ঢাকা ২ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কঙ্গোয় মরদেহ পরিবহনে ইবোলা ছড়ানোর নতুন ঝুঁকি: জাতিসংঘ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সওয়াল মেক্সিকো উপকূলে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ২ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত চাচি গ্রেপ্তার না ফেরার দেশে ক্রিকেট কিংবদন্তি স্যার গ্যারি সোবার্স সেই মেটলাইফেই শিরোপার লড়াইয়ে মেসি জাতিসংঘে গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী: জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার সংকট কাটিয়ে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: মির্জা ফখরুল ফরিদপুরে কলেজছাত্র হত্যা, প্রতিপক্ষের বাড়িতে তাণ্ডব স্কুলের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে হিলিতে কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্বোধন কাশিমপুর কারাগার থেকে নারী বন্দী উধাও! সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ হাতিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে তিন ওয়ার্ড প্লাবিত, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ বেলুচিস্তানে রক্তক্ষয়ী হামলা, ৪৫ সেনা হত্যার দাবি প্রশাসনের ব্যাখ্যা নেই, ভাঙা হচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য বর্ষার রঙে মাতল ঢাকা, আয় বন্যার্তদের জন্য কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডো, আতঙ্কে ছোটাছুটি সাতকানিয়ায় বন্যাকবলিত সহস্রাধিক মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডারে যুক্ত হচ্ছেন ৪৩ লাখ কৃষক: কৃষিমন্ত্রী কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি, শনিবার খোলা হবে ১৬ জলকপাট সাগরে বৈরী আবহাওয়া, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি কাবাডি মাঠে জাইমা রহমান, বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় মনপুরায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ হামের উপসর্গে মৃত্যু বাড়ছে, মোট প্রাণহানি ৭৮০ প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতে হবে: ফারুক ওয়াসিফ টোপো গিগিও সেলিব্রেশনের ইতিহাস কি? চট্টগ্রামে ত্রাণ বিতরণে মঞ্চ ভেঙে পদদলিত, আহত ৩ স্মার্ট পেশা সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন রুনা লায়লা

শাংহাই ঐকমত্য থেকে হাংচৌ রায় বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য এআই’র ন্যায্য শাসন

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য এআই’র ন্যায্য শাসন
ছবি সিএমজি

শাংহাইয়ে যখন ২০২৬ সালের বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন শুরু হয়, তখন ‘বুদ্ধিমান সঙ্গী, যৌথভাবে ভবিষ্যৎ গঠন’ প্রতিপাদ্যের আড়ালে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই সবার ক্ষমতায়নের হাতিয়ার, নাকি এটি পুঁজি ও প্রযুক্তিগত বৈষম্যকে আরও গভীর করবে? চাইলেই এখন বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো প্রশ্নটি এড়াতে পারে না। 
 
সম্মেলনটির তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা (ডাব্লিউএআইসিও) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এবং এআই গ্লোবাল গভর্ন্যান্স অ্যাকশন প্ল্যানের উপস্থাপন। বৈশ্বিক উত্তরের দেশগুলোর মতো এটি কোনো নিয়ম চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়। এতে বিশেষভাবে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান ‘বুদ্ধিমত্তার বৈষম্য’ বা ইন্টেলিজেন্স ডিভাইড কমানোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

ইয়াং ওয়েইমং স্বর্ণা

 

কেন বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বর গুরুত্বপূর্ণ

এআই শাসনব্যবস্থায় বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব এখনও সীমিত। বিশ্বের ৬০টিরও বেশি এআই শাসন কাঠামোর মধ্যে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর প্রস্তাবনার পরিমাণ পাঁচ ভাগের এক ভাগেরও কম। অন্যদিকে উন্নত দেশ ও বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতেই কেন্দ্রীভূত রয়েছে উন্নত অ্যালগরিদম, কম্পিউটিং সক্ষমতা এবং গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সম্পদ। বিপরীতে দক্ষিণের অনেক দেশকে এখনও ‘কম্পিউটিং মরুভূমি’ বলা হচ্ছে, যেখানে দেশগুলো ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব হারানোর গভীর চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়েছে।

এটি শুধু প্রযুক্তিগত ব্যবধান নয়, নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণেরও বৈষম্য। এ পরিপ্রেক্ষিতে শাংহাই সম্মেলনে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে প্রযুক্তিগত একচেটিয়াকরণের বিরোধিতা করেছে চীন। সেইসঙ্গে মানবকেন্দ্রিক, কল্যাণমুখী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায্য এআই শাসনের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরেছে। পেরুর গণমাধ্যম বলছে, চীনের এই উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাঠামোগত ব্যবধান কমিয়ে ডিজিটাল সক্ষমতা ও সার্বভৌমত্ব জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে।

হাংচৌ রায়: মানবকেন্দ্রিক নীতির অনন্য নজির

সম্মেলনে নীতিগত আলোচনার পাশাপাশি চীনের বিচারব্যবস্থার সাম্প্রতিক একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত উঠে এসেছে। আলোড়ন সৃষ্টিকারী হাংচৌ ‘এআই মান-পরীক্ষক প্রতিস্থাপন’ মামলায় দেখা গেছে— ৩৫ বছর বয়সী এক কর্মীকে প্রতিষ্ঠান জানায়, এআই ব্যবহারের ফলে তার পদ অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেছে। এরপর তার বেতন কমানো হয় এবং পরে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। হাংচৌ উচ্চ আদালত এই চাকরিচ্যুতিকে বেআইনি ঘোষণা করে এবং প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৬০ হাজার ইউয়ানেরও বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি বা ব্যয় কমাতে এআই ব্যবহার করা একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত হতে পারে, কিন্তু সেটি কর্মী ছাঁটাইয়ের আইনি ভিত্তি হতে পারে না। কর্মীকে বাস্তবিকভাবে প্রতিস্থাপন না করে এবং বিকল্প সমাধান নিয়ে আলোচনা না করে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ঝুঁকি শ্রমিকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
একই অবস্থান বেইজিং ও কুয়াংচৌর আদালতও নিয়েছে। এসব রায় স্পষ্ট করেছে যে, প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নির্বিচারে কর্মী ছাঁটাইয়ের বৈধতা তৈরি করে না এআই।
রায়টি সম্মেলনে প্রচারিত ‘কল্যাণকর বুদ্ধিমত্তা’র সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে বলা হয়, প্রযুক্তি মানুষের উন্নয়নে কাজ করবে, পুঁজির খরচ কমানোর অজুহাত হবে না। হাংচৌ উচ্চ আদালতের বিচারকও বলেছেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সময় প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত কর্মীদের পুনঃপ্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ পদায়নের সুযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

 

সম্মেলন থেকে আদালত: সুস্পষ্ট শাসন পথ

শাংহাই সম্মেলনের দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা উদ্যোগ এবং হাংচৌ আদালতের রায়কে পাশাপাশি রাখলে শাসন বিষয়ক একটি বিষয় স্পষ্ট হয়। তা হলো—এআই শাসনে চীনের প্রস্তাবিত ধারণাটি প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে মানুষের কল্যাণে যুক্ত করতে চায়। একই সঙ্গে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোকে শুধু নিয়ম অনুসরণকারী দেশ নয়, বরং নিয়ম প্রণয়নের অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্ব দেয়।
বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো এখন ব্রিকস ও বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে ‘উন্নয়নের অধিকার অগ্রাধিকার’ ভিত্তিক শাসন ধারণাকে এগিয়ে নিচ্ছে। ২০২৬ সালের সামার দাভোস সম্মেলনেও এই প্রবণতা প্রতিফলিত হয়েছে, যেখানে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো শুধু ‘প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি চায় না, বরং পরিকাঠামো, স্বায়ত্তশাসিত মডেল ও সক্ষমতা বাড়ানোর দাবিও জানায়’। এ সম্মেলনের মাধ্যমেই মূলত দক্ষিণের দেশগুলোর সঙ্গে ‘যৌথভাবে নিয়ম ও মানদণ্ড’ তৈরির একটি কাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে চীন।
 
এআই’র ঢেউ এখন অপ্রতিরোধ্য। বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোরও উচিত হবে না চুপচাপ এর প্রভাব মেনে নেওয়া, বরং সক্রিয়ভাবে নিয়ম-নির্ধারণে তাদের অংশ নেওয়া উচিত। 
পরিশেষে, শাংহাই সম্মেলনের ঐকমত্য থেকে হাংচৌর বিচারিক রায়; সবই এক সুতোয় গাঁথা। এতে যে অভিন্ন বার্তাটি উঠে এসেছে তা হলো—প্রযুক্তির সীমা আছে, পুঁজির আছে বাধ্যবাধকতা এবং মানুষের মর্যাদা ও অগ্রগতি সবসময়ই প্রযুক্তিগত যুক্তির ঊর্ধ্বে। এটিই চীনের অনুশীলন। ‘কীভাবে এআই সবার উপকারে আসবে?’ বৈশ্বিক দক্ষিণের মৌলিক এ প্রশ্নের এটিই সরাসরি উত্তর।
লেখক: সাংবাদিক, সিএমজি বাংলা, বেইজিং।

ফোরকে ভিডিওসহ সনির নতুন সুপারজুম ক্যামেরা

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
ফোরকে ভিডিওসহ সনির নতুন সুপারজুম ক্যামেরা
সনি আরএক্স১০ ফাইভ। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান সনি তাদের নতুন সুপারজুম কমপ্যাক্ট ক্যামেরা আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। নতুন মডেলটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ সনি আরএক্স১০ ফাইভ’। এতে শক্তিশালী ২৪ থেকে ৬০০ মিলিমিটারের অপটিক্যাল জুম লেন্স এবং ২০.১ মেগাপিক্সেলের সেন্সর রয়েছে। 

নয় বছরের পুরোনো ‘আরএক্স১০ ফোর’ মডেলের তুলনায় এর বাহ্যিক নকশায় বেশ আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। ক্যামেরার ভেতরে যুক্ত হয়েছে দ্রুতগতির প্রসেসর, আপডেট অটোফোকাস ব্যবস্থা ও উন্নত ভিডিও ধারণক্ষমতা। ২ হাজার ৩০০ ডলার দামের কারণে এটি বর্তমানে বাজারের অন্যতম দামি কমপ্যাক্ট ক্যামেরায় পরিণত হয়েছে।

আগের সংস্করণগুলোর মতো নতুন মডেলটিও পর্যটক ও স্ট্রিট ফটোগ্রাফারদের বিশেষ সুবিধা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ২৪-৬০০ মিলিমিটার সমতুল্য এফ২.৪-৪.০ লেন্স দূরের দৃশ্যকে দারুণভাবে কাছে আনতে সক্ষম। ক্যামেরায় ২০.১ মেগাপিক্সেলের ১ ইঞ্চি স্ট্যাকড সেন্সরটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে এটি কম আলোতেও চমৎকার মানের ছবি নিশ্চিত করতে পারে। যদিও ক্যামেরার উচ্চমূল্য বিবেচনা করে সনি এর মেগাপিক্সেল আরও বাড়াবে বলে অনেক গ্রাহক আশা করেছিলেন। নতুন এই মডেলে আগের মতো বিল্ট-ইন ফ্ল্যাশ সুবিধা রাখা হয়নি।

নতুন প্রসেসর যুক্ত করার কারণে ক্যামেরাটির ছবি তোলার গতি অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলেকট্রনিক শাটার মোডে ব্ল্যাকআউট ছাড়া এখন প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেমে (৩০ এফপিএস) ছবি তোলা যাবে, যা এর আগের মডেলে ছিল ২৪ এফপিএস। এতে সনির সর্বাধুনিক ‘কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড বুস্ট’ ফিচার যুক্ত হয়েছে। অটোফোকাস ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আলাদা একটি এআই প্রসেসরের সাহায্যে এটি এখন মানুষ, পাখি ও প্রাণীর মুখ, চোখ, মাথা এবং সম্পূর্ণ শরীর নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে পারে। পাশাপাশি গাড়ি, ট্রেন, উড়োজাহাজ ও কীটপতঙ্গও শনাক্ত করা সম্ভব। বিষয়বস্তু হঠাৎ ঘুরে গেলে বা এলোমেলো নড়াচড়া করলেও এটি ফোকাস ধরে রাখতে পারে। কন্টিনিউয়াস ট্র্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে এর গতি বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

ক্যামেরাটিতে সবচেয়ে বড় চমক রয়েছে ভিডিও ফিচারে। ফোরকে রেজল্যুশনে সেকেন্ডে ৬০ ফ্রেমে ১০-বিট ভিডিও ধারণ করা যাবে এতে। এ জন্য পুরো সেন্সরের প্রশস্ততা ব্যবহার করা হয়। ফলে ভিডিওর মান হয় অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও স্পষ্ট। সুপার স্লো-মোশন ভিডিওর জন্য ফোরকে রেজল্যুশনে ১২০ এফপিএস এবং ফুল এইচডিতে ২৪০ এফপিএস সমর্থন করবে এটি। হাঁটার সময় ভিডিও ধারণ আরও মসৃণ করতে এর স্ট্যাবিলাইজেশন ব্যবস্থাও উন্নত করা হয়েছে। ক্যামেরাটির নকশা আগের চেয়ে অনেক বেশি ছিমছাম ও চারকোণা আকৃতির করা হয়েছে, যা অনেকটা এ৭ ফাইভ মডেলের মতো। পেশাদার ফটোগ্রাফারদের জন্য এতে জয়স্টিক, কন্ট্রোল ডায়াল ও এএফ-অন বাটন রাখা হয়েছে।

এর ইলেকট্রনিক ভিউফাইন্ডার (ইভিএফ) এবং পেছনের পর্দার রেজল্যুশন আগের চেয়ে যথাক্রমে ৩.৬৯ মিলিয়ন ডট এবং ১.৬২ মিলিয়ন ডটে উন্নীত করা হয়েছে। তবে পেছনের পর্দাটি কেবল ওপর-নিচ করা যায়, পুরোপুরি ঘোরানো যায় না। ফলে ভ্লগিং বা সেলফি তোলার ক্ষেত্রে এটি সুবিধাজনক নয়। এত দামি একটি ক্যামেরায় এই ফিচারের অনুপস্থিতি অনেককে হতাশ করতে পারে। অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে ইউএইচএস-টু এসডি কার্ড স্লট, মাইক্রোফোন ও হেডফোন পোর্ট। এর এনপি-এফজেড১০০ মডেলের শক্তিশালী ব্যাটারি একবার ফুল

চার্জে ৬৩০টি পর্যন্ত ছবি তুলতে সক্ষম। ডেটা ট্রান্সফার ও দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য এতে যুক্ত হয়েছে আধুনিক ইউএসবি-সি পোর্ট। এ ছাড়া ফোরকে রেজল্যুশনে সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেমে লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধাও রয়েছে। চলতি বছরের আগস্টে ক্যামেরাটি বাজারে পাওয়া যাবে। দাম কিছুটা বেশি হলেও উন্নত জুম সক্ষমতা এবং দুর্দান্ত ভিডিও ফিচারের কারণে এটি অনেকের নজর কাড়বে।

গুগল পিক্সেল ওয়াচের ছবি ফাঁস

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
গুগল পিক্সেল ওয়াচের ছবি ফাঁস
ছবি: সংগৃহীত

গুগলের বার্ষিক পিক্সেল ইভেন্ট দরজায় কড়া নাড়ছে। আর এই উন্মোচনের ঠিক আগে প্রযুক্তিবিশ্বে একের পর এক নতুন ডিভাইসের তথ্য ফাঁস হচ্ছে। সম্প্রতি পিক্সেল ১১ ফোনের আকর্ষণীয় রঙের পর এবার অনলাইনে প্রকাশ পেয়েছে গুগলের আসন্ন স্মার্টওয়াচ ‘পিক্সেল ওয়াচ ৫’-এর অফিশিয়াল ছবি বা রেন্ডার। এতে স্মার্টওয়াচটির চারটি ভিন্ন রঙের সংস্করণ দেখা গেছে।

যুক্তি ব্লগ ‘দ্য টাইড চার্ট’-এ অনলিকসের মাধ্যমে এই ছবিগুলো প্রথম সামনে আসে। যদিও এগুলো এখনো আনঅফিশিয়াল ছবি, তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে ছবিগুলো আসল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অনলিকস এর আগেও বহুবার বিভিন্ন ডিভাইসের সঠিক রেন্ডার ফাঁস করেছে।

তথ্যমতে, আগামী ১২ আগস্ট গুগলের বার্ষিক বিশেষ অনুষ্ঠানে পিক্সেল ওয়াচ ৫ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হতে পারে। নতুন এই ঘড়িটির ডিজাইন আগের পিক্সেল ওয়াচ ৪-এর মতোই রাখা হয়েছে। গুগল তাদের চেনা বৃত্তাকার ওয়াচ ফেস এবং ডোমড ডিসপ্লে ডিজাইনটি সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রেখেছে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা আগের মডেলের বেল্ট ও ব্যান্ডগুলো এই নতুন সংস্করণেও সহজে ব্যবহার করতে পারবেন।

তথ্য অনুযায়ী স্মার্টওয়াচটি ডার্ক অ্যানথ্রাসাইট, ন্যাচারাল সিলভার, পাইরাইট এবং ওয়ার্ম গোল্ড রঙে বাজারে আসবে। এগুলোর সঙ্গে যথাক্রমে কালো, হালকা ধূসর, অলিভ এবং কোরাল রঙের ব্যান্ড যুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ওয়ার্ম গোল্ড রংটি কেবল ছোট ৪১ মিলিমিটার মডেলে দেখা গেছে। তবে বড় ৪৫ মিলিমিটার মডেলে এটি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিবারের মতো এবারও স্মার্টওয়াচটি ওয়াই-ফাই এবং ওয়াই-ফাই প্লাস এলটিই সংস্করণে কেনা যাবে। দ্য টাইড চার্টের তথ্য অনুযায়ী, ওয়াই-ফাই সুবিধাসহ ৪১ মিলিমিটারের ছোট মডেলটির দাম শুরু হতে পারে ৩৯৯ ডলার থেকে। এটি আগের পিক্সেল ওয়াচ ৪-এর তুলনায় প্রায় ৫০ ডলার বেশি। নতুন পিক্সেল ফোনের দামও একইভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বড় ডিসপ্লে এবং এলটিই সংস্করণের জন্য দাম আরও বাড়বে। ফলে এই নতুন মডেলটির সর্বোচ্চ দাম ৫২৯ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

নতুন চিপসেট এবং ব্যাটারির সক্ষমতার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে গুগলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে পিক্সেল ওয়াচ ৫ ডিভাইসটি গুগলের সর্বশেষ ওয়্যার ওএস ৭-চালিত হবে বলে জানা গেছে। আগামী আগস্টে এটি বাজারে আসতে পারে।

আবেগ শনাক্তকারী যন্ত্রের পেটেন্টের আবেদন মেটার

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
আবেগ শনাক্তকারী যন্ত্রের পেটেন্টের আবেদন মেটার
ছবি: সংগৃহীত

মানুষের হাসি বা দীর্ঘশ্বাস শুনে তার আবেগ শনাক্ত করতে পারে– এমন একটি যন্ত্রের পেটেন্টের আবেদন করেছে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান মেটা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে পরিচালিত এই অত্যাধুনিক যন্ত্রটি ব্যবহারকারীর মনের অবস্থা খুব সহজে বুঝতে পারবে।

গত ২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিস থেকে মেটার এই নতুন আবেদনটি প্রকাশিত হয়। আবেদনে বলা হয়েছে, এই যন্ত্র ব্যবহারকারীর অবস্থান ও দৈনন্দিন কথাবার্তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। এর পর এটি ব্যবহারকারীর মানসিক অবস্থার একটি রূপরেখা তৈরি করবে। মানুষের কথা বলার ধরন এবং অন্যান্য আচরণ বিশ্লেষণ করে এটি আবেগের সূচকগুলো নির্ধারণ করতে পারবে।

এই যন্ত্র ব্যবহারকারীদের তাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য জানাবে। যেমন এটি হয়তো কাউকে বলবে যে চলতি মাসে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পেটেন্ট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান প্যাটেন্টলাইজ বিষয়টি প্রথম সবার সামনে আনে। তারা একে মেটার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ পেটেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। কারণ হিসেবে তারা ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর, অবস্থান এবং অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য টানা সংগ্রহের বিষয়টিকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে।

মেটার এই উদ্যোগ নিয়ে অধিকারকর্মীরা তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, মেটা হয়তো ব্যবহারকারীদের আবেগ ব্যবহার করে ক্ষতিকর কোনো কাজ করতে পারে। ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এই তথ্য কাজে লাগিয়ে তারা ব্যবহারকারীদের পছন্দ অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রচার করে। মেটার মোট আয়ের ৯৭ শতাংশের বেশি আসে এই বিজ্ঞাপন থেকে।

প্রযুক্তিবিষয়ক অধিকার রক্ষাগোষ্ঠী ফেয়ারপ্লের নির্বাহী পরিচালক জশ গোলিন এ বিষয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, মানুষের আবেগের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞাপন থেকে মুনাফা করতে চায় মেটা। এটি তাদের ব্যবহারকারীদের জীবনের প্রতিটি দিক পর্যবেক্ষণের একটি বড় পরিকল্পনার অংশ। তরুণদের জন্য এটি বিশেষভাবে চিন্তার বিষয়। তাই তথ্য সংগ্রহ সীমিত করতে দ্রুত গোপনীয়তা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

পেটেন্ট আবেদন বা বাজারে না আসা পণ্য নিয়ে মেটা সাধারণত কোনো মন্তব্য করে না। এ বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাস্কের মহাকাশ পরিকল্পনা নিয়ে অল্টম্যানের উপহাস

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
মাস্কের মহাকাশ পরিকল্পনা নিয়ে অল্টম্যানের উপহাস
বাম থেকে স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক ও ওপেনএআইয়ের সিইও স্যাম অল্টম্যান। ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের মধ্যে পৃথিবীর কক্ষপথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করেছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তার এই মহাকাশ পরিকল্পনা নিয়ে উপহাস করেছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান।

স্পেসএক্সের ‘স্টারমাইন্ড’ প্রকল্পের অধীনে এক লাখ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। অল্টম্যান দাবি করেছেন, সম্প্রতি আইপিওতে দুই ট্রিলিয়ন ডলারের মূল্যায়ন পাওয়া স্পেসএক্সের বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করতে এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।

সম্প্রতি ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে অ্যাপল। আইফোন নির্মাতাদের অভিযোগ, নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরির জন্য তাদের মেধাস্বত্ব চুরি করেছে ওপেনএআই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাস্কের কয়েকটি পোস্টের পর অল্টম্যান এমন মন্তব্য করেন।

এক্সে মাস্ক লিখেছেন, স্ক্যাম অল্টম্যান আবারও আঘাত হেনেছে। সে প্রতারণাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। এর জবাবে অল্টম্যান লেখেন, তুমিই সেই ব্যক্তি যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বল্পমেয়াদি স্পেস ডেটা সেন্টার বিক্রি করছ।

উত্তরে মাস্ক বলেন, আগামী বছর থেকে আমরা এগুলো ওড়ানো শুরু করব। তোমার প্যারোল অফিসার অনুমতি দিলে দেখতে আসতে পারো। ওপেন সোর্স এআই চ্যারিটি চুরির পর তুমি অ্যাপলের ফোন প্রযুক্তিও চুরি করেছ।

২০১৫ সালে আরও নয়জনের সঙ্গে ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই দুই বন্ধু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বাদানুবাদ তাদের পুরোনো দ্বন্দ্বকে সামনে এনেছে। ২০১৮ সালে মাস্ক চ্যাটজিপিটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে অল্টম্যান তাতে বাধা দেন। এর পর থেকে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

শুরুতে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা করলেও পরে ওপেনএআই লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য থেকে সরে আসার অভিযোগে চলতি বছরের শুরুতে অল্টম্যানের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন মাস্ক। পরে আদালত তা খারিজ করে দেন।

এদিকে সম্প্রতি নতুন একটি এআই ডিভাইস তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ওপেনএআই। অ্যাপলের অভিযোগ, ডিভাইস তৈরিতে ওপেনএআই কর্মীরা গোপন তথ্য চুরি করেছে। কারিগরি কর্মী থেকে শুরু করে প্রধান হার্ডওয়্যার কর্মকর্তা পর্যন্ত সবাই মিলে এই চুরি করেছে।
তবে এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, অন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক গোপন তথ্যের প্রতি তাদের কোনো আগ্রহ নেই। তারা শুধু উদ্ভাবনী প্রযুক্তি তৈরিতে মনোযোগ দিচ্ছে।

এআইয়ের প্রভাবে বাড়ল মাইক্রোসফটের কার্বন নিঃসরণ

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম
এআইয়ের প্রভাবে বাড়ল মাইক্রোসফটের কার্বন নিঃসরণ
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির প্রসারের কারণে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে ২০২৬ সালের পরিবেশগত স্থায়িত্ব প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগের বছরের তুলনায় ২০২৫ অর্থবছরে তাদের কার্বন নিঃসরণ ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এর মূল কারণ হিসেবে এআই ডেটা সেন্টারের বিপুল বিদ্যুতের চাহিদাকে দায়ী করা হয়েছে

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট গিকওয়ারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কার্বন নিঃসরণ বৃদ্ধির এই পরিসংখ্যান মাইক্রোসফটের মূল পরিবেশগত লক্ষ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দেয়, ২০৩০ সালের মধ্যে তারাকার্বন নেগেটিভহবে অর্থাৎ তারা যে পরিমাণ কার্বন নির্গমন করবে, তার চেয়ে বেশি পরিমাণ কার্বন বায়ুমণ্ডল থেকে সরিয়ে নেবে এই লক্ষ্য পূরণে আর মাত্র চার বছর বাকি থাকলেও এআইয়ের কারণে জ্বালানি, পানি ভূমির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে টেকসই সমাধানের প্রসার ঘটছে না

তবে ক্রমবর্ধমান চাহিদার মুখেও নিজেদের পরিবেশগত লক্ষ্য থেকে সরে আসতে রাজি নয় মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠানটির চিফ সাস্টেইনেবিলিটি অফিসার মেলানি নাকাগাওয়া জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে তারা আগের মতো নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন

প্রতিবেদনে কার্বন নিঃসরণ বাড়ার পেছনে আরেকটি কাঠামোগত কারণও উল্লেখ করা হয়েছে মাইক্রোসফট সম্প্রতিনবায়নযোগ্য জ্বালানি সনদকেনা বন্ধ করে দিয়েছে এর বদলে তারা সরাসরি কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির বিশ্বাস, কৌশলগত এই পরিবর্তনের কারণে সাময়িকভাবে নিঃসরণ বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে তা পরিবেশের জন্য বেশি সুফল বয়ে আনবে

নিঃসরণ বাড়লেও ২০২৫ অর্থবছরে বেশকিছু সফলতার কথাও জানিয়েছে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, বিশ্বজুড়ে তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের শতভাগ এখন নবায়নযোগ্য শক্তি দিয়ে মেটানো সম্ভব হচ্ছে পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত পানির চেয়ে বেশি পানি শোধন করে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দিয়েছে তারা এর ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবেশবান্ধব পানি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য অর্জনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল প্রযুক্তি জায়ান্টটি