ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ফ্রন্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না? বন্যাদুর্গত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্দি বিনিময় চুক্তিতে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর কাজ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সংস্কারে আইএমএফ সম্মত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী লালদিয়াচর টার্মিনালের চুক্তি বাতিল বা পুনঃচুক্তি হবে না: নৌপরিবহনমন্ত্রী ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটির রোল মডেল হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অতিবৃষ্টি ও বন্যা কেন আসে? ‘আসুন চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, বন্যার শঙ্কা বর্তমান পারফরমেন্স কে এগিয়ে ফ্রান্স না স্পেন? শাহরাস্তি উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মরদেহ উদ্ধার মৌলভীবাজারে পানি নামলেও কমেনি দুর্ভোগ মারিয়ানো রাখয়ের বর্ণবাদী মন্তব্যে যা বললেন স্পেন ডিফেন্ডার সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেক্সিকোতে ট্রাকের ধাক্কায় দুই শিশুসহ নিহত ১০ শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন প্রস্তাব দিলো ইইউ হবিগঞ্জে নেমেছে বন্যার পানি, কৃষি ও মৎস্য চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বর্জ্যের স্তূপ ধস, ৯ শ্রমিক নিহত ‘জুরাসিক পার্ক’ খ্যাত অভিনেতা স্যাম নিল আর নেই

পিতাম্বর্দি স্টিলের ব্রিজটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে

প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম
পিতাম্বর্দি স্টিলের ব্রিজটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে

দাউদকান্দি দক্ষিণ অঞ্চল এবং চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ অঞ্চলের সংযোগস্থলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম পিতাম্বর্দি স্টিলের ব্রিজটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত জং আর সংস্কারের অভাবে ব্রিজটির মাঝখানের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। এই ভাঙা অংশ দিয়েই প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের প্রাণহানির কারণ হতে পারে। ব্রিজটির অবকাঠামো জং ধরে এতটাই নড়বড়ে হয়ে গেছে যে, ভারী যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ রিকশা বা মোটরসাইকেল উঠলেও পুরো ব্রিজ কাঁপতে থাকে। মাঝখানের ভাঙা অংশ দিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ছোট যানবাহন নিচে পড়ে গিয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পিতাম্বর্দি এলাকার এ ব্রিজটি দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিন কয়েক শ শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ নড়বড়ে ব্রিজটি পার হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে ভাঙা অংশটি দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান অবস্থায় ব্রিজটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায়, জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পিতাম্বর্দি ব্রিজটি সংস্কার অথবা একটি স্থায়ী নতুন ব্রিজ নির্মাণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ 
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 
[email protected]

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যার কারণে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু দেশের একটি অঞ্চল যে বন্যায় ভেসে যাচ্ছে তা দেশের মানুষের আলোচনায় নেই। বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য যে নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত, এই চিন্তা আমাদের মাথায় এখন নেই। এখন আমরা ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে আছি! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় দেশের মানুষ ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মাতামাতি করছে কিন্তু দেশের একটা অঞ্চল যে বন্যায় তলিয়ে যাচ্ছে এ নিয়ে কোনো মানবিক প্রতিক্রিয়া নেই। অন্তত জুমার নামাজের পর তাদের জন্য তো আমরা দোয়াটুকু করতে পারতাম। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মসজিদ থেকে বের হয়েই মসজিদের বারান্দায় মানুষ একে অপরের সঙ্গে ফুটবল বিশ্বকাপের আলোচনা করছে। দুয়েকজন নয়, জোড়ায় জোড়ায় আলোচনা করছে। তাও আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সচেতন মানুষ এমন করছে। তাদের আলোচনার গভীরতা দেখে মনে হলো বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে। অথচ এখন আমাদের আলোচনায় থাকার কথা বন্যাদুর্গত মানুষদের কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি। আমরা কেমন জানি একটা জাতি, নিজেদের নিয়ে আমাদের কোনো হুঁশ-জ্ঞান নেই। এভাবে আমরা আর কতকাল চলব? 

মুজতবা 
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন?

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন?

নোয়াখালীতে সড়কে বালু রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার খবর আমরা প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে দেখি। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন তাৎক্ষণিক তৎপরতা নিশ্চয়ই প্রশংসনীয়। কিন্তু একই আইনের প্রয়োগ যখন দেশের রাজধানী ঢাকার রূপনগর আবাসিক এলাকায় দেখা যায় না, তখন নাগরিক মনে গভীর ক্ষোভ ও প্রশ্ন জাগে। রূপনগর আবাসিক এলাকার প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ভেতরের গলিগুলোর চিত্র অত্যন্ত নাজুক। বছরের পর বছর ধরে এখানে নতুন ভবন নির্মাণের নামে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে প্রকাশ্যে বালু, রড, ইট ও সিমেন্টসহ নানা নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা হচ্ছে। অথচ আজ পর্যন্ত এই এলাকায় এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ভ্রাম্যমাণ আদালতের দৃশ্যমান অভিযান বা জরিমানা করতে দেখা যায়নি। শুধু নির্মাণসামগ্রীই নয়, রাস্তার সিংহভাগ দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে কাঁচাবাজার ও নানা ধরনের দোকানপাট।

ফুটপাত ও মূল সড়ক এভাবে বেদখল হয়ে থাকায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট ও মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খোলা অবস্থায় রাস্তায় বালু ও রড রাখার কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, যা পথচারীদের জীবনের জন্য প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি করছে। মফস্বল বা জেলা শহরগুলোতে যদি প্রশাসন জনস্বার্থে এত সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে, তবে রাজধানীর বুকে এমন প্রকাশ্য জনদুর্ভোগের পরও কেন কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে? স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘবে রূপনগর এলাকাতেও অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে রাস্তা ও ফুটপাত সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করা হোক।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

ঋণ গ্রহীতার ট্যাক্স ফাইল প্রস্তুতে সতর্ক হোন

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
ঋণ গ্রহীতার ট্যাক্স ফাইল প্রস্তুতে সতর্ক হোন

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট সীমার বেশি ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, এমনকি ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার ক্ষেত্রেও বর্তমানে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে, রিটার্ন প্রস্তুত এবং জমা দেওয়ার সম্পূর্ণ আইনি দায়িত্ব কিন্তু ঋণ গ্রহীতার নিজের অথবা তার দ্বারা মনোনীত ও অনুমোদিত ট্যাক্স আইনজীবীর। অনেক সময় দেখা যায়, লক্ষ্যমাত্রা বা টার্গেট পূরণের জন্য মূল ব্যাংক বা এজেন্ট ব্যাংকে কর্মরত ব্যক্তিরাও ঋণগ্রহীতার সম্মতিতে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সাবমিট করে দেন। এটি নিয়মসিদ্ধ বা দোষের কি না–তা এখানে আলোচ্য বিষয় নয়। সঠিক নিয়মে ঋণের হিসাব ফাইলে না দেখালে তা পরবর্তীতে ‘অপ্রদর্শিত আয়’ বা ‘কালো টাকায়’ রূপ নিতে পারে কি না, সেটাই ভাববার বিষয়। এমনকি ট্যাক্স ফাইলের ভুল ব্যাখ্যার কারণে বড় অঙ্কের জরিমানা পর্যন্ত আরোপ হবার আশঙ্কা থাকে। তাই ঋণ গ্রহীতার ফাইল প্রস্তুতকালে দক্ষতার সঙ্গে আইনি কলাকৌশল অবলম্বন ও ক্যালকুলেশন করা খুব বেশি প্রয়োজন। বিশেষত ফাইল প্রস্তুতের সময় খেয়াল রাখতে হয় ঋণের ক্যাটাগরি, ঋণের ব্যবহার, ঋণের প্রভাব, ঋণের প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি বিষয়াদি। এ ছাড়া আয়-ব্যয়, সম্পদ-দায়, বিনিয়োগ-প্রাপ্তি, ক্ষতি-খরচ, উৎসে কর, প্রদেয় কর এবং কর রেয়াতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলো সুনিপুণভাবে পরিগণনার কাজেও এক্সপার্ট হতে হয়। অনলাইন মানেই সবকিছু সোজা–বিষয়টা মোটেও এমন নয়। একটি ভুল বা অসতর্ক রিটার্ন সাবমিশন আপনাকে ভবিষ্যতের বড় আইনি ও আর্থিক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই ঋণ নেওয়ার আনন্দে মেতে ওঠার পাশাপাশি আপনার ট্যাক্স ফাইলে সব হিসাব ঠিকঠাকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে তো? সময় থাকতেই সচেতন হোন।

পলাশ কুণ্ডু
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তালিকাভুক্ত আয়কর আইনজীবী ও 
সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন
[email protected]

শিখা অনির্বাণ চালুর উদ্যোগ নিন

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
শিখা অনির্বাণ চালুর উদ্যোগ নিন

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি। এই স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী লাখো শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকে ধারণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্মৃতিসৌধ ও স্মারক নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত শিখা অনির্বাণ তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্মারক, যা মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি জাতির চিরন্তন শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি শিখা অনির্বাণের শিখা নিভিয়ে রাখার বিষয়টি জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে এ নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য, বিশ্লেষণ ও দাবি প্রচারিত হচ্ছে। তবে এসব দাবির সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করাই সমীচীন। শিখা অনির্বাণ কোনো ধর্মীয় উপাসনা বা আচার-অনুষ্ঠানের প্রতীক নয়; বরং এটি একটি জাতীয় স্মারক, যা মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করিয়ে দেয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেও জাতীয় স্মৃতিরক্ষার উদ্দেশ্যে অনুরূপ অনির্বাণ শিখা বা স্মারক সংরক্ষণ করা হয়। এসব স্মারকের মূল উদ্দেশ্য ইতিহাস সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দেওয়া এবং জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমকে শক্তিশালী করা। তাই সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে শিখা অনির্বাণ পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক। পাশাপাশি, এটি বন্ধ রাখার কারণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা জনসমক্ষে তুলে ধরা হলে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শহিদদের আত্মত্যাগ এবং জাতীয় স্মৃতিচিহ্নের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

খান ইয়ামিন
আহ্বায়ক আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার
২ নং হাবেলী গোপালপুর সদর ফরিদপুর
[email protected]

প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাইমারি স্কুল একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম বিদ্যানগর। এটি ছোট্ট সোনামণিদের প্রাথমিক জ্ঞানের কেন্দ্র। তারা শিখবে নৈতিকতা, সুন্দর আচরণ ও আদর্শ। সম্প্রতি ভিডিও ফুটেজে লক্ষ করা যায় একজন শিক্ষিকা স্টুডেন্ট কর্তৃক পা ম্যাচেজ করাচ্ছেন এবং অন্য একজন ফোন ব্যবহার করছেন ইত্যাদি।

এটি শিশুদের জন্য যেমন ক্ষতিকর ও অনৈতিক শিক্ষাদানের লক্ষণ। তেমনি শিক্ষকদের জন্যও বড় লজ্জার এবং সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিক আচরণ। এমন আচরণ ছোট্ট শিক্ষার্থীদের আচরণে বিরূপ প্রভাব পড়বে। শিক্ষকদের পরিস্থিতি এরূপ হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে অনাগ্রহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অতএব, শিক্ষাব্যবস্থা সুন্দর পরিচালনায় দ্রুত অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]