ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চাপের মুখেই আর্জেন্টিনা নিজেদের সেরা ফুটবল খেলে: স্কালোনি ইরান যুদ্ধ শেষ করতে মরিয়া ট্রাম্প প্রকল্প ব্যয় সাড়ে ১৬ বছরে বরাদ্দের ৫৬ শতাংশ খরচ আবু সাঈদ হত্যার রায়: ৫ যুক্তিতে খালাস চেয়ে ৪ আসামির আপিল আজ মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা ৮৫ ফুটের মেসি এই আন্দোলন শতভাগ প্রশাসনিক ব্যর্থতা মেজাজ হারিয়ে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়কে চড় দিলেন বেলিংহাম করোনাকাল ও কোচিং সেন্টার দায়ী থাকতে পারে আল-আরাফাহ ব্যাংকের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন বাংলাদেশ রেলওয়ের ১ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ কিনতে ব্যয় হয় ৮ কোটি, লোপাট ৭ কোটি টাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কে ছিদ্র রয়ে গেছে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হলো সাজেক ২৬ বছরেও সাংবাদিক শামছুর রহমান হত্যার বিচার হয়নি ব্যবস্থাপনার সংকটে ডুবছে ঢাকা কু‌ড়িগ্রামে দুই সপ্তাহে তিস্তার পেটে ২৫ ঘর সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীতে অন্ধকার নামলে শুরু হয় বালু লুট রায় কার্যকর না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ বাইক্কা বিলের হলুদ মোমলেজি ঈশ্বরগঞ্জে পুরোনো কৃষিযন্ত্রের হাট ব্যাপক দুর্নীতি: প্রশ্নের মুখে ইউনূস সরকার ১৬ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৬ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ১৮ বিশ্বকাপের সাক্ষী ৯১ বছরের ম্যাকাইয়া ফুটবল থামিয়ে মঞ্চে উঠবেন তারকারা ১৬ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি ইংল্যান্ডকে হারানোর পরই ধাক্কা, ফিফার শাস্তির মুখে আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার থেকে নায়ক আজকের ম্যাচ আমাদের সব অর্জনকে ছাপিয়ে গেছে: স্কালোনি মাঠের বাইরেও ‘ভিএআর’ প্রয়োজন?

ঈশ্বরদীতে ৫৭ ইটভাটার সবই অবৈধ

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৪, ১১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ৫৭ ইটভাটার সবই অবৈধ
জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই ইট পোড়ানো হচ্ছে। চিমনির সামনে রাখা আছে আরও কিছু কাটা গাছ। পাবনার ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের বিলকেদার এলাকা থেকে সম্প্রতি তোলা। খবরের কাগজ

পাবনা সদর ও ঈশ্বরদী উপজেলার মাঝামাঝি ইউনিয়ন লক্ষ্মীকুণ্ডা। ৫০.৬৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই ইউনিয়নে ২২ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস। কৃষি এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান পেশা। জেলার সবচেয়ে বেশি সবজিও উৎপাদন হয় এখানে।

পদ্মা নদীঘেঁষা এই ইউনিয়নটি জেলার অন্য জায়গা থেকে তুলনামূলক নির্জন। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। একটি-দুটি নয়, ৫৭টি ইটভাটা নির্মাণ করে দিন-রাত সমানতালে তারা কাঠ পুড়িয়ে ইট বানাচ্ছেন। কয়েক বছরের ব্যবধানে এই এলাকায় কৃষি জমির পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। এসব জমির টপসয়েল (মাটির উর্বর অংশ) চলে যাচ্ছে ইটভাটায়। আর ইট পোড়াতে কাটা হচ্ছে গাছ। সব মিলিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করার রীতিমতো উৎসব এখানে শুরু হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, আগে মাঝে-মধ্যে পুলিশ-প্রশাসনের গাড়ি এসে অভিযান চালাত। তারা চলে যাওয়ার পরই আবারও ভাটা মালিকরা ইট পোড়াতে শুরু করতেন। তবে সম্প্রতি এসব অভিযানও বন্ধ হয়ে গেছে। খোদ পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার মতে, জেলার সবচেয়ে বেশি ইটভাটা রয়েছে এই ইউনিয়নে। তবে সঠিক সংখ্যা তিনি জানাতে পারেননি। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, ‘ভাটার আশপাশে ইট তৈরির মাটি ও আগুন জ্বালানোর কাঠ কম দামে পাওয়া যায়। ইটের চাহিদা থাকা ও লাভজনক ব্যবসা হওয়ায় ধীরে ধীরে এই এলাকায় ইটভাটার সংখ্যা বাড়তে থাকে। এক এক করে এই ইউনিয়নে ইটভাটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৭টিতে। সবই গড়ে উঠেছে ফসলি জমির ওপর। কোনোটিরই বৈধ কাগজপত্র নেই।’

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভাটা মালিকরা ইট পুড়িয়ে যাচ্ছেন। কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি করায় নির্গত হওয়া কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। ক্ষতি হচ্ছে শাক-সবজির পাশাপাশি ফলদগাছের। 

তারা আরও জানান, আগে মাঝে মধ্যে পুলিশ, র‌্যাব ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা গাড়ি নিয়ে আসতেন। দু-একটি অভিযান চালিয়ে জরিমানা করে চলে যেতেন। তারা যাওয়ার পরপরই ভাটার কার্যক্রম আবারও শুরু হয়ে যেত। কেনইবা তারা আসতেন, আর কেনইবা ইটভাটা আবার চালু হতো তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে রয়েছে মিশ্র পতিক্রিয়া। এর পেছনের কারণও তারা খুঁজে পান না। তবে পরে অভিযান একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। হয়তো প্রভাবশালীদের ছায়া থাকার কারণে ইটভাটা মালিকদের কেউ কিছু করতে পারেন না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিতা সরকার বলেন, ‘লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নে অসংখ্য ইটভাটা গড়ে ওঠায় সেখানকার কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। কাঠ পোড়ানো কালো ধোঁয়া ও ছাইয়ের কারণে শাক-সবজিসহ আম, লিচু, কাঁঠালগাছের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। অবিলম্বে এ কার্যক্রম বন্ধ হওয়া দরকার।’

পরিবেশ অধিদপ্তর পাবনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাজমুল হোসাইন মোবাইল ফোনে দাবি করেন, ‘ঈশ্বরদীতে সবমিলিয়ে ৫৫টি ইটভাটা রয়েছে। লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নে ৫৭ ইটভাটা রয়েছে কি না তা আমার জানা নেই। তবে ঈশ্বরদীর অধিকাংশ ইটভাটাই রয়েছে ওই ইউনিয়নে।’ এসব ইটভাটার ছাড়পত্র রয়েছে কি না জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘চারটি বাদে বাকিগুলো ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানের পর যে ইটভাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়, সেটা আবার চালু হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর শুধু ছাড়পত্র দেয়, জেলা প্রশাসন ইট পোাড়নোর অনুমতি দিয়ে থাকে।’

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবীর কুমার দাশ বলেন, ‘লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নে যেসব ইটভাটা রয়েছে তা সরকারি খাস জমির পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতেও স্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে।’

কেউ যদি সরকারি জমিতে ইটভাটা বানিয়ে থাকেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনের এই কর্মকর্তা বলেন, এগুলো জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে চলছে কি না সেটাও দেখা হবে। অনিয়ম করে কেউ ইটভাটা চালালে ছাড় দেওয়া হবে না।

কু‌ড়িগ্রামে দুই সপ্তাহে তিস্তার পেটে ২৫ ঘর

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম
কু‌ড়িগ্রামে দুই সপ্তাহে তিস্তার পেটে ২৫ ঘর
ভাঙন থেকে রক্ষা করতে একটি ঘর সরানো হচ্ছে। কুড়িগ্রামের রাজারহাটের পশ্চিম চর বিদ্যানন্দ এলাকা থেকে তোলা/ খবরের কাগজ

চলতি বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি দফায় দফায় বাড়া-কমার মধ্যে রয়েছে। উজানের ঢল ও টানা বর্ষণের প্রভাবে গত দুই সপ্তাহে কুড়িগ্রামের রাজারহাটের পশ্চিম চর বিদ্যানন্দ এলাকার অন্তত ২৫টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে মণ্ডলপাড়া জামে মসজিদ ও পূর্ব চর বিদ্যানন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে নদীর ভাঙন অনেক বাড়ির দোরগোড়ায় এসে পৌঁছেছে। এতে শতা‌ধিক পরিবার ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকেই বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

বিদ্যানন্দ এলাকার বাসিন্দা ছবুর আলী (৬৮) আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার বাড়ি ১৭ বার নদীতে ভেঙেছে। ত্রাণ পেয়েছি, কিন্তু ভাঙন ঠেকাতে কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা পাইনি। এভাবে আর কত দিন?’

ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিনের ব্যবধানে ২৫টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। আমরা ত্রাণ চাই না, এমন ব্যবস্থা চাই যাতে আর ঘরবাড়ি হারাতে না হয়।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম চর বিদ্যানন্দ এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলটি অবহেলিত। যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় দুর্যোগের সময় কিছু ত্রাণ সহায়তা মিললেও নদীভাঙন রোধে কোনো টেকসই ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

রাজারহাটের বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য রাজিয়া বেগম বলেন, ‘তিস্তা নদীর পানি বাড়া-কমার সঙ্গে সঙ্গে আমার এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তুলনায় সরকারি সহায়তা খুবই কম। গত সোমবার মাত্র ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে জিআরের চাল দেওয়া হয়েছে।’

বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার এবং সাত টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রা‌কিবুল হাসান ব‌লেন, ‘পশ্চিম চর বিদ্যানন্দে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঈশ্বরগঞ্জে পুরোনো কৃষিযন্ত্রের হাট

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
ঈশ্বরগঞ্জে পুরোনো কৃষিযন্ত্রের হাট
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের মধুপুর বাজারে গড়ে ওঠা পুরোনো কৃষিযন্ত্রের হাট/ খবরের কাগজ

হাটে ঢুকলেই চোখে পড়ে খোলা আকাশের নিচে সারি সারি সাজানো কৃষিযন্ত্র। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে এগুলো হয়তো পরিত্যক্ত বা জব্দ করা কোনো যন্ত্রপাতি। কিন্তু কাছে গেলেই বোঝা যায় প্রতিটি যন্ত্রই বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের মগটুলা ইউনিয়নে রয়েছে একটি খোলা জায়গা। সেখানে গড়ে উঠেছে পুরোনো কৃষিযন্ত্রের হাট, যা মধুপুর বাজার নামে পরিচিত।

এই হাটে মেলে পুরোনো ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ধান কাটার মেশিন, থ্রেসার, সেচ যন্ত্রসহ নানা ধরনের কৃষিযন্ত্র। এসব যন্ত্রপাতি কৃষকরা তুলনামূলক কম দামে চাষাবাদের মৌসুমে কিনতে পারেন। শুধু ঈশ্বরগঞ্জ নয়, নান্দাইল, ত্রিশাল, গৌরীপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার কৃষক, যন্ত্র ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা এখানে আসেন। ফলে এই হাট হয়ে উঠেছে কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সবার ভরসার জায়গা।
 
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যন্ত্রের ধরন, বয়স ও অবস্থার ওপর ভিত্তি করে দাম নির্ধারণ করা হয়। ৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকার মধ্যেই বিভিন্ন ধরনের ব্যবহৃত কৃষিযন্ত্র পাওয়া যায়। নতুন যন্ত্রের তুলনায় অনেক কম খরচে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি হাতে পাওয়ায় কৃষকরা আগ্রহ নিয়ে এই বাজারে আসছেন।

কথা হয় পাওয়ার টিলার কিনতে আসা ঈশ্বরগঞ্জের রাজিবপুর ইউনিয়নের উমানাথপুর গ্রামের কৃষক ফরিদ আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘নতুন একটি পাওয়ার টিলার কিনতে অনেক টাকা লাগে। এখান থেকে ভালো অবস্থার একটি ব্যবহৃত মেশিন অনেক কম দামে পেয়েছি। এতে চাষাবাদের খরচ কমবে।’

আরেক কৃষক মজনু মিয়া পার্শ্ববর্তী গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের সহনাটি গ্রাম থেকে এসেছেন। তিনি বলেন, আগে জমি চাষের জন্য অন্যের মেশিন ভাড়া নিতে হতো। এবার একটি ব্যবহৃত পাওয়ার টিলার কিনেছি। এতে সময়ও বাঁচবে, খরচও কমবে।’

এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় কৃষক বা উদ্যোক্তারা নতুন মডেলের যন্ত্র কেনার পর পুরোনোগুলো বিক্রি করে দেন। আবার অনেক নষ্ট যন্ত্রও সংগ্রহ করা হয়। সেগুলো প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আবার বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হয়। এতে তুলনামূলক কম দামে ভালো মানের যন্ত্র পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা।

হাটে যন্ত্র বিক্রি করতে আসা ব্যবসায়ী আরফান আলী বলেন, ‘অনেক কৃষকের পক্ষে নতুন যন্ত্র কেনা সম্ভব নয়। আমরা যন্ত্রগুলো পরীক্ষা করে সংগ্রহ করি। এরপর সংস্কার করে এই বাজারে বিক্রি করি। আবার কৃষকরাও তাদের পুরোনো বা নষ্ট যন্ত্র এখানে এনে বিক্রি করেন। এতে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হন। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেক কৃষক পরিচিতদের মাধ্যমে খবর পেয়ে এখানে আসেন।’

কৃষিবিদ সোহানুর রহমান বলেন, ‘দেশে কৃষিতে শ্রমিক সংকট ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়ও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে যান্ত্রিকীকরণের বিকল্প নেই। তবে যন্ত্রের উচ্চমূল্য অনেক কৃষকের জন্য বড় বাধা। সেই জায়গায় ব্যবহৃত কৃষিযন্ত্রের এমন বাজার কৃষকদের জন্য কার্যকর সমাধান হয়ে উঠতে পারে।’

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিপা রানী চৌহান বলেন, ‘পুরোনো কৃষিযন্ত্রের এই বাজার শুধু কেনাবেচার জায়গা নয়, এটি কৃষকদের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ারও একটি কার্যকর মাধ্যম। কম খরচে যন্ত্রের মালিক হতে পারায় কৃষকরা যান্ত্রিক চাষাবাদের দিকে আরও বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। এতে উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি কৃষির আধুনিকায়নও ত্বরান্বিত হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষিতে শ্রমিক সংকট মোকাবিলা এবং উৎপাদন ব্যয় কমাতে যান্ত্রিকীকরণের বিকল্প নেই। তবে ব্যবহৃত যন্ত্র কেনার আগে অবশ্যই এর কার্যক্ষমতা ও যান্ত্রিক অবস্থা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।’

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, গ্রেপ্তার ৮

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম
চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, গ্রেপ্তার ৮
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানাধীন চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় ডিজিটাল ডটনেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. ইউনুস (৪১), ইমরান হোসেন চ্যাং (৩১), আকবর হোসেন (২৪), মো. সুমন (২৭), মো. মনির ওরফে কেহেরমান (৩৮), মো. গিয়াস উদ্দিন (২১), মো. নয়ন (২০) ও মোহাম্মদ আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ (২৮)।

সিএমপি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতভর নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরমধ্যে নগরের বিভিন্ন থানায় মো. ইউনুসের বিরুদ্ধে চাদাঁবাজি, মানবপাচার, মাদক, ছিনতাইয়ের মোট ৫টি মামলা, ইমরান হোসেন চ্যাং এর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজি, মারামারি, চোরাচালান, দ্রুত বিচার আইনে মোট ১২টি মামলা, আকবর হোসেনের বিরুদ্ধে চাদাঁবাজি, সন্ত্রাস দমন ও মারামারির মোট ৬টি মামলা, মো. সুমনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, অস্ত্র, মাদক ও মারামারির মোট ৬টি মামলা, মো. মনির ওরফে কেহেরমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মারামারির মোট ৭টি মামলা ও মো. নয়নের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চুরির মোট ৪টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। 

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই দুপুর সোয়া ১২টার দিকে নগরের চকবাজার থানাধীন চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় ডিজিটাল ডটনেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী। এ সময় তারা ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, দুই কোটি টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক আদিল বিন মামুন বলেন, ‘গত শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৪টায় হোয়াটস অ্যাপে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি আমাকে কল করেন। তিনি বলেন, তার নাম ডেভিড ইমন। এরপর বলেন, চট্টগ্রাম শহরে ব্যবসা করতে গেলে আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। অন্যথায় ব্যবসা করিয়েন না। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন। আপনার ব্যবসা আমার ছেলেরা করবে। আপনি আমার সম্পর্কে জানেন না। বেশি দূর যেতে হবে না। পুলিশ কমিশনারকে জিজ্ঞেস করিয়েন আমার সম্পর্কে। হাটহাজারী, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট থেকে শুরু করে সব জায়গার গার্মেন্টসসহ অন্য ব্যবসায়ীরা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবসা করছে। আপনি ব্যবসা করতে হলে আমাকে প্রথমে এককালীন নগদ দুই কোটি টাকা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে দিতে হবে। আপনাকে আমি দুইদিন সময় দিলাম। এর মধ্যে হয় টাকা দেবেন, অন্যথায় ব্যবসা বন্ধ করে দেবেন। নইলে আপনার কী অবস্থা হয় দেখবেন।’ 

আদিল বিন মামুন আরও বলেন, ‘চাঁদার টাকা না পেয়ে সোমবার দুপুরে ৩০ থেকে ৪০ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার অফিসে হামলা চালায়। এতে আমার কম্পিউটার, ল্যাপটপ, আসবাবপত্র মিলিয়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ সময় তারা অফিসে থাকা নগদ ৪৭ হাজার টাকা, আমাদের কোম্পানির ডিরেক্টর আরিফুল ইসলামের কাঁধব্যাগে থাকা কর্মীদের বেতন বাবদ ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় চকবাজার থানায় গত ১৩ জুলাই অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৪৩/১৪৭/৪৪৮/৪২৭/৩৮৫/৩৮০/১০৯/৫০৬/৩৪ ধারায় মামলা করেন তিনি (মামলা নং-৭)।

এসএন/

ব্যাংকিং সেবায় ফি-চার্জ না বাড়াতে গভর্নরকে চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠি

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
ব্যাংকিং সেবায় ফি-চার্জ না বাড়াতে গভর্নরকে চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠি
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংকিং সেবায় নতুন করে ফি আরোপ এবং বিদ্যমান চার্জ না বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানকে চিঠি দিয়েছেন চট্টগ্রাম কমার্স অব ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক। 

বুধবার (১৫ জুলাই) পাঠানো জরুরি চিঠিতে চেম্বার সভাপতি বলেন, ব্যবসায়ী সমাজ মনে করে, এ জাতীয় প্রস্তাবনার দ্বারা অপ্রয়োজনীয় খরচকে বাধ্যতামূলক করে সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ওপর চাপিয়ে কেবলমাত্র ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর একতরফা মুনাফা বৃদ্ধি করা সম্ভব হলেও এতে করে কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস আরো বৃদ্ধি পাবে।

তিনি পত্রে উল্লেখ করেন, জাতীয় অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনয়নে ও কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস হ্রাসকল্পে ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা; একক গ্রাহক ও বৃহৎ ঋণ এক্সপোজার সংক্রান্ত নীতিমালায় সাময়িক শিথিলতা; এলসি ব্যতীত সরাসরি আমদানি করা এবং সুদের 'স্প্রেড' এর সর্বোচ্চ সীমা ৪% নির্ধারণ সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ী সমাজের কাছে ইতোমধ্যে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছে। সরকারের আকাঙ্খা অনুযায়ী যখন দেশে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও জাতীয় অর্থনীতি নতুন করে গতিশীলতা অর্জন করতে যাচ্ছে এমন সময়ে এ জাতীয় নতুন ফি আরোপ ও চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাবনা এই অগ্রগতির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। যা একই সাথে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার সরকারের উদ্যোগ ও গৃহীত সিদ্ধান্তও ব্যাহত করবে।

তিনি বলেন, এবিবি’র এলসি আবেদনে ১০০ টাকা, বৈদেশিক এলসি প্রসেসিং এ ২০ ডলার, স্থানীয় এলসি প্রসেসিং এ ১০০০ টাকা, এলসি সত্যায়নের জন্য ১০০০ টাকা, সক্রিয় এলসি বাতিলের জন্য ৫০০ টাকা ও ব্যালেন্স কনফারমেশনে ৩০০ টাকা, ঋণ প্রক্রিয়াকরণ ফি বাড়িয়ে ২%, পুনঃতফসিলে ১% এবং অগ্রিম ঋণ নিষ্পত্তি ফি বৃদ্ধি করে ২% করা, বায়ার্স ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় ১%, কর্পোরেট ঋণ ও ট্রেড ফাইন্যান্স ডিল স্ট্রাকচারিংয়ের উপর ১% চার্জ ও অতিরিক্ত ঝুঁকি প্রিমিয়াম বাবদ ১% ফি আরোপ করার যে প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে স্প্রেড কমানোর কোন সুফল তো আসবেই না, বরং নতুন বিনিয়োগ ও বেসরকারী ঋণপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে সামগ্রিক অর্থনীতির গতিশীলতা আরো হ্রাস ও ভোক্তা পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে। 

চেম্বার সভাপতি মাসে নগদ টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ৪র্থ থেকে ১০ম বার পর্যন্ত ১০০ টাকা এবং এর পরবর্তীতে ৩০০ টাকা করে চার্জ আরোপ করা, বিনা চার্জের সঞ্চয়ী গড় স্থিতির সীমা কমিয়ে ৫ হাজার টাকা, ২৫ হাজার টাকার বেশি স্থিতিতে ৩০০ টাকা ফি কাটার প্রস্তাব কার্যকর না করার জন্যও বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরকে অনুরোধ করেন। 

পত্রে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনীতি বর্তমানে যে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এমন সময়ে অহেতুক কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস বৃদ্ধি করার মত যে কোন পক্ষের এমন পদক্ষেপ গ্রহণ বা প্রস্তাব আত্মঘাতি হবে বলে আমরা মনে করি।

এসএন/

বাঁশখালীতে ২০০০ বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
বাঁশখালীতে ২০০০ বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
বাঁশখালীতে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুই হাজার বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপির উপস্থিতিতে এই ত্রাণ সামগ্রী উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে তা দুস্থ ও বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের মতো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার এই সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারকে সহযোগিতা করায় আমি সংস্থাটির প্রতি গভীর সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর (মাইক্রোফাইন্যান্স) মো. আজিজুল হক বলেন, ‘মানুষের যেকোনো দুর্যোগে পাশে থাকাই জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের মূল অঙ্গীকার। আমরা বিশ্বাস করি, মানবিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েই একটি উন্নয়ন সংস্থা তার প্রকৃত ভূমিকা পালন করতে পারে।’

তিনি আরও জানান, চলমান বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে আসছে। বর্তমানে সংস্থাটি দেশের ৫৭টি জেলায় প্রায় সাত লক্ষাধিক ক্ষুদ্রঋণ সুবিধাভোগীর সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করছে এই সংস্থাটি।

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের ডাইরেক্টর আজিজুল হকের নেতৃত্বে সংস্থার একটি প্রতিনিধিদল এই ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম,  চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমিন, খানখানাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সিকদার প্রমুখ।

শফকত/এএফ