ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জলের আঙুল মেঘ আষাঢ়ের জলাভিসার আষাঢ়ের মুখ যদিও এই সজল বর্ষা প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন হবিগঞ্জে বাঁধ ভাঙনে ২৫ গ্রাম পানিবন্দি, ভোগান্তিতে ৩০ হাজার বাসিন্দা মেঘের সৌধ থেকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফুটবল আবেগ এক নতুন সম্ভাবনা বৃষ্টি ভেজার কাঁপন বরষা, এ চল্লিশে আষাঢ়ের রূপ বাউরি বর্ষার ঝোড়ো রাত আষাঢ়ি পূর্ণিমায় স্ক্রিনে বন্দি শৈশব-কৈশোর আষাঢ়ের বাদলধারা বৃষ্টিস্নাত বিশেষত তোমাকে বাদলফকির ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিলেন মরক্কোর কোচ রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার লাভ-ক্ষতি আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম এসেছ আজ কী মহাসমারোহে উপভোগ্য ছিল পদ্মায় ইলিশ ধরা গ্রাফিতিতে বিশ্বকাপ, ফুটবল উন্মাদনায় ভাসছে জাককানইবি মরক্কোকে বেছে নেওয়ায় আফসোস নেই বুয়াদির নজরুলের অভিযান কবিতার এক শ বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তার বাঁশখালীতে জামায়াত আমিরের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন স্পেনকে হারাতে নিখুঁত ম্যাচ খেলতে হবে: লুকাকু লালপুরে হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আলমডাঙ্গায় এক নারীর সহযোগিতায় আরেক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
আলমডাঙ্গায় এক নারীর সহযোগিতায় আরেক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ
গ্রেপ্তার ছয় আসামি। ছবি: খবরের কাগজ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারী এক নারীসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত ২৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে উপজেলার খাদিমপুর বেলেদারী ফাঁকা মাঠের পার্শ্ববর্তী একটি আমবাগানে এ পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। 

শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।

গ্রেপ্তাররা হলেন- সদর উপজেলার সাতগাড়ী গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা, আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর গ্রামের মিজান, সামাদ আলী, আদম, শাহজাহান এবং শিয়ালমারি গ্রামের আব্দুস সালাম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সদর থানার সাতগাড়ী এলাকার বাসিন্দা ওই নারীর (ভিকটিম) সঙ্গে কৌশলে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন একই এলাকার ফয়সালের স্ত্রী কবিতা (৩০)। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে গত ২৫ মার্চ কবিতাই ভিকটিমকে ফুঁসলে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল কবিতার খালাতো ভাই আব্দুস সালাম। সালাম আরেকটি ইজিবাইক নিয়ে এলে কবিতা ভিকটিমকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের দিকে রওনা দেন।

পরে তারা আলমডাঙ্গা থানার খাদিমপুর বেলেদারী ফাঁকা মাঠের কাছে পৌঁছে ইজিবাইক চালককে ভাড়া দিয়ে বিদায় করে দেন। এরপর আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভিকটিমকে পাশের জনৈক খসরুর আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলীর সহযোগিতায় আদম আলী ও মিজান ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়া হয়।

পরে ওই রাতেই কবিতা ও ভিকটিমকে ইজিবাইকে করে পুনরায় চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নামিয়ে দিয়ে যায় আসামিরা।

বাড়ি ফেরার পর অসুস্থ হয়ে পড়া ওই নারী তার স্বামীর জিজ্ঞাসাবাদে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। এরপর তিনি নিজেই বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

মামলার পরপরই চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান তাৎক্ষণিক জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পরে আজ ২৮ মার্চ ভোর ৪টার দিকে আসামিদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান খবরের কাগজকে বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। ভিকটিম অভিযোগ করার পরপরই আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। আমাদের দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন অভিযানের ফলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মূল পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত ছয় আসামির সবাইকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।’

মিজানুর রহমান/অমিয়/

নড়িয়ায় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা আটক

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
নড়িয়ায় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা আটক
ছবি: খবরের কাগজ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নিজ মেয়েকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা শহীদুল ইসলাম দেওয়ানকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত শহীদুল ইসলাম দেওয়ান উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের পাঁচক গ্রামের বাসিন্দা। 

ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম দেওয়ানের তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর গত দুই বছর আগে ছোট মেয়েকে তিনি বিয়ে দেন। মেয়ের স্বামী প্রবাসে থাকায় বাবার বাড়িতে থাকতেন মেয়ে। এদিকে, ঘরে একা থাকার সুযোগে শহিদুল ইসলাম দেওয়ান তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি কাউকে বলতে না পারলেও কয়েকদিন আগে কৌশলে বাবার এমন কর্মকাণ্ডের কয়েকটি ভিডিও ধারণ করেন মেয়ে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তারা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

ভুক্তভোগী ওই মেয়ে অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে আমাকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা করতেন। আমি কিছু বললে তিনি আমাকে মারধর করতেন এবং ভয়ভীতি দেখাতেন। আমি তার অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির বেশকিছু ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রেখেছি। এক পর্যায়ে সহ্য করতে না পেরে আমি স্থানীয়দের বিষয়টি জানিয়েছি, আমি তার কঠিন বিচার চাই। 

এ ব্যাপারে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। আজ দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিধান মজুমদার/নাঈম

চারঘাটে শিশু ধর্ষণের ৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ধর্ষক

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
চারঘাটে শিশু ধর্ষণের ৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ধর্ষক
ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহীর চারঘাটে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলার আট ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত দেব চন্দ্র দাসকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে রাজশাহী র‍্যাব-৫ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুরুল কবির এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আরজিসাদীপুর এলাকার বাসিন্দা দেবচন্দ্র দাস বুধবার (৮ জুলাই) সাত বছর বয়সী এক শিশুকে টিভি দেখানো ও খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

শিশুটিকে দীর্ঘক্ষণ দেখতে না পেয়ে শিশুটির মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত দেবের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন তিনি। এ সময় শিশুটির কান্নাকাটির কারণ জানতে চাইলে ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভুক্তভোগী শিশুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার (৯ জুলাই) বিকেলেই ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে চারঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দেবকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মামলার পরপরই আসামিকে ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে র‍্যাব। বুধবার (৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টার দিকে মহানগরীর মতিহার থানা এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে চারঘাট থানায় হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এনায়েত করিম/খাদিজা রুমি/

স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা সাজানোর চেষ্টা, গ্রেপ্তার স্বামী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা সাজানোর চেষ্টা, গ্রেপ্তার স্বামী
অভিযুক্ত স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে গৃহবধূ আছমা আক্তার (২৬) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

সংস্থাটি জানায়, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম শেখের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আছমা আক্তার, তার স্বামী মুহাসিন মাতুব্বর এবং তাদের চার বছরের মেয়ে মাইশা আক্তার। প্রায় চার মাস ধরে তারা সেখানে বসবাস করছিলেন।

তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, আছমার আগে দুটি বিয়ে হয়েছিল। বিষয়টি স্বামীর কাছে গোপন রাখাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। ঘটনার আগের রাতেও এশার নামাজের পর পুরোনো একটি জামা পরাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মুহাসিন আছমাকে মারধর করেন এবং তার কাপড় ছিঁড়ে ফেলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পিবিআই জানায়, ৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাস্তা প্রস্তুত না থাকায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও তর্ক শুরু হয়। আছমা মাথাব্যথার কথা জানালে মুহাসিন তাকে আগের বিয়ে নিয়ে কটূক্তি ও গালিগালাজ করেন। বেলা ১১টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি আছমাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এক পর্যায়ে গলা চেপে ধরে ধাক্কা দিলে তিনি কাঠের পাটাতনে পড়ে আঘাত পান। এরপর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহ ঝুলিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন। তবে তা সম্ভব না হওয়ায় মরদেহ খাটে শুইয়ে রেখে চার বছরের কন্যাকে নিয়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই শামীম তালুকদার বাদী হয়ে ৭ জুলাই টঙ্গীবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ঘটনার পর পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার নেন।

পিবিআই প্রধানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং মুন্সীগঞ্জ পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহানের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৭ জুলাই গোপালগঞ্জের মকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত মুহাসিন মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পিবিআই জানায়, মামলার অন্যান্য তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।

মঈনুদ্দিন আহমেদ/আজহার/

রিকশাচালক সাকিবুল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
রিকশাচালক সাকিবুল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক সাকিবুল (১৬) হত্যার রহস্য উদঘাটন করে মূল আসামি আসাদুজ্জামান আসাদকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী।

গ্রেপ্তার আসাদুজ্জামান আসাদ জামশা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের একটি হোটেলের সহকারী ম্যানেজার ছিলেন।

নিহত সাকিবুল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের রহমত আলীর ছেলে।

পিবিআই জানায়, বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় সাভার উপজেলার হেমায়েতপুরের যাদুরচর আয়েশা আক্তার মাদরাসা গেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, গত ৩০ জুন কর্মস্থল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কিশোর সাকিবুলের ব্যাটারিচালিত রিকশা ভাড়া করে রওনা হন আসাদ। সড়ক ভাঙা থাকায় প্রচণ্ড ঝাঁকুনি লাগে তার। এতে আসাদ বিরক্ত হয়ে সাকিবুলকে ধীরে গাড়ি চালাতে বলেন। একপর্যায়ে তিনি আসন থেকে পড়ে গেলে, ক্ষিপ্ত হয়ে পেছন থেকে সাকিবুলকে থাপ্পড় মারেন। এতে ব্যাটারিচালিত রিকশাটি রাস্তার পাশের গাছে আটকে যায়।

পরে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে সাকিবুল চিৎকার করলে আসাদ তার মুখ চেপে ধরেন। পরে কাদার মধ্যে উপুড় করে চেপে ধরলে শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায় সাকিবুল। ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় আসাদের এক পায়ের স্যান্ডেল সেখানে পড়ে থাকে।

পিবিআই জানায়, গত ৩০ জুন বিকেল ৩টার দিকে বাবার ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে বের হন সাকিবুল। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। পরের দিন ১ জুলাই একটি পাটখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২ জুলাই বিকেলে নিহতের বাবা রহমত আলী সিংগাইর থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী জানান, তদন্তের শুরুতেই মিতরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আসাদ মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাকে আদালতে হাজির করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আসাদ জামান/থিওটোনিয়াস/

আলমডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
আলমডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা
ছবি: খবরের কাগজ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় পলান উদ্দীন (৮০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার গোবিন্দপুর তামালতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে পলান উদ্দীনের পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে জমিকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন পলান উদ্দীনের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

মিজানুর রহমান/তামান্না রুপা/