ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
খবরের কাগজের সংবাদের পর মেট্রোরেল স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএমটিসিএল ‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি হাতিয়ায় জোয়ার-বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ, ৫ হাজার পরিবার পেল খাদ্যসহায়তা প্রবল স্রোতে বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ, দুর্ভোগে হাতিয়ার লক্ষাধিক মানুষ বাঁশখালীতে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, পানিবন্দি অর্ধলক্ষাধিক মানুষ নড়িয়ায় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা আটক ৫ বছরে ১ কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠাবে সরকার স্মার্টফোন থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ‘ক্লড কোওয়ার্ক’ ওলিসের হলুদ কার্ড বহাল রাখল ফিফা খাদ্য অধ্যায়ের ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান সাঙ্গুর পানি বিপৎসীমার উপরে, সাতকানিয়ায় পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ সবুজ ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী লোহাগাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির মাঝেই পানিবন্দি প্রসূতিকে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস বেলুচিস্তানে বিদ্রোহীদের হামলায় সেনা-পুলিশসহ নিহত ৪২ ধামরাইয়ে ৭৫ বছরের বৃদ্ধের সঙ্গে ২৫ বছরের তরুণীর বিয়ে চারঘাটে শিশু ধর্ষণের ৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ধর্ষক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য দেশ গড়া সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের বিপক্ষে মহালড়াইয়ে সাইবারিকে হারাচ্ছে মরক্কো সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু নোয়াখালীতে ফিফা সভাপতিসহ রেফারির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন গোমতীর পানি বাড়ছে, কুমিল্লার চরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে ফসল আনোয়ারায় পানিবন্দি অর্ধশতাধিক গ্রাম, সহস্রাধিক পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শোতে জাস্টিন বিবার প্রথমবার সিনেমায় শাহরুখ সুহানা এমি অ্যাওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ২৫টি মনোনয়ন পেল ‘দ্য পিট’ বদনজর লাগলে যে দুটি কাজ করবেন স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা সাজানোর চেষ্টা, গ্রেপ্তার স্বামী ময়মনসিংহে শিশু হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজনের কারাদণ্ড বিশ্বকাপ ফাইনাল মাতাবেন যারা ইরানে ২০ গুণ বড় মার্কিন হামলার ভিডিও শেয়ার করলেন ট্রাম্প

শেখ হাসিনাকে যতদিন দরকার রাজনৈতিক আশ্রয়ে রাখবে ভারত: বিক্রম মিশ্রি

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২৮ পিএম
আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩১ পিএম
শেখ হাসিনাকে যতদিন দরকার রাজনৈতিক আশ্রয়ে রাখবে ভারত: বিক্রম মিশ্রি
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সংবাদদাতা সমিতির (ডিক্যাব) একদল প্রতিনিধির সঙ্গে সোমবার (৬ অক্টোবর) মতবিনিময় করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। 

সেখানে তিনি মন্তব্য করেন, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার যে অনুরোধ এসেছে সেটি একটি আইনগত বা বিচারিক বিষয়। ভারত এটি বিবেচনা করছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

এ সময় বিক্রম মিশ্রি আরও জানান, বাংলাদেশের জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে যে রাজনৈতিক সরকারই ক্ষমতায় আসুক, তাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। যদিও বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ-বিহীন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক (ইনক্লুসিভ ও পার্টিসিপেটরি) নির্বাচনকে তারা কতটা গ্রহণযোগ্য বলে মনে করবে, সে প্রসঙ্গ বিক্রম মিশ্রি এড়িয়ে যান।

বিক্রম মিশ্রির কথা থেকে অনেকেই এই উপসিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপে খুব শিগ্গিরই আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন ঘটছে না এবং আগামী নির্বাচনেও তাদের অংশগ্রহণের কোনও সম্ভাবনা নেই- এই বাস্তবতা মেনে নিচ্ছে। 

পাশাপাশি অনেকে এমনটাও মনে করছেন, শেখ হাসিনাকে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় হস্তান্তরের সম্ভাবনাও ভারত এখন হয়তো পুরোপুরি নাকচ করতে চাচ্ছে না।

এছাড়া, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্ক সফরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম জিটিও-র মেহদি হাসানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ‘তারা বোধহয় এখনও আশা করছেন যে উনি (শেখ হাসিনা) পূর্ণ গৌরবের সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরে আসবেন, একজন বিজয়ী নেতার বেশে ফিরবেন!’

শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশের সরকার-প্রধান এবং ভারতের সর্বোচ্চ কূটনীতিকের এই দুই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সম্পূর্ণ বিপরীত তাতে কোনও সন্দেহ নেই!

শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশ বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গির বিস্তর পার্থক্য আছে। 

কিন্তু দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে চিন্তাভাবনাটা আসলে কী?-এ প্রশ্নের উত্তরে দিল্লির একাধিক শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা, সাবেক কূটনীতিবিদ ও থিংকট্যাংক ফেলো প্রায় একই রকম মন্তব্য করেছেন। আর তা হলো : শেখ হাসিনা ভারতকে একটা ‘ক্যাচ টোয়েন্টি টু’ সিচুয়েশনে ফেলেছেন। অর্থাৎ তাকে এখন দিল্লি না পারছে গিলতে, না পারছে উগরাতে!

কিন্তু তার মানে কখনোই এও নয় যে, ভারত তাকে সংকটের মুহূর্তে একাকী ত্যাগ করতে চাইছে।

ভারতের সাবেক শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিবিদ টিসিএ রাঘবন বলেন, ‘আজ যদি ভারত তাদের এত বছরের পরীক্ষিত বন্ধু শেখ হাসিনার পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার কোনও দেশে কখনেও কোনেও নেতাই ভারতের বন্ধুত্বে আস্থা রাখতে পারবে না। ফলে আমরা চাই বা না-চাই, শেখ হাসিনাকে আমরা কিছুতেই ফেলতে পারব না!’

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী বিক্রমজিত ব্যানার্জি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে গত অগাস্টের পালাবদলের পর যেভাবে ঢালাও মিথ্যা মামলার ধূম পড়েছে এবং আদালত প্রাঙ্গণেও সাবেক নেতা-মন্ত্রীদের হেনস্তা হতে হচ্ছে তাতে ভারত এটা মনে করতেই পারে যে শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর করা হলেও তিনি আদৌ সুষ্ঠু বিচার পাবেন না। শুধু এই যুক্তিতেই প্রত্যর্পণের অনুরোধ খারিজ করা সম্ভব।’  

বিজেপির ঘনিষ্ঠ ফরেন পলিসি এক্সপার্ট শুভ্রকমল দত্তর কথায়, ‘ভারত তার আতিথেয়তা, নিরাপত্তা বা সুরক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে, অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে তার এদেশে থাকার ব্যবস্থা করেছে – কিন্তু বাংলাদেশে তার রাজনৈতিক পুনর্বাসনের কোনও দায়িত্ব নেয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি যতদূর জানি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যদি কখনও শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের অনুকূল হয় এবং তিনি নিজে মনে করেন দেশে ফিরে যাবেন তাহলে অন্য কথা – কিন্তু সেটা না হলে ভারত তাকে ‘প্যারাড্রপ’ করে বাংলাদেশে বসিয়ে দিয়ে আসবে বলে ভাবছে, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।’

ফলে ‘শেখ হাসিনা বীরের বেশে বাংলাদেশে ফিরবেন বলে ভারত এখনও ভাবছে’ বলে সম্প্রতি ড: ইউনূস যে মন্তব্য করেছেন সেটাকেই খন্ডন করছেন ভারতের পর্যবেক্ষকরা। 

এত কিছুর পরেও প্রশ্নটা থেকেই যায় যে, তাহলে ভারতে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ কী?

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাই কমিশনার পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমার তো মনে হচ্ছে ওনাকে এখন বেশ লম্বা সময় এখানেই থেকে যেতে হবে। চট করে অন্য কোথাও যাওয়ার তো কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশি নেতা-নেত্রীদের আশ্রয় দেওয়ার ঐতিহ্য আছে ভারতের। তিব্বতি ধর্মগুরু দালাই লামা আজ ছেষট্টি বছরের ওপর ধরে ভারতে আছেন। সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট মহম্মদ নাজিবুল্লাহ’র পরিবারও এদেশে আছেন তিরিশ বছরের ওপর। আমি নিশ্চিত শেখ হাসিনাকেও ভারত যতদিন দরকার হবে রাখবে এবং তার প্রাপ্য সম্মান দিয়েই রাখবে।’

ফলে শেখ হাসিনাকে বিচারের জন্য বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার যেমন কোনও বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা নেই – তেমনি ভারত নিজে হাতে করে তাকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করবে এমন কোনও লক্ষণও নেই। 

সুলতানা দিনা/

বেলুচিস্তানে বিদ্রোহীদের হামলায় সেনা-পুলিশসহ নিহত ৪২

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
বেলুচিস্তানে বিদ্রোহীদের হামলায় সেনা-পুলিশসহ নিহত ৪২
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের জিয়ারত হাসপাতালে, রাতে হামলায় নিহত পুলিশদের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স আসার দৃশ্য দেখছেন সাধারণ মানুষ/ ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে পৃথক হামলায় ১৮ পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১১ সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে বিদ্রোহীরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার পর নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ জনে।

দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

বুধবার (৮ জুলাই) এক টেলিভিশনে সংবাদ সম্মেলনে সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, সোমবার থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার পর নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ জনে। নিহতদের মধ্যে চারজন বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন।

অন্যদিকে, নিরাপত্তা বাহিনীও বিভিন্ন অভিযানে ৫৪ জন বিদ্রোহী যোদ্ধাকে হত্যা করেছে।

হামলার পেছনে আফগান নাগরিকের হাত রয়েছে দাবি করে চৌধুরী বিদ্রোহীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'আমরা তোমাদের পিছু নেব, তোমাদের আঘাত করব।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'আমরা প্রতিটি সন্ত্রাসী, তাদের সহায়তাকারী, যারা তাদের আশ্রয় দেয়, লালন-পালন করে এবং যারা তাদের ঘাঁটি সরবরাহ করে তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।'

সোমবার বেলুচিস্তানের জিয়ারত জেলায় মাঙ্গি বাঁধ প্রকল্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একটি পোস্টে কয়েক ডজন বিদ্রোহী হামলা চালায় এবং সেখান থেকে ১৮ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে অপহরণ করে হত্যা করে। ওই হামলায় আরও ৯ জন কর্মকর্তা নিহত হন।

এরপর, বুধবার বেলুচিস্তানের একটি মহাসড়কে বিদ্রোহীদের অতর্কিত হামলায় একটি সামরিক যান আক্রান্ত হয় এবং এতে আরও ১১ জন সেনা সদস্য নিহত হন বলে জানান মুখপাত্র আহমেদ শরিফ চৌধুরী। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/

ইরানে ২০ গুণ বড় মার্কিন হামলার ভিডিও শেয়ার করলেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
ইরানে ২০ গুণ বড় মার্কিন হামলার ভিডিও শেয়ার করলেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ওপর পূর্বের তুলনায় ২০ গুণ বড় আকারের ভয়াবহ মার্কিন বিমান হামলার একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন ট্রাম্প।

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মার্কিন বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর সময় ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই বিমানঘাঁটির কিছু অংশ ব্যবহার করেছিল। ট্রাম্প তার হুমকিও আরও জোরদার করেছেন এবং সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালীতে তেহরান যেভাবে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তার চেয়ে ২০ গুণ বেশি কঠোরভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে।’

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়, দেশটির দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে। এর মধ্যে বুশেহরে অবস্থিত ইরানের প্রধান পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কমপ্লেক্সের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী চাবাহার, কোনারক, বন্দর আব্বাস এবং সিরিক অন্যতম। এ ছাড়াও ইরানশাহরে অবস্থিত একটি প্রধান বিমান ঘাঁটিও মার্কিন সামরিক বাহিনীর তীব্র হামলার শিকার হয়েছে।

উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সাম্প্রতিক ইরানি হামলা এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণের জবাবে ওয়াশিংটন এই পাল্টা জোরালো সামরিক অভিযান শুরু করে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে পূর্বের যুদ্ধবিরতির চুক্তিটি এখন পুরোপুরি ‘অকার্যকর’ হয়ে গেছে। সূত্র:  এনডিটিভি

আজহার/

চীনে বন্যায় নিহত ৩৯

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
চীনে বন্যায় নিহত ৩৯
টাইফুন মেসাক-এর কারণে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর উদ্ধারকর্মীরা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন/ সংগৃহীত

চীনে ঝড় মেসাক-এর প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে নাননিং শহরের ডেপুটি মেয়র ডিং উই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মৃতের সংখ্যা ছয়জন বলা হলেও বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর তা ৩৯ জনে পৌঁছায়।

তিনি জানান, শুধু নাননিং শহরের বাঁধ ভাঙার ঘটনাতেই ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গুয়াংশি অঞ্চলে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টির কারণে জলাধারগুলো উপচে পড়ে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ছবি: সংগৃহীত

বন্যার কারনে এলাকাগুলো থেকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পানিতে আটকেপড়া মানুষদের উদ্ধারে ড্রোন এবং নৌকা ব্যবহার করা হচ্ছে।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, গুয়াংশির দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বর্ষণ হয়েছে। কিছু এলাকায় ১০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার এবং সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ৯০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

উদ্ধারকাজে আট হাজারেরও বেশি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তীব্র স্রোত এবং ভাসমান ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই উদ্ধারকর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

শহরের ডেপুটি মেয়র জানিয়েছেন, বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে, তবে দুই দিন কিছু এলাকায় আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নাননিংয়ের আওতাধীন সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হেংঝু শহরে কাদা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং জীবাণুনাশক ছিটানোর জন্য কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সড়ক মেরামতের কাজ চলছে এবং ইতোমধ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎসংযোগ পুনস্থাপন করা হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে হামলা, নিহত ৩

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে হামলা, নিহত ৩
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজের কাছে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে দেশটির খুজেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তা বিষয়ক ডেপুটি গভর্নর ভ্যালিওল্লাহ হায়াতি জানিয়েছেন, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে আহভাজের উপকণ্ঠে একটি স্থানকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে হায়াতি সাংবাদিকদের বলেন, 'এই হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।'

তিনি আরও জানান, বর্তমানে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

এর আগে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলার ইরানি সক্ষমতাকে আরও দুর্বল করতে মার্কিন বাহিনী ইরানের ওপর অতিরিক্ত হামলা চালিয়েছে।

এই হামলাগুলো এমন সময় চালানো হলো যার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধ অবসানের জন্য ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক 'শেষ' হয়ে গেছে এবং বুধবার যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত ইরানে আবারও হামলা চালাবে। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি

তামান্না রুপা/অমিয়/

মার্কিন সন্ত্রাসবাদী তালিকা থেকে বাদ পড়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল সিরিয়া

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পিএম
মার্কিন সন্ত্রাসবাদী তালিকা থেকে বাদ পড়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল সিরিয়া
ছবি: সংগৃহীত

সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক দেশের তালিকা থেকে সিরিয়াকে বাদ দেওয়ায় মার্কিন প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে দামেস্ক। এই পদক্ষেপকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি 'গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি' হিসেবে উল্লেখ করেছে দেশটি।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠকের পর ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসে।

পরবর্তীতে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন এই সিদ্ধান্ত এবং ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কংগ্রেসকে দেওয়া আনুষ্ঠানিক নোটিশকে স্বাগত জানায়।

সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, 'এই পদক্ষেপটি সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং যৌথ স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে সিরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।'

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সন্ত্রাসবাদী দেশের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে সিরিয়ার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বাড়বে। সেই সঙ্গে এটি দেশ পুনর্গঠনের পরিবেশ তৈরি করবে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।' এছাড়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং শান্তি ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সিরিয়া।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৪৫ দিনের কংগ্রেসনাল নোটিশ পিরিয়ড শেষে সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ইচ্ছা কংগ্রেসকে জানিয়েছেন।

রুবিও এক বিবৃতিতে বলেন, 'সিরিয়ার জনগণকে একটি ভালো ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এটি আরেকটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'সিরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পথ উন্মুক্ত হবে, সিরিয়াকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ দেবে এবং দেশটির জনগণের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।'

আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প এবং আল-শারার মধ্যকার বৈঠকের পর এই ঘোষণাটি আসে।

ওই বৈঠকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট সিরিয়াকে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার ওপর থেকে বেশিরভাগ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও, ১৯৭৯ সাল থেকে দেশটি ওয়াশিংটনের সন্ত্রাসবাদী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। সিরিয়ার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে এই তালিকাটিকে অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে দেখা হতো।সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি

তামান্না রুপা/অমিয়/