১৮৩১০ নম্বর হাদিসে নবীজি (সা.) স্পষ্ট করেছেন যে, যাকে পেটের রোগ হত্যা করেছে, কবরে তাকে শাস্তি বা জেরার মুখোমুখি হতে হবে না।

৬. সুরা মুলকের নিয়মিত পাঠক: যারা প্রতি রাতে নিয়ম করে সুরা মুলক তিলাওয়াত করেন, এই সুরাটি স্বয়ং কবরে এসে তাদের পাহারা দেবে। সুনানে তিরমিজির ২৮৯০ নম্বর হাদিসে এই সুরাটিকে ‘নাজাত দানকারী’ বা মুক্তিদাতা বলা হয়েছে, যা পাঠককে কবরের আজাব থেকে বাঁচায়।

মৃত্যু চিরন্তন সত্য। তবে আমরা যদি সুরা মুলক তিলাওয়াতের মতো আমলগুলো জীবনে নিয়মিত করতে পারি, তবে কবরের সেই অন্ধকার প্রকোষ্ঠেও মিলতে পারে পরম মুক্তি। আল্লাহ আমাদের সেই তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

বিয়ের রাতে সবচেয়ে বড় অবিচার হয় যে কাজে

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ এএম
বিয়ের রাতে সবচেয়ে বড় অবিচার হয় যে কাজে
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ। কাবিননামায় লেখা হলো কয়েক লাখ টাকার দেনমোহর। কিন্তু এর পরই শুরু হয় এক অদ্ভুত বাস্তবতা–কেউ বলেন, এই টাকা মেয়ের বাবার কাছে থাকবে; কেউ বলেন, সংসারের প্রয়োজনে স্বামীই ব্যবহার করবে; আবার কোথাও মেয়েটি নিজেই জানে না, এই টাকার প্রকৃত মালিক আসলে কে!

অথচ ইসলাম আজ থেকে চৌদ্দ শত বছর আগেই এ প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর দিয়ে দিয়েছে। দেনমোহর কোনো পারিবারিক উপহার নয়, এটি একজন নারীর সম্মান, নিরাপত্তা এবং তার ব্যক্তিগত অধিকার। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘সুতরাং তাদের মধ্যে তোমরা যাদেরকে বিবাহ করেছ, তাদের নির্ধারিত মোহর তাদেরকে প্রদান করো।’ (সুরা আন-নিসা, ২৪)

এ আয়াতে তাদেরকে শব্দটি সরাসরি স্ত্রীদের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, দেনমোহরের মালিক স্ত্রী নিজেই। তার বাবা-মা, ভাই-বোন কিংবা অন্য কোনো আত্মীয়ের এতে কোনো স্বত্ব নেই, যদি না স্ত্রী স্বেচ্ছায় কাউকে তা প্রদান করেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনেও এই সৌন্দর্যময় নীতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি নারীর আর্থিক স্বাধীনতাকে সম্মান করতেন এবং কখনো দেনমোহরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কোনো প্রথা চালু করেননি। বরং দেনমোহর ছিল নারীর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার প্রতীক।

এ কারণেই আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ, তার কোনো অংশ ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদেরকে বাধ্য করো না। (সুরা আন-নিসা, ১৯)
এই আয়াত প্রমাণ করে, একবার দেনমোহর স্ত্রীর হাতে পৌঁছে গেলে সেটি তার ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হয়। স্বামী চাইলে জোর করে তা ফেরত নিতে পারেন না, এমনকি স্ত্রীর পরিবারও তার অনুমতি ছাড়া এর ওপর কোনো দাবি করতে পারে না।

বর্তমান সমাজে অনেক নারী নিজের অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে দেনমোহরের টাকা থেকে বঞ্চিত হন। কেউ সামাজিক চাপে তা বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেন, আবার কেউ স্বামীর প্রয়োজনে দিয়ে পরে আর ফেরত পান না। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে দেনমোহর নারীর অর্থনৈতিক মর্যাদার এক অনন্য স্বীকৃতি।

বিয়ে শুধু দুটি হৃদয়ের বন্ধন নয়; এটি অধিকার ও দায়িত্বেরও চুক্তি। আর সেই চুক্তির সবচেয়ে সুন্দর দিকগুলোর একটি হলো–ইসলাম একজন নারীকে বিয়ের মুহূর্তেই এমন একটি সম্পদের মালিক বানিয়েছে, যার ওপর তার একচ্ছত্র অধিকার প্রতিষ্ঠিত। এই অধিকার রক্ষা করাই সুন্নাহ, আর তা অস্বীকার করা অন্যায়।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

১ জুলাই ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ এএম
১ জুলাই ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি
জুলাই, ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচির ছবি

প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ (সালাত) ইসলাজুলাইর পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলাজুলাইর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ (বুখারি মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)

সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে হলে, নামাজের সময় জানতে হবে।

 

আজ ১ জুলাই ২০২৬, বুধবার ঢাকা পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— 

জোহর

১২.০ মিনিট

 

আসর

৪.৪২ মিনিট

মাগরিব

৬.৪ মিনিট

 

এশা

৮.২০ মিনিট

 

ফজর (২ জুলাই)

.৪৮ মিনিট

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগকরতে হবে।

বিয়োগ

চট্টগ্রাম: মিনিট

সিলেট: মিনিট

যোগ

খুলনা: মিনিট

রাজশাহী: মিনিট

রংপুর: মিনিট

বরিশাল: মিনিট

 

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন