কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সড়কের পাশে ডোবা থেকে সঞ্জিত দেবনাথ নামে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারদের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে র্যাব জানায়, অটোরিকশাটি ছিনতাই করতে সঞ্জিতকে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশ গুম করতে পানিতে ফেলে দিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
সোমবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা র্যাব-১১ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব কুমিল্লার অধিনায়ক ও স্কোয়াড্রন লিডার একেএম মুনিরুল আলম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ছুরি-চাকুসহ দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
নিহত সঞ্জিত চন্দ্র দেবনাথ (৫৮) কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার শাহদৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সঞ্জিত বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের রামপুর এলাকার একটি জলাশয় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত সঞ্জিতের ছেলে অর্পণ দেবনাথ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে বুড়িচং থানায় একটি হত্যামামলা দায়ের করেন।
সেই মামলায় ছায়াতদন্ত করতে গিয়ে হত্যারহস্য উন্মোচন করে র্যাব। পরে ১ অক্টোবার রাতে অভিযান চালিয়ে গেপ্তার করা হয় হত্যায় জড়িত পাঁচজনকে। গ্রেপ্তাররা হচ্ছেন - কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মো. নুর ইসলাম (২৫), দেবিদ্বার উপজেলার মো. মিজান (২৪), মুরাদনগর উপজেলার শিপন মিয়া (২৩), চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার মো. মিজানুর রহমান (৩৫) এবং মো. মোখলেছ (৩৭)।